ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩১, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

এইচএসসির অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর: বাংলা প্রথম পত্র

প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৪, ০৬:৫৩ পিএম
আপডেট: ২৩ মে ২০২৪, ০১:১৩ এএম
এইচএসসির অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর: বাংলা প্রথম পত্র

মূলভাব

প্রশ্ন: তাহারেই পড়ে মনে কবিতার মূলভাব লেখ।
উত্তর: মূলভাব: ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কবির স্মৃতিকাতর আবেগীয় অনুভূতির প্রকাশ ঘটেছে। এ কবিতায় কবি সুফিয়া কামালের ব্যক্তি জীবনের দুঃখময় ঘটনার ছায়াপাত ঘটেছে। কবির স্বামী সৈয়দ নেহাল হোসেনের মৃত্যুতে তার জীবনে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়, তা কবিমনকে আচ্ছন্ন করে রাখে রিক্ততার হাহাকারে; যা কোনোভাবেই পূরণীয় নয়। প্রকৃতিতে নব বসন্তের আগমনও কবি হৃদয়ের সেই বিষাদময় রিক্ততার সুরকে মুছে ফেলতে পারেনি, জাগতিক কোনো কিছু কবিকে স্পর্শ করেনি। তাই বসন্ত এলেও উদাসীন কবির অন্তর জুড়ে থাকে রিক্ত শীতের করুণ বিদায়ের বেদনা ও হাহাকার। শীত যে কবিকে শূন্যতায় পূর্ণ করে গেছে। অথচ বসন্ত কবির প্রিয় ঋতু। প্রকৃতির সঙ্গে মানব মনের সম্পর্ক নিবিড় হওয়া সত্ত্বেও কবির শোকাচ্ছন্ন হৃদয়ে বসন্ত-প্রকৃতির প্রভাব কোনোভাবেই সে সম্পর্ককে জাগিয়ে তুলতে পারেনি এবং কবির বিয়োগভারাক্রান্ত অন্তরকেও স্পর্শ করতে পারেনি। গঠনরীতির দিক থেকে নাটকীয় গুণসম্পন্ন এ কবিতার সংলাপনির্ভর কথোপকথনকে বিশেষ তাৎপর্যময় করে তুলেছে, যা দুজন ব্যক্তির কথা বলার স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি নাটকীয় সংলাপনির্ভর কবিতা। এখানে কবি ও কবি-ভক্তের মধ্যে সংলাপ বিনিময় হয়েছে। কবি ও কবি-ভক্তের যুক্তি ও ভাবের প্রকাশ কবিতাকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। কবি ও কবিভক্তের পাশাপাশি শীত ও বসন্তের তাৎপর্য এক গভীর প্রতীকী ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করেছে। কবিভক্ত কবিকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে চেয়েছেন, প্রকৃতির সান্নিধ্যে কবিকে আবারও সৃষ্টিশীল হতে অনুরোধ করেছেন। মানবজীবনে প্রিয়জন হারানোর গভীর বেদনা ভোলার নয়; তবু মানুষকে বেদনাদীর্ণ হৃদয়ে আবারও জাগতিক স্বাভাবিকতায় ফিরতে হয়। কবিভক্ত কবিকে সেটিই বারবার স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। গভীর আবেগ থেকে কবিকে শোক সঙ্গে নিয়েই আবার কলম হাতে তুলে নিতে প্রতীকী আহ্বান জানিয়েছেন। যাপিত জীবন যেন থেমে থমকে না যায়, জীবিত মানুষ যেন প্রাণহীন হয়ে না পড়ে সেই কামনা থেকেই কবিভক্ত কবির কণ্ঠে বসন্ত বন্দনা শুনতে চেয়েছেন। একদিকে শোকসন্তপ্ত হৃদয় কবিকে শীতের সন্ন্যাসরূপে আবদ্ধ রাখতে চায়; অন্যদিকে প্রকৃতি ডাকে নতুন এক আবাহনী মন্ত্রে- জাগো! জাগো! উঠে দাঁড়াও প্রাণের সঞ্জীবনী নিয়ে। মানবজীবনের দুঃখ-বেদনা, সময়ের গভীর বাস্তবতা এ কবিতায় এক বিচিত্র অনুভূতিতে বাঙ্ময় হয়ে উঠেছে।

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর 
প্রশ্ন-১.‘মাঘের সন্ন্যাসী’ কাকে বলা হয়েছে?
উত্তর: কবি শীতকে মাঘের সন্ন্যাসীরূপে কল্পনা করেছেন।
প্রশ্ন-২. ‘উন্মনা’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: উৎকণ্ঠিত, ব্যাকুল, আনমনা, উদাস।
প্রশ্ন-৪. সুফিয়া কামালের জন্মসাল-
উত্তর: ২০ জুন, ১৯১১।
প্রশ্ন-৫. সুফিয়া কামাল কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: বরিশালের শায়েস্তাবাদে।
প্রশ্ন-৬. সুফিয়া কামালের পৈতৃক নিবাস কোথায়?
উত্তর: সুফিয়া কামালের পৈতৃক নিবাস কুমিল্লায়।
প্রশ্ন ৭. সুফিয়া কামাল কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: নভেম্বর ২০, ১৯৯৯ সালে।
প্রশ্ন-৮. ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কোন ঋতুর আগমনের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: বসন্ত ঋতুর আগমনের কথা বলা হয়েছে।
প্রশ্ন-৯. ‘কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি’-কার আঁখি? 
উত্তর: কবির আঁখির কথা বলা হয়েছে।
প্রশ্ন-১০. ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কবির নীরবতার কারণ কী?
উত্তর: প্রিয়জন হারানোর শোক ও গভীর বেদনাবোধ।
প্রশ্ন-১১. মাঘের সন্ন্যাসী কোথায় চলে গেছে?
উত্তর: মাঘের সন্ন্যাসী পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে চলে গেছে।
প্রশ্ন-১৪. ‘পুষ্পারতি’ শব্দটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
উত্তর: ‘পুষ্পারতি’ শব্দটি ফুলের বন্দনা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
প্রশ্ন-১৫. ‘অর্ঘ্য বিরচন’ অর্থ কী?
উত্তর: অর্ঘ্য বিরচন শব্দের অর্থ উপহার রচনা।
প্রশ্ন-১৬. ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ‘মাসিক মোহাম্মদী’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
প্রশ্ন-১৭. সুফিয়া কামালের স্বামীর নাম কী?
উত্তর: সৈয়দ নেহাল হোসেন।
প্রশ্ন-১৮. ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি কোন ছন্দে লেখা?
উত্তর: ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দে লেখা।

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কলি

 

একাদশে ভর্তির ফল প্রকাশ, কলেজ পায়নি ৪৮ হাজার শিক্ষার্থী

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৮:১৪ এএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৮:৩৬ এএম
একাদশে ভর্তির ফল প্রকাশ, কলেজ পায়নি ৪৮ হাজার শিক্ষার্থী

আসন্ন শিক্ষাবর্ষে প্রথম দফায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদনের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। 

রবিবার (২৪ জুন) রাত ৮টার পর ওয়েবসাইটে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। 

প্রথম দফায় আবেদন করেছিল ১৩ লাখ ৩৫ হাজারের মতো। এর মধ্যে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে ১২ লাখ ৮৭ হাজারের মতো শিক্ষার্থী। বাকিরা প্রথম দফায় ভর্তির জন্য মনোনীত হয়নি।

প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ৪৮ হাজার শিক্ষার্থী প্রথম ধাপে কোনো পছন্দের কলেজ পায়নি। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েও প্রথম ধাপে ভর্তির জন্য কলেজ পায়নি সাড়ে আট হাজার শিক্ষার্থী।‌ আর একজনও শিক্ষার্থী পায়নি ২২০টি‌ কলেজ।

ফলাফল নিয়ে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, যারা প্রথম দফায় ভর্তির জন্য মনোনীত হয়নি, তারা দ্বিতীয় দফায় ভর্তির চেষ্টা করতে পারবে।

তিনি বলেন, রাত ৮টার পর ওয়েবসাইটে (xiclassadmission.gov.bd) একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এর‌পর আবেদনের সময় দেওয়া মোবাইলে ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।‌

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছিল ২৬ মে। ১৩ জুন রাত আটটা পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়।

এবারও এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা অনলাইনে সর্বনিম্ন ৫টি ও সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের প্রতিষ্ঠানের জন্য পছন্দক্রম দিয়ে আবেদন করতে পেরেছে। একজন শিক্ষার্থী যতগুলো কলেজে আবেদন করেছে, তার মধ্য থেকে শিক্ষার্থীর মেধা, কোটা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে ভর্তির জন্য একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তার ভর্তি নির্ধারণ করা হয়।

ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ফল প্রকাশের পর নির্বাচিতদের নিশ্চায়ন করতে হবে। তাদের নিশ্চায়ন প্রক্রিয়া শেষ হলে শূন্য আসনে ৩০ জুন থেকে দ্বিতীয় ধাপে আবেদন শুরু হবে, যা চলবে ২ জুলাই পর্যন্ত। ৪ জুলাই রাত ৮টায় দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে। এরপর টানা চার দিন চলবে দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিতদের নিশ্চায়ন প্রক্রিয়া।

৯ ও ১০ জুলাই তৃতীয় ধাপে আবেদন নেওয়া হবে, যার ফল প্রকাশ করা হবে ১২ জুলাই রাত ৮টায়। তিন ধাপে আবেদনের পর ফল প্রকাশ, নিশ্চায়ন ও মাইগ্রেশন শেষে ১৫ জুলাই থেকে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে। চলবে ২৫ জুলাই পর্যন্ত। ভর্তি কার্যক্রম শেষে আগামী ৩০ জুলাই সারাদেশে একযোগে একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হবে।

চলতি বছর এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পাস করেছে ১৬ লাখ ৭২ হাজার ১৫৩ জন। সারা দেশে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য আসন আছে ২৫ লাখের মতো।

অমিয়/

Cloze Test With Clues-এর ৪টি প্রশ্ন ও উত্তর, HSC ইংরেজি প্রথম পত্র

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ০৯:৪৩ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ০৯:৪৪ পিএম
Cloze Test With Clues-এর ৪টি প্রশ্ন ও উত্তর, HSC ইংরেজি প্রথম পত্র

Cloze Test with Clues

Read the following text and fill in the blanks with suitable words from box. There are more words than needed. Make any grammatical change if necessary. 

A society’s culture is (a) --- up of all of its ideas and ways of behaviour. Language, music, ideas about what is good and what is bad, ways of (b) ---, and the tools and other objects made and (c) --- by people in the society, all these are parts of a society’s culture. As studying a person’s (d) --- actions is a good way to find out information about that person, learning the important (e) --- of an entire society is a way to learn about the culture of that group. Patterns of behavior and action may (f) --- from individual to individual, class to class, society to society and country to country. These (g) --- are referred to as cultural differences. What is an appropriate mode of behavior in one culture may prove (h) --- or even rude in another culture. For example, when Latin Americans talk to each other, they (i) --- about 18 to 12 in inches apart measured nose to nose. To stand anymore away from each other while talking seems (j) --- to them. 

Ans: (a) made, (b) working, (c) used, (d) repeated, (e) patterns, (f) vary, (g) differences, (h) inappropriate, (i) stand, (j) unfriendly.

Last week I went to Bagerhat with some of my intimate friends and had an (a) --- to visit Shatgombuj Mosque which is one of the most famous (b) --- beauties of Bangladesh. The mosque was built by Khan Jahan Ali in 1440. It has been (c) --- as one of the most impressive Muslim monuments in South Asia. The mosque (d) --- on sixty pillars with its seventy-seven domes. Its walls are two meter thick and the interior western wall was (e) --- with terracotta flowers and foliage. There is also a dighi by the (f) --- of the mosque. It is said that a horse was made to run before the pond was (g) ---. The mosque (h) --- be used as a prayer hall and an assembly hall. It (i) --- wonderful archaeological beauty which is a (j) --- of the 15th century. 

Ans: (a) opportunity, (b) architectural, (c) described, (d) stands, (e) decorated, (f) side, (g) dug, (h) would, (i) represents, (j) signature.

The significance of reading newspapers has been observed (a) --- the dawn of its history and it cannot be (b) --- in words. The news of all that happens in the world reaches us (c) --- newspapers. The conditions of (d) --- people of the world are told through them. The (e) --- situation of a country is described in them. The (f) --- of great men of science are given publicity through newspapers too. The speeches and comments on the new measures (g) --- by governments are (h) --- in time in newspapers. We can learn about the latest political movements and changes in governments and (i) --- politics and affairs going through the international page. A student can also be (j) --- from a newspaper.

Ans: (a) since, (b) described, (c) through, (d) various, (e) economic, (f) achievements, (g) taken, (h) published, (i) international, (j) benefited.

Most of the people who (a) --- most often and most gloriously in the pages of history are (b) ---, generals and soldiers, whereas the people who really help (c) --- forward are often not (d) --- at all. We do not know who first set a (e) --- leg or launched a sea-worthy boat or (f) --- the length of a year, but we know all about the (g) --- and destroyers. People think a great deal of them so much that in all the highest pillars in great cities of the world we (h) --- the figures of conquerors, generals or soldiers. And I think that most people (i) --- that the greatest countries are those that defeated the (j) --- number of countries in battle fields and ruled over them as conquerors. 

Ans: (a) appear, (b) conquerors, (c) civilization, (d) mentioned, (e) broken, (f) calculated, (g) killers, (h) find, (i) believe, (j) greatest.

মো. মনসুর আলম, সহযোগী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, ইংরেজি বিভাগ
ঢাকা কমার্স কলেজ, ঢাকা/ আবরার জাহিন

দুই তীরে কবিতার ৫টি বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর, ৫ম শ্রেণির বাংলা

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ০৯:৪১ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ০৯:৪১ পিএম
দুই তীরে কবিতার ৫টি বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর, ৫ম শ্রেণির বাংলা

বর্ণনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: কবিতার মূলভাব লেখ।
উত্তর: একটি নদী, তার দুই তীরে দুজন মানুষ বাস করে। একজন ভালোবাসে নদীর বালুচর, শরৎকালে চখাচখিরা যেখানে ঘর বাঁধে। এর তীরে ফুটে থাকে কাশফুল। শীতের সময় হাঁসেরা এসে ভিড় করে, কচ্ছপ রোদ পোহায়। সন্ধ্যায় জেলের ডিঙি এসে ভেড়ে। অন্যজন ভালোবাসে বন, যেখানে রয়েছে ঘন ছায়া। সেখান থেকে একটি রাস্তা এসে মিশেছে নদীতে। নদীর ঘাটে বধূরা আসে, ছেলেরা জলে ভেলা ভাসায়। একটি নদী কিন্তু দুই তীরের মানুষকে সুন্দরভাবে মিলিয়ে দিয়েছে।
প্রশ্ন: নিচের শব্দগুলো শূন্যস্থানে বসিয়ে বাক্য তৈরি করো।
নির্জন, চখাচখিরা, ডিঙি, তটে, আচ্ছাদন, বেণুবন

ক. এলাকাটি এত ............. যে গা ছমছম করে।
খ. নদীর ধারে ............. দলবেঁধে উড়ে বেড়ায়।
গ. গ্রামের ছোট নদীগুলো দিয়ে মানুষ ............. করে পারাপার হয়।
ঘ. নদীর দুই ............. প্রতি বছর মেলা বসে।
ঙ. নদীর তীরে বটগাছটি বর্ষাকালে মানুষ ............. হিসেবে ব্যবহার করে।
চ. নদীর ধারে গজিয়ে ওঠা.... বাতাসে দুলতে থাকে।

উত্তর: শূন্যস্থানে শব্দগুলো বসিয়ে বাক্য তৈরি করা হলো-
ক. এলাকাটি এত নির্জন যে গা ছমছম করে।
খ. নদীর ধারে চখাচখিরা দলবেঁধে উড়ে বেড়ায়।
গ. গ্রামের ছোট নদীগুলো দিয়ে মানুষ ডিঙি করে পারাপার হয়।
ঘ. নদীর দুই তটে প্রতি বছর মেলা বসে।
ঙ. নদীর তীরে বটগাছটি বর্ষাকালে মানুষ আচ্ছাদন হিসেবে ব্যবহার করে।
চ. নদীর ধারে গজিয়ে ওঠা বেণুবন বাতাসে দুলতে থাকে।

প্রশ্ন: ঘাটে বধূর মেলা বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: সকাল-সন্ধ্যা বেলায় বধূরা জল আনতে নদীর ঘাটে যায়। এই সময় মনে হয় ঘাটে বধূদের মেলা বসেছে। ঘাটে বধূর মেলা বলতে গাঁয়ের বধূদের ঘাটে একত্রিত হয়ে জল আনাকে বোঝানো হয়েছে।
প্রশ্ন: দুই তীরে কবিতায় ওই পারের বনটি কেমন?
উত্তর: বাংলার একেকটি গ্রাম নিবিড় বনে ঢাকা। ওই পারে যে বন আছে, তার পাতা অনেক ঘন। এই ঘন পাতায় সারা দিন শান্ত নিবিড় ছায়া খেলা করে। বনের মাঝখান দিয়ে একটি পথ চলে গেছে। পথের গাছপালাগুলো শাখায় শাখায় গলাগলি করে মিশে রয়েছে। কবি বাংলার নদী, বন প্রভৃতি খুব পছন্দ করতেন। কবির মনের ভাবনা ওই পারে বসবাসকারী ব্যক্তির দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

প্রশ্ন: শূন্যস্থানে কথা বসিয়ে কবিতা বা ছড়া লেখ।
.............. মাস,
.............. বাঁশ।
.............. চর,
.............. ঘর।
.............. মন,
.............. বন।

উত্তর: বছরেতে আছে বারো মাস,
কাটব না বনের ছোট বাঁশ।
নদীর পাশে পড়ে চর,
চরে বাঁধে মানুষ ঘর।
পড়ালেখায় দেব মন,
দেখতে যাব সুন্দরবন।

গৌরাঙ্গ কুমার মন্ডল, সহকারী শিক্ষক, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ
বসুন্ধরা শাখা, ঢাকা/ আবরার জাহিন

সমাজকর্মের মূল্যবোধ ও নীতিমালা অধ্যায়ের ২০টি জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর, এইচএসসি সমাজকর্ম ১ম পত্র

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ০৯:৩৯ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ০৯:৩৯ পিএম
সমাজকর্মের মূল্যবোধ ও নীতিমালা অধ্যায়ের ২০টি জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর, এইচএসসি সমাজকর্ম ১ম পত্র

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: পেশার সংজ্ঞা দাও। 
উত্তর: যখন কোনো প্রযুক্তি ও দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তিবিশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কলাকৌশলকে বিশেষ মানদণ্ড ও নীতি অনুযায়ী বাস্তবে প্রয়োগ করে জীবিকা নির্বাহ করতে সক্ষম হয় তখন তাকে ওই ব্যক্তির পেশা বলে।
প্রশ্ন: ‘Profession’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
উত্তর: ‘Profession’ শব্দটি লাতিন ভাষা থেকে এসেছে।
প্রশ্ন: ইসলামী রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় কোষাগারকে কী বলা হয়?
উত্তর: ইসলামী রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় কোষাগারকে বাইতুল মাল বলা হয়। 
প্রশ্ন: বৃত্তি কী?
উত্তর: মানুষ জীবন ধারণের জন্য যেসব অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকে তাকে বৃত্তি বলা হয়।

প্রশ্ন: মূল্যবোধ কী?
উত্তর: মূল্যবোধ হলো ওইসব চিন্তাভাবনা, আশা-আকাঙ্ক্ষা, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য, যা মানুষের সামগ্রিক আচার-ব্যবহার এবং কার্যাবলিকে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রণ করে।
প্রশ্ন: NASW কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর: NASW ১ অক্টোবর ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রশ্ন: সমাজকর্ম মূল্যবোধ কী?
উত্তর: সমাজকর্ম পেশায় নিয়োজিত সমাজকর্মীরা মানুষের কল্যাণে তাদের জ্ঞান ও দক্ষতার প্রয়োগে যেসব মূল্যবোধ অনুসরণ করে তাকে সমাজকর্ম মূল্যবোধ বলে। 
প্রশ্ন: CSWE-এর পূর্ণরূপ লেখ। 
উত্তর: CSWE-এর পূর্ণরূপ The Council of Social Work Education.

প্রশ্ন: সমাজ সংস্কার কী?
উত্তর: আমাদের সমাজে অশিক্ষিত মানুষের সংখ্যা বেশি। তাদের মধ্য থেকে সৃষ্ট কিছু কুসংস্কার রয়েছে। অনেক ধরনের কুসংস্কার, কুপ্রথা, বিশ্বাস, গোঁড়ামি সমাজের উন্নতি ও অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টি করে, সমাজ কাঠামো থেকে এ ধরনের কুসংস্কারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ফলকে বলা হয় সমাজ সংস্কার।
প্রশ্ন: বাংলাদেশে স্বেচ্ছাসেবী আইন কবে পাস হয়?
উত্তর: বাংলাদেশে স্বেচ্ছাসেবী আইন ১৯৪০ সালে পাস হয়।
প্রশ্ন: কে সমাজকর্মকে সেমি প্রফেশন বলেছেন?
উত্তর: ডব্লিউ এ ফ্রেড ল্যান্ডার সমাজকর্মকে সেমি প্রফেশন বলেছেন। 

প্রশ্ন: পেশাগত কর্মীর কাজ কী?
উত্তর: পেশাগত কর্মীর কাজ হচ্ছে তার পেশাগত দায়িত্ব নৈতিকতার সঙ্গে পালন করা। 
প্রশ্ন: ব্যক্তির মর্যাদার ক্ষেত্রে সমাজকর্মের মূল্যবোধ কী?
উত্তর: মূল্যবোধ হলো সমাজকাঠামোর অপরিহার্য উপাদান, যা মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত আচার-আচারণকে পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।
প্রশ্ন: স্বনির্ভরতা কাকে বলে?
উত্তর: অন্যের ওপর নির্ভর না হয়ে নিজের ওপর নির্ভরতাকে স্বনির্ভরতা বলে। 

প্রশ্ন: গণতন্ত্র কাকে বলে?
উত্তর: গণতন্ত্র বলতে কোনো জাতিরাষ্ট্রের (অথবা কোনো সংগঠনের) এমন একটি শাসনব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে নীতিনির্ধারণ বা সরকারি প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রত্যেক নাগরিক বা সদস্যের সমান ভোটাধিকার থাকে।
প্রশ্ন: সমাজকর্ম মূল্যবোধের ভিত্তি কয়টি?
উত্তর: সমাজকর্মের মূল্যবোধের ভিত্তি চারটি। 

প্রশ্ন: কোন সংগঠন সমাজকর্ম পেশার নীতিমালা নির্ধারণ করেছে?
উত্তর: NASW সমাজকর্ম পেশার নীতিমালা নির্ধারণ করেছে। 
প্রশ্ন: সমাজকর্ম পেশা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে কত সালে?
উত্তর: ১৮৯৮ সালে সমাজকর্ম পেশা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। 

প্রশ্ন: কোন সম্মেলনের মাধ্যমে সমাজকর্মীদের আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণের জন্য নীতিমালা নির্ধারণ করা হয়?
উত্তর: ১৯৫১ সালে আমেরিকায় সমাজকর্মী সংঘের প্রতিনিধিদের অধিবেশনে পেশাদার সমাজকর্মীদের আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণের জন্য ‘পেশাগত নীতিমালা’ নির্ধারণ করা হয়।
প্রশ্ন: সমাজকর্মীদের আচার-আচরণের জন্য প্রণীত নীতিমালা কত সালে অনুমোদিত হয়?
উত্তর: ১৯৫১ সালে সমাজকর্মীদের আচার-আচরণের জন্য প্রণীত নীতিমালা অনুমোদিত হয়।

কামরুন নাহার রুনু, প্রভাষক, সমাজকর্ম, শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ
মধুবাগ, মগবাজার, ঢাকা/ আবরার জাহিন

নগ্নবীজী ও আবৃতবীজী উদ্ভিদ অধ্যায়ের সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর, এইচএসসি জীববিজ্ঞান ১ম পত্র

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ০৯:৩৫ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ০৯:৩৫ পিএম
নগ্নবীজী ও আবৃতবীজী উদ্ভিদ অধ্যায়ের সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর, এইচএসসি জীববিজ্ঞান ১ম পত্র

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর 

নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখ।
গ্রুপ A: Cycas, Pinus, Gnetum
গ্রুপ B:  ধান, গম, জবা।
ক. অমরাবিন্যাস কী?        ১
খ. জীবন্ত জীবাশ্ম বলতে কী বোঝ?     ২
গ. উদ্দীপকের A গ্রুপের উদ্ভিদের যৌন প্রজনন বর্ণনা করো।                 ৩
ঘ. উদ্দীপকের উল্লিখিত গ্রুপ B উদ্ভিদের পরিবারের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো। ৪

উত্তর: ক. অমরাবিন্যাস (Placentation): গর্ভাশয়ের ভেতরে যে টিস্যু থেকে ডিম্বক সৃষ্টি হয় সে টিস্যুকে অমরা (Placenta) বলে। গর্ভাশয়ের অভ্যন্তরে অমরার বিন্যাস পদ্ধতিই হচ্ছে অমরাবিন্যাস। 

খ. জীবন্ত জীবাশ্ম (Living Fossil): বর্তমানকালের কোনো জীবিত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য অতীতকালের কোনো জীবাশ্ম উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যর সঙ্গে মিল সম্পন্ন হলে তাকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলে। Cycas জীবন্ত জীবাশ্মের একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ। কেননা Cycas উদ্ভিদ Cycadales বর্গের অন্তর্গত। এই বর্গের অনেক উদ্ভিদ এখন বিলুপ্ত এবং এদের জীবাশ্ম হিসেবে পাওয়া যায়।

গ. উদ্দীপকের A গ্রুপের উদ্ভিদগুলো হলো- Cycas, Pinus, Gnetum। এগুলো নগ্নবীজী উদ্ভিদ। নগ্নবীজী উদ্ভিদ হিসেবে Cycas-এর যৌন প্রজনন প্রক্রিয়া বর্ণনা করা হলো-
যৌন জনন: Cycas একটি ভিন্নবাসী অর্থাৎ পুং-উদ্ভিদ ও স্ত্রী-উদ্ভিদ পৃথক। পুং Cycas উদ্ভিদের শীর্ষে অসংখ্য পুংরেণুপত্র বা মাইক্রোস্পোরোফিল সৃষ্টি হয়, যা ঘনভাবে একত্রিত হয়ে একটি মোচাকৃতির পুংস্ট্রোবিলাস গঠন করে। পুংরেণুপত্রের সরু বর্ধিত মাথাকে অ্যাপোফাইসিস বলে। পুংরেণুপত্রের পৃষ্ঠদেশে বহু স্পোরাঞ্জিয়া তৈরি করে। ২-৫টি স্পোরাঞ্জিয়া একত্রিত হয়ে সোরাস গঠন করে। স্পোরাঞ্জিয়ামের অভ্যন্তরে স্পোর মাতৃকোষ সৃষ্টি হয়। প্রতিটি স্পোর মাতৃকোষ মায়োসিস কোষ বিভাজনে হ্যাপ্লয়েড পুংরেণু সৃষ্টি করে। হ্যাপ্লয়েড পুংরেণু থেকে বহুফ্ল্যাজেলাযুক্ত শুক্রাণু সৃষ্টি হয়।
অপরপক্ষে Cycas-এর মাথায় স্ত্রীরেণুপত্র বা মেগা স্পোরোফিল সৃষ্টি হয়। স্ত্রীরেণুপত্র রোমশ, বাদামি বর্ণের, ঢিলাভাবে সজ্জিত থাকে কিন্তু স্ট্রোবিলাস গঠন করে না। স্ত্রী রেণুপত্রের উভয় কিনারে ডিম্বক সৃষ্টি হয়। এর উপরের দিকে পিনিউল থাকে। দুই কিনারে ডিম্বকসহ প্রতিটি স্ত্রীরেণুপত্রকে অনেকটা ফনা তোলা সাপের মাথার মতো দেখায়। লাল বর্ণের ডিম্বকের ভেতরে স্ত্রীরেণুমাতৃকোষ সৃষ্টি হয়। স্ত্রীরেণুমাতৃকোষ মায়োসিস বিভাজনের মাধ্যমে হ্যাপ্লয়েড স্ত্রীরেণু সৃষ্টি করে। স্ত্রীরেণু থেকে আর্কিগোনিয়াম সৃষ্টি হয়। আর্কিগোনিয়ামের অভ্যন্তরে ডিম্বাণু সৃষ্টি হয়। আর্কিগোনিয়াম সৃষ্টি Cycas উদ্ভিদের একটি আদি বৈশিষ্ট্য।
নিষেক: Cycas উদ্ভিদ বায়ু পরাগী হওয়ায় পুংরেণু বায়ু বাহিত হয়ে স্ত্রী উদ্ভিদের ডিম্বকের অগ্রভাগের প্রকোষ্ঠে পতিত হয় এবং পোলেন টিউব সৃষ্টি করে। পোলেন টিউবের ভেতরে শুক্রাণু সৃষ্টি হয়। Cycas এর শুক্রাণু লাটিমের মতো, বহুফ্ল্যাজেলাযুক্ত এবং উদ্ভিদকুলের মধ্যে সর্ববৃহৎ। পোলেন টিউব থেকে আগত শুক্রাণু (n) এবং আর্কিগোনিয়াস্থ ডিম্বাণু (n) এর সঙ্গে মিলনের ফলে জাইগোট (2n) তৈরি করে। ডিম্বক একটি বীজে পরিণত হয়। বীজ রসাল, কমলা বা লাল বর্ণের হয়। পরবর্তী সময়ে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে নতুন Cycas উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়।

ঘ. উদ্দীপকের গ্রুপ-B এর উদ্ভিদগুলো হলো ধান, গম, জবা । এদের মধ্যে ধান ও গম হলো Poaceae গোত্রের এবং জবা হলো Malvaceae গোত্রের উদ্ভিদ। 
নিচে Poaceae ও Malvaceae উদ্ভিদ গোত্রের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হলো-
Poaceae গোত্রের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য-
১. কাণ্ড সাধারণত নলাকার এবং মধ্যপর্ব ফাঁপা।
২. পাতা সরল, একান্তর, পত্রমূল কাণ্ডবেষ্টক এবং লিগিউলবিশিষ্ট।
৩. পুষ্পবিন্যাস (মঞ্জরি) স্পাইকলেট।
৪. পুষ্পপুট লোডিকিউলে রূপান্তরিত।
৫. পরাগধানী সর্বমুখ।
৬. গর্ভমুণ্ড পক্ষল (পালকের ন্যায় লোমশ)।
৭. অমরাবিন্যাস মূলীয়।
৮. গর্ভাশয় এক প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট।
Malvaceae গোত্রের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য-
১. কাণ্ডের কচি অংশে রোম এবং মিউসিলেজপূর্ণ (পিচ্ছিল) রস বিদ্যমান।
২. উপপত্র মুক্তপার্শ্বীয়।
৩. পুষ্প একক ও সাধারণত উপবৃতিযুক্ত।
৪. পুংকেশর বহু, এক গুচ্ছক।
৫. পুংকেশরীয় নালিকা গর্ভদণ্ডের চারদিকে বেষ্টিত।
৬. পরাগধানী একপ্রকোষ্ঠী ও বৃক্কাকার।
৭. পরাগরেণু বৃহৎ এবং কণ্টকিত।
৮. অমরাবিন্যাস অক্ষীয়।
৯. পুষ্পবিন্যাস টুইস্টেড।

এস. এম. মাহবুবুল আলম (তামীম), প্রভাষক, জীববিজ্ঞান বিভাগ 
ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ, ঢাকা/ আবরার জাহিন