ঢাকা ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
কৌতুকপ্রিয়তা আর সমাজ-নিরীক্ষণ প্রতিবন্ধীদের জন্য ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালু করবে সরকার: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী গ্রামে আমাদের বিশেষ আকর্ষণ ছিল পদ্মার নৌকাভ্রমণ খামেনির মরদেহ তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া দেশে বন্যা হতে পারে জুলাই-আগস্টে: এফএফডব্লিউসি ‘আত্মতুষ্টি আপনাকে শেষ করে দিতে পারে’, অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে দেওয়ার পর স্পেন কোচ রস্তায় ফেলে যাওয়া বৃদ্ধের দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু বাজেটের প্রভাবে স্থিতিশীল নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম রংপুরে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে নিহত ফরিদপুরে একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম, দুই জনের মৃত্যু ক্ষুধার বিরুদ্ধে যুদ্ধ, আশায় দীপ্যমান শেষ ষোলোতে সুইজারল্যান্ডের প্রতিপক্ষ কে? হাতিয়ায় নারীসহ যুবদল নেতা আটক, পদ থেকে বহিষ্কার ৮৮ বছরের খরা কাটিয়ে শেষ ষোলোতে সুইজারল্যান্ড বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র একদিনের ব্যবধানে বাড়ল স্বর্ণ ও রুপার দাম মাদারীপুরে শিক্ষকের ওপর হামলা, পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ দেশের সব বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস বিশ্বকাপের মঞ্চেই বিদায় বলবেন রোনালদো! ছুটির দিনে ঢাকার বাতাস ‘সহনীয়’ এইচএসসিতে ঝরে পড়া বাড়ার দায় কার? লালমনিরহাটে ৪ দিন পর্যন্ত অন্ধকারে ২২ হাজার গ্রাহক মুখোমুখি অস্ট্রেলিয়া-মিসর: দুই দলেরই ইতিহাস গড়ার হাতছানি নবিজি (সা.) যাদের অভিশাপ দিয়েছেন নির্ধারিত ৬০ পণ্যে বাজেটের সুবিধা পাচ্ছেন না ক্রেতারা বিস্ফোরণে কাঁপছে টেকনাফ সীমান্ত খামেনির জানাজায় যোগ দেবে ৯০ দেশের প্রতিনিধি রূপকথা নাকি রাজত্ব লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

চ্যাটবট হবে শিক্ষকের চেয়েও দ্বিগুণ দক্ষ

প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৫, ০৭:০৩ পিএম
চ্যাটবট হবে শিক্ষকের চেয়েও দ্বিগুণ দক্ষ
ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১০ বছরের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) চ্যাটবট মানব শিক্ষকের চেয়ে দ্বিগুণ কার্যকর হয়ে উঠবে। এমনটাই মনে করছেন এআই প্রযুক্তির অন্যতম পথিকৃৎ জিওফ্রি হিন্টন। সম্প্রতি জার্মানির বার্লিনে গিটেক্স ইউরোপ সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

হিন্টন বলেন, ‘এআই শিক্ষক এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত নয়, তবে অচিরে তা বাস্তবে রূপ নেবে।’ তাঁর মতে, একজন শিক্ষার্থী যখন ব্যক্তিগত শিক্ষকের সহায়তায় শেখে, তখন তার শেখার গতি সাধারণ শ্রেণিকক্ষের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়। কারণ শিক্ষক বুঝতে পারেন কোন বিষয় শিক্ষার্থী ঠিকমতো বোঝেনি এবং সেই অনুযায়ী ব্যাখ্যা দেন। এআই সেই কাজ আরও নিখুঁতভাবে করতে পারবে। চ্যাটবট প্রতিটি শিক্ষার্থীর শেখার ধরন ও বোধগম্যতা অনুযায়ী ব্যাখ্যা দিতে সক্ষম হবে।

এআইভিত্তিক শিক্ষক ব্যবহার যুক্তরাজ্যের কিছু বিদ্যালয়ে ইতিমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হয়েছে। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটার তৈরি চ্যাটবট ‘মান্ডা’ এখন দেশটির কয়েকটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গণিত ও ইংরেজি শেখাতে ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি ১১ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় পাঠ্যক্রমের ধাপ ৩ ও ৪ অনুসারে পাঠদান করে। চ্যাটবটটিকে প্রশিক্ষণ দিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৩০০ শিক্ষকের ব্যাখ্যাসমৃদ্ধ ৫ লাখ ৫০ হাজার মিনিটের ভিডিও ও অডিও উপাত্ত।

‘মান্ডা’ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারে এবং তাদের দক্ষতা অনুযায়ী পাঠ পরিকল্পনা সাজায়। শিক্ষার্থীরা যেকোনো সময় এতে প্রশ্ন করতে পারে। এই এআই শিক্ষকের মাসিক খরচ ধরা হয়েছে ১০ পাউন্ড।

গত বছর লন্ডনের ডেভিড গেম কলেজ ‘শিক্ষকবিহীন’ জিসিএসই শ্রেণিকক্ষে এআই ও ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাঠদান শুরু করে। প্রতিষ্ঠানটির সহ–অধ্যক্ষ জন ডালটন বলেন, ‘অনেক দক্ষ শিক্ষক রয়েছেন, তবে আমরা সবাই মানুষ, ভুল হতে পারে। কিন্তু এআই প্রতিটি শিক্ষার্থীর শেখার গতি, দুর্বলতা ও অগ্রগতি যেভাবে বিশ্লেষণ করতে পারে, তা মানুষের পক্ষেও সম্ভব নয়।’

বর্তমানে অনেক শিক্ষক শ্রেণিকক্ষের চাপ, সময় সংকট ও কাজের অতিরিক্ত ভার কমাতে পাঠ পরিকল্পনা তৈরি, হোমওয়ার্কের মূল্যায়ন–সহ নানা কাজে এআইয়ের সহায়তা নিচ্ছেন।

তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই দ্রুত বিকাশ নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন হিন্টন। তিনি বলেন, ‘আগামী ২০ বছরের মধ্যে এআই মানুষের চেয়েও বেশি বুদ্ধিমত্তার অধিকারী হয়ে উঠতে পারে। আমরা এমন কিছু তৈরি করছি, যার আচরণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত নই। এগুলোকে নিরাপদ রাখার উপায়ও আমাদের জানা নেই।’ সূত্র: ডেইলি মেইল

/আবরার জাহিন

আইফোনে কাস্টম অ্যালার্ম টোন

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
আইফোনে কাস্টম অ্যালার্ম টোন
ছবি: সংগৃহীত

সকালে ঘুম ভাঙানোর জন্য সঠিক অ্যালার্ম টোন বেছে নেওয়া বেশ গুরুত্বপূর্ণ। টোনটি খুব বেশি মধুর বা বিরক্তিকর হওয়া উচিত নয়। আইওএস অপারেটিং সিস্টেমে থাকা ডিফল্ট টোনগুলো অনেক সময় ব্যবহারকারীদের কাছে বিরক্তিকর মনে হতে পারে। তবে আইফোনে খুব সহজে নিজের পছন্দের কাস্টম অ্যালার্ম টোন সেট করা যায়।

কোনো নির্দিষ্ট গান অ্যালার্ম হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে অ্যাপল মিউজিক সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে সবচেয়ে সহজে করা যায়। এই প্ল্যাটফর্মে ১০ কোটির বেশি গান রয়েছে। অ্যালার্ম হিসেবে কোনো গান যুক্ত করতে চাইলে প্রথমে সেটি লাইব্রেরিতে যুক্ত করতে হবে। এ জন্য অ্যাপল মিউজিক অ্যাপ থেকে পছন্দের গানটি খুঁজুন। এর পর গানের পাশে থাকা প্লাস আইকনে ট্যাপ করে সেটি লাইব্রেরিতে যুক্ত করুন।

এর পর আইফোনের ক্লক অ্যাপ চালু করে নিচে থাকা অ্যালার্ম ট্যাবে যান। নতুন অ্যালার্ম তৈরি করতে প্লাস আইকনে ট্যাপ করুন। চাইলে আগে থেকে থাকা কোনো অ্যালার্মও নির্বাচন করতে পারেন। এর পর সাউন্ড অপশন থেকে ‘পিক আ সং’ নির্বাচন করুন। যে গানটি অ্যালার্ম হিসেবে ব্যবহার করতে চান, সেটি খুঁজে বের করে প্লাস বাটনে ট্যাপ করুন। সবশেষে ওপরের ডান দিকে থাকা সেভ বা টিক চিহ্নে ট্যাপ করলে অ্যালার্ম টোন সেট হয়ে যাবে।

সম্পূর্ণ নিজের তৈরি করা কোনো অডিও ফাইল অ্যালার্ম হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে ভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। ইন্টারনেট থেকে নামানো বা গ্যারেজব্যান্ড অ্যাপে তৈরি করা কোনো অডিও ফাইল এ কাজে ব্যবহার করা যাবে। তবে অডিও ফাইলটি অবশ্যই আইফোনের ‘ফাইলস’ অ্যাপে সেভ করা থাকতে হবে।

আইওএসের নতুন সংস্করণগুলোতে সেভ করা অডিও ফাইল অ্যালার্ম হিসেবে ব্যবহার করা বেশ সহজ। ফাইলস অ্যাপ থেকে পছন্দের অডিও ফাইলটি ট্যাপ করুন। এর পর শেয়ার অপশন থেকে ‘ইউজ অ্যাজ রিংটোন’ নির্বাচন করুন। অডিও ফাইলটি ৩০ সেকেন্ডের বড় হলে আইফোন সেটিকে কেটে ছোট করে নিতে বলবে। এই প্রক্রিয়ায় অডিওটি প্রাথমিকভাবে রিংটোন হিসেবে সেট হবে। তবে পরে রিংটোন আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যাবে।

এবার ক্লক অ্যাপে গিয়ে নতুন বা পুরোনো অ্যালার্ম নির্বাচন করুন। সাউন্ড অপশনে গিয়ে আপনার কাস্টম অডিওটি নির্বাচন করুন। 

শেয়ার মেনুতে ‘ইউজ অ্যাজ রিংটোন’ সুবিধা থাকায় আইমেসেজ বা ইমেইলের মাধ্যমে আসা কোনো অডিও অ্যালার্ম হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। চাইলে কোনো বন্ধুর ভয়েস মেসেজ বা ভয়েস মেমোজ অ্যাপে নিজের রেকর্ড করা কণ্ঠও এই একই পদ্ধতিতে অ্যালার্ম হিসেবে সেট করা যাবে।

আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েডে ওপেনক্ল অ্যাপ

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৪:২১ পিএম
আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েডে ওপেনক্ল অ্যাপ

আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের জন্য স্বতন্ত্র অ্যাপ উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে ‘ওপেনক্ল’। এর মধ্য দিয়ে অ্যাপলের অ্যাপ স্টোর ও গুগলের প্লে স্টোরে আনুষ্ঠানিকভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এজেন্টের যাত্রা শুরু হলো। এখন থেকে ব্যবহারকারীরা স্মার্টফোন ব্যবহার করে এই এআই অ্যাসিস্ট্যান্টের সঙ্গে চ্যাট করতে পারবেন। পাশাপাশি ফোনের ক্যামেরা, স্ক্রিন, লোকেশন, ছবি, কন্ট্যাক্টস, ক্যালেন্ডার ও রিমাইন্ডার ব্যবহারের অনুমতিও দেওয়া যাবে ওপেনক্লকে

খুব অল্প সময়ের মধ্যে এআই জগতে ছোট পরিসর থেকে অন্যতম শীর্ষ প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে ওপেনক্ল। চলতি বছরের শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা পিটার স্টেইনবার্গার ওপেনএআইয়ে যোগ দেন। এর পর থেকে একটি ফাউন্ডেশনের অধীনে এটি পরিচালিত হচ্ছে। এটি মূলত একটি ওপেন সোর্স প্রযুক্তি প্রকল্প। নতুন অ্যাপগুলো প্রকাশ করেছে ওপেনক্ল ফাউন্ডেশন। তবে স্টেইনবার্গারের নিয়োগের ঘোষণায় বলা হয়েছিল, ওপেনএআই এই প্রতিষ্ঠানটিকে নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে সহায়তা দেবে।

অ্যাপলের জন্য এজেন্টভিত্তিক এআই বিষয়টি বরাবরই বেশ জটিল। কারণ তাদের অ্যাপ পর্যালোচনার প্রক্রিয়া বেশ কঠোর। ‘ভাইব কোডিং’-এর নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির আশঙ্কায় অ্যাপল এর আগে অনেক এআই টুল আটকে দিয়েছিল। ফলে আইওএস ব্যবহারকারীদের তাদের এআই এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বাধ্য হয়ে টেলিগ্রাম বা হোয়াটসঅ্যাপের মতো চ্যাট অ্যাপ ব্যবহার করতে হতো। তবে নতুন অ্যাপ আসায় সেই বাধা আর থাকছে না।

ওয়াইফাই এক্সটেন্ডার নাকি মেশ নেটওয়ার্ক ভালো

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০২:০২ পিএম
ওয়াইফাই এক্সটেন্ডার নাকি মেশ নেটওয়ার্ক ভালো
ছবি: সংগৃহীত

ঘরের সব জায়গায় ইন্টারনেটের গতি সমান না পাওয়া একটি বড় সমস্যা। ভিডিও স্ট্রিমিং কিংবা জরুরি অনলাইন মিটিংয়ের সময় দুর্বল নেটওয়ার্কের কারণে অনেকে ভোগান্তিতে পড়েন। ইন্টারনেটের এই ‘ডেড জোন’ দূর করার জন্য অনেকে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করার কথা ভাবেন। তবে তার আগে বর্তমান নেটওয়ার্কটি শক্তিশালী করার উপায়গুলো খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। সাধারণত ঘরের নেটওয়ার্কের আওতা বাড়াতে ক্রেতারা দুটি প্রযুক্তির দিকে নজর দেন। এর মধ্যে একটি ওয়াইফাই এক্সটেন্ডার এবং অন্যটি মেশ ওয়াইফাই সিস্টেম।

ওয়াইফাই এক্সটেন্ডার এক ধরনের সহজ সিগন্যাল রিপিটার। এটি সরাসরি বৈদ্যুতিক আউটলেটে প্লাগ করে ব্যবহার করা যায়। মূল রাউটারের সিগন্যাল গ্রহণ করে এটি ঘরের অন্য অংশে পুনরায় তা সম্প্রসারণ করে। কম খরচে ঘরের নির্দিষ্ট কোনো অংশের নেটওয়ার্ক সমস্যা দূর করতে এটি বেশ কার্যকর। এর জন্য নতুন কোনো রাউটার কেনার প্রয়োজন হয় না। গ্যারেজ বা বাড়ির পেছনের উঠানের মতো নির্দিষ্ট জায়গায় সিগন্যাল বাড়াতে এটি ভালো কাজ করে। তবে কম খরচ ও সুবিধার পাশাপাশি এক্সটেন্ডারের কিছু বড় অসুবিধাও রয়েছে।

এক্সটেন্ডার মূলত রাউটার থেকে সিগন্যাল নিয়ে তা আবার প্রচার করে। তাই ঘরের দেয়াল বা অন্যান্য পরিবেশগত প্রতিবন্ধকতা এর কার্যক্ষমতায় বড় প্রভাব ফেলে। এ ছাড়া এটি রাউটার ও ডিভাইসের সঙ্গে একই রেডিও ব্যান্ড ব্যবহার করে সংযোগ স্থাপন করে। এর ফলে ইন্টারনেটের মূল ব্যান্ডউইথ বা গতি অর্ধেক কমে যেতে পারে। সবচেয়ে বড় অসুবিধা এক্সটেন্ডার সাধারণত ভিন্ন নামে আরেকটি ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক তৈরি করে। ফলে ব্যবহারকারী যখন রাউটারের আওতা থেকে এক্সটেন্ডারের আওতায় যান, তখন তাকে নতুন করে কানেক্ট করতে হয়। বড় বাড়ির জন্য এই প্রক্রিয়াটি বেশ ঝামেলার।

অন্যদিকে, মেশ ওয়াইফাই সিস্টেম ঘরের চারদিকে একটি বিস্তৃত ও সমান নেটওয়ার্ক তৈরি করে। এতে একাধিক ডিভাইস ব্যবহার করা হয়, যা পুরো বাড়িতে সমান গতি নিশ্চিত করে। এর স্মার্ট রাউটিং প্রযুক্তি ডিভাইসকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সবচেয়ে শক্তিশালী সিগন্যালের সঙ্গে যুক্ত রাখে। ফলে ব্যবহারকারীকে বারবার নতুন নেটওয়ার্কে লগইন করতে হয় না। বহুতল ভবন ও বড় ফ্ল্যাটের জন্য মেশ নেটওয়ার্ক একটি চমৎকার সমাধান। প্রাথমিক সেটআপ কিছুটা জটিল এবং ব্যয়বহুল হলেও, এটি ব্যান্ডউইথ না কমিয়ে পুরো বাড়িতে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সরবরাহ করতে পারে। তাই নিজের প্রয়োজন ও বাজেট বিবেচনা করে সঠিক প্রযুক্তিটি বেছে নিন। 

স্মার্টফোনের ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর হওয়ার সুযোগ

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৪:০৭ পিএম
স্মার্টফোনের ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর হওয়ার সুযোগ

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পড়াশোনার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত দক্ষতা ও ক্যারিয়ার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই বিষয়টি মাথায় রেখে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর’ প্রোগ্রাম শুরু করেছে বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো।

দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব ও সৃজনশীলতার বিকাশ এবং নিজ নিজ ক্যাম্পাসকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অপো জানিয়েছে, এই প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য তরুণ শিক্ষার্থীদের ক্ষমতায়ন এবং তাঁদের উদ্ভাবনী সক্ষমতাকে কাজে লাগানো। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থী, কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও তরুণদের নিয়ে একটি গতিশীল কমিউনিটি তৈরি করা হবে, যারা ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে ভূমিকা রাখবে।

নির্বাচিত ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডররা শীর্ষস্থানীয় একটি প্রযুক্তি ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতার পাশাপাশি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে মাসিক সম্মানী, আকর্ষণীয় উপহার ও অপোর নতুন ডিভাইসগুলো সবার আগে ব্যবহারের সুযোগ। এ ছাড়া এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ড ইভেন্টে আমন্ত্রণ, প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং এবং অপো-তে ক্যারিয়ার ও ইন্টার্নশিপের সুযোগও থাকছে।

এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কনটেন্ট তৈরি, ডিজিটাল স্টোরিটেলিং এবং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের মতো বিষয়ে ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন। অভিজ্ঞ মেন্টরদের তত্ত্বাবধানে কাজ করার এই অভিজ্ঞতা তাঁদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে সহায়ক হবে বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি।

অপো বাংলাদেশের অথরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের জেনারেল ম্যানেজার ডেমন ইয়াং বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, আগামীর উদ্ভাবন ও সামাজিক অগ্রগতির চালিকাশক্তি হচ্ছে তরুণ প্রজন্ম। এই উদ্যোগ কেবল ব্র্যান্ডকে প্রতিনিধিত্ব করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি পরবর্তী প্রজন্মের লিডারদের অনুপ্রাণিত ও ক্ষমতাবান করার একটি প্রয়াস।’

অপো ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রামে আবেদনের লিংকটি ইতিমধ্যেই উন্মুক্ত করা হয়েছে। আগ্রহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা এই গুগল ফরম লিংকের (https://forms.gle/sthZVVgg1SCEGndM6) মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। প্রাপ্ত আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্তভাবে অ্যাম্বাসেডর নির্বাচন করবে অপো।

সাধারণ এলইডির চেয়ে স্মার্ট বাল্ব কি ব্যয়বহুল?

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম
সাধারণ এলইডির চেয়ে স্মার্ট বাল্ব কি ব্যয়বহুল?
ছবি: সংগৃহীত

বর্তমানে স্মার্ট হোমের যুগে স্মার্ট বাল্বের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। এগুলো ব্যবহার করা সহজ এবং ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তবে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, সাধারণ এলইডি বাল্বের চেয়ে স্মার্ট বাল্বে কি বিদ্যুৎ বেশি খরচ হয়।

এর উত্তর হলো হ্যাঁ। সাধারণ এলইডি ও স্মার্ট বাল্ব আলো দেওয়ার সময় একই পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। কিন্তু সাধারণ বাল্ব বন্ধ থাকলে কোনো বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় না। অন্যদিকে স্মার্ট বাল্ব বন্ধ থাকলেও ওয়াই-ফাই বা হাবের সঙ্গে যুক্ত থাকতে সামান্য বিদ্যুৎ খরচ হয়। ২০১৯ সালে সায়েন্সডিরেক্ট সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণা অনুযায়ী স্মার্ট বাল্ব বন্ধ থাকলেও এটি ক্রমাগত বিদ্যুৎ খরচ করে। তবে পরীক্ষিত ৩০টি বাল্বের মধ্যে ২১টি বাল্বের স্ট্যান্ডবাই বিদ্যুৎ খরচ শূন্য দশমিক ৫ ওয়াটের নিচে ছিল।

স্ট্যান্ডবাই মোডে স্মার্ট বাল্ব খুব কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। ফিলিপস বা টিপি-লিংকের মতো ব্র্যান্ডের বাল্বগুলো স্ট্যান্ডবাই মোডে শূন্য দশমিক ২ থেকে শূন্য দশমিক ৫ ওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। ফলে বছরে প্রতিটি বাল্বের জন্য ৩৫ সেন্ট থেকে ১ দশমিক ৩০ ডলার অতিরিক্ত খরচ হতে পারে। এই সামান্য খরচ গ্রাহকদের স্মার্ট বাল্ব ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করার জন্য যথেষ্ট নয়। মার্কিন জ্বালানি দপ্তরের মতে, বাসাবাড়িতে মোট বিদ্যুৎ খরচের ৫ থেকে ১০ শতাংশই হয় স্ট্যান্ডবাই মোডে থাকা যন্ত্রপাতির কারণে।

স্ট্যান্ডবাই মোডে সামান্য বিদ্যুৎ খরচ হলেও দীর্ঘ মেয়াদে স্মার্ট বাল্ব অর্থ সাশ্রয় করতে পারে। স্মার্টফোন অ্যাপ বা স্মার্ট অ্যাসিস্ট্যান্টের মাধ্যমে যেকোনো সময় এটি চালু বা বন্ধ করা যায়। এতে নির্দিষ্ট সময়ে চালু বা বন্ধ করার জন্য শিডিউল করার সুবিধাও রয়েছে। ফলে বাল্ব ব্যবহারের সময় অনেকটই কমে যায়। আলো কমানো বা বাড়ানোর সুবিধাও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ভূমিকা রাখে।

স্মার্ট বাল্বের বড় একটি খরচ হলো এর দাম। সাধারণ এলইডি বাল্বের দাম যেখানে দেড় থেকে চার ডলারের মধ্যে, সেখানে স্মার্ট বাল্বের দাম গড়ে আট থেকে পনেরো ডলার হতে পারে। এ ছাড়া সাধারণ এলইডি বাল্ব বিশ থেকে চল্লিশ বছর টিকতে পারে। অন্যদিকে স্মার্ট বাল্বের ভেতরের অতিরিক্ত যন্ত্রাংশ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় এগুলো সাধারণত পনেরো থেকে পঁচিশ বছর টেকে। তবে ব্যবহারের সময় কমে যাওয়ার কারণে শেষ পর্যন্ত এটি ব্যবহারকারীদের জন্য সাশ্রয়ী প্রমাণিত হতে পারে।