ঢাকা ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশ যত দ্রুত চাইবে চীন সেভাবে কাজ করবে: রাষ্ট্রদূত ফরিদপুরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত অন্তত ২০ দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে হত্যা, স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড ভার্চুয়াল শত্রুতার বলি আমার প্রিয় ঠিকানা হালদা নদীর সব মাছেই মিলছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণা বর্তমান কোচিং স্টাফ থাকলে দলে ফিরবেন না পেপে গুয়ে! ঢাবিতে ২৭৭ প্রজাতির ১৭ হাজারের বেশি গাছ আছে বর্ষাকালের ভাইরাল জ্বর বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র ফিনিক্স সামিটে দেশের সেরা জাককানইবি সাইবার সিকিউরিটি ক্লাব এক বছরের সাজা এড়াতে ৯ বছর পলাতক আসামি বরিশালের সাবেক ডিসির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে ঝাড়ু মিছিল ভূমিরূপ পরিবর্তন অধ্যায়ের ১৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র সন্তানের সবচেয়ে বড় যা প্রয়োজন রোনালদোর চেয়েও ছোট! পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচে কে এই রহস্যময় রেফারি? ব্যাংককে আকিজ সিমেন্টের বিজনেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত সিলেটে ওসমানী হাসপাতালে ডিউটিরত ইন্টার্ন নার্সিং শিক্ষার্থীদের ওপর ওয়ার্ড বয়দের হামলা এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের চূড়ায় বাগ্‌দান, পরে গ্রেপ্তার দম্পতি রপ্তানি বাড়াতে পণ্যে বৈচিত্র্য বাড়াতে হবে ঘাটাইল উপজেলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ শিশুর মৃত্যু পেটের আলসারের কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা বরিশালে নারী ব্যবসায়ীদের মারধর, ছাত্রদল নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল চুয়েটে স্নাতক প্রথম বর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের অরিয়েন্টেশন সম্পন্ন এ মাসেই ‘শিকার’ শুরু করছেন অপু বিশ্বাস বিশ্বকাপের গানে ‘টুডে শো’র মঞ্চ মাতালেন সানজয় ও নোরা আর্জেন্টিনার স্কোয়াডে ফিরছেন ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো ১০টি ফুটবল মাঠের সমান এক জাহাজ! এলপিজির দাম ১২ কেজির সিলিন্ডারে কমল ৩৫৭ টাকা ময়মনসিংহে শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড

আইফোনে কাস্টম অ্যালার্ম টোন

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
আইফোনে কাস্টম অ্যালার্ম টোন
ছবি: সংগৃহীত

সকালে ঘুম ভাঙানোর জন্য সঠিক অ্যালার্ম টোন বেছে নেওয়া বেশ গুরুত্বপূর্ণ। টোনটি খুব বেশি মধুর বা বিরক্তিকর হওয়া উচিত নয়। আইওএস অপারেটিং সিস্টেমে থাকা ডিফল্ট টোনগুলো অনেক সময় ব্যবহারকারীদের কাছে বিরক্তিকর মনে হতে পারে। তবে আইফোনে খুব সহজে নিজের পছন্দের কাস্টম অ্যালার্ম টোন সেট করা যায়।

কোনো নির্দিষ্ট গান অ্যালার্ম হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে অ্যাপল মিউজিক সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে সবচেয়ে সহজে করা যায়। এই প্ল্যাটফর্মে ১০ কোটির বেশি গান রয়েছে। অ্যালার্ম হিসেবে কোনো গান যুক্ত করতে চাইলে প্রথমে সেটি লাইব্রেরিতে যুক্ত করতে হবে। এ জন্য অ্যাপল মিউজিক অ্যাপ থেকে পছন্দের গানটি খুঁজুন। এর পর গানের পাশে থাকা প্লাস আইকনে ট্যাপ করে সেটি লাইব্রেরিতে যুক্ত করুন।

এর পর আইফোনের ক্লক অ্যাপ চালু করে নিচে থাকা অ্যালার্ম ট্যাবে যান। নতুন অ্যালার্ম তৈরি করতে প্লাস আইকনে ট্যাপ করুন। চাইলে আগে থেকে থাকা কোনো অ্যালার্মও নির্বাচন করতে পারেন। এর পর সাউন্ড অপশন থেকে ‘পিক আ সং’ নির্বাচন করুন। যে গানটি অ্যালার্ম হিসেবে ব্যবহার করতে চান, সেটি খুঁজে বের করে প্লাস বাটনে ট্যাপ করুন। সবশেষে ওপরের ডান দিকে থাকা সেভ বা টিক চিহ্নে ট্যাপ করলে অ্যালার্ম টোন সেট হয়ে যাবে।

সম্পূর্ণ নিজের তৈরি করা কোনো অডিও ফাইল অ্যালার্ম হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে ভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। ইন্টারনেট থেকে নামানো বা গ্যারেজব্যান্ড অ্যাপে তৈরি করা কোনো অডিও ফাইল এ কাজে ব্যবহার করা যাবে। তবে অডিও ফাইলটি অবশ্যই আইফোনের ‘ফাইলস’ অ্যাপে সেভ করা থাকতে হবে।

আইওএসের নতুন সংস্করণগুলোতে সেভ করা অডিও ফাইল অ্যালার্ম হিসেবে ব্যবহার করা বেশ সহজ। ফাইলস অ্যাপ থেকে পছন্দের অডিও ফাইলটি ট্যাপ করুন। এর পর শেয়ার অপশন থেকে ‘ইউজ অ্যাজ রিংটোন’ নির্বাচন করুন। অডিও ফাইলটি ৩০ সেকেন্ডের বড় হলে আইফোন সেটিকে কেটে ছোট করে নিতে বলবে। এই প্রক্রিয়ায় অডিওটি প্রাথমিকভাবে রিংটোন হিসেবে সেট হবে। তবে পরে রিংটোন আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যাবে।

এবার ক্লক অ্যাপে গিয়ে নতুন বা পুরোনো অ্যালার্ম নির্বাচন করুন। সাউন্ড অপশনে গিয়ে আপনার কাস্টম অডিওটি নির্বাচন করুন। 

শেয়ার মেনুতে ‘ইউজ অ্যাজ রিংটোন’ সুবিধা থাকায় আইমেসেজ বা ইমেইলের মাধ্যমে আসা কোনো অডিও অ্যালার্ম হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। চাইলে কোনো বন্ধুর ভয়েস মেসেজ বা ভয়েস মেমোজ অ্যাপে নিজের রেকর্ড করা কণ্ঠও এই একই পদ্ধতিতে অ্যালার্ম হিসেবে সেট করা যাবে।

আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েডে ওপেনক্ল অ্যাপ

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৪:২১ পিএম
আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েডে ওপেনক্ল অ্যাপ

আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের জন্য স্বতন্ত্র অ্যাপ উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে ‘ওপেনক্ল’। এর মধ্য দিয়ে অ্যাপলের অ্যাপ স্টোর ও গুগলের প্লে স্টোরে আনুষ্ঠানিকভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এজেন্টের যাত্রা শুরু হলো। এখন থেকে ব্যবহারকারীরা স্মার্টফোন ব্যবহার করে এই এআই অ্যাসিস্ট্যান্টের সঙ্গে চ্যাট করতে পারবেন। পাশাপাশি ফোনের ক্যামেরা, স্ক্রিন, লোকেশন, ছবি, কন্ট্যাক্টস, ক্যালেন্ডার ও রিমাইন্ডার ব্যবহারের অনুমতিও দেওয়া যাবে ওপেনক্লকে

খুব অল্প সময়ের মধ্যে এআই জগতে ছোট পরিসর থেকে অন্যতম শীর্ষ প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে ওপেনক্ল। চলতি বছরের শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা পিটার স্টেইনবার্গার ওপেনএআইয়ে যোগ দেন। এর পর থেকে একটি ফাউন্ডেশনের অধীনে এটি পরিচালিত হচ্ছে। এটি মূলত একটি ওপেন সোর্স প্রযুক্তি প্রকল্প। নতুন অ্যাপগুলো প্রকাশ করেছে ওপেনক্ল ফাউন্ডেশন। তবে স্টেইনবার্গারের নিয়োগের ঘোষণায় বলা হয়েছিল, ওপেনএআই এই প্রতিষ্ঠানটিকে নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে সহায়তা দেবে।

অ্যাপলের জন্য এজেন্টভিত্তিক এআই বিষয়টি বরাবরই বেশ জটিল। কারণ তাদের অ্যাপ পর্যালোচনার প্রক্রিয়া বেশ কঠোর। ‘ভাইব কোডিং’-এর নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির আশঙ্কায় অ্যাপল এর আগে অনেক এআই টুল আটকে দিয়েছিল। ফলে আইওএস ব্যবহারকারীদের তাদের এআই এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বাধ্য হয়ে টেলিগ্রাম বা হোয়াটসঅ্যাপের মতো চ্যাট অ্যাপ ব্যবহার করতে হতো। তবে নতুন অ্যাপ আসায় সেই বাধা আর থাকছে না।

ওয়াইফাই এক্সটেন্ডার নাকি মেশ নেটওয়ার্ক ভালো

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০২:০২ পিএম
ওয়াইফাই এক্সটেন্ডার নাকি মেশ নেটওয়ার্ক ভালো
ছবি: সংগৃহীত

ঘরের সব জায়গায় ইন্টারনেটের গতি সমান না পাওয়া একটি বড় সমস্যা। ভিডিও স্ট্রিমিং কিংবা জরুরি অনলাইন মিটিংয়ের সময় দুর্বল নেটওয়ার্কের কারণে অনেকে ভোগান্তিতে পড়েন। ইন্টারনেটের এই ‘ডেড জোন’ দূর করার জন্য অনেকে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করার কথা ভাবেন। তবে তার আগে বর্তমান নেটওয়ার্কটি শক্তিশালী করার উপায়গুলো খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। সাধারণত ঘরের নেটওয়ার্কের আওতা বাড়াতে ক্রেতারা দুটি প্রযুক্তির দিকে নজর দেন। এর মধ্যে একটি ওয়াইফাই এক্সটেন্ডার এবং অন্যটি মেশ ওয়াইফাই সিস্টেম।

ওয়াইফাই এক্সটেন্ডার এক ধরনের সহজ সিগন্যাল রিপিটার। এটি সরাসরি বৈদ্যুতিক আউটলেটে প্লাগ করে ব্যবহার করা যায়। মূল রাউটারের সিগন্যাল গ্রহণ করে এটি ঘরের অন্য অংশে পুনরায় তা সম্প্রসারণ করে। কম খরচে ঘরের নির্দিষ্ট কোনো অংশের নেটওয়ার্ক সমস্যা দূর করতে এটি বেশ কার্যকর। এর জন্য নতুন কোনো রাউটার কেনার প্রয়োজন হয় না। গ্যারেজ বা বাড়ির পেছনের উঠানের মতো নির্দিষ্ট জায়গায় সিগন্যাল বাড়াতে এটি ভালো কাজ করে। তবে কম খরচ ও সুবিধার পাশাপাশি এক্সটেন্ডারের কিছু বড় অসুবিধাও রয়েছে।

এক্সটেন্ডার মূলত রাউটার থেকে সিগন্যাল নিয়ে তা আবার প্রচার করে। তাই ঘরের দেয়াল বা অন্যান্য পরিবেশগত প্রতিবন্ধকতা এর কার্যক্ষমতায় বড় প্রভাব ফেলে। এ ছাড়া এটি রাউটার ও ডিভাইসের সঙ্গে একই রেডিও ব্যান্ড ব্যবহার করে সংযোগ স্থাপন করে। এর ফলে ইন্টারনেটের মূল ব্যান্ডউইথ বা গতি অর্ধেক কমে যেতে পারে। সবচেয়ে বড় অসুবিধা এক্সটেন্ডার সাধারণত ভিন্ন নামে আরেকটি ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক তৈরি করে। ফলে ব্যবহারকারী যখন রাউটারের আওতা থেকে এক্সটেন্ডারের আওতায় যান, তখন তাকে নতুন করে কানেক্ট করতে হয়। বড় বাড়ির জন্য এই প্রক্রিয়াটি বেশ ঝামেলার।

অন্যদিকে, মেশ ওয়াইফাই সিস্টেম ঘরের চারদিকে একটি বিস্তৃত ও সমান নেটওয়ার্ক তৈরি করে। এতে একাধিক ডিভাইস ব্যবহার করা হয়, যা পুরো বাড়িতে সমান গতি নিশ্চিত করে। এর স্মার্ট রাউটিং প্রযুক্তি ডিভাইসকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সবচেয়ে শক্তিশালী সিগন্যালের সঙ্গে যুক্ত রাখে। ফলে ব্যবহারকারীকে বারবার নতুন নেটওয়ার্কে লগইন করতে হয় না। বহুতল ভবন ও বড় ফ্ল্যাটের জন্য মেশ নেটওয়ার্ক একটি চমৎকার সমাধান। প্রাথমিক সেটআপ কিছুটা জটিল এবং ব্যয়বহুল হলেও, এটি ব্যান্ডউইথ না কমিয়ে পুরো বাড়িতে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সরবরাহ করতে পারে। তাই নিজের প্রয়োজন ও বাজেট বিবেচনা করে সঠিক প্রযুক্তিটি বেছে নিন। 

স্মার্টফোনের ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর হওয়ার সুযোগ

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৪:০৭ পিএম
স্মার্টফোনের ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর হওয়ার সুযোগ

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পড়াশোনার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত দক্ষতা ও ক্যারিয়ার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই বিষয়টি মাথায় রেখে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর’ প্রোগ্রাম শুরু করেছে বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো।

দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব ও সৃজনশীলতার বিকাশ এবং নিজ নিজ ক্যাম্পাসকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অপো জানিয়েছে, এই প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য তরুণ শিক্ষার্থীদের ক্ষমতায়ন এবং তাঁদের উদ্ভাবনী সক্ষমতাকে কাজে লাগানো। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থী, কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও তরুণদের নিয়ে একটি গতিশীল কমিউনিটি তৈরি করা হবে, যারা ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে ভূমিকা রাখবে।

নির্বাচিত ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডররা শীর্ষস্থানীয় একটি প্রযুক্তি ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতার পাশাপাশি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে মাসিক সম্মানী, আকর্ষণীয় উপহার ও অপোর নতুন ডিভাইসগুলো সবার আগে ব্যবহারের সুযোগ। এ ছাড়া এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ড ইভেন্টে আমন্ত্রণ, প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং এবং অপো-তে ক্যারিয়ার ও ইন্টার্নশিপের সুযোগও থাকছে।

এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কনটেন্ট তৈরি, ডিজিটাল স্টোরিটেলিং এবং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের মতো বিষয়ে ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন। অভিজ্ঞ মেন্টরদের তত্ত্বাবধানে কাজ করার এই অভিজ্ঞতা তাঁদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে সহায়ক হবে বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি।

অপো বাংলাদেশের অথরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের জেনারেল ম্যানেজার ডেমন ইয়াং বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, আগামীর উদ্ভাবন ও সামাজিক অগ্রগতির চালিকাশক্তি হচ্ছে তরুণ প্রজন্ম। এই উদ্যোগ কেবল ব্র্যান্ডকে প্রতিনিধিত্ব করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি পরবর্তী প্রজন্মের লিডারদের অনুপ্রাণিত ও ক্ষমতাবান করার একটি প্রয়াস।’

অপো ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রামে আবেদনের লিংকটি ইতিমধ্যেই উন্মুক্ত করা হয়েছে। আগ্রহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা এই গুগল ফরম লিংকের (https://forms.gle/sthZVVgg1SCEGndM6) মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। প্রাপ্ত আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্তভাবে অ্যাম্বাসেডর নির্বাচন করবে অপো।

সাধারণ এলইডির চেয়ে স্মার্ট বাল্ব কি ব্যয়বহুল?

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম
সাধারণ এলইডির চেয়ে স্মার্ট বাল্ব কি ব্যয়বহুল?
ছবি: সংগৃহীত

বর্তমানে স্মার্ট হোমের যুগে স্মার্ট বাল্বের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। এগুলো ব্যবহার করা সহজ এবং ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তবে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, সাধারণ এলইডি বাল্বের চেয়ে স্মার্ট বাল্বে কি বিদ্যুৎ বেশি খরচ হয়।

এর উত্তর হলো হ্যাঁ। সাধারণ এলইডি ও স্মার্ট বাল্ব আলো দেওয়ার সময় একই পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। কিন্তু সাধারণ বাল্ব বন্ধ থাকলে কোনো বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় না। অন্যদিকে স্মার্ট বাল্ব বন্ধ থাকলেও ওয়াই-ফাই বা হাবের সঙ্গে যুক্ত থাকতে সামান্য বিদ্যুৎ খরচ হয়। ২০১৯ সালে সায়েন্সডিরেক্ট সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণা অনুযায়ী স্মার্ট বাল্ব বন্ধ থাকলেও এটি ক্রমাগত বিদ্যুৎ খরচ করে। তবে পরীক্ষিত ৩০টি বাল্বের মধ্যে ২১টি বাল্বের স্ট্যান্ডবাই বিদ্যুৎ খরচ শূন্য দশমিক ৫ ওয়াটের নিচে ছিল।

স্ট্যান্ডবাই মোডে স্মার্ট বাল্ব খুব কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। ফিলিপস বা টিপি-লিংকের মতো ব্র্যান্ডের বাল্বগুলো স্ট্যান্ডবাই মোডে শূন্য দশমিক ২ থেকে শূন্য দশমিক ৫ ওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। ফলে বছরে প্রতিটি বাল্বের জন্য ৩৫ সেন্ট থেকে ১ দশমিক ৩০ ডলার অতিরিক্ত খরচ হতে পারে। এই সামান্য খরচ গ্রাহকদের স্মার্ট বাল্ব ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করার জন্য যথেষ্ট নয়। মার্কিন জ্বালানি দপ্তরের মতে, বাসাবাড়িতে মোট বিদ্যুৎ খরচের ৫ থেকে ১০ শতাংশই হয় স্ট্যান্ডবাই মোডে থাকা যন্ত্রপাতির কারণে।

স্ট্যান্ডবাই মোডে সামান্য বিদ্যুৎ খরচ হলেও দীর্ঘ মেয়াদে স্মার্ট বাল্ব অর্থ সাশ্রয় করতে পারে। স্মার্টফোন অ্যাপ বা স্মার্ট অ্যাসিস্ট্যান্টের মাধ্যমে যেকোনো সময় এটি চালু বা বন্ধ করা যায়। এতে নির্দিষ্ট সময়ে চালু বা বন্ধ করার জন্য শিডিউল করার সুবিধাও রয়েছে। ফলে বাল্ব ব্যবহারের সময় অনেকটই কমে যায়। আলো কমানো বা বাড়ানোর সুবিধাও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ভূমিকা রাখে।

স্মার্ট বাল্বের বড় একটি খরচ হলো এর দাম। সাধারণ এলইডি বাল্বের দাম যেখানে দেড় থেকে চার ডলারের মধ্যে, সেখানে স্মার্ট বাল্বের দাম গড়ে আট থেকে পনেরো ডলার হতে পারে। এ ছাড়া সাধারণ এলইডি বাল্ব বিশ থেকে চল্লিশ বছর টিকতে পারে। অন্যদিকে স্মার্ট বাল্বের ভেতরের অতিরিক্ত যন্ত্রাংশ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় এগুলো সাধারণত পনেরো থেকে পঁচিশ বছর টেকে। তবে ব্যবহারের সময় কমে যাওয়ার কারণে শেষ পর্যন্ত এটি ব্যবহারকারীদের জন্য সাশ্রয়ী প্রমাণিত হতে পারে।

স্মার্টথিংস এপিআই ব্যবহারের খরচ বাড়াচ্ছে স্যামসাং

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৪:৫৬ পিএম
স্মার্টথিংস এপিআই ব্যবহারের খরচ বাড়াচ্ছে স্যামসাং
ছবি: সংগৃহীত

গ্রাহকদের স্মার্ট হোম বা স্বয়ংক্রিয় গৃহব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম ‘স্মার্টথিংস’-এর এপিআই (অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস) ব্যবহারের জন্য এবার ফি নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে স্যামসাং। এই সিদ্ধান্তের ফলে মূলত সফটওয়্যার নির্মাতা ও বাণিজ্যিক অংশীদাররা প্রভাবিত হবেন। তবে পরোক্ষভাবে সাধারণ গ্রাহকদের পকেটেও এর কিছুটা টান পড়তে পারে।

চলতি বছরের অক্টোবর থেকে ‘অবাণিজ্যিক ব্যক্তিগত ডেভেলপার’ বা ব্যক্তিগত পর্যায়ে যারা এটি ব্যবহার করেন, তাদের জন্য মাসে প্রায় ৪ দশমিক ৯৯ ডলার (প্রায় ৬০০ টাকা) ফি নির্ধারণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গ্রাহক ও ডেভেলপাররা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে স্মার্টথিংস এপিআই ব্যবহারের সুবিধা পাবেন। যারা নিজেদের স্যামসাং ডিভাইস ও অন্যান্য গ্যাজেট নিয়ন্ত্রণের জন্য সাধারণ ‘স্মার্টথিংস অ্যাপ’ ব্যবহার করেন, তাদের কোনো টাকা দিতে হবে না।

যারা নিজেদের ঘরের স্যামসাং ডিভাইসগুলো নিয়ন্ত্রণের জন্য ‘হোম অ্যাসিস্ট্যান্ট’-এর মতো থার্ড পার্টির কোনো ওপেন সোর্স সফটওয়্যার ব্যবহার করেন, মূলত তাদেরই এই ফি দিতে হবে। এর ফলে যারা নিজেদের মতো করে ঘরের স্মার্ট ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করতে ভালোবাসেন, তাদের প্রতি মাসে খরচের তালিকায় যুক্ত হচ্ছে নতুন একটি সাবস্ক্রিপশন ফি। এই সিদ্ধান্তকে স্মার্ট হোমভিত্তিক ওপেন সোর্স প্রযুক্তিপ্রেমীদের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জনপ্রিয় স্মার্ট হোম প্ল্যাটফর্ম হোম অ্যাসিস্ট্যান্টের প্রতিষ্ঠাতা পাউলাস স্কাউটসেন এক ব্লগ পোস্টে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘আমরা যেকোনো প্রযুক্তির স্বাধীন ব্যবহারের পক্ষে। তবে ব্যবহারকারীদের ডিভাইস ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরেকটি নতুন আর্থিক দেয়ালের মুখোমুখি হতে হবে দেখে আমরা খুবই হতাশ।’

এই বাড়তি টাকা নেওয়ার বিনিময়ে ব্যবহারকারীরা নতুন কী সুবিধা পাবেন, স্যামসাং এখনো সে বিষয়ে পরিষ্কার করে কিছু জানায়নি। তবে দক্ষিণ কোরীয় এই প্রযুক্তি জায়ান্টের দাবি, বাড়তি অর্থ দিয়ে তারা বড় বড় অংশীদার ও গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক স্তরের উন্নত প্রযুক্তির পেছনে বড় বিনিয়োগ করতে পারবে। নতুন কোনো সুনির্দিষ্ট ফিচারের কথা না জানিয়ে স্যামসাং শুধু বলেছে, তারা নতুন কিছু ইন্টিগ্রেশন এবং কার্যক্ষমতা বাড়ানোর ওপর কাজ করছে। এর পাশাপাশি ডেভেলপারদের কোড আরও উন্নত করতে ডেটা ও ব্যবহারের তথ্য দেওয়ার জন্য একটি নতুন ‘ডেভেলপার সেন্টার হাব’ চালু করা হচ্ছে।