ঢাকা ৬ বৈশাখ ১৪৩১, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

মোহাম্মদপুরে ছিনতাই ও চাঁদাবাজি, গ্রেপ্তার ১৬

প্রকাশ: ০১ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:৩৭ পিএম
মোহাম্মদপুরে ছিনতাই ও চাঁদাবাজি, গ্রেপ্তার ১৬
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ছিনতাই ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার (১ এপ্রিল) র‍্যাব-২-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি শিহাব করিম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গতকাল রবিবার (৩১ মার্চ) মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান ও চাঁদ উদ্যান এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-২।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. লিটন মিয়া ওরফে সিএনজি লিটন (২৮), ইসমাইল (২১), আরিফ (২১), ইমন (২৫), নাজমুল (২৩), নাদিম (৩৩), মো. ওয়াকিল (৩৬), মো. মোজাক্কিন (২০), মান্না (২১), সোহেল (৩৫), জাহিদ (৩৫), বেলাল (৩০), মো. দিপু (২১), মো. শান্ত (২০), মো. তাওসীফ (১৯) এবং মো. তপু (১৯)। 

সিনিয়র এএসপি শিহাব করিম জানান, গতকাল র‍্যাব-২-এর একাধিক আভিযানিক দল রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান ও চাঁদ উদ্যান এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় উদ্ধার করা হয় বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রমে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র চাপাতি, ডেগার, ছুরি, চাকু, চাইনিজ কুড়াল, এন্টি কাটার ও বিভিন্ন দেশীয় ধারালো অস্ত্র। 

তিনি জানান, ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সক্রিয় হয়ে উঠেছে ছিনতাইকারীরা। বিভিন্ন মার্কেট ও সড়কগুলোতে ত্রাস সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ছিনতাই ও চাঁদাবাজি করছিল তারা।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা ঢাকা উদ্যান, চাঁদ উদ্যান ও বেড়িবাঁধ এলাকায় চাঁদাবাজি ও অন্যান্য সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করত। আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে রাতের আঁধারে একাকী পথচারীদের আকস্মিকভাবে ঘিরে ধরে চাপাতিসহ ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনতাই করে দ্রুত পালিয়ে যেত। তারা বিভিন্ন সময় চাঁদাবাজিসহ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঢাকা উদ্যান, চাঁদ উদ্যান ও বেড়িবাঁধসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় অস্ত্র দিয়ে মারামারিসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করত।

নান্দাইলে দুর্বৃত্তের হাতে নারী নিহত

প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৫৩ এএম
নান্দাইলে দুর্বৃত্তের হাতে নারী নিহত

ময়মনসিংহের নান্দাইলে নাজমা আক্তার (৩৫) নামে এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। 

বুধবার (১৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের চারিআনিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত নাজমা আক্তার এই এলাকার আব্দুল মান্নানের স্ত্রী। তিনি চার সন্তানের মা।

বিষয়টি খবরের কাগজকে নিশ্চিত করে নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মজিদ খবরের কাগজকে বলেন, রাতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খাওয়াদাওয়া শেষে রাত ১০টার দিকে পান কিনতে বের হন নাজমা আক্তার। বাড়ি ফিরতে দেরি হওয়ায় পরিবারের লোকজন খোঁজ শুরু করলে সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে ধানখেতে তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ পাওয়া যায়। রাত দুইটার দিকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

তিনি বলেন, দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে হত্যার পর নাজমার মরদেহ ধানখেতে ফেলে গেছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হবে।

কামরুজ্জামান মিন্টু/অমিয়/

নরসিংদীতে বালুর ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বে নিহত ১, আহত ১০

প্রকাশ: ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৩১ পিএম
নরসিংদীতে বালুর ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বে নিহত ১, আহত ১০
সাগর মিয়ার মরদেহ। ছবি : খবরের কাগজ

নরসিংদীর রায়পুরায় বালুর ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দুই দলের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে সাগর মিয়া (২৬) নামে এক যুবক মারা গেছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল বীরগাঁও সোনাকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত সাগর মিয়া পেশায় রাজমিস্ত্রি এবং সোনাকান্দি গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে। 

বুধবার বেলা পৌনে ১১টায় বিষয়টি খবরের কাগজকে নিশ্চিত করেন রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাফায়েত হোসেন পলাশ।

স্থানীয়রা জানান, আধিপত্য বিস্তারসহ নানা কারণে দীর্ঘদিন ধরে নরসিংদী জেলা পরিষদ সদস্য রাজিবসহ তার দলের সদস্যরা এলাকা ছেড়ে বাইরে ছিলেন। বুধবার ভোরে লোকজনসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এলাকা দখলের জন্য বীরগাঁও, সোনাকান্দি, আমিরাবাদসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায় রাজিবের দল। এ সময় তাদের আটকাতে গেলে বীরগাঁও এলাকার আনোয়ার গ্রুপের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে। দুপক্ষের গোলাগুলিতে বেশ কয়েকজন আহত হয়। এর মধ্যে সাগর মিয়া নামে একজনকে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মৃত্যু হয়। 

নিহত সাগর আনোয়ার গ্রুপের লোক ছিলেন বলে জানায় তার স্বজনরা। পুলিশি গ্রেপ্তারসহ আইনি জটিলতা এড়াতে আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেছেন স্বজনরা। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আহতদের নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি।
 
সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুরা সার্কেল) আফসান আল-আলম খবরের কাগজকে বলেন, ‘পূর্ববিরোধসহ বালুর ব্যবসাকে কেন্দ্র করে রায়পুরার নিলক্ষ্যা ইউনিয়নের সোনাকান্দি এবং আমিরাবাদ গ্রামের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে একজন নিহতের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।’

শাওন খন্দকার/পপি/অমিয়/

সাংবাদিকতার নামে মাস্তানি, হেনস্থার শিকার খবরের কাগজ এর বাবু

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:৪৫ পিএম
সাংবাদিকতার নামে মাস্তানি, হেনস্থার শিকার খবরের কাগজ এর বাবু

মাদক, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন মামলার আসামি একটি বে-সরকারি টেলিভিশনের বাগেরহাট প্রতিনিধি শেখ শিহাব উদ্দিনের হামলায় আহত হয়েছেন জাতীয় দৈনিক খবরের কাগজ এর গ্রাফিক্স ডিজাইনার ওমর ফারুক বাবু।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার টাউন নওয়াপাড়া নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

প্রতক্ষদর্শীরা জানান, বাগেরহাট থেকে সাতক্ষীরার লাইন বাসে ঢাকায় ফিরছিলেন খবরের কাগজের গ্রাফিক্স ডিজাইনার ওমর ফারুক বাবু। পথে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক ও বিআরটি এর যৌথ অভিযানে বাসটিকে থামানো হয়। এ সময় ঘটনাটির ভিডিও মোবাইলে ধারণ করতে গেলে শেখ শিহাব উদ্দিন নামে সেই প্রতিনিধি বাবুকে ছবি তোলাও ভিডিও ধারণ থেকে বিরত থাকার ইশারা করেন। এসময় সেই প্রতিনিধি লাইভ দিচ্ছিলেন, কিন্তু লাইভ শেষে কোনো কিছু না বলেই তিনি বাবুকে মারধর শুরু করেন।

বাবুর সঙ্গে থাকা চ্যানেল আইয়ের অনলাইন রিপোর্টার নাহিয়ান ইমন খবরের কাগজকে বলেন, ‘কথিত রিপোর্টার রুবেল অনেকটা মাস্তানির ভঙিতে এসে বাবুকে আঘাত করে। একজন সাংবাদিকের কাছে এমন আচরণ গ্রহণযোগ্য না।’

মারধরের শিকার ওমর ফারুক বাবু বলেন, ‘আমি আমার পরিচয় দেওয়ার পরও সে আমাকে গালাগালি করে মারধর করে। কোনো পেশাদার সুস্থ সাংবাদিক কখনোই এমনভাবে মাস্তানি করার কথা না।’

এ বিষয়ে শেখ শিহাব উদ্দিন রুবেলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি খবরের কাগজকে বলেন, 'সেই ছেলেটি সাংবাদিক কি না আমি জানিনা, লাইভ চলাকালে সে বারবার আমার ক্যামেরার সামনে চলে আসছিল, পরে আমার মাথা গরম হয়ে যায়, লাইভ শেষে তার সঙ্গে আমার কথা কাটাকাটি হয়, কিন্তু হাতাহাতি বা মারধরের মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি।'

এদিকে বাগেরহাটের স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রুবেলের নামে চাঁদাবাজি, প্রতারণা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে, এছাড়া তিনি খুলনায় ২০০ পিস ইয়াবাসহ আটক হয়েছিলেন। খালিশপুর থানায় তার নামে মাদক মামলা রয়েছে।

এর মধ্যে, ফকিরহাট মডেল থানার মামলা নং-১৬, তাং-১৯/০৫/২০২১ এবং জিআর-৯৭/২১ (ফকিরহাট)। ফকিরহাট মডেল থানার মামলা নং-১৪, তাং-১৯/০৭/২০২১ এবং জিআর-১৩৪/২১ (ফকিরহাট)। ফকিরহাট মডেল থানার মামলা নং-০৭, তাং-১৪/০৬/২০২১ এবং জিআর-১১১/২১ (ফকিরহাট), ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ২৯(১) ধারা। বাগেরহাট আদালত-৩৫/২০২০ (ফকিরহাট)। ফকিরহাট মডেল থানার সাধারণ ডায়েরি নং-৩০, তাং-০১/০৬/২০২১। ফকিরহাট মডেল থানার সাধারণ ডায়েরি নং-১০৫০, তাং-২৭/০৫/২০২১। ফকিরহাট মডেল থানার সাধারণ ডায়েরি নং-১০৪৯, তাং-২৭/০৫/২০২১। ফকিরহাট মডেল থানার সাধারণ ডায়েরি নং-৯৭৭, তাং-২৫/০৫/২০২১। ফকিরহাট মডেল থানার সাধারণ ডায়েরি নং-৮৯৫, তাং-২৩/০৫/২০২১।

পচা গাজর-টমেটো দিয়ে সস তৈরি, কারখানা সিলগালা

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:৩৩ পিএম
পচা গাজর-টমেটো দিয়ে সস তৈরি, কারখানা সিলগালা
ছবি : সংগৃহীত

পচা টমেটো, গাজর, তেঁতুল ও জলপাই দিয়ে ভেজাল সস তৈরি করা ফারজানা ফুড প্রোডাক্টস নামে একটি কারখানা সিলগালা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এ ঘটনায় কারখানার মালিক মো. ফরিদ হোসেন বেল্লালকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

সোমবার (১৫ এপ্রিল) লালবাগ জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. ইমরান হোসেন মোল্লা এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

মো. ইমরান হোসেন মোল্লা আরও বলেন, গতকাল রবিবার (১৪ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কামরাঙ্গীরচরের মুন্সিহাটি এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ফারজানা ফুড প্রোডাক্টস নামে ভেজাল সসের কারখানাটির সন্ধান পায় ডিএমপি। অভিযানে ৫০০ কেজি অর্ধপচা গাজর, ২০০ কেজি অর্ধপচা জলপাই ও ১০০ কেজি প্রস্তুতকৃত ভেজাল সস জব্দ করা হয়। পরে কারখানার মালিক মো. ফরিদ হোসেন বেল্লালকে গ্রেপ্তার করা হয়। কারখানাটি দীর্ঘদিন ধরে ভেজাল সস উৎপাদন ও বিক্রি করে আসছিল। উৎপাদন করা এসব ভেজাল সস রাজধানীর নামিদামি হোটেল ও রেস্তোরাঁয় পরিবেশন করা হতো। কোনো স্বাস্থ্যবিধি ও খাদ্য নিরাপত্তা গাইডলাইন ছাড়াই নোংরা পরিবেশে এসব সস তৈরি হতো পচা গাজর, টমেটো, তেঁতুল ও জলপাই দিয়ে। কারখানাটি সিলগালা করা হয়েছে। এ বিষয়ে কামরাঙ্গীরচর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দিয়ে কারখানার মালিককে আদালতে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তার এড়াতে বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে, অবশেষে ধরা

প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:৫৯ পিএম
গ্রেপ্তার এড়াতে বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে, অবশেষে ধরা
ছবি : সংগৃহীত

তিন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মো. শাখাওয়াত হোসেনকে (৪৮) গ্রেপ্তার করেছে অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ)। এটিইউ জানায়, গ্রেপ্তার এড়াতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন শাখাওয়াত। এনজিওকর্মী হিসেবেও বেশ কিছুদিন কক্সবাজারে আত্মগোপনে ছিলেন।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) রাতে ঠাকুরগাঁওয়ের সদর থানার বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের দানারহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রবিবার (১৪ এপ্রিল) এটিইউর মিডিয়া অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস উইংয়ের পুলিশ সুপার ব্যারিস্টার মাহফুজুল আলম রাসেল গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, শনিবার রাতে ঠাকুরগাঁওয়ে অভিযান চালিয়ে আসামি শাখাওয়াতকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি দিনাজপুরের চিরিরবন্দর থানায় দায়ের করা ৪টি মামলার আসামির ছিলেন। এর মধ্যে তিন মামলায় তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ছিল। 

মাহফুজুল আলম রাসেল বলেন, ‘আসামি ২০১৮ সাল থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে পলাতক ছিলেন। এনজিও কর্মী হিসেবে তিনি বেশ কিছুদিন কক্সবাজারে আত্মগোপনে ছিলেন। সর্বশেষ তিনি মোহাম্মদপুরে একটি ডেভেলপার কোম্পানিতে ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাকে চিরিরবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘আসামির বিরুদ্ধে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় একাধিক মামলাও আছে। শাখাওয়াত দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। তিনি জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বর্তমানে তিনি চিরিরবন্দর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি এবং রুকন পদবিধারী।’

খাজা/সালমান/