মাদারীপুরের রাজৈরে মানবপাচার মামলায় প্রধান আসামি জাহিদুল ইসলামকে (৩৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে উপজেলার টেকেরহাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এখনো পলাতক রয়েছে মানবপাচার চক্রের মুলহোতা ও এই মামলার আসামি কুদ্দুস রহমান (৩৫)।
শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে তাকে আদালতে পাঠায় পুলিশ।
মামলার এজাহারে বলা হয়, সদর উপজেলার চর খোয়াজপুর গ্রামের মৃত বজুল হাওলাদারের ছেলে সানাউল্লাহকে (২২) গোপালগঞ্জের মোকসেদপুর উপজেলার গোহালা গ্রামের মানবপাচারকারী জাহিদুল ইসলামের সরাসরি ইতালি নেওয়ার চুক্তি হয়। চুক্তি মোতাবেক ২০ লাখ টাকা দিলে ২০২৫ সালের ২৯ অক্টোবর সানাউল্লাহকে সৌদি আরব হয়ে লিবিয়া নিয়ে আটকে নির্যাতন চালায় দালালচক্র।
পরে নির্যাতনের ভিডিও বার্তা পাঠিয়ে সানাউল্লাহর পরিবারের কাছ থেকে আদায় করা হয় মুক্তিপনের আরও ২০ লাখ টাকা।
ধারদেনা করে মাফিয়াদের হাতে মোট ৪০ লাখ টাকা তুলে দিলেও গত ৬ মাস ধরে কোন হদিস মিলছে না ওই যুবকের। পবিবার আশঙ্কা করছে সানাউলল্লাহকে নির্যাতন করে মেরে ফেলেছে দালালচক্র।
এই ঘটনায় গত ১ জুন সানাউল্লাহর দুলাভাই রনি খান (৩৭) বাদী হয়ে চক্রের প্রধান জাহিদুলসহ ১১ জনের নামে মামলা করেন।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, মানবপাচার মামলায় প্রধান আসামি জাহিদুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে এই ঘটনায় শিবচরের কেরানীবাট গ্রামের সামাদ খানের মেয়ে কুলসুম বেগমকে (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।
রফিকুল ইসলাম/তামান্না রুপা/