ঢাকা ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

দেশের বাজারে ‘হোন্ডা শাইন ১০০’ মোটরসাইকেল

প্রকাশ: ০৫ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৩২ এএম
দেশের বাজারে ‘হোন্ডা শাইন ১০০’ মোটরসাইকেল

জাপানি শীর্ষস্থানীয় মোটরসাইকেল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান হোন্ডা দেশের বাজারে ১০০ সিসির নতুন মডেলের বাইক এনেছে। মডেলটিকে ‘হোন্ডা শাইন ১০০’ নামে পরিচয় করিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এটি একটি জ্বালানি সাশ্রয়ী কমিউটার বাইক।

গত মার্চ মাসের ৩১ তারিখে রাজধানীর আলোকি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মোটরবাইকটি প্রদর্শনের পাশাপাশি বাজারে আনার ঘোষণা দেন বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান কার্যনির্বাহী কর্মকর্তা শিগেরো মাতসুজাকি। এই মডেল ভারতের বাজারে আসার ঠিক এক বছর পর বাংলাদেশের বাজারে আনল কোম্পানিটি। কোম্পানির দাবি, মোটরসাইকেলটিতে প্রতি লিটার তেলে ৬৫ কিলোমিটার মাইলেজ পাওয়া যাবে। এটি কোম্পানির সবচেয়ে উচ্চ মাইলেজ সম্পন্ন বাইক, আবার দামের দিক থেকেও সবচেয়ে কম। দেশের বাজারে এটি ১ লাখ ৭ হাজার টাকায় পাওয়া যাবে।

হোন্ডা শাইন ১০০ বাইকে রয়েছে ৯৮ সিসি সিঙ্গেল সিলিন্ডার এয়ার কুলড ইঞ্জিন। যা সর্বোচ্চ ৭ দশমিক ২৮ হর্সপাওয়ার ও ৮ দশমিক শূন্য ৫ নিউট টর্ক তৈরি করতে পারে। এটির সর্বোচ্চ গতি হবে প্রতি ঘণ্টায় ৮৫ কিলোমিটার। বাইকটিতে রয়েছে ৪ স্পিডের ম্যানুয়াল গিয়ার ট্রান্সমিশন। এর মাঝারি আকারের তেল ট্যাংকে ৯ লিটার পর্যন্ত জ্বালানি ভরা যায়। একবার সম্পূর্ণ ট্যাংকে জ্বালানি ভরলে ৫৮৫ কিলোমিটার পর্যন্ত যাওয়া যাবে।

বাইকের সামনে রয়েছে টেলিস্কপিক ফর্ক ও পেছনে ডুয়াল শক অ্যাবজর্বার। দুই চাকাতেই পাওয়া যাবে ড্রাম ব্রেক। এতে নেই ডিস্ক ব্রেক। বাইকটির কার্ব ওজন ৯৯ কেজি ও মাটি থেকে বাইকটির উচ্চতা ১৬৮ মিলিমিটার। মাটি থেকে আসনের উচ্চতা ৭৮৬ মিলিমিটার। আসনের উচ্চতা কম হওয়ার কারণে চালক সহজে মোটরবাইকটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। খুবই সাদামাটা ফিচার্সে পাওয়া যাবে অ্যানালগ ইনস্ট্রুমেন্ট কনসোল, অ্যানালগ ওডোমিটার, অ্যানালগ স্পিডোমিটার, হ্যাজার্ড ওয়ার্নিং ইন্ডিকেটর, লো ফুয়েল ইন্ডিকেটর, অটোমেটিক হেডলাইট অন ও হ্যালোজেন লাইটিং।

নতুন শাইন ১০০ এ বসার দীর্ঘ ও আরামদায়ক আসন রয়েছে, যা বাইকের চালক ছাড়াও সহযাত্রীকে ভ্রমণের সময় স্বাচ্ছন্দ্য দেবে। মোটরসাইকেলের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা যথাযক্রমে ১৯৯৫, ৭৫৪ ও ১০৫০ মিলিমিটার। লং স্ট্রোকসহ বিশেষভাবে তৈরি সাসপেনশন ইউনিট থাকায় যেকোনো ধরনের রাস্তায় সহজে চলাচল করতে পারে মোটরবাইকটি। মজবুত অ্যালুমিনিয়াম গ্র্যাব রেইল, কালো অ্যালয় হুইল, উন্নত সাইলেন্সার, উজ্জ্বল গাঢ় টেইল ল্যাম্প– সুবিধাযুক্ত মোটরবাইকটি চলতি পথে দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ঘন ঘন পরিষ্কার ছাড়াই এর এয়ার ফিল্টার দীর্ঘ সময় কার্যকর থাকে, এমনকি ব্যাটারিও ঘন ঘন রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন হবে না।

শাইন ১০০ মডেলটি হালকা ফ্রেমের হওয়ায় এর সামগ্রিক ওজন কম। এর নরম স্টিয়ারিং মোটরসাইকেল চমৎকারভাবে নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। যেকোনো রাস্তায় চলাচলে ভীষণ কার্যকরী। দেশের বাজারে লাল, নীল ও ধূসর রঙে পাওয়া যাচ্ছে হোন্ডা শাইন ১০০ সিসি। বাইকটিতে দুই বছর অথবা ২০ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত ওয়ারেন্টি পাওয়া যাবে।

জাহ্নবী

গাড়িতে হাইড্রোজেন জ্বালানি বহনে সক্ষম প্রযুক্তি উদ্ভাবন করল চীন

প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৪, ০১:৪২ পিএম
গাড়িতে হাইড্রোজেন জ্বালানি বহনে সক্ষম প্রযুক্তি উদ্ভাবন করল চীন
ছবি: সংগৃহীত

চীন প্রথমবারের মতো ভারী যানবাহনে তরল হাইড্রোজেন জ্বালানি বহনে সক্ষম একটি ব্যবস্থা উদ্ভাবন করেছে। ধারণা করা হচ্ছে এই প্রযুক্তি দেশটির পরিবহন খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে। প্রযুক্তিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান চায়না অ্যারোস্পেস সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি করপোরেশন (সিএএসসি) চলতি মাসের ১০ তারিখে এ তথ্য জানিয়েছে। নতুন এ সিস্টেমটি ভারী ট্রাকে ব্যবহার করা হবে। এতে একবার হাইড্রোজেন জ্বালানি ভরে ১ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব অতিক্রম করা যাবে।

বিশ্বে হাইড্রোজেনচালিত যানবাহনের বিকাশে অগ্রগামী দেশে পরিণত হয়েছে চীন। দেশটিতে বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম হাইড্রোজেন ফুয়েলিং স্টেশন নেটওয়ার্ক রয়েছে। এ ছাড়া ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ লাখ হাইড্রোজেন চালিত যানবাহন রাস্তায় চালানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দেশটি।

মূলত চীনের পরিবহন খাতকে আরও বেশি পরিবেশবান্ধব করার প্রচেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এটি। দেশটির সরকার হাইড্রোজেনচালিত যানবাহনের গবেষণা ও উন্নয়নে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার ভারী যানবাহনের জন্য তরল হাইড্রোজেন জ্বালানি ব্যবস্থা উদ্ভাবন করেছে চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থাটি। এই ব্যবস্থাটি পরিবেশবান্ধব ও প্রথাগত জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে সাহায্য করবে। সম্প্রতি ১০০ কেজি তরল হাইড্রোজেন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন এ সিস্টেমটি তৈরিতে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থা সিএএসসি জানিয়েছে, আগের চেয়ে এর ধারণক্ষমতা ২০ শতাংশ বেশি হয়েছে। তবে নতুন এ ব্যবস্থায় বাড়তি জায়গা লাগছে না। এ ব্যবস্থায় আগের থেকে ৩০ শতাংশ ব্যয় কমেছে। এ ছাড়া নতুন এ সিস্টেম ১০০ কেজি পর্যন্ত তরল হাইড্রোজেন জ্বালানি ধারণক্ষমতাসহ এই সিস্টেমের গুণমান, হাইড্রোজেন স্টোরেজ ঘনত্ব ও রিফিলের সময়ের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে। এই উদ্ভাবনটি ভারী যানবাহন শিল্পে বিপ্লব ঘটাতে পারে, যা পরিবেশ দূষণ এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে সাহায্য করবে।

হাইড্রোজেনকে মাইনাস ২৫২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় শীতল করলে পাওয়া যাবে তরল হাইড্রোজেন। এটি একটি উচ্চ শক্তির জ্বালানি, যার বিভিন্ন ব্যবহার রয়েছে। তবে এটি ব্যবহারে বেশ ঝুঁকিও রয়েছে। যানবাহনে তরল হাইড্রোজেন জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের কিছু ঝুঁকি রয়েছে। এটি দ্রুত গরম হয়ে বিস্ফোরিত হতে পারে। তরল হাইড্রোজেন পরিবহন করা কঠিন ও ব্যয়বহুল হয়ে থাকে। 

এটি বিশেষভাবে ডিজাইন করা ট্যাংক ও ট্রাকগুলোয় পরিবহন করতে হয়। তরল হাইড্রোজেন রিফুয়েলিং স্টেশনগুলো সাধারণত গ্যাসোলিন স্টেশনগুলো তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়। এই ঝুঁকিগুলো সত্ত্বেও তরল হাইড্রোজেন শক্তিশালী জ্বালানি, যা পরিবহন শিল্পে বিপ্লব ঘটাতে পারে। সূত্র: সিসিটিভি

শুরু হয়েছে ১৭তম ঢাকা মোটর শো ২০২৪

প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৪, ০১:৩৫ পিএম
শুরু হয়েছে ১৭তম ঢাকা মোটর শো ২০২৪
ছবি: সংগৃহীত

নতুন গাড়ি ও মোটরসাইকেলসহ নানারকম অটোমোবাইল পণ্য নিয়ে শুরু হয়েছে ৩ দিনব্যাপী ১৭তম ঢাকা মোটর শো-২০২৪। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে শুরু হয়েছে এই আয়োজন।

এ প্রদর্শনী চলাকালে একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘অষ্টম ঢাকা বাইক শো-২০২৪’, ‘সপ্তম ঢাকা অটো পার্টস শো-২০২৪’, ‘ষষ্ঠ ঢাকা কমার্শিয়াল অটোমোটিভ শো-২০২৪’ ও ‘প্রথম ইলেকট্রিক ভেহিকেল বাংলাদেশ এক্সপো-২০২৪’।

অন্যদিকে সেমস-গ্লোবাল ও বাংলাদেশ মোটর স্পোর্টসের যৌথ আয়োজনে বাণিজ্যমেলা প্রাঙ্গণে গতকাল প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয় মোটরবাইক প্রতিযোগিতা ‘প্রথম ডার্ট ট্র্যাক চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৪’। একই সঙ্গে ২৫ মে অনুষ্ঠিত হবে অফ-রোড রেসট্র্যাক সম্পর্কিত বাংলাদেশের জমকালো মোটর স্পোর্টস প্রতিযোগিতা ‘চতুর্থ র‍্যালিক্রস চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৪’। প্রতিযোগিতা দুটি সরাসরি সম্প্রচার করবে টি-স্পোর্টস।