সকালে ঘুম ভাঙানোর জন্য সঠিক অ্যালার্ম টোন বেছে নেওয়া বেশ গুরুত্বপূর্ণ। টোনটি খুব বেশি মধুর বা বিরক্তিকর হওয়া উচিত নয়। আইওএস অপারেটিং সিস্টেমে থাকা ডিফল্ট টোনগুলো অনেক সময় ব্যবহারকারীদের কাছে বিরক্তিকর মনে হতে পারে। তবে আইফোনে খুব সহজে নিজের পছন্দের কাস্টম অ্যালার্ম টোন সেট করা যায়।
কোনো নির্দিষ্ট গান অ্যালার্ম হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে অ্যাপল মিউজিক সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে সবচেয়ে সহজে করা যায়। এই প্ল্যাটফর্মে ১০ কোটির বেশি গান রয়েছে। অ্যালার্ম হিসেবে কোনো গান যুক্ত করতে চাইলে প্রথমে সেটি লাইব্রেরিতে যুক্ত করতে হবে। এ জন্য অ্যাপল মিউজিক অ্যাপ থেকে পছন্দের গানটি খুঁজুন। এর পর গানের পাশে থাকা প্লাস আইকনে ট্যাপ করে সেটি লাইব্রেরিতে যুক্ত করুন।
এর পর আইফোনের ক্লক অ্যাপ চালু করে নিচে থাকা অ্যালার্ম ট্যাবে যান। নতুন অ্যালার্ম তৈরি করতে প্লাস আইকনে ট্যাপ করুন। চাইলে আগে থেকে থাকা কোনো অ্যালার্মও নির্বাচন করতে পারেন। এর পর সাউন্ড অপশন থেকে ‘পিক আ সং’ নির্বাচন করুন। যে গানটি অ্যালার্ম হিসেবে ব্যবহার করতে চান, সেটি খুঁজে বের করে প্লাস বাটনে ট্যাপ করুন। সবশেষে ওপরের ডান দিকে থাকা সেভ বা টিক চিহ্নে ট্যাপ করলে অ্যালার্ম টোন সেট হয়ে যাবে।
সম্পূর্ণ নিজের তৈরি করা কোনো অডিও ফাইল অ্যালার্ম হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে ভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। ইন্টারনেট থেকে নামানো বা গ্যারেজব্যান্ড অ্যাপে তৈরি করা কোনো অডিও ফাইল এ কাজে ব্যবহার করা যাবে। তবে অডিও ফাইলটি অবশ্যই আইফোনের ‘ফাইলস’ অ্যাপে সেভ করা থাকতে হবে।
আইওএসের নতুন সংস্করণগুলোতে সেভ করা অডিও ফাইল অ্যালার্ম হিসেবে ব্যবহার করা বেশ সহজ। ফাইলস অ্যাপ থেকে পছন্দের অডিও ফাইলটি ট্যাপ করুন। এর পর শেয়ার অপশন থেকে ‘ইউজ অ্যাজ রিংটোন’ নির্বাচন করুন। অডিও ফাইলটি ৩০ সেকেন্ডের বড় হলে আইফোন সেটিকে কেটে ছোট করে নিতে বলবে। এই প্রক্রিয়ায় অডিওটি প্রাথমিকভাবে রিংটোন হিসেবে সেট হবে। তবে পরে রিংটোন আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যাবে।
এবার ক্লক অ্যাপে গিয়ে নতুন বা পুরোনো অ্যালার্ম নির্বাচন করুন। সাউন্ড অপশনে গিয়ে আপনার কাস্টম অডিওটি নির্বাচন করুন।
শেয়ার মেনুতে ‘ইউজ অ্যাজ রিংটোন’ সুবিধা থাকায় আইমেসেজ বা ইমেইলের মাধ্যমে আসা কোনো অডিও অ্যালার্ম হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। চাইলে কোনো বন্ধুর ভয়েস মেসেজ বা ভয়েস মেমোজ অ্যাপে নিজের রেকর্ড করা কণ্ঠও এই একই পদ্ধতিতে অ্যালার্ম হিসেবে সেট করা যাবে।