ঢাকা ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
জাতীয় কর্মসূচির মাধ্যমে চিকিৎসা পাবে ঠোঁট-তালুকাটা শিশুরা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৫ বছরে ছানিজনিত অন্ধত্ব নির্মূলের লক্ষ্যমাত্রা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ইবিতে শিক্ষক নিয়োগে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য কাসেমিরোকে ঘিরে ইন্টার মায়ামির বিরুদ্ধে তদন্তে এমএলএস ‘ফিকি এফডিআই কনফারেন্স-২০২৬’-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধর্ষণ মামলায় এনসিপি নেতা আফতাব মজুমদার জয় গ্রেপ্তার বিশ্বকাপে ম্যাচ ফিক্সিং নিয়ে যা বললো ফিফা শীর্ষ ২৭-এর বাইরে থেকেই বিদায়, পুরস্কারবঞ্চিত নেইমার তীব্র গ্যাস সংকটের কারণ জানিয়ে সরকারের দুঃখ প্রকাশ ইরান যুদ্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ৯৫ বিলিয়ন ডলারের বাজেট বিল পাস শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনীর হাতে ৯ ভারতীয় জেলে আটক প্রবাসীদের পাসপোর্ট সংশোধনের সুযোগ বাড়লো ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দুই গোপন বিয়ে নিয়ে উমর (রা.)-এর ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি ও ক্রেডেন্স হাউজিং লিমিটেডের মধ্যে হোম লোন সুবিধা প্রদানে চুক্তি সই কামরাঙ্গীরচরে মারামারি থামাতে গিয়ে প্রাণ গেল শ্রমিকের চাঁদপুরে এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং নিয়ে ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ মেক্সিকোর মেয়র গুলি করে হত্যা করল দুর্বৃত্তরা ফিফার সেরা একাদশে আর্জেন্টিনার ৩ জন, জায়গা পাননি কোনো ব্রাজিলিয়ান মাসাই মারার 'গ্রেট মাইগ্রেশন'-কে বিখ্যাত করে তোলা ৭টি প্রাণী বাংলাদেশি পাসপোর্টে ‘৩৫টি দেশে ভিসা ছাড়া’ ভ্রমণ, বাস্তবতা কতটুকু? প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ফাস্টট্র্যাক আদালত ঘোষণা নরেন্দ্র মোদির আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর রাজশাহীতে ভ্যানচালক হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মার্কিন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি স্থাপনায় আঘাতের হুশিয়ারি ইরানের নতুন নৌপ্রধানকে ভাইস এডমিরাল র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরালেন প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন কি পদত্যাগ করছেন? তাইওয়ানের গবেষণায় দাম্পত্যে ডিমেনশিয়ার নতুন আতঙ্ক ঢাকায় বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১০ অঞ্চলে নদীবন্দর সতর্কসংকেত লোহিত সাগরে দুটি সৌদি তেল ট্যাঙ্কারে ইয়েমেনের হুতিদের হামলা কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অমান্য করে স্মারকলিপি দিলো ইবি ছাত্রদল

সিম কার্ডের এক কোণ কাটা থাকার রহস্য

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:০৮ এএম
আপডেট: ২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৩২ এএম
সিম কার্ডের এক কোণ কাটা থাকার রহস্য
ছবি: সংগৃহীত

স্মার্টফোন হাতে পাওয়ার পর থেকেই আমরা সিম কার্ডের ব্যবহার দেখে আসছি। তবে কখনো কি নিবিড়ভাবে খেয়াল করেছেন, কেন প্রায় প্রতিটি সিম কার্ডের একটি নির্দিষ্ট কোণ কাটা থাকে? এটি কেবল কোনো বাহ্যিক সৌন্দর্য বা নকশার অংশ নয়; এর পেছনে রয়েছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি কারণ ও সুনির্দিষ্ট বিজ্ঞান।

ভারতসহ বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত প্রায় সব সিম কার্ডেরই গঠন এবং এই কাটা অংশটি হুবহু এক। এর মূল উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীর ফোন এবং সিম কার্ড উভয়কেই ক্ষতির হাত থেকে বাঁচানো।

সিম কার্ডের ব্যবহারের সূচনা ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে। প্রথম দিকে প্রস্তুতকৃত সিম কার্ডগুলো আকারের দিক থেকে ছিল আজকের ক্রেডিট কার্ডের সমান। পরবর্তীতে মোবাইল ফোনের আকার যত ছোট হতে শুরু করে, সিম কার্ডের গঠনও ক্রমশ ছোট হতে থাকে। পর্যায়ক্রমে আসে Mini-SIM, Micro-SIM এবং আজকের Nano-SIM। কিন্তু আকারের পরিবর্তন ঘটলেও সিম কার্ডের সেই এক কোণ কাটার নকশা কখনো বদলায়নি।

আন্তর্জাতিকভাবে যেন যেকোনো ফোনে সহজেই এটি ব্যবহার করা যায়, সে জন্য ইউরোপিয়ান টেলিকমিউনিকেশন স্ট্যান্ডার্ডস ইনস্টিটিউট একে গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

সিম কার্ডে কাটা কোণ থাকার পেছনে কয়েকটি প্রধান কারণ উল্লেখ করেছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

সিম কার্ডের মাঝখানে থাকা সোনালী চিপটি ফোনের সিম রিডারের অভ্যন্তরীণ পিনের সঙ্গে নিখুঁতভাবে মিলতে হয়। এক কোণ কাটা থাকায় কোনোভাবেই সিম কার্ডটি উল্টো বা ভুল অভিমুখে ঢোকানো সম্ভব নয়।

কোনো ব্যবহারকারী যদি জোরপূর্বক উল্টো করে সিম ঢোকানোর চেষ্টা করেন, তবে ফোনের স্পর্শকাতর রিডার পিন ও সিমের মেটাল চিপ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কাটা কোণটি একটি দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করে, যাতে যে কেউ সঠিক নিয়মে সিম ট্রে-তে এটি বসাতে পারেন।

শুধু সাধারণ ব্যবহারকারীই নন, মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও এই ডিজাইন অত্যন্ত সহায়ক। কারখানায় ফোন তৈরির সময় বা সিম স্লট সেটআপের সময় মেশিনের মাধ্যমে ভুল হওয়া আটকায় এই নির্দিষ্ট আকৃতি।

প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এখন মোবাইল দুনিয়ায় দ্রুত জায়গা করে নিচ্ছে e-SIM। এটি কোনো ভৌত বা প্লাস্টিকের কার্ড নয়, বরং এটি ডিভাইসের ভেতরের মাদারবোর্ডে বিল্ট-ইন অবস্থায় থাকা একটি ডিজিটাল সিম। বর্তমানে অনেক স্মার্টফোন ব্র্যান্ডই সরাসরি ফিজিক্যাল সিমের স্লট বাদ দিয়ে ই-সিম নির্ভর ফোন বাজারে আনছে।  ধারণা করা হচ্ছে, আগামী দিনে ই-সিম শতভাগ জনপ্রিয় হয়ে উঠলে প্লাস্টিকের ফিজিক্যাল সিম কার্ড এবং এর ঐতিহাসিক ‘কাটা কোণ’ হয়তো জাদুঘরে জায়গা করে নেবে। সূত্র: এমএসএন

তামান্না রুপা/

তাইওয়ানের গবেষণায় দাম্পত্যে ডিমেনশিয়ার নতুন আতঙ্ক

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৩১ এএম
তাইওয়ানের গবেষণায় দাম্পত্যে ডিমেনশিয়ার নতুন আতঙ্ক
ছবি: সংগৃহীত

বিবাহিত জীবন নিয়ে সাধারণ ধারণা হলো এটি হৃদরোগের ঝুঁকি ও স্থূলতা কমানোর মতো স্বাস্থ্যের জন্য নানাভাবে উপকারী। তবে ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশের ক্ষেত্রে বিষয়টি কিছুটা জটিল ও উদ্বেগজনক আকার নিয়েছে। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, কারো জীবনসঙ্গীর ডিমেনশিয়া থাকলে অপর সঙ্গীরও এই রোগে আক্রান্ত হওয়া বা প্রজ্ঞাগত ক্ষমতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।

ডিমেনশিয়া কিন্তু একা কোনো নির্দিষ্ট রোগ নয়; এটি মূলত স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া, বিভ্রান্তি এবং চিন্তাভাবনার ক্ষমতা কমে যাওয়ার মতো একাধিক লক্ষণের একটি সমষ্টিগত রূপ। আলঝেইমার্স কিংবা স্ট্রোকের মতো মস্তিষ্কের ক্ষতির কারণে এ সিন্ড্রোম দেখা দেয়, যা দৈনন্দিন স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে।

তাইওয়ানের প্রায় ১০ লাখ বিবাহিত ব্যক্তির ওপর এই গবেষণা করা হয়। যাদের জীবনসঙ্গীর ডিমেনশিয়া রয়েছে, তাদের নিজেদেরও ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বহুলাংশে বেশি।

যে দম্পতির কারোই ডিমেনশিয়া নেই, তাদের তুলনায় সঙ্গীর ডিমেনশিয়া থাকলে নারীদের ক্ষেত্রে এই রোগের ঝুঁকি বাড়ে ৭৪% পর্যন্ত এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে বাড়ে ৬৯% পর্যন্ত।

তাইওয়ানের ১৯৯৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সংগৃহীত জাতীয় স্বাস্থ্য বিমা ডেটাবেজের উপর ভিত্তি করে এই বিশ্বস্ত ও বিস্তৃত গবেষণাটি চালানো হয়। এর আগে ছোট পরিসরে গবেষণা হলেও এত বিশাল জনসংখ্যার ওপর এমন স্পষ্ট তথ্য আগে পাওয়া যায়নি।

গবেষকরা নিখুঁত তথ্য পাওয়ার জন্য ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের সঙ্গীদের বয়স, লিঙ্গ, আয় ও জীবনযাত্রার মান অনুযায়ী অন্য সাধারণ বিবাহিত মানুষদের সাথে মিলিয়ে ডেটা পর্যালোচনা করেছেন।

গবেষকদের মতে, এই ঝুঁকি বাড়ার পেছনে যৌথ জীবনযাপনের প্রভাব, মানসিক চাপ বা কেয়ারগিভিং এর ফলে সৃষ্ট শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রান্তির ভূমিকা থাকতে পারে। তবে সঙ্গীর যত্ন নেওয়ার তীব্রতা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, জীবনযাত্রা এবং পারস্পরিক যোগাযোগের প্রভাব বিস্তারিতভাবে বুঝতে আরও গবেষণার প্রয়োজন বলে তারা মন্তব্য করেছেন। সূত্র: এনডিটিভি

তামান্না রুপা/

নারীর প্রজননক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার নতুন উপায় আবিষ্কার

প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৭ পিএম
নারীর প্রজননক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার নতুন উপায় আবিষ্কার
প্রতীকী ছবি

নারীর প্রজননক্ষমতা দীর্ঘ সময় ধরে বজায় রাখার সম্ভাবনাময় একটি নতুন উপায় আবিষ্কারের দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের গবেষণায় দেখা গেছে, ডিম্বাশয়ের বার্ধক্য ধীর করা গেলে নারীর সন্তান ধারণের সক্ষমতাও দীর্ঘায়িত হতে পারে। 

ইতোমধ্যে ইঁদুরের ওপর এ পদ্ধতির পরীক্ষামূলক প্রয়োগ সফল হয়েছে। ভবিষ্যতে মানবদেহে এর প্রয়োগের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সাধারণভাবে নারীদের প্রজননক্ষমতা ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সে সর্বোচ্চ থাকে। ৩৫ বছরের পর তা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে ৪৫ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে স্বাভাবিকভাবে সন্তান ধারণের সক্ষমতা শেষ হয়ে যায়। যদিও এর ব্যতিক্রমও রয়েছে।

চীনের হুয়াঝং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি-এর গবেষক শিক্সুয়ান ওয়াংয়ের নেতৃত্বে পরিচালিত এ গবেষণার ফলাফল সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক সাময়িকী নেচার এজিং-এ।

গবেষকদের মতে, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডিম্বাশয়ের চারপাশের টিস্যু শক্ত হয়ে যায়। এর ফলে ডিম্বাশয়ের কার্যকারিতা কমে এবং একসময় মেনোপজ শুরু হয়। এই পরিবর্তনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে শরীরের এক্সট্রাসেলুলার ম্যাট্রিক্স কোষের বাইরের জেলির মতো একটি কাঠামো, যা কোষের বৃদ্ধি ও রাসায়নিক সংকেত আদান-প্রদানে সহায়তা করে।

গবেষণায় দেখা গেছে, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ম্যাট্রিক্সে কোলাজেন জমতে থাকে এবং তা শক্ত হয়ে যায়। ফলে ডিম্বাশয় স্বাভাবিকভাবে বিকশিত হতে পারে না এবং প্রজননক্ষমতা কমে যায়।

বিজ্ঞানীরা আরও জানিয়েছেন, ইন্টারলিউকিন-১১ নামের একটি সংকেতবাহী প্রোটিন এই বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। যদি এই প্রোটিনের কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করা যায়, তাহলে ম্যাট্রিক্স দীর্ঘ সময় নরম ও নমনীয় থাকতে পারে, যা ডিম্বাশয়ের কার্যকারিতা ধরে রাখতে সহায়তা করতে পারে।

গবেষণার অংশ হিসেবে ১৮ থেকে ৫২ বছর বয়সী নারীদের ডিম্বাশয়ের নমুনা বিশ্লেষণ করা হয়। জরায়ুমুখের ক্যানসারের চিকিৎসার সময় অপসারিত ডিম্বাশয় থেকে এসব নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। আরএনএ সিকোয়েন্সিং ও প্রোটিওমিক্স বিশ্লেষণের মাধ্যমে গবেষকেরা দেখতে পান, বয়সের সঙ্গে মানুষের ডিম্বাশয়েও ইন্টারলিউকিন-১১-এর মাত্রা ধারাবাহিকভাবে বাড়ে।

এছাড়া বার্ধক্য, কেমোথেরাপি, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (পিসিওএস) এবং এন্ডোমেট্রিওসিসের মতো অবস্থাতেও ইন্টারলিউকিন-১১-এর নিঃসরণ বেড়ে যায়, যা ডিম্বাশয়ের টিস্যুকে আরও শক্ত করে তোলে।

এরপর গবেষকেরা ইঁদুরের শরীরে দুটি উপায়ে ইন্টারলিউকিন-১১-এর কার্যক্রম বন্ধ করেন। এর মধ্যে একবার সংশ্লিষ্ট জিন অপসারণ করে এবং আরেকবার বিশেষ আরএনএ-ভিত্তিক ক্ষুদ্র কণার মাধ্যমে। 

উভয় ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ডিম্বাশয়ের ম্যাট্রিক্স আগের তুলনায় বেশি নমনীয় থাকে। পরীক্ষার ইঁদুরগুলো শুধু গর্ভধারণেই সক্ষম হয়নি, বরং আগের তুলনায় বেশি সংখ্যক শাবকেরও জন্ম দিয়েছে।

তবে গবেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন, ইঁদুরে সফল ফল মিললেও এটি এখনই মানুষের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে- এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। মানুষের শরীরে একই ধরনের ফল পাওয়া যাবে কি না, তা নিশ্চিত করতে আরও বিস্তৃত গবেষণা ও ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল প্রয়োজন।

তাদের মতে, ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তি সফল হলে বয়সজনিত বন্ধ্যাত্ব বা ডিম্বাশয়ের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার চিকিৎসায় এটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে। সূত্র: আনন্দবাজার

অমিয়/

৭৪ বছর পর মিলল প্যান অ্যাম বিমানের ধ্বংসাবশেষ

প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:০১ পিএম
আপডেট: ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম
৭৪ বছর পর মিলল প্যান অ্যাম বিমানের ধ্বংসাবশেষ
ছবি: খবরের কাগজ

দীর্ঘ ৭৪ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে খুঁজে পাওয়া গেছে ঐতিহাসিক প্যান আমেরিকান ওয়ার্ল্ড এয়ারওয়েজের (প্যান অ্যাম) ‘ক্লিপার এ্যান্ডেভার’ বিমানের ধ্বংসাবশেষ। ১৯৫২ সালে পুয়ের্তো রিকোর উপকূলে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনার স্থান নির্দিষ্ট করার মাধ্যমে সমাপ্তি ঘটল বিমান ইতিহাসের অন্যতম রহস্যের।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ডিসকভারি চ্যানেল জানায়, এয়ার/সি হেরিটেজ ফাউন্ডেশন এবং ডিপ সি ভিজনের যৌথ উদ্যোগে ও ‘এক্সপেডিশন আননোন’ শোর অংশ হিসেবে ২ জুন পুয়ের্তো রিকোর উত্তর উপকূলের মহাসাগরীয় অঞ্চলে এ উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। আধুনিক স্বায়ত্তশাসিত পানির নিচের ড্রোন এবং উচ্চ-সংবেদনশীল সোনার প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় দুই হাজার ফুট গভীরে বিমানটি শনাক্ত করা হয়।

১৯৫২ সালের ১১ এপ্রিল, ৬৪ জন যাত্রী ও ৫ জন ক্রু নিয়ে নিউ ইয়র্কের উদ্দেশ্যে পুয়ের্তো রিকো থেকে উড্ডয়ন করেছিল ডগলাস ডিসি-৪ মডেলের বিমানটি। তবে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই বিমানটির ডান পাশের দুটি ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে। পরে পাইলট বাধ্য হয়ে সাগরে জরুরি অবতরণ করান।

সব যাত্রী প্রাথমিক ধাক্কা সামলে বেঁচে গেলেও বিমানটি মাত্র তিন মিনিটের মধ্যে তলিয়ে যায়। কোনো প্রাক-উড্ডয়ন জরুরি নির্দেশনা না থাকা, ভাষা সংক্রান্ত জটিলতা এবং সুনির্দিষ্ট উচ্ছেদ পদ্ধতির অভাবে কেবিনের ভেতরে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। ফলে ব্যক্তিগত লাইফ জ্যাকেট ও ভেলা থাকা সত্ত্বেও ৫২ জন যাত্রীর সলিলসমাধি হয় এবং ১৭ জনকে (১২ জন যাত্রী ও ৫ জন ক্রু) উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

জানা যায়, এ দুর্ঘটনাই আধুনিক অ্যাভিয়েশন শিল্পে বৈপ্লবিক সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়নের মূলে কাজ করেছিল। বর্তমান বিশ্বে বাণিজ্যিক বিমানে ওঠার পর যাত্রীদের যে প্রাক-উড্ডয়ন জরুরি তথ্য প্রদান লাইফ জ্যাকেট ও জরুরি নির্গমনের ব্যবহার শেখানো হয়, তা মূলত এই ‘ক্লিপার এ্যান্ডেভার’ ট্র্যাজেডির পরেই বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল।

এক্সপেডিশন আননোনের উপস্থাপক জশ গেটস বলেন, ‘আজ আপনি যখনই বিমানে ওঠেন, তিন-চার শতাব্দী আগে ক্লিপার এ্যান্ডেভারের যাত্রী ও ক্রুদের সেই আত্মত্যাগের কারণেই কিন্তু আপনি নিরাপদে ভ্রমণ করতে পারছেন।’

ড্রোনের ছবিতে দেখা যায়, বিমানটি দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে। সমুদ্রের তলদেশে পলি জমে থাকলেও প্যান আমেরিকান ওয়ার্ল্ড এয়ারওয়েজের ডানাযুক্ত আইকনিক লোগো এবং বিমানের নামটি স্পষ্টভাবে পড়া যাচ্ছে।

যেহেতু স্থানটি নিহত ৫২ জন মানুষের স্মৃতি বিজড়িত, তাই ধ্বংসাবশেষটি পানি থেকে তোলা বা স্পর্শ করার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানানো হয়েছে। পুয়ের্তো রিকো সরকারের সহায়তায় এটিকে সামুদ্রিক প্রত্নতাত্ত্বিক স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে সুরক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এই দুর্ঘটনার পর বেঁচে থাকা তৎকালীন ২৭ বছর বয়সি এক নার্স (বর্তমানে তার বয়স ১০২ বছর) এবং পানি থেকে উদ্ধার করা সে সময়ের এক শিশু, যারা আজ পর্যন্ত জীবিত আছেন, তাদের সঙ্গে ইতোমধ্যে গবেষক দল যোগাযোগ করেছেন এবং তারা এই সন্ধানে গভীর আবেগ প্রকাশ করেছেন। সূত্র: সিএনএন

থিওটোনিয়াস/

দুর্গন্ধযুক্ত বায়ু! পচা মরদেহ ভেবে পুলিশে ফোন দিলেন নারী

প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ১০:৪০ এএম
আপডেট: ২২ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৮ এএম
দুর্গন্ধযুক্ত বায়ু! পচা মরদেহ ভেবে পুলিশে ফোন দিলেন নারী
ছবি: এআই

আবাসিক ভবনের করিডোর জুড়ে ছড়াচ্ছিল তীব্র দুর্গন্ধ। পাশের ফ্ল্যাট থেকে নির্গত এমন উৎকট গন্ধে আতঙ্কিত হয়ে তড়িঘড়ি পুলিশকে খবর দেন এক প্রতিবেশী। তবে পুলিশ এসে ঘরে তল্লাশি চালিয়ে যে সত্য উন্মোচন করল, তাতে রীতিমতো থ বনে গেছেন সবাই। পচা মরদেহ নয়, বরং এক নারী তার ঘরে ঐতিহ্যবাহী ‘দুর্গন্ধযুক্ত ভিনেগার’ দিয়ে বিশেষ স্যুপ রান্না করছিলেন।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, ১৪ জুলাই দক্ষিণ চীনের গুয়াংডং প্রদেশে ঘটে এই চাঞ্চল্যকর ও হাস্যরসাত্মক ঘটনা। স্থানীয় চেন পদবীর এক নারী তার বাড়ির রান্নাঘরে গুয়াংডয়ের প্রায় দুই হাজার বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী উপাদান স্টিনকি ফার্ট ভিনেগার (যাকে স্থানীয়ভাবে দীর্ঘায়ু ভিনেগার বলা হয়) দিয়ে রান্না করছিলেন। এই ভিনেগারের তীব্র কটু গন্ধ সহ্য করতে না পেরে পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটে ভাবেন, প্রতিবেশী হয়তো ঘরে কাউকে হত্যা করে মরদেহ সেদ্ধ করছেন।

পরবর্তীতে চেন তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, ‘আমার প্রতিবেশী ভেবেছিলেন আমি কোনো মরদেহ রান্না করছি। এটাই হলো আমাদের ঐতিহ্যবাহী দুর্গন্ধযুক্ত ভিনেগারের শক্তি।’

কী এই দুর্গন্ধযুক্ত ভিনেগার?

প্রথম দেখায় বা গন্ধে একে অপ্রীতিকর মনে হলেও, গুয়াংডং অঞ্চলে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রিমিয়াম একটি খাবার উপাদান। স্থানীয় সংস্কৃতিতে এটি ‘অমূল্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃত।

ইতিহাস ও লোকগাঁথা অনুযায়ী, প্রাচীনকালে এক দরিদ্র সন্তান মায়ের চিকিৎসার জন্য বৃষ্টির পানি পড়া পাত্রে ভেজানো পুরনো ভাত ফুটিয়ে খাইয়েছিলেন। অলৌকিকভাবে তার মা সুস্থ হয়ে যান। এরপর থেকেই বিশেষ প্রক্রিয়ায় চাল ভেজে ও গাঁজন করে এই ভিনেগার তৈরির প্রচলন শুরু হয়।

হুয়াদু অঞ্চলের স্বীকৃত কারিগর হুয়াং ওয়েইহুয়া জানান, বিশেষ ধরনের ভাঙা চাল ৪০ মিনিট ধরে সোনালি করে ভেজে প্রাকৃতিক ঝরনা বা কুয়ার জলে মাটির পাত্রে তিন মাস ধরে গাঁজন প্রক্রিয়ায় এটি তৈরি করা হয়। এতে ডুরিয়ান ফলের মতো এক ধরনের তীব্র ও দুর্গন্ধযুক্ত সুবাস তৈরি হয়।

ভেষজ গুণ ও ঐতিহ্য

চীনা ভেষজ শাস্ত্র ‘বেনকাও গাংমু’ অনুযায়ী, দুর্গন্ধযুক্ত ভিনেগার শরীরের হজমশক্তি বাড়াতে, রক্ত জমাট বাঁধা কমাতে এবং শরীরকে বিষমুক্ত করতে অত্যন্ত কার্যকর। বিশেষ করে গুয়াংডয়ের অতিরিক্ত গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় ক্লান্তি দূর করতে এর জুড়ি মেলা ভার। স্থানীয় সংস্কৃতিতে নতুন মা ও প্রসব পরবর্তী পুষ্টির জন্য শূকরের পা, আদা ও ডিমের সঙ্গে এই ভিনেগার দিয়ে স্যুপ তৈরি করে খাওয়ানো হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনদের মধ্যে বেশ হাসির খোরাক জুগিয়েছে।

একজন মন্তব্য করেন, ‘এই প্রথম শুনলাম যে স্যুপ রান্না করাকে খুনের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা হয়েছে। প্রতিবেশী সত্যিই অসাধারণ!’

অন্য একজন লিখেন, ‘ভিনেগারটি সত্যি খুব দুর্গন্ধযুক্ত। একবার আমার এক প্রতিবেশী হুমকি দিয়েছিল যে আমি আবার এটি রান্না করলে তিনি আমাকে শিক্ষা দেবেন।’ সূত্র: সাউথ চায়না মনিং পোস্ট

থিওটোনিয়াস/

ভারতে প্রথম ডেঙ্গুর টিকা ‘কিউডেঙ্গা’ অনুমোদন

প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৫ পিএম
আপডেট: ২১ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৩ পিএম
ভারতে প্রথম ডেঙ্গুর টিকা ‘কিউডেঙ্গা’ অনুমোদন
ছবি: সংগৃহীত

ভারতে প্রথমবারের মতো ডেঙ্গু প্রতিরোধী টিকা ‘কিউডেঙ্গা’ অনুমোদন পেয়েছে। ৪ থেকে ৬০ বছর বয়সীদের জন্য অনুমোদিত এই দুই ডোজের টিকাটি আগে থেকে ডেঙ্গু পরীক্ষা (স্ক্রিনিং) ছাড়াই দেওয়া যাবে। এটি ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি সেরোটাইপের বিরুদ্ধেই সুরক্ষা দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

ভারতের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়া’ তাকেডা বায়োফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডিয়ার ‘কিউডেঙ্গা’ বাজারজাতের অনুমোদন দিয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এটিই দেশটির প্রথম ডেঙ্গুর টিকা হিসেবে অনুমোদন পেল।

কিউডেঙ্গা একটি ‘লাইভ-অ্যাটেনুয়েটেড টেট্রাভ্যালেন্ট’ টিকা, যা ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি সেরোটাইপের বিরুদ্ধেই সুরক্ষা দিতে সক্ষম। টিকাটি দুই ডোজে দেওয়া হয় এবং দুটি ডোজের মধ্যে তিন মাসের ব্যবধান রাখতে হয়।

কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, আগে ডেঙ্গু সংক্রমণ হয়ে থাকুক বা না থাকুক- উভয় ক্ষেত্রেই এই টিকা দেওয়া যাবে। এছাড়া টিকা নেওয়ার আগে কোনো ধরনের স্ক্রিনিংয়ের প্রয়োজন হবে না।

ভারতে গত দুই দশকে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১১ গুণ বেড়েছে। বিশ্বজুড়ে ডেঙ্গু সংক্রমণের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই ভারতে ঘটে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। 

গবেষকদের মতে, প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়েও বেশি হতে পারে।

তাকেডা জানায়, টিকাটির অনুমোদন তাদের বৈশ্বিক ক্লিনিক্যাল উন্নয়ন কর্মসূচির তথ্যের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় ডেঙ্গু-প্রবণ ও অ-প্রবণ অঞ্চলে ২৮ হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারীকে নিয়ে ১৯টি ফেজ-১, ফেজ-২ ও ফেজ-৩ ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালানো হয়।

এর মধ্যে ‘টাইডস’ নামে ফেজ-৩ ট্রায়ালে ডেঙ্গু-প্রবণ আটটি দেশের ২০ হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারী অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। 

কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় ডোজের ১২ মাস পর ভাইরোলজিক্যালভাবে নিশ্চিত ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে টিকাটি ৮০ দশমিক ২ শতাংশ কার্যকারিতা দেখিয়েছে। ১৮ মাস পর ডেঙ্গুজনিত হাসপাতালে ভর্তি প্রতিরোধে এর কার্যকারিতা ছিল ৯০ দশমিক ৪ শতাংশ।

এছাড়া সাড়ে চার বছরের ফলোআপ গবেষণায় ডেঙ্গুজনিত হাসপাতালে ভর্তি প্রতিরোধে টিকাটির কার্যকারিতা ৮৪ দশমিক ১ শতাংশ পাওয়া গেছে। সাত বছরের ফলোআপেও ডেঙ্গুর চারটি সেরোটাইপের বিরুদ্ধেই দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষার প্রমাণ মিলেছে।

ভারতে ৪ থেকে ৬০ বছর বয়সীদের ওপর পরিচালিত ফেজ-৩ ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফলাফলও অনুমোদনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। 

কোম্পানিটির দাবি, শিশু, কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্ক- সব বয়সী মানুষের জন্য টিকাটি নিরাপদ, সহজে সহনীয় এবং কার্যকর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে সক্ষম।

তাকেডা জানায়- এশিয়া, লাতিন আমেরিকা ও ইউরোপের ৪৩টি দেশে ‘কিউডেঙ্গা’ অনুমোদিত হয়েছে এবং সরকারি ও বেসরকারি টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৩ কোটি ২০ লাখের বেশি ডোজ বিতরণ করা হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ডেঙ্গুর উচ্চ সংক্রমণপ্রবণ এলাকায় ব্যবহারের জন্য টিকাটি সুপারিশ করেছে এবং এটিকে ‘প্রি-কোয়ালিফিকেশন’ স্বীকৃতি দিয়েছে। বর্তমানে ব্রাজিলের জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে এটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

এছাড়া আর্জেন্টিনা, কলম্বিয়া ও ইন্দোনেশিয়াতেও সরকারি কর্মসূচির আওতায় টিকাটি দেওয়া হচ্ছে।

কোম্পানিটি জানায়, ভারতে এই টিকার সরবরাহ ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে তারা দেশটির নিয়ন্ত্রক সংস্থা, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। সূত্র: দ্য হিন্দু

নাঈম/অমিয়/