ঢাকা ২ বৈশাখ ১৪৩১, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

পাইয়ের মান গণনায় বিশ্ব রেকর্ড গণিতের রহস্য ‘পাই’

প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৪, ১২:৩৩ পিএম
গণিতের রহস্য ‘পাই’

পাই (π) গণিতের গুরুত্বপূর্ণ একটি ধ্রুবক, যা বৃত্তের পরিধি ও ক্ষেত্রফলের সঙ্গে সম্পর্কিত। এর মান প্রায় ৩.১৪১৫৯। ইউক্লিডীয় জ্যামিতিতে যেকোনো বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাতকে এই ধ্রুবক দিয়ে প্রকাশ করা হয়।

পাই একটি অমূলদ সংখ্যা অর্থাৎ এটিকে দুটি পূর্ণসংখ্যার ভগ্নাংশ আকারে প্রকাশ করা যায় না। অন্যভাবে বলা যায় এটিকে দশমিক আকারে সম্পূর্ণ প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তার মানে আবার এই নয় এটিতে কিছু অঙ্ক পর্যাবৃত্ত বা পৌনঃপুনিক আকারে আসে। বরং দশমিকের পরের অঙ্কগুলো দৈবভাবেই পাওয়া যায়। পাই কেবল অমূলদ তা নয়, এটি একই সঙ্গে একটি তুরীয় সংখ্যা। অর্থাৎ এটিকে কোনো বহুপদী সমীকরণের মূল হিসেবেও গণনা করা যায় না।

গ্রিক বর্ণ পাই, গ্রিক শব্দ ‘পেরিমেত্রোস’ থেকে এসেছে। সম্ভবত ১৭০৬ সালে উইলিয়াম জোনস প্রথম এটি ব্যবহার করেন। পরবর্তীতে লেওনার্ড অয়লার এটিকে জনপ্রিয় করেন। পাইকে গণিতে ব্যবহারের সময় ইংরেজি পাই হিসেবে উচ্চারণ করা হয়, যদিও এর গ্রিক উচ্চারণ পি। এটিকে কোনো কোনো সময় বৃত্তীয় ধ্রুবক, আর্কিমিডিসের ধ্রুবক অথবা রুডলফের সংখ্যাও বলা হয়।

১৪ মার্চ বিশ্বব্যাপী পাই দিবস হিসেবে পালিত হয়। এই দিনটি নির্ধারণ করা হয়েছে পাই এর প্রথম তিনটি অঙ্ক (৩.১৪) ও এর সঙ্গে ‘π’ প্রতীকের মিল ধরে।

পাই গণিত, বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের একটি মৌলিক ধারণা। এটি বিভিন্ন গাণিতিক সূত্র, ভৌত নীতি এবং প্রকৌশল নকশায় ব্যবহৃত হয়। পাইয়ের রহস্যময় প্রকৃতি গণিতবিদ এবং বিজ্ঞানীদের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণার বিষয়বস্তু হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। গণিতের ইতিহাস জুড়ে, নির্ভুলভাবে পাইয়ের মান নির্ণয়ের ব্যাপক চেষ্টা করা হয়েছে।

এর ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার স্টোরেজ কোম্পানি সলিডিগম এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় মানের পাই গণনায় করে রেকর্ড গড়েছে। পাইয়ের ১০৫ ট্রিলিয়ন ডিজিট পর্যন্ত মান গণনা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। কয়েক হাজার স্মার্টফোনের সমান কম্পিউটিং শক্তি ব্যবহার করে এই মান নির্ণয় করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে ১ পেটাবাইট বা ১০ লাখ গিগাবাইট স্টোরেজ ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন ডিভাইস। টানা ৭৫ দিন সময় লেগেছে এই মান বের করতে।

গত ১৪ মার্চ পাই দিবসে ১০৫ ট্রিলিয়নের ঘর পর্যন্ত দশমিক স্থানের অঙ্ক বের করেছে ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত সলিডিগম। নতুন আবিষ্কৃত ১০৫ ট্রিলিয়ন সংখ্যাটা আসলে কত বড়? ১ হাজার বিলিয়নে হয় এক ট্রিলিয়ন। এক বিলিয়ন মানে ১০০ কোটি। সুতরাং ১ ট্রিলিয়ন মানে ১ লাখ কোটি। আপনি যদি ১০ আকারের ফন্ট ব্যবহার করে ১০৫ ট্রিলিয়ন টাইপ করেন, তাহলে ৩৭০ কোটি কিলোমিটার দীর্ঘ হবে এ লাইন। অর্থাৎ পৃথিবী থেকে লাইন শুরু হলে ইউরেনাস এবং নেপচুনের মাঝামাঝি কোথাও গিয়ে থামবে। নতুন আবিষ্কৃত মানের শেষ সংখ্যাটি হলো ৬।

মহাবিশ্ব বা মহাজাগতিক জটিল কোনো হিসাব-নিকাশ করতে পাইয়ের এ রকম বড় মান দরকার পড়ে না। মহাবিশ্বের জন্য সর্বোচ্চ দশমিকের পরে পাইয়ের ৪০ ঘর পর্যন্ত মান-ই যথেষ্ট। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এখন পর্যন্ত দশমিকের পরে ১৫ ঘর পর্যন্ত মান ব্যবহার করেছে পাইয়ের। নতুন কম্পিউটার প্রোগ্রাম এবং ডেটা স্টোরেজ সিস্টেমগুলো পরীক্ষা করার জন্য একটি বেঞ্চমার্ক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সংখ্যাটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

১৯৮৯ সালে ১০০ কোটি ঘরের পাইয়ের মান নির্ণয় সম্ভব হয়েছে। পৃথিবীর প্রথম অ্যানালগ কম্পিউটার এনিয়াকের সাহায্যে ১৯৪৯ সালে ৭০ ঘণ্টার চেষ্টায় পাইয়ের মান পাওয়া গিয়েছিল ২ হাজার ৩৭ ঘর পর্যন্ত। এরপর হাজার থেকে লাখে যেতে সময় লেগেছে ১৩ বছর। ততদিনে কম্পিউটার আরও উন্নত হয়েছে। ১৯৮৯ সালে ১০০ কোটি ঘরের পাইয়ের মান নির্ণয় সম্ভব হয়েছে। কোটি থেকে এখন ট্রিলিয়নে পৌঁছে গেছে পাইয়ের মান। বুঝতেই পারছেন কম্পিউটারের অগ্রগতির চিত্রটা কেমন ঊর্ধ্বমুখী। কম্পিউটার আসলে কতটা উন্নতি করল, তা বোঝা যায় পাইয়ের মান দেখে।

কম্পিউটারে তো ট্রিলিয়ন ঘর পর্যন্ত পাইয়ের মান বের করা গেছে। তবে  মানুষ এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ঘর পর্যন্ত পাইয়ের মান মুখস্থ করতে পেরেছে। এটি করেছে ভারতের ভেলোর ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (ভিআইটি) রাজবীর মিনা। যিনি সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ঘর পর্যন্ত পাইয়ের মান মুখস্থ বলতে পারেন।

ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী কম্পিউটার আবিষ্কার হলে হয়তো পাইয়ের আরও বড় মান পাওয়া যাবে। সে জন্য হয়তো ব্যবহার করতে হবে সুপার কম্পিউটার বা কোয়ান্টাম কম্পিউটার। পাইয়ের মান লিখে যেহেতু শেষ করা যাবে না, তাই সবচেয়ে বড় মান নির্ণয় করার লড়াইটা চলবে সম্ভবত আজীবন।

জাহ্নবী

চাঁদের মাটিতে গাছ লাগাবে নাসা

প্রকাশ: ০৫ এপ্রিল ২০২৪, ১১:২৫ এএম
চাঁদের মাটিতে গাছ লাগাবে নাসা

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা চাঁদের মাটিতে গাছ লাগানোর পরিকল্পনা করেছে। আগামী ২০২৬ সালে নাসার পরিচালিত সম্ভাব্য আর্টেমিস-৩ মিশনে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে। এই মিশনে চাঁদের পৃষ্ঠে নভোচারীদের সহায়তায় তিনটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। এর মধ্যে রয়েছে লুনার ইফেক্টস অন অ্যাগ্রিকালচার ফ্লোরা (এলইএএফ) বা লিফ। এ গবেষণার মাধ্যমে চাঁদের মতো স্থানে ফসলের অবস্থা কেমন হতে পারে তা পরীক্ষা করা হবে।

গত ২৬ মার্চে এক বিবৃতিতে আর্টেমিস-৩ মিশনের জন্য নির্ধারণ করা তিনটি পরীক্ষার বিষয়ে জানানো হয়েছে নাসার পক্ষ থেকে। মহাকাশ গবেষণা সংস্থাটির এক কর্মকর্তা জানান, মহাকাশ বিকিরণ ও আংশিক মধ্যাকর্ষণ চাপে উদ্ভিদের সালোক সংশ্লেষণ, বৃদ্ধি এবং কীভাবে সাড়া দেয় তা পর্যবেক্ষণ করা হবে। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো চাঁদে একটি ক্ষুদ্র গ্রিন হাউস স্থাপন করবেন নভোচারীরা। সব পরিকল্পনা ঠিক থাকলে আর্টেমিস-৩ মিশনে চাঁদে গ্রিন হাউস স্থাপন করা হবে।

প্রতীকী ছবি

নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশের তথ্যসহ পরিবেশগত প্যারামিটার থেকে বিজ্ঞানীরা চাঁদ ও চাঁদের বাইরে মানুষের পুষ্টি এবং জীবন ধারণের জন্য চাঁদে জন্মানো উদ্ভিদের ব্যবহার বুঝতে সক্ষম হবে। সম্ভাব্য আর্টেমিস-৩ মিশনে চাঁদের পৃষ্ঠে নভোচারীদের পাঠানোর জন্য বাছাই করা বিজ্ঞানভিত্তিক যন্ত্রের প্রথম সেট দেখিয়েছে নাসা। এর লক্ষ্য চাঁদ সম্পর্কে মানুষের বোঝাপড়ার পরিসর আরও বাড়ানো। পাশাপাশি ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে বিভিন্ন ক্রু মিশনের প্রস্তুতি নেওয়া।

এ মিশনের লক্ষ্য প্রথমবারের মতো চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে নভোচারীদের পাঠানো। বিজ্ঞানবিষয়ক ওয়েবসাইট স্পেসএক্সপ্লোরড এটিকে পৃথিবীর বাইরে মানুষের টেকসই উপস্থিতির বড় একটি পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এ মিশনের জন্য বাছাই করা বিভিন্ন যন্ত্র, চাঁদের পরিবেশ, চাঁদের ভেতর কী আছে ও চাঁদে দীর্ঘকাল ধরে মানুষের বসবাসের কার্যকারিতা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করবে।

এর আগে ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে রোবোটিক চ্যাং ই ৪ মিশনের মাধ্যমে চাঁদের অন্ধকার অংশে তুলা গাছ পাঠিয়েছিল। এ মিশনের উদ্দেশ্য বাছাই করা ‘পেলোড’ প্যাকেজে তিনটি অত্যাধুনিক যন্ত্র রয়েছে। ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড বাল্টিমোর কাউন্টির বিজ্ঞানী ড. মেহেদি বেন্নার নেতৃত্বে লুনার এনভায়রনমেন্ট মনিটরিং স্টেশন (এলইএমএস) নামের একটি সিসমোমিটার স্যুট তৈরি করা, যা চন্দ্রপৃষ্ঠের কম্পন নিরীক্ষণ ও চাঁদের কাঠামোগত গঠনে তথ্য সংগ্রহ করবে। এলইএমএস হলো একটি স্বাধীন সিসমোমিটারের স্যুট। এটি স্থাপনের পর দুই বছর পর্যন্ত চাঁদের কম্পন অনুসন্ধান করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো অঙ্গরাজ্যের গবেষণা সংস্থা স্পেস ল্যাব টেকনোলজিস, এলএলসির সহ-প্রতিষ্ঠাতা ক্রিস্টিন এসকোবারে নেতৃত্ব লুনার ইফেক্টস অন এগ্রিকালচারাল ফ্লোরা (এলইএএফ) পরীক্ষার নকশা তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মহাকাশে ফসল ফলানোর উদ্দেশ্যে চাঁদের পরিবেশগত সম্ভাবনা খুঁজে দেখা হবে।

তৃতীয় যন্ত্রটি হলো লুনার ডাইলেকট্রিক অ্যানালাইজার (এলডিএ)। এটির নেতৃত্বে আছেন ইউনিভার্সিটি অব টোকিওর অধ্যাপক ড. হিদাকি মিয়ামোতোর। আর এর সহযোগী সংস্থা হিসেবে কাজ করছে জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সি (জাক্সা)।

এলডিএ চাঁদের রেগোলিথ পরিমাপ করবে একটি বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র তৈরি করার উদ্দেশ্যে। রেগোলিথ হচ্ছে পুরু স্তরের খণ্ডিত ও বিক্ষিপ্ত শিলা উপাদান, যা চাঁদের সম্পূর্ণ পৃষ্ঠকে ঢেকে রেখেছে। এলডিএ চাঁদের পৃষ্ঠতলের গঠন সম্পর্কেও প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করবে। এ ছাড়া চাঁদে বরফের মতো উদ্বায়ী বা পরিবর্তনশীল বস্তু শনাক্তকরণের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ গবেষণা, যা চাঁদের সম্ভাব্য বিভিন্ন উপাদান সম্পর্কে তথ্য দেবে নভোচারীদের।

আর্টেমিস ৩ মিশনের মাধ্যমে চাঁদে লিফ, এলইএমএস এবং এলডিএ গবেষণা চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্র পাঠানোর পরিকল্পনা থাকলেও নাসা এটি এখনো নিশ্চিত করেনি। আর্টেমিস-৩ এর ক্রু কারা হবেন সেটির ঘোষণাও এখনো দেওয়া হয়নি। তবে নাসার প্রথমবারের মতো চাঁদে একজন নারী ও একজন কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তিকে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

আর্টেমিস-৩ মিশনের মাধ্যমে ১৯৭২ সালের পর প্রথমবারের মতো মানুষ চাঁদে অবতরণ করবে। ২০২৫ সালে আর্টেমিস-২ মিশনে চাঁদের চারপাশে প্রদক্ষিণ করার জন্য নভোচারী পাঠানো হবে। এদিকে আর্টেমিস-১-এর মাধ্যমে ২০২২ সালে নভোচারী ছাড়াই একটি সফল মিশন সম্পন্ন করেছে নাসা।

এ.জে/জাহ্নবী

মানবদেহের অক্সিজেনেই চলবে পেসমেকার

প্রকাশ: ০৫ এপ্রিল ২০২৪, ১১:২৩ এএম
মানবদেহের অক্সিজেনেই চলবে পেসমেকার

মানবদেহের অক্সিজেন দিয়েই মেডিকেল ইমপ্ল্যান্ট ব্যাটারি চার্জ হবে। আর এই ইমপ্ল্যান্ট ব্যাটারি ব্যবহার করা যাবে হৃৎস্পন্দন চালু রাখার সহায়ক কৃত্রিম পেসমেকারে। সম্প্রতি এমন ব্যাটারি আবিষ্কারের দাবি করেছেন চীনের এক দল গবেষক। 

পেসমেকার ও গ্যাস্ট্রিক স্টিমুলেটরের মতো বিভিন্ন মেডিকেল ইমপ্ল্যান্ট মানব জীবনকে উন্নত করেছে। এসব ইমপ্ল্যান্ট ব্যাটারিতে চলে। এ ধরনের ডিভাইসের সমস্যা হচ্ছে ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে গেলে নতুন ব্যাটারি বসাতে হয়, সেজন্য পুনরায় অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন পড়ে।

গবেষকরা এই ব্যাটারি পরিবর্তনে মানবদেহে বারবার কাটাছেঁড়া এড়ানোর উপায় খুঁজছিলেন। এর অংশ হিসেবে কাটাছেঁড়া ছাড়া ইমপ্ল্যান্টযোগ্য ব্যাটারি তৈরি করে, মানবদেহে অস্ত্রোপচার বন্ধ করার একটি সম্ভাব্য পদ্ধতি আবিষ্কারে দাবি করেছে চীনের গবেষকরা। এই ব্যাটারি ইতোমধ্যে দেহের অভ্যন্তরে থাকা অক্সিজেন ব্যবহার করে নিজেকে ক্রমাগত চার্জ করে যাচ্ছে।

গত ২৭ মার্চ বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী কেম (CHEM) এই বিষয়ে গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছে। ল্যাবের ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে গবেষকরা দেখিয়েছেন, এদের দেহের ভেতরে ব্যাটারিটি নিরাপদেই কাজ করেছে। ফলে মানুষের শরীরেও বিভিন্ন ডিভাইসে এই ব্যাটারি কাজ করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

গবেষকরা এ বিষয়ে জানিয়েছেন, ‘মানবদেহের অক্সিজেন ক্যাথোড হিসেবে কাজ করতে পারে। এটি ব্যাটারির এমন এক ইলেকট্রোড, যা বিদ্যুৎ প্রবাহের সুবিধা দেয়। আর এটি দেহের মেটাবলিজম থেকে ক্রমাগত সংগ্রহ করা যেতে পারে।’

সে তত্ত্বের ভিত্তিতে গবেষকরা স্বর্ণ ও সোডিয়াম থেকে তৈরি ইলেকট্রোড দিয়ে একটি ইমপ্ল্যান্টযোগ্য ব্যাটারি বানিয়েছেন। এই উভয় রাসায়নিকই মানবদেহের জন্য নিরাপদ। রাসায়নিকগুলো বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে দেহের অক্সিজেনের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে। যেখানে ব্যাটারির চারপাশের আবরণ হিসেবে কাজ করে একটি প্লাস্টিকের স্তর।

পরবর্তী ধাপে গবেষকরা ইঁদুরের ত্বকের নিচে ‘সোডিয়াম-অক্সিজেন’ ব্যাটারি নামের একটি যন্ত্র স্থাপন করেন। এটি দিয়ে এসব ব্যাটারি কী পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে তা ট্র্যাক করেছেন। এর ফলাফলে দেখা যায়, ব্যাটারিগুলোয় ১ দশমিক ৩ থেকে ১ দশমিক ৪ ভোল্ট আউটপুট তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি গবেষকরা ইঁদুরের শরীরে তাপমাত্রার পরিবর্তন পরিমাপ করেছেন।

গবেষকরা বলছেন, ইমপ্ল্যান্টযোগ্য উন্নত মেডিকেল ডিভাইসে বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে নতুন ব্যাটারির যথেষ্ট নয়। তবে এটি নতুন সম্ভাবনার পথ দেখাচ্ছে, যা দেহের ভেতরে থাকা অক্সিজেন ব্যবহার করে নিরাপদ ব্যাটারির সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।

এক বিবৃতিতে চীনের তিয়ানজিন ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির গবেষক জিজেং লিউ বলেন, ‘আপনি চিন্তা করলে দেখবেন, অক্সিজেন আমাদের জীবনের একটি উৎস। আমরা দেহে অক্সিজেনের সুবিধা নিতে পারলে নতুন এই ব্যাটারির আয়ু প্রচলিত ব্যাটারিগুলোর মতো সীমিত হবে না।’

এখন গবেষকদের পরবর্তী পদক্ষেপ হচ্ছে এ ব্যাটারির আরেকটি প্রতিরূপ ব্যাটারি তৈরি করা। যেটি আরও শক্তিশালী ও মানবদেহের জন্য নিরাপদ হবে। গবেষকরা ধারণাটিকে সফলভাবে বাস্তবায়নের পাশাপাশি এর বাণিজ্যিকীকরণ করতে পারলে এই ধরনের রোগীদের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ.জে/জাহ্নবী

বরফশূন্য হতে পারে আর্কটিক

প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৪, ১২:৩১ পিএম
বরফশূন্য হতে পারে আর্কটিক

আগামী এক দশকের মধ্যে আর্কটিক মহাসাগর বা উত্তর মেরু বরফশূন্য হয়ে যেতে পারে বলে বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করেছেন। এর অবস্থান পৃথিবীর একদম উত্তর প্রান্তে। আর এই অবস্থানের জন্য এটি সুমেরু অঞ্চল নামেও পরিচিতি। আর এই মহাসাগর সব সময় বরফের চাদরে মোড়া থাকে। তবে আগামী ১০ বছর পর সেই বরফ আর দেখা যাবে না। যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো বোল্ডার বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন সমীক্ষায় এমনটাই দাবি করছেন বিজ্ঞানীরা। আর এই তথ্য ঘুম কাড়ছে আবহাওয়াবিদ ও বিজ্ঞানীদের। উত্তর মেরু বা আর্কটিক অঞ্চলে আগামী কয়েক বছরে কার্যত কোনো সামুদ্রিক বরফ গ্রীষ্মের সময় দেখা যাবে না। এমনকি এখানকার বরফ গলে গেলে সারা বিশ্বের আবহাওয়া ও সমুদ্রপৃষ্ঠের ওপর প্রভাব ফেলবে। 

ন্যাচার রিভিউস আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় এমন ভবিষদ্বাণী করা হয়েছে। আর্কটিক বরফশূন্য হওয়ার আগের অনুমানের চেয়ে ১০ বছর আগে এটি হতে পারে। সেই সময় অঞ্চলটি এক মাস বা তারও বেশি সময়ে বরফ থাকবে না। পৃথিবীতে কার্বন নিঃসরণের মাত্রা বাড়ার কারণে এমনটা হবে।

এই শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ সম্ভবত সেপ্টেম্বরে অর্থাৎ গ্রীষ্মের সময় ভাসমান বরফ দেখা যাবে না আর্কটিক অঞ্চলে। তখন এই অঞ্চলের সমুদ্রে বরফের পরিমাণ সবচেয়ে কম থাকবে। এই শতাব্দীর শেষ ভাগে উত্তর মেরুতে বরফশূন্য ঋতু দেখা যাবে। পরিস্থিতি আরও খারাপ ও কার্বন নিঃসরণের মাত্রা বেশি হলে এই অঞ্চলে শীতেও থাকবে না কোনো বরফ।

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় আর্কটিক মহাসাগরে ৩৩ লাখ বর্গকিলোমিটার সমুদ্র বরফের আচ্ছন্ন ছিল। তবে গবেষকরা সমুদ্রে বরফের আকার ১ লাখ বর্গকিলোমিটারের কম থাকলে, তখন আর্কটিককে বরফমুক্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণা দেবেন। এই অঞ্চলে সেপ্টেম্বরে সর্বনিম্ন পরিমাণ বরফ দেখা যায়। বিজ্ঞানী আলেকজান্দ্রা জাহান বলেন, আর্কটিক মহাসাগর ২০২০ থেকে ২০৩০ সালের দূষণের মাত্রা বাড়ার কারণে আগামী দশক থেকে প্রতিবছর আগস্টের শেষের দিকে বা সেপ্টেম্বরের শুরুতে প্রথমবারের মতো বরফশূন্য হতে থাকবে। গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের কারণে সমুদ্রের বরফের ক্ষতি হচ্ছে। তুষার ও বরফের আচ্ছাদন কমে গেলে সমুদ্রের শোষিত সূর্যালোক পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়ায়। এতে আর্কটিকের বরফ আরও গলে গিয়ে উষ্ণতা বেড়ে যায়। এখানকার বরফ কমে গেলে আর্কটিক অঞ্চলের প্রাণীদের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে সিল ও মেরু ভালুকের মতো প্রাণীদের জীবনযাত্রা ব্যাহত হবে।

সমুদ্রের বরফ কমে গেলে উপকূলীয় অঞ্চলের কাছাকাছি বসবাসকারী প্রাণীদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে। এ ছাড়া সমুদ্রের বরফ কমে যাওয়ায় সমুদ্রের ঢেউ বড় হবে। এতে উপকূলীয় এলাকার ক্ষয় বাড়বে। কার্বন নিঃসরণের মাত্রা যেভাবে বেড়ে চলেছে, এজন্য ভবিষ্যতে কখনো না কখনো আর্কটিক বরফশূন্য হবেই। এই শতাব্দীর শেষের দিকে এই অঞ্চল বছরে ৯ মাস পর্যন্ত বরফশূন্য হতে পারে। সাদা আর্কটিক অঞ্চলের বদলে আমরা তখন নীল আর্কটিক অঞ্চল দেখতে পাব। সূত্র: ফিজিস

জাহ্নবী

চাঁদে হিলিয়ামের সন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রের স্টার্টআপ

প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৪, ১২:২৯ পিএম
চাঁদে হিলিয়ামের সন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রের স্টার্টআপ

বিশ্বের প্রথম বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে চাঁদের প্রাকৃতিক খনিজ পদার্থ উত্তোলনের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি স্টার্টআপ কোম্পানি। স্টার্টআপটির নাম ‘ইন্টারলুন’। এটি উত্তোলনকৃত খনিজ পদার্থ পৃথিবীতে নিয়ে এসে ব্যবহারের জন্য কাজ করবে। প্রতিষ্ঠানটি চাঁদে প্রাথমিকভাবে ‘হিলিয়াম থ্রি’-এর সন্ধান করবে। হিলিয়াম থ্রি সূর্যে ফিউশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হিলিয়ামের একটি আইসোটোপ। আর এই আইসোটোপ লুকিয়ে থাকতে পারে চাঁদের বুকে।

ইন্টারলুনের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ব্লু অরিজিনের সাবেক প্রেসিডেন্ট রব মেয়ারসন প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট আর্স টেকনিকার এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আশা করছি চাঁদে নাসার পরিচালিত আসন্ন কোনো এক মিশনে আমাদের একটি ‘হার্ভেস্টার’ পাঠানো হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কোম্পানির পরিকল্পনা, ২০২৮ সাল নাগাদ চাঁদে নিজস্ব পাইলট প্ল্যান্ট স্থাপন করা- যেন ২০৩০ সাল নাগাদ এর কার্যক্রম শুরু করা যায়।’

ইন্টারলুন চলতি মাসেই ১ কোটি ৮০ লাখ ডলার বিনিয়োগ পাওয়ার কথা জানিয়েছে। এর মধ্যে দেড় কোটি ডলার এসেছে রেডিটের সহপ্রতিষ্ঠাতা অ্যালেক্সিস ওহানিয়ানের বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ‘সেভেন সেভেন সিক্স’ থেকে। কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, মেডিকেল ইমেজিংয়ের মতো উদীয়মান খাতে হিলিয়াম থ্রি পৃথিবীতে ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকি এই প্রজেক্টের নির্ধারিত খনিজ পদার্থ পাওয়া গেলে ভবিষ্যতে  ফিউশন রিয়েক্টরের কাজে ব্যবহার করা হবে।

সৌরবায়ুর মাধ্যমে এই উপাদান চাঁদে প্রবাহিত হয়ে থাকে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই উপাদানের অংশবিশেষ চাঁদের পৃষ্ঠে আটকে থাকতে পারে। কারণ এটি পৃথিবীতে পৌঁছানোর আগেই ম্যাগনেটোস্ফেয়ার বা চুম্বক মণ্ডলে আটকে যায়। ইন্টারলুনের লক্ষ্য, চাঁদের মাটিতে বড় আকারের খনন করে হিলিয়াম থ্রি গ্যাস প্রক্রিয়াজাত করা। পরে এটি নভোযানের মাধ্যমে পৃথিবীতে আনা।

ইন্টারলুনার চাঁদে নিজেদের হার্ভেস্টার পাঠানোর পাশাপাশি, নির্বাচিত এলাকায় হিলিয়াম থ্রির ঘনত্ব পরিমাপ করতে একটি রোবোটিক ল্যান্ডার মিশনের পরিকল্পনা করছে।

মেয়ারসন বলেন, ‘ইতিহাসে এটাই প্রথম এ ধরনের উদ্যোগ। চাঁদ থেকে প্রাকৃতিক সম্পদ সংগ্রহ করা প্রযুক্তিগত এবং অর্থনৈতিকভাবে সম্ভব। এই স্টার্টপের প্রতিষ্ঠাতা দলে মেয়ারসনসহ রয়েছেন ব্লু অরিজিনের প্রাক্তন প্রধান স্থপতি গ্যারি লাই, অ্যাপোলো ১৭ মহাকাশচারী হ্যারিসন এইচ স্মিট, রকেট ল্যাবের প্রাক্তন নির্বাহী ইন্দ্র হর্নসবি ও জেমস অ্যান্টিফায়েভ।

এ.জে/জাহ্নবী

হাতের স্পর্শ ছাড়াই দাবা খেলছেন পক্ষাঘাতগ্রস্ত

প্রকাশ: ২২ মার্চ ২০২৪, ১১:৫৯ এএম
হাতের স্পর্শ ছাড়াই দাবা খেলছেন পক্ষাঘাতগ্রস্ত
ছবি : সংগৃহীত

হাতের স্পর্শ ছাড়াই শুধু চিন্তা করে কম্পিউটারে দাবা খেলছেন ২৯ বছর বয়সী নোল্যান্ড আরবাঘ নামের পক্ষাঘাতগ্রস্ত এক ব্যক্তি। আর এমনটি সম্ভব হয়েছে ধনকুবের ইলন মাস্কের ব্রেইন চিপ স্টার্টআপ কোম্পানি নিউরালিংকের তৈরি ডিভাইসের মাধ্যমে। তিনিই প্রথম ব্যক্তি, যার মস্তিষ্কে পরীক্ষামূলকভাবে এই ডিভাইস স্থাপন করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বৃহস্পতিবারন (২১ মার্চ) নোল্যান্ডের বাসা থেকেই লাইভে আসেন নিউরালিংকের এক কর্মী। সেই ভিডিওতেই তাকে হাতের স্পর্শ ছাড়াই ল্যাপটপে দাবা খেলতে দেখা যায়। এমনকি তিনি কম্পিউটারের মাউসের কারসরও প্রয়োজনমাফিক ব্যবহার করছিলেন। 

নোল্যান্ড একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় পক্ষাঘাতগ্রস্ত হন। তিনি ঘাড়ের নিচের অংশ নাড়াতে পারতেন না। নিউরালিংক ডিভাইস স্থাপনের আগে তার কম্পিউটার চালাতেও অন্যের সহায়তা লাগত। গত জানুয়ারিতে ডিভাইস স্থাপনের পর এখন তিনি নিজে নিজেই তা পারছেন। 

লাইভে তিনি বলেছেন, ডিভাইস স্থাপনের সার্জারিটাও ছিল খুব সহজ। যেদিন সার্জারি হয়, তার পরদিনই তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান। কোনো কগনিটিভ সমস্যাও তাকে মোকাবিলা করতে হয়নি। এমনকি তাকে দেখে বোঝারও উপায় নেই যে তিনি মস্তিষ্কে একটি স্মার্ট ডিভাইস নিয়ে ঘুরছেন।

নিউরালিংকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমি মূলত এই খেলাটি (দাবা) ছেড়ে দিয়েছিলাম। আপনারা সবাই (নিউরালিংক) আবার আমাকে দাবা খেলার ক্ষমতা দিয়েছেন। আমি টানা ৮ ঘণ্টাও দাবা খেলতে পারি।’

নিউরালিংকের এত বড় সাফল্যের পরও ইউএস ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের নিউরাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সাবেক প্রোগ্রাম ডিরেক্টর কিপ লুডভিগ বলেন, ‘কোম্পানিটি যা দেখিয়েছে তা মোটেও বড় কিছু নয়। তবে এটি বেশ ভালো শুরু। এই প্রযুক্তি বর্তমানে খুব প্রাথমিক স্তরে রয়েছে। এখনো অনেক কিছু শেখার আছে।’

নিউরালিংক মূলত একটি ব্রেইন কম্পিউটার ইন্টারফেস প্রযুক্তিভিত্তিক কোম্পানি। মানুষের মস্তিষ্কের সঙ্গে কম্পিউটার বা স্মার্ট ডিভাইসের সংযোগ সাধন নিয়ে কোম্পানিটি কাজ করে। এর আগে মানুষের মস্তিষ্কে স্থাপনের আগে পরীক্ষামূলকভাবে শূকর ও বানরের মস্তিষ্কেও স্থাপন করা হয়েছিল। 

ইলন মাস্ক এর আগে বলেছিলেন, তার কোম্পানির প্রাথমিক লক্ষ্য যারা পক্ষাঘাতগ্রস্ত বা অন্ধত্বের সমস্যা মোকাবিলা করছে তাদের সহায়তা করা। তবে ভবিষ্যতে এর প্রভাব হবে আরও ব্যাপক। দেখা যাবে, কেউ নতুন কিছু শিখতে চাইলে তার মস্তিষ্কে স্বল্প সময়ের মধ্যেই সেই দক্ষতা লোড করতে পারবে কিংবা এর মাধ্যমে ব্রেইনকে কম্পিউটারেও ডাউনলোড করা যাবে বা তৈরি করা যাবে ডিজিটাল টুইন। সূত্র: নিউরালিংক