ঢাকা ২ বৈশাখ ১৪৩১, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

ডিজিটাল ছিনেমার গল্প: আমি তুমায় বালুবাসি

প্রকাশ: ৩০ জানুয়ারি ২০২৪, ১২:১২ পিএম
ডিজিটাল ছিনেমার গল্প: আমি তুমায় বালুবাসি

দুই তরুণ-তরুণী একে অপরকে খুব ভালোবাসে। তাদের নাম শুভ ও মাধবী। 

এক দিন শুভ মাধবীর ফেসবুক ওয়ালে লিখল, ‘জানু, আই লাভ ইউ!’ তখন তাদের শুভাকাঙ্ক্ষীরা সেই ওয়ালপোস্টে লাইক দিল। লাইকসংখ্যা দেখে মাধবীর সে কী আনন্দ!

আর অন্যদিকে হিংসুটে সমাজ একটা ডিসলাইকের বাটনের দাবিতে আন্দোলন শুরু করল। আর এই সুযোগে বিরোধীদলীয় ষড়যন্ত্রকারীরা ডিসলাইক বাটনের একটা স্প্যাম লিংক তৈরি করে পুরো ফেসবুকে ছড়িয়ে দিল।

এক দিন মাধবী বলল, ‘ওগো, তুমি আমাকে এত আদর করে ফেসবুকে পোক দাও কেন? আমার এত্ত ভালো লাগে। তোমার পোক পেয়ে আমি বারে বারে শিহরিত হই।’

শুভ খুশি হয়ে বলল, ‘আমার ঘরের দরজা খুলে দেখো, টেবিলের ওপরে আমার পিসির মাউস তো শুধু তোমাকে পোক দেওয়ার জন্যই। যতদিন আমার মাউস অক্ষত থাকবে, ততদিন তোমায় দিয়ে যাব ভালোবাসার পোক, প্রমিজ।’

এভাবে ভালোই চলছিল তাদের প্রেম। সারা দিন ইনবক্স মেসেজিং, দিনে ১০-১২টা ওয়ালপোস্ট, পাঁচটা স্ট্যাটাস, একটা নোট। আহা! একেই তো বলে প্রেম!

শুভর পরিবার মেনে নিলেও হঠাৎ ঝামেলা করল মাধবীর মা-বাবা। তারা কিছুতেই এ সম্পর্ক মেনে নিল না। তাই বাধ্য হয়ে পালিয়ে তারা বিয়ে করে ফেলল। তারা একটা গ্রুপ খুলল। কোলাজড গ্রুপ। মেম্বার শুধু তারা দুজন। সেখানেই তারা ঘরসংসার শুরু করল। গ্রুপের ওয়ালেই সব সাংসারিক কাজকর্ম, ভালোবাসার আদান-প্রদান সম্পন্ন হতে থাকল।

একসময় তাদের পরিবারের সব লোকজন এ খবর জেনে গেল। মাধবীর মা কাঁদতে কাঁদতে বললেন, ‘হায়রে আমার পোড়া কপাল। কত ইচ্ছা ছিল মেয়ের বিয়েতে ফেসবুকে একটা ইভেন্ট খুলব। কত লোককে ইনভাইট করব। কিছুই হলো না রেএএএএ।’

মাধবীর বাবা রেগে গিয়ে বললেন, ‘আমি এ বিয়ে মানি না। বিয়ের প্রমাণ কোথায়? বিয়ের একটা রীতিনীতি আছে। সমাজের কাছে আমি মুখ দেখাব কীভাবে? বিয়ে করতে হলে ফেসবুকে রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস চেঞ্জ করতে হয়। সেখানে ছেলেমেয়ে উভয়পক্ষকে কনফার্ম করতে হয়। তোমরা তা করোনি।’

শুভ বলল, ‘মাই ডিয়ার ফাদার ইন ল, আমরা তা করেছি! আপনাকে বহু আগে আমরা ব্লক করেছি। তাই আপনি দেখেননি।’

মাধবীর বাবা আরও রেগে বললেন, ‘কী এত বড় স্পর্ধা! কোথায় সেটা? আমাকে দেখাও।’

শুভ নিজের প্রোফাইল গিয়ে হিস্টোরিকাল পোস্টটি দেখাল। মাধবীর বাবা অবজ্ঞার হাসি হেসে বললেন, ‘ছোহ! ওই পোস্টে মাত্র ১১ জন লাইক দিয়েছে। এত কম লাইকে বিয়ে সম্পন্ন হয় না।’

এবার শুভ চিৎকার করে উঠল, ‘ফাদার ইন ল, আমাদের ফ্রেন্ডলিস্ট গরিব হতে পারে, কিন্তু আমাদের হৃদয়ে ভালোবাসা আছে। ভুলে যাবেন না, লাইক দিয়ে ভালোবাসা কেনা যায় না!’

মাধবীর বাবা রাগে-ক্ষোভে বললেন, ‘ছোটলোক ফেসবুকার কোথাকার! জাকারবার্গ আমার বন্ধু। আমি এখনি তোমার নামে রিপোর্ট করাব!’

বাবার কথা মাধবী কেঁদে ফেলল, ‘নাআআআ! তুমি আমার নামে রিপোর্ট করো। তবু তোমাদের জামাইয়ের ক্ষতি করো না। আমার রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস তুমি মুছে দিও নাআআআ! তোমার দোহাই লাগে...’

মাধবীর বাবা বললেন, ‘ছি! তোর এত অধঃপতন! আমি আজই তোকে আমাদের ফেসবুক ফ্যামিলির ডটার লিস্ট থেকে রিমুভ করব। মাধবীর মা, আমার ল্যাপটপটা নিয়ে এসো।’

মাধবীর মা ভয়ে ভয়ে ল্যাপটপ এনে দিল। সঙ্গে সঙ্গে মাধবীর বাবা ফেসবুকে লগইন করার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়লেন ল্যাপটপের ওপর।’

মাধবীর মা বললেন, ‘ওগো তুমি শান্ত হও। তোমার ল্যাপটপের শরীর ভালো না। এত অস্থির হলে যদি একেবারে নষ্ট হয়ে যায়!’

এদিকে শুভ মাধবীর হাত ধরে বলল, ‘চলো মাধবী। আমরা আমাদের ছোট্ট গ্রুপে ফিরে যাই। আভিজাত্যের বড়াই থাকলে ভালোবাসা জন্মায় না।’

তারা ফিরে গেল তাদের ছোট্ট গ্রুপে। এরপর এক দিন দুর্বৃত্তরা মাধবীর বাবার ফেসবুক আইডি হ্যাক করে ফেলল। হ্যাকাররা সেই আইডি ব্যবহার করে নানা অপকর্ম করতে লাগল। এতে মাধবীর বাবার মান সম্মান ধুলোয় মিশে গেল।

কিছুদিন পরে বহুকষ্টে বন্ধু জাকারবার্গের সহায়তায় আইডি পুনরুদ্ধারে সক্ষম হলেন তিনি। কিন্তু এরপর থেকে প্রতিদিন লাইক সংখ্যা কমতে লাগল। মাধবীর বাবা বুঝতে পারলেন যে এতদিন তিনি যা পেয়েছেন তা শুধুই খ্যাতি। একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় তার খ্যাতি শেষ হয়ে গেছে। তিনি কারও ভালোবাসা শ্রদ্ধা পাননি। আসলেই লাইক দিয়ে ভালোবাসা কেনা যায় না।

মাধবীর বাবা তার ভুল স্বীকার করলেন। বুকে টেনে নিলেন শুভ ও মাধবীকে। ফ্যামিলি লিস্টে এ দুজনকে অ্যাড করে নিলেন। এরপর তিনি তার বিশাল বিশাল ফেসবুক পেজের অ্যাডমিনশিপ দিয়ে দিতে চাইলেন জামাই শুভকে।

তবে শুভ একজন আদর্শ ফেসবুকার। সে জীবনেও মাধবী ছাড়া কোনো নারীকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট দেয়নি। তাই নিজ আদর্শে অটুট শুভ হাসিমুখে মাধবীর বাবার এ উপহার প্রত্যাখ্যান করল।

তারপর ফাদার ইন ল আর মাদার ইন ল কে দুইখানা শ্রদ্ধা মেশানো ফেসবুক পোকে দিয়ে বিদায় নিল শুভ।

তারপর সুখে-শান্তিতে ছোট্ট গ্রুপে ঘরসংসার করতে লাগল শুভ আর মাধবী। মাঝে মধ্যে এক মায়াবী সন্ধ্যায় সূর্যের বিদায়ক্ষণে গিটার হাতে মাধবীর প্রোফাইলে চোখ রেখে শুভ গেয়ে ওঠে, 

‘পড়ে না চোখের পলক! 
কী তোমার প্রো পিকের ঝলক!
দোহাই লাগে প্রো পিক তোমার 
একটু হাইড করো!
আমি মরেই যাব
ডিঅ্যাকটিভ হব
লগইন করাতে পারবে না কেউ!’

কলি

উচিত শিক্ষা

প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৪, ১২:১৯ পিএম
উচিত শিক্ষা

এক বৃদ্ধ ট্রেনে উঠেছেন। সেই বগিতে বৃদ্ধ একাই ছিলেন। হঠাৎ ১২ জন যুবক চলন্ত ট্রেনের ওই বগিতে উঠেই চিৎকার করে গান গাইতে শুরু করল। ছুরি দিয়ে আম কেটে খাচ্ছিল তারা। হঠাৎ একটি যুবক বলে উঠল, চল আমরা ট্রেনের চেইনটা টেনে ট্রেনটাকে থামিয়ে দিই।

দ্বিতীয় যুবক: না দোস্ত, লেখা আছে ৫০০ টাকা জরিমানা অন্যথায় এক মাস জেল।

প্রথম যুবক: আমরা ১০০ টাকা করে চাঁদা তুলি। ১২০০ টাকা হবে। জরিমানা দেওয়ার পর বাকি ৭০০ টাকা দিয়ে লাঞ্চ করব। 
ওকে, তাই হবে বলেই ১২০০ টাকা তুলে প্রথম যুবকের পকেটে রাখল।

তৃতীয় যুবক: আমরা চেইন টেনে ওই বুইড়াটাকে দেখিয়ে দিলে ৫০০ টাকাও বাঁচল আবার মজাও করা হলো। আমরা ১২ জনে সাক্ষী দিলে টিটি মেনে যাবে।

বৃদ্ধ ভয় পেয়ে হাত জোড় করে বললেন: বাবারা, তোমরা আমার ছেলের বয়সী। কেন আমাকে বিপদে ফেলবে?

যুবকগুলো বৃদ্ধের অনুরোধ অবজ্ঞা করে চেইনটা টান দিতেই টিটি চলে এসে জিজ্ঞাসা করল, কে চেইন টেনেছে?

যুবকগুলো বৃদ্ধকে দেখিয়ে বলল, ওই চাচা মিয়া টেনেছে।

টিটি বৃদ্ধকে বলল, অকারণে চেইন টানলে ৫০০ টাকা জরিমানা অথবা এক মাস জেল।

যুবকগুলো চিৎকার করে বলল, স্যার, বুইড়া অকারণেই টেনেছে।

এরপর তারা হো হো হো হো হা হা করে হাসতে লাগল।

বৃদ্ধ একটু দাঁড়িয়ে বলল, টিটি সাহেব, আমি বিপদে পড়েই চেইন টেনেছি।

টিটি বলল: কী বিপদ?

বৃদ্ধ বলল: ওই যুবকগুলো আমার গলায় ছুরি ধরে আমার ১২০০ টাকা ছিনতাই করেছে।

টিটি বলল: সর্বনাশ।

বৃদ্ধ প্রথম যুবকটিকে দেখিয়ে দিয়ে বলল, দেখুন ওই যুবকের পকেটে টাকা আর ওই ব্যাগে ছুরি।

টিটি পুলিশকে কল করল। পুলিশ এসে টাকা এবং ছুরি উদ্ধার করল। তারপর গ্রেপ্তার করল ওদের।

যখন ওদের নিয়ে যাচ্ছিল, তখন বৃদ্ধ তার পাকা চুল দেখিয়ে বললেন, এগুলো বাতাসে পাকেনি।

কলি

কথাগুলো সত্য

প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৪, ১২:১৫ পিএম
কথাগুলো সত্য

এক চালাক ছেলে তার পছন্দের মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দিল এভাবে- সে মেয়েটিকে নিয়ে নৌকায় উঠল। নৌকাটি মাঝনদীতে যাওয়ার পর মেয়েটিকে বলল, ‘তুমি যদি আমার প্রস্তাবে রাজি না হও তাহলে এক্ষুণি নৌকা ছেড়ে চলে যাও।’

একটি পরিচ্ছন্ন ডেস্ক একটি এলোমেলো ড্রয়ারের প্রতীক।

স্বামীর কাছে আরও বেশি স্বাধীনতা দাবি করায় স্বামী মিস্ত্রি ডেকে রান্নাঘরটা বড় করে দিলেন।

একটা ফোন এল ৭৭৭৭৭৭৭৭ নম্বরে, ‘হ্যালো, এটা কি ৭৭৭৭৭৭৭৭? প্লিজ, আমাকে একটা ডাক্তার ডেকে দিন না। আমার আঙুল ফোনের ডায়ালে আটকে গেছে।’

দোকানদারের কাছে অদৃশ্য কালি চাইতেই দোকানদার বলল, ‘কী রঙের দেব বলুন।’

তিনি এত কৃপণ যে, চিনির কৌটায় কাঁটাচামচ ব্যবহার করেন।

পেটে প্যাঁচওয়ালা এক লোক ভুলে পেরেক খেয়ে ফেলায় সেটি স্ক্রু হয়ে বেরিয়েছিল।

 ভোট অন্যতম নাগরিক অধিকার, যা প্রয়োগে অধিকাংশ সময়েই নাগরিকদের কোনো অধিকার অর্জিত হয় না।

ছেলে: মা, রূপকথার গল্প সব সময় ‘এক দেশে ছিল এক’ দিয়ে শুরু হয় কেন? 

মা: না, সব সময় না। মাঝে মধ্যে, ‘অফিসের কাজে আটকে গেছি, আজ ফিরতে একটু রাত হবে’ দিয়েও শুরু হয়।

রেস্তোরাঁর মালিক: ওয়েটার, আজ খদ্দেরদের সঙ্গে একটু ভালো ব্যবহার করবে, কারণ আজকের ভাতের তলা ধরে গেছে, পোড়া গন্ধ।

এক তরুণ রাস্তায় এক তরুণীর পথরোধ করে বলল, কিছু মনে করবেন না। আমি একটা টেলিফোন ডিরেক্টরি লিখছি, আপনার নাম্বারটা যদি দয়া করে দিতেন...।

রাজনীতির প্রথম কথা হচ্ছে, রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই।

বিশ্বের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জনৈক নেতা মাত্র চার ঘণ্টার জন্য অনশন পালন করেন। তার অনশন শুরু হয়েছিল সকালে নাশতা খাওয়ার পর এবং অনশন ভাঙেন মধ্যাহ্নভোজের আগে।

আপনার একটি ফোন থাকলে সেটি প্রয়োজনীয়তা, দুটি ফোন থাকলে সেটি বিলাসিতা আর কোনো ফোনই যদি না থাকে তাহলে আপনি স্বর্গে বসবাস করছেন।

নির্বাচন হচ্ছে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার একটি চমৎকার উদার দিক, যেখানে সবাই মিলে ঠিক করে কে কে তাদের শোষণ করবে।

কলি

ডায়ালগ উইথ কিশোর গ্যাং

প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৪, ১২:১১ পিএম
ডায়ালগ উইথ কিশোর গ্যাং

-তোমরা কারা?
-কিশোর গ্যাং।
উল্টাসিধা হইলে কিছু
ভাইঙ্গা দিমু হাড্ডি ঠ্যাং।
-ডর ভয় নাই? এত্ত সাহস?
-থোড়াই কেয়ার। এইটা কী কস?
মাডার ফাডার ডাইল ভাত রে
পাইক্যা গেছে এই হাত রে!
আছেন লিডার, বস আড়ালে
পথের বাধা কেউ দাঁড়ালে,
আমরা ফিনিশ কইরা ফালাই
রাখি না কুছ বিপদ বালাই।

-পড়লে ধরা, ছুটাইব কে?
তার নাম ধাম অ্যাডরেস দে।
-নাহ, দিমু না, নিয়ম তো নাই
জলদি ফোটেন কইতাছি ভাই।
নাম দিলেও ধরব কেডা?
ফালতু কথা কস রে বেডা!

কলি

কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের দিয়ে কী কী কাজ করানো যায়

প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০৮ পিএম
কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের দিয়ে কী কী কাজ করানো যায়

নামকরণ: কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা নিজেদের গ্রুপের ইউনিক নাম দিতে চায়, যা কেউ আগে কখনো দেয়নি। তাই আপনার ফেসবুক-মেসেঞ্জার গ্রুপের নাম, কালচারাল প্রোগ্রামের নাম কিংবা ক্ষেত্রবিশেষে আপনার নবজাতক শিশুর নাম নিয়ে যদি কোনো সমস্যা হয় তাহলে তাদের দ্বারস্থ হতে পারেন।

পেইন্টিং: শহর কিংবা শহরতলি; সব জায়গায় দেয়ালে দেয়ালে নিজেদের গ্যাংয়ের নাম বা লোগো এঁকে নিজেদের জানান দিতে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা ভীষণ উৎসাহী। আপনার স্কুল-কলেজ কিংবা বাড়িঘরে সস্তায় পেইন্টিং করাতে চাইলে এদের ডাকতে পারেন, পরমানন্দে তারা এই কাজ করবে বলে আশা করা যায়।

মাছ কাটা: আপনার বাড়িতে হুট করে কোনো অনুষ্ঠান? খাবারের মেন্যুতে মাছের ব্যবস্থা আছে কিন্তু মাছ কাটাকুটির লোক এই শেষ মুহূর্তে খোঁজে পাচ্ছেন না? আপনার জন্য এক নিমিষেই হাজির হবে একঝাঁক কিশোর গ্যাং। ছুরি, চাকু ব্যবহার করে কাটাকুটিতে তারা সিদ্ধহস্ত। তবে তার আগে তাদের ফেসবুক গ্রুপে ইনবক্সে জানাতে হবে আপনার লোকেশন এবং অনুষ্ঠানের সময়। পারিশ্রমিকের ব্যাপারটাও সেরে ফেলতে পারেন তখন।

ফুটবল মাঠের রেফারি: অনেক দিন পর বন্ধুরা এলাকায় ঈদের ছুটিতে একত্রিত হয়েছেন। ভাবছেন ফুটবল খেলবেন। সবাই খেলতে আগ্রহী তাই রেফারি খুঁজে পাচ্ছেন না? সমস্যা নেই। কিশোর গ্যাংয়ের কোনো একজনকে ডাকুন, হুইসেল ছাড়াই বেশ জোড়ে শিস বাজাতে পারবে সে। স্কুল-কলেজের সামনে মেয়েদের দিকে তাক করে শিস বাজানোতে পটু এরা।

অভিনেতা এবং অন্যান্য কলাকুশলী: অনেক দিন ধরে ভাবছেন একটা শর্টফিল্ম বানাবেন কিন্তু আপনার বাজেট কম বলে পর্যাপ্ত কলাকুশলী খুঁজে পাচ্ছেন না? ডেকে আনুন একটা কিশোর গ্যাং, হাতে স্ক্রিপ্ট ধরিয়ে দিন। আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন, নিজের সর্বোচ্চটা ঢেলে দেবে তারা। হিরোইজম দেখাতে গিয়ে অনেক ভিডিও আপলোড করে তাদের ফেসবুক পেজে। সেই ভিডিওগুলোর অভিনয় দেখে বেছে নিতে পারেন কম দরের অ্যাকশন হিরো, জোকার এবং অন্যান্য চরিত্র।

শোডাউন: আজ আপনার জন্মদিন অথচ এলাকার কেউই আপনাকে শুভেচ্ছা জানায়নি? এক কাজ করুন, স্বল্প টাকায় একটা কিশোর গ্যাং ভাড়া করে আনুন। টাকার জন্য করতে পারে না এমন কোনো কাজ নেই। আপনার ছবি এবং নামাঙ্কিত ফেস্টুন ছাড়াই এরা মোটরবাইকে করে গলা ফাটিয়ে আপনার নাম উচ্চারণ করে করে শোডাউন দেবে।

কলি

ফুটপাতে মোটরসাইকেল তোলার শাস্তি

প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৪, ০৪:০৫ পিএম
ফুটপাতে মোটরসাইকেল তোলার শাস্তি

অনেকেই জ্যাম দেখলে তার মোটরসাইকেলটি ফুটপাতে তুলে দেন। তাদের কী ধরনের শাস্তি দেওয়া যায়, চলুন দেখে নিই। লিখেছেন মেহেদী

১. মহাভোজ

ফুটপাতে মোটরসাইকেল তোলা চালকদের শাস্তি হিসেবে উপাদেয় সব খানা খেতে দিতে হবে। তবে একজনকে দিতে হবে চারজনের জন্য প্রযোজ্য খানা। সেখানে থাকতে পারে চিকেন রোস্ট, কাচ্চি বিরিয়ানি, তন্দুরি চিকেন, সাসলিক কাবাব ইত্যাদি। এত খানা খেয়ে যখন পেটের বারোটা বাজবে তখন ভুলেও আর উল্টোপথে গাড়ি চালাবে না।

২. মশারির ছিদ্র গণনা

ফুটপাতে মোটরসাইকেল তোলা চালকদের শাস্তি হিসেবে মশারির ছিদ্র গণনা করতে দিতে হবে। একবার ফুটপাতে মোটরসাইকেল তুললে একটি মশারির ছিদ্র গুনতে হবে। দুইবার তুললে দুটো মশারি। এভাবে বাড়তেই থাকবে। আশা করা যায়, এই শাস্তির পর ফুটপাতে মোটরসাইকেল তোলার ঝুঁকি কোনো ড্রাইভার নেবে না।

৩. নেট কানেকশন বন্ধ

ফুটপাতে মোটরসাইকেল তোলা চালকদের শাস্তি হিসেবে এক মাসের জন্য নেট কানেকশন বন্ধ করে দিতে হবে। তেমন হলে ড্রাইভারের ফেসবুক, টুইটার,হোয়াটসঅ্যাপসহ সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ হয়ে যাবে। দেখতে পারবে না টিকটক। এমন শাস্তি দিলে জোর করেও কেউ ড্রাইভারদের ফুটপাতে নিতে পারবে না।

৪. চাল ডাল বাছাই

ফুটপাতে গাড়ি তোলার শাস্তি হিসেবে চাল ডাল বাছাই করানো যেতে পারে। এই পদ্ধতিতে এক কেজি চাল এবং এক কেজি মসুরের ডাল একটি পাতিলে ঢেলে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে।

এবার অপরাধী চালককে বলতে হবে চাল থেকে ডাল বাছাই করতে। এভাবে একবার করালে ভবিষ্যতে আর ফুটপাতে মোটরসাইকেল ওঠাবে না।

৫. পানি পাচার

অপরাধী মোটরসাইকেল চালককে দিয়ে পানি পাচার করাতে হবে। প্রথমে বালতি ভর্তি পানি নিতে হবে।

এবার চা চামচ দিয়ে সেই বালতির পানি আরেক বালতিতে পাচার করতে হবে। এভাবে এক দিন পুরোটা সময় পানি পাচার করালে চালক ভাই আর ফুটপাতে মোটরসাইকেল ওঠাবে না।

কলি