নোয়াখালীর সেনবাগে হরতালের সমর্থনে বিএনপির মিছিলে হামলা চালিয়ে গুলিবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এতে বিএনপির ২০ নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধসহ ৩০ জন আহত হয়েছে।
রবিবার (১৯ নভেম্বর) সকালে উপজেলার আজিজপুর পোলের গোড়া এলাকার ফেনী-নোয়াখালী মহাসড়কে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজি মফিজ হামলা গুলিবর্ষণের বিষয়টি খবরের কাগজকে নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ কর্মীদের হামলায় বিএনপির ২০ নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে। তাদেরকে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
আহতরা হলেন, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসাইন, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহ্বায়ক রাশিদুল ইসলাম, আলাউদ্দিন, মো. মহিন উদ্দিন, মো. সাইফুল ইসলাম, অন্তর, মোহাম্মদ আলম, আবু সুফিয়ান, রুবেল, বাদশা, ইমরান হোসেন, মোশাররফ হোসেন, মনির হোসেন, সিফাত আবুল কাশেম, ইকবাল হোসেন, সবুজ, মো. রুবেল, মো. শফিক, মোজাম্মেল হোসেন, মো. রাব্বিসহ ২০ জন।
সেনবাগ পৌরসভা বিএনপির সদস্য ভিপি মফিজুল ইসলাম বলেন, সকালে আমার নেতৃত্বে হরতালের সমর্থনে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি মহাসড়কে ওঠার পর কয়েকশ গজ অতিক্রম করতেই রাস্তার মাথার দিক থেকে কয়েকটি সিএনজি ও মোটরসাইকেলযোগে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা হামলা চালায়। হামলাকারীরা মিছিল লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোঁড়ে। এতে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ২০ জন ছররা গুলিতে আহত হয়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কাবিলপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আমিরুল ইসলাম ওরফে ভিপি মোহন বলেন, বিএনপির মিছিলে হামলা কিংবা গুলির কোন ঘটনা তার জানা নেই।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজিম উদ্দিন বলেন, মিছিলে গণ্ডগোলের খবর শুনেছি। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে কাউকে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ করেননি।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বেগমগঞ্জ সার্কেল) নাজমুল হাসান রাজীব বলেন সেনবাগের গুরুত্বপূর্ণস্থানে পুলিশ মোতায়েন ছিল। কিন্তু গুলির কোন ঘটনা পুলিশের জানা নেই।
এআর