ঢাকা ১ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
বরিশালে ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ ঘিরে প্রস্তুতি জোরদার মাগুরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত জয়পুরহাটে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত লিবিয়ার বন্দিশিবির থেকে দেশে ফিরলেন ১৭১ বাংলাদেশি বিশ্বকাপ ফাইনাল: জেনে নিন আর্জেন্টিনা-স্পেন মহারণের সব তথ্য শ্রীমঙ্গলে ওয়ালটন ক্যাবলসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬ অনুষ্ঠিত অসুস্থ মির্জা ফখরুল আলমগীর ডিএনসিসির ৪ হাজার ৫২৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা বাংলাদেশ কোনো একটি নির্দিষ্ট ধর্মের মানুষের জন্য নয়: মির্জা ফখরুল স্পিডবোট রক্ষণাবেক্ষণের সময় নদীতে পড়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি নিখোঁজ প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে পাঁচ ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূতের বৈঠক চেক প্রতারণার মামলায় সালমান এফ রহমানের জামিন স্বাস্থ্যসেবার দাবিতে হাঁটু পানিতে নিঝুমদ্বীপবাসী ৫০০ শিক্ষাবৃত্তি দেবে সৌদি আরব: মাহাদী আমীন বগুড়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত নতুন উপজেলা ও পৌরসভার দাবিতে শৈলকুপায় মানববন্ধন গুগল পিক্সেল ওয়াচের ছবি ফাঁস ব্রিডিং গ্রাউন্ডের অফলাইন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ময়মনসিংহ মেডিকেলে দালালবিরোধী অভিযান, আটক ১৪ তরুণদের দক্ষতায় বদলে যাবে আগামীর বাংলাদেশ জয়ধ্বনি আর উচ্ছ্বাসে মানিকগঞ্জে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা দুর্নীতির মামলায় বেনজীরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহন সিসা দূষণে ঝুঁকিতে কোটি কোটি শিশু, কার্যকর পদক্ষেপের দাবি রথযাত্রা: ভালোবাসা ও সম্প্রীতির এক অবিরাম স্রোত শহিদ আবু সাঈদের স্মরণসভায় অর্ধেক চেয়ার খালি, হতাশ মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী সুশাসনের সঙ্গে টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা জরুরি হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু রক্ষক যখন ভক্ষক সংগঠন অধ্যায়ের ১৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র জাহাঙ্গীর হত্যায় ‘ভাড়াটে খুনি’ গ্রেপ্তার, পুলিশের দাবি ঢাকা থেকে আনা হয়েছিল

ব্রাজিলের পরবর্তী সুপারস্টার কে এই কাওয়ান বাসিলে?

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৮ পিএম
আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৮ পিএম
ব্রাজিলের পরবর্তী সুপারস্টার কে এই কাওয়ান বাসিলে?
কাওয়ান বাসিলে। ছবি: সংগৃহীত

মাত্র  ১৩ বছর বয়সেই বিশ্ব ফুটবলের নজর কেড়েছেন কাওয়ান বাসিলে। ব্রাজিলিয়ান ক্লাব সান্তোস একাডেমিতে বেড়ে ওঠা এই তরুণ প্রতিভাকে দেশটির ফুটবলের অন্যতম উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কাওয়ান বাসিলে ২০২২ সাল থেকে সান্তোসের একাডেমির অংশ এবং খুব অল্প বয়সেই নিজের সুনাম অর্জন করতে শুরু করে। মাঠের ফুটবলে আলোচনায় আসার আগেই এই তরুণ ফরোয়ার্ড ফুটসালে নজর কাড়ে।

মাত্র ১৩ বছর বয়সি স্ট্রাইকার কাওয়ান বাসিলে গত কয়েক দিনে ব্রাজিলের বয়সভিত্তিক ফুটবলের সবচেয়ে আলোচিত নামগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে।

কাওয়ানের খেলার ধরনের সঙ্গেও নেইমারের বেশ মিল খুঁজে পাচ্ছেন বহু ফুটবলবোদ্ধা। বল নিয়ন্ত্রণ ও গোল করার দক্ষতার কারণে ইতোমধ্যেই সে আলোচনায় উঠে এসেছে। ইউরোপের বেশ কয়েকটি শীর্ষ ক্লাবও তার অগ্রগতির ওপর নজর রাখছে।

উন্নতির ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে ২০৩০ বিশ্বকাপে মাত্র ১৮ বছর বয়সেই ব্রাজিল জাতীয় দলে অভিষেকের সুযোগ পেতে পারেন কাওয়ান বাসিলে। এরপর ২০৩৪ ও ২০৩৮ বিশ্বকাপেও ব্রাজিলের অন্যতম বড় তারকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার সম্ভাবনা রয়েছে।

নেইমারের পর ব্রাজিল যে নতুন একজন বিশ্বমানের আক্রমণভাগের তারকার অপেক্ষায় রয়েছে, অনেকের মতে কাওয়ান বাসিলে সেই শূন্যস্থান পূরণের অন্যতম দাবিদার হতে পারেন।

রিফাত/

৮৫ ফুটের মেসি

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৫ এএম
৮৫ ফুটের মেসি
ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসির ৮৫ ফুট উঁচু মূর্তি। ছবি: রয়টার্স

আর্জেন্টিনার নিউকুয়েন প্রদেশের পাতাগোনিয়ার ছোট শহর কুত্রাল কো। এখানেই দাঁড়িয়ে আছে ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসির ৮৫ ফুট উঁচু একটি বিশাল মূর্তি। সেই মূর্তির পাদদেশেই কয়েক শ মানুষ একসঙ্গে বড় পর্দায় দেখলেন বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল।

ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনা ফাইনালে উঠতেই মুহূর্তেই আনন্দ-উল্লাসে ফেটে পড়েন তারা।

শুধু কুত্রাল কো নয়, রাজধানী বুয়েনস আইরেসসহ পুরো আর্জেন্টিনাজুড়েই দেখা যায় একই দৃশ্য।

এখন শিরোপার লড়াইয়ে তাদের সামনে শেষ বাধা স্পেন। রবিবারের ফাইনাল জিততে পারলে ১৯৬২ সালের পর প্রথম দল হিসেবে টানা দুই বার বিশ্বকাপ জয়ের ইতিহাস গড়বে আর্জেন্টিনা।

দক্ষিণাঞ্চলীয় নেউকেন প্রদেশের প্রায় ৪০ হাজার মানুষের শহর কুত্রাল কোতে শুরুতে প্রায় ৩০০ সমর্থক মেসির বিশাল মূর্তির পাশে বসানো জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলা দেখছিলেন। রেফারির শেষ বাঁশি বাজতেই উল্লাসে ফেটে পড়েন সবাই। ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও শেষ দিকে দুটি গোল করে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা।

স্থানীয় বাসিন্দা ৩২ বছর বয়সী লুকাস রোমেরো বলেন, ‘এটি ছিল কষ্টের মধ্য দিয়ে অর্জিত এক জয়।’ 

পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মেসির মূর্তির দিকে ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, ‘মেসি আর্জেন্টিনার জন্য যা করেছেন, এই মূর্তিটি তারই যথাযথ স্বীকৃতি।’

আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড লড়াই বরাবরই ইতিহাস ও আবেগে ঘেরা। ১৯৬৬ বিশ্বকাপ, ১৯৮২ সালের ফকল্যান্ড (আর্জেন্টিনায় মালভিনাস) যুদ্ধ এবং ১৯৮৬ বিশ্বকাপে দিয়েগো ম্যারাডোনার বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল- সব মিলিয়ে এই ম্যাচ দুই দেশের কাছে সবসময়ই বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনার ভাইস প্রেসিডেন্ট ভিক্টোরিয়া ভিয়াররুয়েল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লেখেন, ‘এটি আর দশটি ম্যাচের মতো নয়। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ মানেই আরও বেশি কিছু। এটি মালভিনাসের স্মৃতি, এটি দিয়েগো, এটি লিওর শেষ বিশ্বকাপ, আর এটি আক্রমণকারীদের থামিয়ে দেওয়ার লড়াই।’

কুত্রাল কো শহরের অনেক বাসিন্দাই কাছের ভাকা মুয়ের্তা তেল ও গ্যাসক্ষেত্রে কাজ করেন। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শেল তেল ও গ্যাসের মজুত রয়েছে এই এলাকায়।

গত জুনে স্থানীয় শিল্পী আলদো বেরোইসার নির্মিত ৮৫ ফুট উচ্চতার হাস্যোজ্জ্বল মেসির একটি ভাস্কর্য উদ্বোধনের পর শহরটি আন্তর্জাতিকভাবে আলোচনায় আসে। আকাশের দিকে আঙুল তুলে হাঁটু গেড়ে থাকা মেসির এই ভাস্কর্যকে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু মেসি স্মৃতিস্তম্ভ বলে দাবি করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

সেমিফাইনাল জয়ের পর মূর্তির চারপাশে সমর্থকের সংখ্যা কয়েক হাজারে পৌঁছে যায়। আতশবাজির রঙিন আলোয় আলোকিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। সূত্র: রয়টার্স

অমিয়/

জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার নিয়ম

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম
আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৫ এএম
জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার নিয়ম
জাতীয় পতাকা

পতাকাদণ্ডের কোথায় পতাকা রেখে পতাকা অর্ধনমিত করতে হবে, বিধিমালায় বিষয়টি আগে নির্ধারিত ছিল না। বিষয়টি সংশোধন করে ২০২৩ সালের ৯ আগস্ট প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয় সংগীত, পতাকা এবং প্রতীক অধ্যাদেশ, ১৯৭২ এর আর্টিকেল-৫ এ দেওয়া ক্ষমতাবলে সরকার পতাকা বিধিমালা সংশোধন করেছে।

সংশোধিত বিধিমালায় বলা হয়, পতাকা অর্ধনমিত রাখার ক্ষেত্রে প্রথমে জাতীয় পতাকা যথানিয়মে উত্তোলন করতে হবে। অর্ধনমিত রাখার ক্ষেত্রে পতাকা প্রথমে পতাকাদণ্ডের সর্বোচ্চ চূড়া পর্যন্ত উত্তোলন করতে হবে। এরপর পতাকা দণ্ডের এক-চতুর্থাংশের দৈর্ঘ্যের সমান নিচে নামিয়ে পতাকাটি স্থাপন করতে হবে।

নামানোর নিয়ম

ওই দিনই পতাকা নামানোর সময় ফের পতাকা দণ্ডের সর্বোচ্চ চূড়া পর্যন্ত উত্তোলন করা হবে। এরপর নামাতে হবে জাতীয় পতাকা।

অমিয়/

শিক্ষামন্ত্রীর ‘ফার্মের মুরগি’র প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৫ এএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম
শিক্ষামন্ত্রীর ‘ফার্মের মুরগি’র প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র আদলে বাংলাদেশে আত্মপ্রকাশ করেছে ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’।

টানা বৃষ্টি ও তীব্র জলাবদ্ধতার মাঝে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ‘ফার্মের মুরগি’ বা ‘ব্রয়লার’ বলে কটাক্ষ করার প্রতিবাদে জেন-জি শিক্ষার্থীরা এই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন।

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা এই ফেসবুক পেজটি চালু করেন।

কয়েকদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে চরম প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাজপথে নামেন।

এই আন্দোলনের মাঝেই একটি অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। অডিওটিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ‘ফার্মের মুরগি’ ও ‘ব্রয়লার’ বলে সম্বোধন করা হয়, যা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের জন্ম দেয়।

‘আমরা অপমানিত নই, আমরা জাগ্রত’এই কটূক্তির জবাবে শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ না হয়ে ব্যঙ্গাত্মক প্রতিবাদের পথ বেছে নেন। তারা ফেসবুকে ‘Broiler Chicken Party’ নামে একটি পেজ খোলেন।

পেজটির মূল স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে-‘আমরা অপমানিত নই, আমরা জাগ্রত’ (We are not insulted, We are awakened)। শিক্ষার্থীরা এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনের বিভিন্ন ছবি, ভিডিও এবং বিভিন্ন ব্যঙ্গাত্মক কনটেন্ট (মিম) প্রচার করছেন।

ভারতীয় ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সঙ্গে তুলনা করলে- এই প্রতিবাদের ধরন চলতি বছরের মে মাসে ভারতে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। সেখানে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বেকার তরুণদের ‘ককরোচ’ (তেলাপোকা) বা ‘পরজীবী’ বলে উল্লেখ করার পর প্রতিবাদ হিসেবে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ গঠিত হয়। বাংলাদেশেও ঠিক একই কায়দায় আপত্তিকর মন্তব্যের জবাব দিতে ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’ গঠন করা হলো।

রাজনৈতিক ও অনলাইন বিশ্লেষকদের মতে, এটি কোনো আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক দল না হলেও, বর্তমান প্রজন্মের প্রতিবাদের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও আধুনিক ডিজিটাল মাধ্যম। কটূক্তি বা অপমানকে সরাসরি সহিংসতায় রূপ না দিয়ে, ব্যঙ্গ ও রসাত্মক উপায়ে কীভাবে বড় আন্দোলন গড়ে তোলা যায়- এই ঘটনা তারই আরেকটি প্রমাণ।

আজহার/

ধোনির কানে থাকা এই ছোট্ট যন্ত্রের কাজ কী? ফাঁস হলো আসল রহস্য

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৭ এএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫১ এএম
ধোনির কানে থাকা এই ছোট্ট যন্ত্রের কাজ কী? ফাঁস হলো আসল রহস্য
ধোনির কানে থাকা সেই ডিভাইস। ছবি: সংগৃহীত
ভারত বনাম ইংল্যান্ড সিরিজ মানেই টানটান উত্তেজনা। আর সেই উত্তেজনা গ্যালারিতে বসে চেটেপুটে উপভোগ করতে দেখা গেল টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। নিজের জন্মদিন উদযাপনের পর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ দেখতে লর্ডসের গ্যালারিতে হাজির হয়েছিলেন মাহি।
 
ম্যাচ চলাকালীন ধোনির বেশ কিছু মিষ্টি মুহূর্তের ভিডিও ইতোমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। কখনো তাকে পাশে বসা এক খুদে সমর্থকের কাছ থেকে আবদার করে পপকর্ন চেয়ে খেতে দেখা গেছে, আবার কখনো ভক্তদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়তে দেখা গেছে। তবে এই সবকিছুর মাঝে ক্রিকেটপ্রেমীদের তীক্ষ্ণ নজর আটকে যায় অন্য একটি বিষয়ে-ধোনির কানে লাগানো একটি ছোট্ট ডিভাইসে!
 
ক্যাপ্টেন কুলের কানে ওই ছোট্ট সাদা রঙের ডিভাইসটি দেখার পর থেকেই নেটপাড়ায় জল্পনার ঝড় ওঠে। সাধারণ দর্শকরা ভাবছিলেন, গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার মাঝেই কি মাহি কোনো জরুরি ফোনে কথা বলছেন? কেউ কেউ এটিকে কোনো আধুনিক ব্লুটুথ ইয়ারফোন বা বিশেষ কোনো ওয়ারলেস অডিও ডিভাইস বলে মনে করছিলেন। বিসিসিআই বা ধোনির তরফ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না আসায় রহস্য আরও ঘনীভূত হয়।

আসল রহস্যটা কী?

খবরের ভেতরের খবর হলো, ধোনির কানে থাকা ওই ডিভাইসটি কোনো সাধারণ ব্লুটুথ হেডসেট বা গান শোনার ইয়ারফোন ছিল না। এটি আসলে একটি 'স্টেডিয়াম রেডিও রিসিভার'।
 
যুক্তরাজ্য তথা ইংল্যান্ডের ক্রিকেট স্টেডিয়ামগুলোতে এই প্রযুক্তির ব্যবহার বহু পুরনো। সেখানে ম্যাচ দেখতে আসা হাজার হাজার দর্শক এই বিশেষ ডিভাইসটি ব্যবহার করে থাকেন।
 
আজহার/

সবজির কেজি ১২০০, উপকারিতা কী?

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:২১ পিএম
সবজির কেজি ১২০০, উপকারিতা কী?
কাটরুয়া।

সাধারণত পুষ্টির খোঁজে মানুষ খাসি বা মুরগির মাংসের ওপর ভরসা রাখেন। কিন্তু উত্তরপ্রদেশের লখিমপুর খেরি জেলার তরাই অঞ্চলের জঙ্গলে মেলা একটি বিশেষ সবজির কাছে দাম ও পুষ্টি-উভয় দিক থেকেই হার মানবে যে কোনো নন-ভেজ পদ!

স্থানীয় মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় এই সবজিটির নাম ‘কাটরুয়া’। বর্তমানে বাজারে এর প্রতি কেজির দাম ঠেকেছে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকায়। অতি বিরল এবং পুষ্টিগুণে ঠাসা হওয়ায় ভোজনরসিকদের কাছে এটি ‘নিরামিষভোজীদের মাংস’ নামেও পরিচিত।

মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা স্বাদের জাদুকর

কাটরুয়া কোনো সাধারণ চাষের সবজি নয়, এটি মূলত বর্ষাকালে শাল ও সেগুন গাছের শিকড়ের নিচে প্রাকৃতিকভাবে জন্মায়। লোকচক্ষুর অন্তরালে মাটির নিচে বেড়ে ওঠা এই সবজিটি সংগ্রহ করতে স্থানীয় মানুষ জঙ্গলে পাড়ি জমান এবং মাটি খুঁড়ে তা বের করে আনে। বর্ষার এই বিশেষ উপহারের স্বাদ নিতে ভোজনরসিকরা সারা বছর অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। তবে মাটির নিচে জন্মানোর কারণে রান্নার আগে এটিকে খুব ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নেওয়া জরুরি।

এই ভেষজ সবজিটির পুষ্টিগুণের ভক্ত কেবল মানুষই নয়, জঙ্গলের প্রাণীরাও এর খোঁজে থাকে। বিশেষজ্ঞরা জানান, দুধওয়া জঙ্গলে বসবাসকারী বিভিন্ন প্রজাতির হরিণদের অত্যন্ত প্রিয় খাদ্য এটি। বর্ষার মরসুমে জঙ্গলজুড়ে হরিণদের প্রায়ই মাটি খুঁড়ে পরম তৃপ্তিতে কাটরুয়া খেতে দেখা যায়।

স্বাস্থ্যের এক অনন্য ভাণ্ডার

চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদদের মতে, কাটরুয়া ভিটামিন, খনিজ এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। এটি নিয়মিত ও পরিমিতভাবে খেলে শারীরিক দুর্বলতা, ক্লান্তি এবং অলসতা দূর হয় এবং শরীরের কর্মক্ষমতা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই সবজিটি দারুণ কার্যকর, যার ফলে এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত পথ্য। কাটরুয়ায় থাকা বিশেষ পুষ্টি উপাদান হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

আজহার/