ঢাকা ৬ বৈশাখ ১৪৩১, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

পঞ্চম শ্রেণির প্রস্তুতি: ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা

প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৪, ১১:২২ এএম
পঞ্চম শ্রেণির প্রস্তুতি: ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা
দ্বিতীয় অধ্যায়
ইবাদত
 
প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন: সঠিক উত্তরটি লেখ।
১. ইবাদত শব্দের অর্থ কী?
ক. প্রার্থনা খ. আনুগত্য গ. দান করা ঘ. সিয়াম সাধনা
২. ইসলাম কয়টি রুকনের ওপর প্রতিষ্ঠিত?
ক. তিনটি খ. চারটি
গ. পাঁচটি ঘ. সাতটি
৩. সালাতের নিষিদ্ধ সময় কয়টি?
ক. তিনটি খ. চারটি
গ. পাঁচটি ঘ. সাতটি
৪. পাঁচ ওয়াক্ত সালাতে কত রাকাত ফরজ?
ক. ৫ রাকাত খ. ১০ রাকাত
গ. ১৫ রাকাত ঘ. ১৭ রাকাত
৫. সালাতের আরকান কয়টি?
ক. ৫টি খ. ৭টি গ. ১৩টি ঘ. ১৫টি
৬. কাবা শরিফ কোথায় অবস্থিত?
ক. মক্কায় খ. মদিনায় গ. জেরুজালেমে ঘ. ফিলিস্তিনে
৭. দ্বীন ইসলামের সেতু কী?
ক. সালাত খ. সাওম
গ. হজ ঘ. জাকাত
৮. হজের ফরজ কয়টি?
ক. ৩টি খ. ৪টি গ. ৫টি ঘ. ৭টি
৯. আল্লাহর কাছে কোরবানির কী পৌঁছায়?
ক. গোশত খ. রক্ত
গ. তাকওয়া ঘ. চামড়া
১০. সব রাসুলের প্রতি বিশ্বাস করা মুসলিমদের কী?
ক. ইচ্ছাধীন খ. ঈমানের অঙ্গ
গ. সৌজন্য ঘ. সুন্দর আচরণ
উত্তর: ১. খ, ২. গ, ৩. ক, ৪. ঘ, ৫. খ, ৬. ক, 
৭. ঘ, ৮. ক, ৯. গ, ১০. খ।
প্রশ্ন:  শূন্যস্থান পূরণ করো।
১. ------ ঈমানের অঙ্গ।
২. সালাত দ্বীন ইসলামের -------।
৩. সালাত ---------- চাবি।
৪. ------ মানে সংক্ষিপ্তকরণ।
৫. সালাতের ভেতরের ফরজগুলোকে ------ বলে।
৬. ঢাকা শহরকে বলা হয় ------- শহর।
৭. সাওমের মূল উদ্দেশ্য হলো ------অর্জন করা।
৮. ------ শব্দের অর্থ ব্যয়ের খাতসমূহ।
৯. জীবনে ------ হজ করা ফরজ।
১০. পরস্পরের সাক্ষাৎ হলে বলব ------ ।
উত্তর: ১. পবিত্রতা, ২. খুঁটি, ৩. জান্নাতের, ৪. কসর, ৫. আরকান, ৬. মসজিদের, ৭. তাকওয়া, ৮. মাসারিফ, ৯. একবার, ১০. আসসালামু আলাইকুম।
 
লেখক: 
মাস্টার ট্রেইনার ও সিনিয়র শিক্ষক
শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ
মধুবাগ, রমনা, ঢাকা
 
জাহ্নবী

এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্রের অনুধাবনমূলক ও সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর

প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ১২:১৪ পিএম
এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্রের অনুধাবনমূলক ও সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর

প্রথম অধ্যায়
মৌলিক মানবিক চাহিদা

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন: বস্তি সমস্যার ফলে বাংলাদেশ কী ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে? বুঝিয়ে লেখ।
উত্তর: ঢাকাসহ দেশের সব শহরের অন্যতম একটি সমস্যা হলো বস্তি। দেশের সিটি করপোরেশনগুলোর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ আজ বস্তিতে বসবাস করছে। বস্তির বিস্তারের ফলে স্বাস্থ্যহীনতা, অপুষ্টি, নিরক্ষরতা, অপরাধ প্রবণতা, মাদকাসক্তি, সন্ত্রাস, পতিতাবৃত্তি ইত্যাদি নানা ধরনের জটিল সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিশু ও নারীরা। বস্তি সমস্যা সুস্থ নাগরিক গড়ে তোলার অন্তরায় হিসেবে কাজ করে।
প্রশ্ন: মৌলিক মানবিক চাহিদা পূরণে শিল্পায়নের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো। 
উত্তর: মৌলিক মানবিক চাহিদা পূরণে শিল্পায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কেননা শিল্পায়নের ফলে জনগণের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পায়, বেকারত্ব দূর হয়, মানুষের উপার্জনের রাস্তা প্রশস্ত হয়। তাছাড়া ব্যাপক শিল্পায়নের ফলে দেশের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়, পাশাপাশি দেশের আয় বাড়ে। এতে দেশের মূল্যস্ফীতি হ্রাস পায়। ফলে জনগণ তাদের মৌলিক চাহিদাগুলো খুব সহজেই পূরণ করতে সক্ষম হয়। তাই বলা যায়, জনগণের মৌলিক মানবিক চাহিদা পূরণে শিল্পায়নের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর-১
ছকটি দেখে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখ।


(ক) জীবন রক্ষার জন্য কোন মৌল মানবিক চাহিদার প্রয়োজন? 
(খ) মৌলিক মানবিক চাহিদা হিসেবে চিকিৎসার গুরুত্ব লেখ। 
(গ) উদ্দীপকে কোন মৌলিক মানবিক চাহিদাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। 
(ঘ) উক্ত মৌলিক মানবিক চাহিদার বর্তমান পরিস্থিতি আলোচনা করো। 
উত্তর: (ক) জীবন রক্ষার জন্য মৌল মানবিক চাহিদা খাদ্যের প্রয়োজন।
(খ) জীবন চলার পথে মানুষ বিভিন্ন কারণে অসুস্থ, রোগগ্রস্ত ও আহত হয়ে থাকে। এ অবস্থায় প্রয়োজন দেখা দেয় চিকিৎসা, খাদ্য ও পরিচর্যার। সুস্থ জীবনযাপনের প্রথমেই দরকার শারীরিক সুস্থতা। কেননা শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে না পারলে মানসিকভাবে সুস্থ থাকা সম্ভব হয় না। ফলে আমাদের স্বাভাবিক সামাজিক জীবন ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য প্রয়োজন শারীরিক সুস্থতা। আর শারীরিক সুস্থতার জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত চিকিৎসা, খাদ্য ও পরিচর্যার।
(গ) উদ্দীপকে মৌলিক মানবিক চাহিদা বস্ত্রের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। মানবসভ্যতার ধারক ও বাহক বলা হয় বস্ত্রকে। মানুষের সূচনালগ্ন থেকেই সম্ভ্রম রক্ষার নিদর্শনস্বরূপ বস্ত্র কেবল মানবজাতিতেই বিদ্যমান। তাই বস্ত্রকে মানবসভ্যতার প্রতীকও বলা হয়। লজ্জা নিবারণের মাধ্যমে সমাজে নৈতিক ও সভ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বস্ত্রের ভূমিকা সর্বাগ্রে। পোশাকের মাধ্যমে যে জাতি  সভ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারেনি, তারা নৈতিক চরিত্র শূন্য হয়ে পড়েছে। আবার শীত, গ্রীষ্ম, ধুলা-ময়লা, রোগজীবাণু ইত্যাদি প্রতিকূলতা থেকে দেহকে রক্ষার জন্য বস্ত্রের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে, উদ্দীপকের ছকে উপস্থাপিত তথ্যাবলি বস্ত্র চাহিদার বৈশিষ্ট্য ও উপকারিতার সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। তাই বলা যায় উদ্দীপকে ইঙ্গিত করা চাহিদাটি বস্ত্র।
(ঘ) মৌলিক মানবিক চাহিদা বস্ত্রের চাহিদা পূরণের বর্তমান অবস্থা স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় থেকে ক্রমশ উন্নতির দিকে যাচ্ছে।
বাংলাদেশের মানুষের বার্ষিক গড় কাপড়ের চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন কম হলেও অতীতের তুলনায় বাংলাদেশ বস্ত্র খাতে অনেক এগিয়েছে। বেসরকারি ব্যক্তিমালিকানায় পরিচালিত হয় দেশের অনেক বস্ত্র কারখানা। দেশের বর্তমান কটন স্পিনিং মিলের সংখ্যা ৪২৯টি। এর মধ্যে সরকারি খাতে ২২টি ও বেসরকারি খাতে মিল ৪০৭টি। এসব মিলে সুতা উৎপাদন ক্ষমতা ২১০৬ মিলিয়ন কেজি। আমাদের দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা দেশের উৎপাদন দ্বারা মেটানো অসম্ভব। ফলে প্রতি বছরই বিদেশ থেকে প্রচুর পরিমাণ কাপড়, সুতা ও কাঁচা তুলা আমদানি করতে হয়। চাহিদার তুলনায় উৎপাদন ও সরবরাহ কম থাকায় কাপড়ের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ঊর্ধ্বে। ফলে স্বল্পমূল্যে বিদেশ থেকে পুরোনো কাপড় আমদানি করে অভ্যন্তরীণ ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করা হয়। তাই আমদানি কমিয়ে এনে দেশের উৎপাদন বৃদ্ধি করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখে এর সুষ্ঠু সমন্বয় করা জরুরি।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর-২
উদ্দীপকটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখ।
বেকার স্বামী নিয়ে রোকেয়া অভাব-অনটনে দিন অতিবাহিত করে। জীবিকা নির্বাহ করতে তাকে গৃহকর্মীর কাজ করতে হয়। এক দিন সে যে বাসায় কাজ করে তার কর্তা ছেলেমেয়েরা স্কুলে যায় কি না জানতে চাইলে সে জানায়, পাঁচ সন্তানকে দু’বেলা দু’মুঠো খাবারের সংস্থান ও অসুস্থ হলে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া যেখানে সম্ভব হয় না সেখানে স্কুলে পাঠানো এক প্রকার বিলাসিতারই নামান্তর।
(ক) মানবিক চাহিদা কী?
(খ) চিত্তবিনোদন বলতে কী বোঝায়?
(গ) উদ্দীপকে রোকেয়ার যেসব মৌল মানবিক চাহিদা পূরণ হচ্ছে না সেগুলো চিহ্নিত করে ব্যাখ্যা করো।
(ঘ) উদ্দীপকে উল্লিখিত মৌল মানবিক চাহিদা অপূরণে নেতিবাচক প্রভাবগুলো বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: (ক) সুস্থ ও স্বাভাবিক মানুষ হিসেবে সমাজবদ্ধ জীবনযাপনের জন্য যেসব চাহিদা পূরণ একান্ত অপরিহার্য সেগুলোই হলো মানবিক চাহিদা।
(খ) নির্মল আনন্দ ও আমোদ-প্রমোদ লাভের পন্থাই হলো বিনোদন। বিনোদনের মাধ্যমে মানুষের চিত্ত জাগ্রত হয়। তাই বিনোদনকে অনেক সময় চিত্তবিনোদন বলা হয়। চিত্তবিনোদন এমন এক কার্যক্রম, যা আনন্দ ও তৃপ্তিদায়ক অভিজ্ঞতা অর্জন এবং সৃজনশীল অনুভূতি প্রকাশের সুযোগ দান করে।
(গ) উদ্দীপকে উল্লিখিত রোকেয়ার পরিবারের খাদ্য, চিকিৎসা এবং শিক্ষার মতো মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ হচ্ছে না। বেকার স্বামী ও পাঁচ সন্তানের জন্য জীবিকা নির্বাহ করতে রোকেয়াকে গৃহকর্মীর কাজ করতে হয়। তাতেও বেশ অভাব-অনটনের মধ্য দিয়েই পরিবার নিয়ে সে দিনাতিপাত করে। প্রথমত রোকেয়ার পরিবারের খাদ্য ঘাটতি রয়েছে। খাদ্য হলো সেই জৈব উপাদান, যা গ্রহণের মাধ্যমে জীবদেহের গঠন, ক্ষয়পূরণ, বৃদ্ধি সাধন, তাপ ও শক্তি উৎপাদনের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাভাবিক থাকে। খাদ্যহীন মানুষ স্বাস্থ্যহীনতায় ভোগে। দ্বিতীয়ত রোকেয়ার কথায় তার পরিবারে চিকিৎসার অভাব পরিলক্ষিত হয়। সীমিত আয়ের মাধ্যমে সে তার সন্তানদের সুচিকিৎসা দিতে সক্ষম নয়। দৈহিক, মানসিক, সামাজিক ও আত্মিক মঙ্গলজনক অবস্থা নির্ভর করে স্বাস্থ্যের ওপর। তৃতীয়ত রোকেয়ার ভাষ্য অনুযায়ী পাঁচ সন্তানকে দু’বেলা দু’মুঠো খাবারের সংস্থান এবং অসুস্থ হলে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া যেখানে সম্ভব হয় না, সেখানে সন্তানদের স্কুলে পাঠানো এক প্রকার বিলাসিতারই নামান্তর। যদিও শিক্ষা সবার জন্যই আবশ্যক। ব্যক্তি ও সমাজের উন্নতি নির্ভর করে শিক্ষার ওপর। মানুষের দেহ, মন ও আত্মার বিকাশ শিক্ষার মাধ্যমেই ঘটে। সুতরাং বোঝা যায়, রোকেয়ার সন্তানদের খাদ্য, চিকিৎসা এবং শিক্ষার মতো মৌল মানবিক চাহিদাগুলো পূরণ হচ্ছে না।
(ঘ) উদ্দীপকে বর্ণিত মৌল মানবিক চাহিদাগুলো পূরণে নানাবিধ অন্তরায় বিদ্যমান। প্রথমত বাংলাদেশের জনগণের মৌল মানবিক চাহিদাগুলো পূরণে প্রধান অন্তরায় অধিক জনসংখ্যা। জনসংখ্যার তুলনায় আমাদের সম্পদ সীমিত। তাই সবার চাহিদা পূরণ হয় না। দ্বিতীয়ত দারিদ্র্যের কারণে মৌল মানবিক চাহিদা পূরণে অনেকেই ব্যর্থ হয়। তাদের আয় কম হওয়ায় তারা দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রে আবদ্ধ। তৃতীয়ত বেকারত্বের কারণে জনগণের একটি বড় অংশ তাদের উপার্জন থেকে বঞ্চিত। ফলে তারা তাদের মৌল মানবিক চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ে, যা সমাজে সমস্যা তৈরি করে। চতুর্থত বাংলাদেশ অর্থনীতিতে ক্রমশ উন্নতির দিকে অগ্রসরমান হলেও কৃষিনির্ভরতা এখনো বিদ্যমান। কৃষিকাজে বিভিন্ন প্রভাবের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হয়। যেমন- খরা, অতিবৃষ্টি, বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি বৃদ্ধির ফলে কৃষিনির্ভর পরিবারগুলো ব্যাপক আর্থিক সংকটের মধ্যে দিন অতিবাহিত করে। ফলে তারা তাদের চাহিদা পূরণ করতে পারে না। পঞ্চমত দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির ফলে স্বল্প আয়ের মানুষকে তাদের জীবনযাপনে হিমশিম খেতে হয়। ষষ্ঠত সম্পদ ও আয়ের অসম বণ্টনের ফলে সমাজের গরিবরা তাদের জীবনের সব মৌল মানবিক চাহিদা পূরণ করতে পারে না। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের মৌল মানবিক চাহিদাগুলো পূরণে আমাদের সমাজে বহু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে।

লেখক: প্রভাষক, সমাজকর্ম বিভাগ
শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

জাহ্নবী

মানবকল্যাণ প্রবন্ধের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ১২:১০ পিএম
মানবকল্যাণ প্রবন্ধের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রবন্ধ: মানবকল্যাণ

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর 

প্রশ্ন-২৬. কোন ধরনের রাষ্ট্র আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টি করতে পারে না?
উত্তর: যে রাষ্ট্র হাত পাতা আর চাটুকারিতাকে প্রশ্রয় দেয়।
প্রশ্ন-২৭. লেখক কোন কাজকে মানবকল্যাণ বলে মনে করেন না?
উত্তর: লেখক দয়া বা করুণার বশবর্তী হয়ে দান-খয়রাতকে মানবকল্যাণ বলে মনে করেন না।
প্রশ্ন-২৮. মানবকল্যাণের উৎস কোথায় নিহিত?
উত্তর: মানবকল্যাণের উৎস মানুষের মর্যাদাবোধ বৃদ্ধি আর মানবিক চেতনা বিকাশের মধ্যে নিহিত।
প্রশ্ন-২৯. ‘মানবকল্যাণ’ প্রবন্ধে বর্ণিত, এক দিন এক ব্যক্তি কার কাছে ভিক্ষা চাইতে এসেছিল?
উত্তর: হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর কাছে ভিক্ষা চাইতে এসেছিল।
প্রশ্ন-৩০. হজরত মুহাম্মদ (সা.) ভিক্ষুককে কী পরামর্শ দিয়েছিলেন?
উত্তর: ভিক্ষুককে বন থেকে কাঠ সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা অর্জনের পরামর্শ দিয়েছিলেন।
প্রশ্ন-৩১. প্রত্যেক মানুষ কীসের সঙ্গে সম্পর্কিত?
উত্তর: প্রত্যেক মানুষ সমাজের সঙ্গে সম্পর্কিত।
প্রশ্ন-৩২. উপলব্ধি ছাড়া মানবকল্যাণ কী হয়ে যায়?
উত্তর: উপলব্ধি ছাড়া মানবকল্যাণ স্রেফ দান-খয়রাত আর কাঙালি ভোজনের মতো মানব-মর্যাদার অবমাননাকর এক পদ্ধতি হয়ে যায়।
প্রশ্ন-৩৩. বর্তমানে কোনটি মানুষকে মেলায় না, করে বিভক্ত?
উত্তর: বর্তমানে রাষ্ট্র, জাতি, সম্প্রদায় ও গোষ্ঠীগত চেতনা মানুষকে মেলায় না, করে বিভক্ত।
প্রশ্ন-৩৪. কোন পথে মানুষের কল্যাণ করা যায়?
উত্তর: সমতা আর সংযোগ-সহযোগিতার পথে মানুষের কল্যাণ 
করা যায়।
প্রশ্ন-৩৫. কোন মনোভাব নিয়ে মানুষের কল্যাণ করা যায় না?
উত্তর: বিভক্তিকরণের মনোভাব নিয়ে মানুষের কল্যাণ করা যায় না।
প্রশ্ন-৩৬. সত্যিকার মানবকল্যাণ কীসের ফসল?
উত্তর: সত্যিকার মানবকল্যাণ মহৎ চিন্তা-ভাবনার ফসল।
প্রশ্ন-৩৭. বাংলাদেশের মহৎ প্রতিভারা সবাই কী রেখে গেছেন?
উত্তর: বাংলাদেশের মহৎ প্রতিভারা সবাই মানবিক চিন্তা আর আদর্শের উত্তরাধিকার রেখে গেছেন।
প্রশ্ন-৩৮. কোন উত্তরাধিকারকে আমরা জীবনে প্রয়োগ করতে পারিনি?
উত্তর: বাংলাদেশের মহৎ প্রতিভাদের রেখে যাওয়া মানবিক চিন্তা আর আদর্শের উত্তরাধিকারকে আমরা জীবনে প্রয়োগ করতে পারিনি।
প্রশ্ন-৩৯. বঙ্কিমচন্দ্রের অবিস্মরণীয় সাহিত্যিক উক্তি কোনটি?
উত্তর: ‘তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?’
প্রশ্ন-৪০. অন্তর জগতের বাইরে যে জগৎকে আমরা অহরহ দেখতে পাই তার মৌলিক সত্য কী?
উত্তর: মৌলিক সত্য হলো পারস্পরিক সংযোগ-সহযোগিতা।
প্রশ্ন-৪১. কোন সম্পর্কের অভাব ঘটলে মানবকল্যাণ কথাটা স্রেফ ভিক্ষা দেওয়া-নেওয়ার সম্পর্কে পরিণত হয়?
উত্তর: পারস্পরিক সংযোগ-সহযোগিতার অভাব ঘটলে।
প্রশ্ন-৪২. বর্তমানে পৃথিবীতে কোন ধরনের শব্দের ব্যবহার বেশি? 
উত্তর: বর্তমানে পৃথিবীতে রিলিফ, রিহ্যাবিলিটেশন ইত্যাদি শব্দের ব্যবহার বেশি।
প্রশ্ন-৪৩. আমরা বর্তমানে কীসের অংশ?
উত্তর: আমরা বর্তমানে বৃহত্তর মানবতার অংশ।
প্রশ্ন-৪৪. কালের বিবর্তনে আমরা এখন আর কী নই?
উত্তর: কালের বিবর্তনে আমরা এখন আর Tribe বা গোষ্ঠীবদ্ধ 
জীব নই।
প্রশ্ন-৪৫. সমস্যার মোকাবিলা করতে হবে কোন দৃষ্টিকোণ থেকে?
উত্তর: সমস্যার মোকাবিলা করতে হবে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে।
প্রশ্ন-৪৬. কীসের সহায়তায় কল্যাণময় পৃথিবী রচনা সম্ভব?
উত্তর: মুক্তবুদ্ধির সহায়তায় কল্যাণময় পৃথিবী রচনা সম্ভব।
প্রশ্ন-৪৭. ‘অনুগৃহীত’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ‘অনুগৃহীত’ শব্দের অর্থ উপকৃত।
প্রশ্ন-৪৮. ‘মনীষা’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ‘মনীষা’ শব্দের অর্থ বুদ্ধি, মনন, প্রতিভা, প্রজ্ঞা।
প্রশ্ন-৪৯. ‘র‌্যাশনাল’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ‘র‌্যাশনাল’ শব্দের অর্থ যুক্তিপূর্ণ। 
প্রশ্ন-৫০. মুক্তবুদ্ধি কী?
উত্তর: মুক্তবুদ্ধি হলো- সংকীর্ণতা গোঁড়ামিমুক্ত উদার মানসিকতা।
প্রশ্ন-৫১. ‘মানবকল্যাণ’ প্রবন্ধটি কত খ্রিষ্টাব্দে রচিত?
উত্তর: ‘মানবকল্যাণ’ প্রবন্ধটি ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে রচিত।
প্রশ্ন-৫২. ‘মানবকল্যাণ’ প্রবন্ধটি প্রথম কোন গ্রন্থে সংকলিত হয়?
উত্তর: ‘মানবকল্যাণ’ প্রবন্ধটি ‘মানবতন্ত্র’ গ্রন্থে সংকলিত হয়।
প্রশ্ন-৫৩. কোন ধারণা সংকীর্ণ মনোভাবের পরিচায়ক?
উত্তর: করুণাবশত দান-খয়রাত করা সংকীর্ণ মনোভাবের পরিচায়ক।
প্রশ্ন-৫৪. মানবকল্যাণের লক্ষ্য কী?
উত্তর: মানবকল্যাণের লক্ষ্য হলো- আত্মমর্যাদাসম্পন্ন মানুষের পৃথিবী রচনা করা।

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

জাহ্নবী

পঞ্চম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ের ২য় অধ্যায়ের প্রশ্নোত্তর

প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০৭ পিএম
পঞ্চম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ের ২য় অধ্যায়ের প্রশ্নোত্তর

দ্বিতীয় অধ্যায়
বাংলায় ব্রিটিশ শাসন

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
৩৯. সিপাহি বিদ্রোহের পর ভারতের শাসনভার কার হাতে চলে যায়?
উত্তর: সিপাহি বিদ্রোহের পর ভারতের শাসনভার মহারানি ভিক্টোরিয়ার হাতে চলে যায়।
৪০. তিতুমীর ‘বাঁশের কেল্লা’ নির্মাণ করেছিলেন কেন?
উত্তর: ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য তিতুমীর ‘বাঁশের কেল্লা’ নির্মাণ করেছিলেন।
শূন্যস্থান পূরণ করো
১. ----- সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়।
২. বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন ------।
৩. মাত্র ---- বছর বয়সে সিরাজ বাংলার নবাব হন।
৪. পলাশির যুদ্ধ ---- সালে সংঘটিত হয়েছিল।
৫. কোম্পানির প্রথম শাসনকর্তা ছিলেন -----।
৬. তিতুমীর নারকেলবাড়িয়া গ্রামে —- নির্মাণ করেন।
৭. সিপাহি বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেন ------।
৮. উনিশ শতকে বাংলায় ----- ঘটে।
৯. ইংরেজি --- সালে ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ হয়েছিল।
১০. সিপাহি বিদ্রোহ হয় ---- সালে।
১১. বাংলা ---- সালে ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ হয়েছিল।
১২. ঢাকার —- পার্কে সিপাহিদের ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল।
১৩. ----- শতকে বাহাদুর শাহ পার্কের নাম রাখা হয় ‘ভিক্টোরিয়া পার্ক।’
১৪. ১৭৫৭ সাল থেকে ------- সাল পর্যন্ত এ দেশে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন চলে।
১৫. -— সালে ‘ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস’ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৬. আসামকে অন্তর্ভুক্ত করে --- অঞ্চল গঠিত হয়।
১৭. ---- সালে ভারতবর্ষ স্বাধীন হয়।
১৮. বেগম রোকেয়া ---- প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
১৯. সেনাবাহিনীতে সিপাহি পদে --- সংখ্যাধিক্য ছিল।
২০. সেনাপতি মীর জাফরের ----- কারণে নবাব পরাজিত হন।
২১. সিপাহি বিদ্রোহে প্রায়----- ভারতীয় মারা যায়।
২২. বাংলাসহ সমগ্র ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ রানি নিজ হাতে তুলে নেন ---- সালে।
২৩. বাংলার ------ জন্য এই অঞ্চলের প্রতি ইংরেজদের আগ্রহ ছিল।
২৪. সিরাজ উদ-দৌলা ---- সালে নবাব হন।
২৫. বাংলায় নব জাগরণ ঘটে ----- শতকে।
উত্তর: ১. ১৬০০ ২. সিরাজ উদ-দৌলা ৩. ২২       ৪. ১৭৫৭ ৫. রবার্ট ক্লাইভ ৬. বাঁশের কেল্লা ৭. মঙ্গল পান্ডে ৮. নবজাগরণ ৯. ১৭৭০ ১০. ১৮৫৭ ১১. ১১৭৬ ১২. বাহাদুর শাহ ১৩. উনিশ ১৪. ১৯৪৭ ১৫. ১৮৮৫ ১৬. পূর্ববাংলা ১৭. ১৯৪৭ ১৮. নারী শিক্ষা ১৯. ভারতীয়দের ২০. বিশ্বাসঘাতকতার ২১. এক লাখ ২২. ১৮৫৮ ২৩. সম্পদের ২৪. ১৭৫৬ ২৫. উনিশ।

লেখক: সিনিয়র শিক্ষক
শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ
মধুবাগ, মগবাজার, ঢাকা

জাহ্নবী

পঞ্চম শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষার আকাইদের প্রশ্নোত্তর

প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০৪ পিএম
পঞ্চম শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষার আকাইদের প্রশ্নোত্তর

প্রথম অধ্যায়: আকাইদ

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর 
প্রশ্ন: আকিকা কাকে বলে?
উত্তর: সন্তান জন্মের সপ্তম দিনে সন্তানের কল্যাণ ও হিফাজতের কামনায় আল্লাহর ওয়াস্তে কোরবানির মতো কোনো গৃহপালিত হালাল পশু জবাই করাকে আকিকা বলে।
বর্ণনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন: ইবাদতের তাৎপর্য বর্ণনা করো।    
উত্তর: আল্লাহতায়ালা আমাদের সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। তিনি সবকিছুকে আমাদের অনুগত করে দিয়েছেন। আর তিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন শুধু তারই ইবাদতের জন্য। আল্লাহতায়ালা বলেছেন, ‘আর আমি জিন ও মানবজাতিকে কেবল আমার ইবাদতের জন্যই সৃষ্টি করেছি।’
আল্লাহ আমাদের মাবুদ আর আমরা তার আবদ বা অনুগত বান্দা। তাই আমাদের কর্তব্য হলো আল্লাহতায়ালার আদেশ-নিষেধ মেনে চলা। আর এটাই ইবাদত। সালাত, সাওম, হজ, জাকাত, সাদকা, দান-খয়রাত, আল্লাহর পথে জিহাদ এগুলো মৌলিক ইবাদত। তবে শুধু এগুলোর মধ্যেই ইবাদত সীমাবদ্ধ নয়। আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টির জন্য রাসুল (সা.)-এর দেখানো পথে যেকোনো ভালো কাজই ইবাদতের শামিল।
প্রশ্ন: সালাতের গুরুত্ব বর্ণনা করো।
উত্তর: ঈমানের পরই সালাতের স্থান। সালাত সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘সালাত ইসলামের খুঁটি। যে সালাত কায়েম করল, সে দ্বীনরূপ ইমারতটি কায়েম রাখল। আর যে সালাত ত্যাগ করল, সে দ্বীনরূপ ইমারতটি ধ্বংস করল। কোরআনে বারবার সালাত কায়েমের হুকুম দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে ‘সালাত কায়েম করো।’ দিন-রাত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জীবনের প্রতি মুহূর্তে আল্লাহতায়ালার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। বান্দার মনে আল্লাহর বিধানমতো চলার অনুপ্রেরণা জোগায়। সালাতের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহতায়ালার নৈকট্য লাভ করতে পারে। সালাতের গুরুত্ব প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই সালাত অশ্লীলতা ও খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে।’ আর মহানবী (সা.) বলেন, ‘সালাত জান্নাতের চাবি।’ সুতরাং আমাদের জান্নাত লাভ করতে হলে নিয়মিত সালাত আদায় করতে হবে।
প্রশ্ন: পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের সময় বর্ণনা করো।
উত্তর: সালাত আদায়ের নির্দিষ্ট সময় রয়েছে। যথাসময়ে সালাত আদায় না করলে তা আদায় হয় না। নিচে পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের সময় বর্ণনা করা হলো—
১. ফজর: ফজর সালাতের সময় শুরু হয় সুবহে সাদিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এবং সূর্য উদয়ের পূর্ব পর্যন্ত এর সময় থাকে। 
২. জোহর: দুপুরের সূর্য পশ্চিম আকাশে হেলে পড়লেই জোহরের ওয়াক্ত শুরু হয়। ছায়া আসলি বাদে কোনো বস্তুর ছায়া দ্বিগুণ হওয়া পর্যন্ত এর সময় থাকে। 
৩. আসর: জোহরের সময় শেষ হলেই আসরের সময় শুরু হয় এবং সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত বিদ্যমান থাকে।
৪. মাগরিব: সূর্যাস্তের পর থেকে মাগরিবের সময় শুরু হয় এবং পশ্চিম আকাশে যতক্ষণ লালিমা বিদ্যমান থাকে ততক্ষণ সময় থাকে।
৫. এশা: মাগরিবের সময় শেষ হলেই এশার সালাতের ওয়াক্ত শুরু হয় এবং সুবহে সাদিকের পূর্ব পর্যন্ত বিদ্যমান থাকে।

লেখক: মাস্টার ট্রেইনার ও সিনিয়র শিক্ষক
শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ
মধুবাগ, রমনা, ঢাকা

জাহ্নবী

এইচএসসির ইংরেজি প্রথম পত্রের Unit- 7, Lesson- 5 এর প্রশ্নোত্তর

প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০১ পিএম
এইচএসসির ইংরেজি প্রথম পত্রের Unit- 7, Lesson- 5 এর প্রশ্নোত্তর

Unit-7, Lesson-5
Question No. 1 (B)

1. Read the passage and answer questions B.
We spend money for different reasons. We buy foods, clothes or everyday essentials, pay for different services, entertain people, travel to places, help others in need or invest in business and thus spend money every day. In fact, spending is a part of our life. 
Spending may make us happy or unhappy depending on how and why we spend. When we spend money on things that we need and within our limit, it is good. When it becomes a compulsive behavior, it makes life stressful. Unnecessary spending or spending beyond one’s means has some bad effects. For one thing, it may lead to financial ruin or debt and for another, it may create unhappiness within families. People who overspend are never satisfied with what they have. They always rush for brands, fashion items, designer clothes etc. Over a period of time, it becomes an addiction which may eventually create psychological problems. 
Nowadays customer items are displayed in stores or in advertisements in ways that they create a feeling of immediate need for them. We are constantly tempted to buy, use or consume things even when we do not have a genuine need. We all need to be careful here. Salespersons often encourage customers to buy things by flattering them. ‘This is a perfect match for you,’ they would say, or ‘You look so stunning in that dress.’ Never forget, they say the same thing to most of their customers. It is better not to be persuaded by such words.
B. Answer the following questions.
(a) Why do people spend money?
Ans: People spend money for various reasons. They buy foods, clothes or everyday essentials, pay for different services, entertain people, travel to places, help others in need or invest in business and thus they spend money every day. 
(b) When can spending money remain normal? 
Ans: Spending money can remain normal when people spend it on things that they need and they spend it within their limit. It also may make them happy. 
(c) When does spending make life stressful? 
Ans: When spending becomes a compulsive behavior, it makes life stressful. Moreover, unnecessary spending or spending beyond one’s means creates some bad effects as well. 
(d) What does unnecessary spending result in?
Ans: Unnecessary spending results in various negative things. For example, it makes life stressful. It may result in financial ruin or debt. It may create unhappiness within families. Moreover, it may create dissatisfaction in people’s mentality. 
(e) How do salespersons often allure customers to buy things? 
Ans: Salespersons often allure customers to buy things applying flattery. They extol some products to be a perfect match for a customer. Even they comment that some customer looks quite stunning in some particular dress.

লেখক: সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় চেয়ারম্যান, ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা কমার্স কলেজ, ঢাকা

জাহ্নবী