সংবাদমাধ্যমে ৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের খবর প্রচার হলে পরে তা বাতিলের দাবি ওঠে। এর মধ্যে গত ২৫ আগস্ট বিসিএসের আবশ্যিক ও পদসংশ্লিষ্ট বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা ২৮ আগস্ট থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এরপরে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। এদিকে ৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি বাতিল না করে দ্রুত সময়ের মধ্যে লিখিত পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে প্রিলিমিনারি উত্তীর্ণরা।
বুধবার (১৬ অক্টোবর) ‘৪৬তম বিসিএস প্রিলি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীবৃন্দ’-এর ব্যানারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে প্রিলি উত্তীর্ণ সিরাজুল ইসলাম সোহাগ বলেন, ‘পিএসসির কয়েকজন কর্মচারী বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এর মধ্যে এক কর্মচারী নাকি তার দেওয়া জবানবন্দিতে ৪৬তম বিসিএস প্রিলিতে ১৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৩ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ করানোর কথা বলেছেন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেউ কেউ পুরো বিসিএস পরীক্ষা বাতিলের দাবি করছেন। অথচ আমরা যারা ৪৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ হয়েছি, তারা অনেক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে পড়া চালিয়ে গেছি।’ প্রিলিমিনারি বাতিল না করে দ্রুত লিখিত পরীক্ষার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের ক্ষেত্রে যেন ন্যায্য বিচারটি হয়, যাতে পরিশ্রমের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকে।’
আরিফ জাওয়াদ/এমএ/