ঢাকা ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ইনফোসিস ফিন্যাকল ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডসে গোল্ড জিতল কমিউনিটি ব্যাংক গেম ডিস্ক বন্ধ করছে সনি প্লেস্টেশন এনসিপির সমাবেশে হামলার বিষয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা পড়ে পাওয়া গল্পের ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা ডেঙ্গু পরীক্ষা ফ্রি করল সরকার খাগড়াছড়ি হাসপাতালের মর্গে পড়ে আছে নিহত ৩ তরুণের দেহ মাদারগঞ্জে চিকিৎসকের অবহেলায় সাপেকাটা রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ সিংগাইরে সেনাবাহিনীর অস্থায়ী প্রশিক্ষণ ক্যাম্প পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর মিরসরাইয়ে বিস্কুট ফ্যাক্টরির গার্ডরুমে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ ২০৩০ বিশ্বকাপ সরাসরি খেলবে ছয় দেশ পাঠকের গল্প : ল্যান্ডফোনের ক্রসকানেকশন মাঠের বাইরের বিতর্কের জবাব বেলজিয়াম দিল মাঠেই শিবচরে হতদরিদ্র ৬ পরিবারের মাঝে গাভী বিতরণ যেভাবে চাকরি খুঁজবেন যেসব দেশে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধা পাচ্ছেন পর্যটকরা গজারিয়ায় রাস্তা উন্মুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন কেপ ভার্দে ধাক্কার পর মিশরকে নিয়ে সতর্ক আর্জেন্টিনা ভারী বর্ষণে ডুবল চট্টগ্রাম, পাহাড়ধসের শঙ্কা ১০ মিনিটে ৬৬টি হটডগ খেয়ে জিতলেন সাড়ে ৯ লাখ টাকা বেরোবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালনকারীদের ফ্যান খুলে নেওয়ার অভিযোগ দিনাজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মা-ছেলে নিহত ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪০৬ সিলেটে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ চট্টগ্রামে শিক্ষাসামগ্রী পেল দরিদ্র শিক্ষার্থীরা নাগরিকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: ডা. জুবাইদা রহমান বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি সম্প্রসারণের খবরে কৃষিজমিতে বহুতল ভবন ট্রিলিয়নিয়ার তকমা হারালেন প্রযুক্তি মোগল ইলন মাস্ক চকরিয়ায় পানিবন্দি ৫০ হাজার মানুষ ঘিওরে ৬০ বছরের বৃদ্ধের বিরুদ্ধে চার বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ওমানের উপকূলে ট্যাংকারে আগুন

যেসব দেশে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধা পাচ্ছেন পর্যটকরা

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৬ পিএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
যেসব দেশে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধা পাচ্ছেন পর্যটকরা
ছবি: সংগৃহীত

বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন, অন্য দেশে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে হলে সেখানকার বাসিন্দা হতে হবে। তবে এটি সবসময় সত্যি নয়। যদিও অনেক দেশ শুধু স্থানীয় বাসিন্দাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দেয়। তবে আরও কয়েকটি দেশ নির্দিষ্ট শর্তে পর্যটকদেরও এ সুযোগ দিয়ে থাকে।

পর্যটক হিসেবে এ প্রক্রিয়াটি সব সময় দ্রুত হয় না। সাধারণত পাসপোর্ট, বাড়ির ঠিকানার প্রমাণ এবং কর সংক্রান্ত তথ্যের মতো নথি সরবরাহ করতে হয়। কখনো কখনো কেন অ্যাকাউন্টটি প্রয়োজন, তার ব্যাখ্যাও দিতে হতে পারে। তবে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, বিদেশে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা অনেক ভ্রমণকারীর কল্পনার চেয়ে অনেক সহজ হতে পারে।

ভ্রমণকারীরা কেন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলেন?

নিয়মিত ভ্রমণকারীরা প্রতিবার কেনাকাটার সময় মোটা অঙ্কের আন্তর্জাতিক কার্ড ফি দিয়ে থাকেন। তারা এ অতিরিক্ত ফি এড়াতে অ্যাকাউন্ট করে থাকেন। বিদেশে অবকাশ যাপনের জন্য কিছু ভ্রমণকারীর নিজস্ব বাড়ি থাকে, এ ছাড়াও ডিজিটাল নোম্যাড, অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা যারা নিয়মিত বিভিন্ন দেশের মধ্যে যাতায়াত করেন, তারা অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। 

কারণ, স্থানীয় ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট থাকলে নগদ টাকা তোলা, অর্থ স্থানান্তর করা এবং স্থানীয়দের মতো অর্থ পরিশোধ করাও অনেক সহজ হয়ে যায়।

সুইজারল্যান্ড, জর্জিয়া, পর্তুগাল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো জনপ্রিয় গন্তব্যগুলো নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে বিদেশিদের জন্য ব্যাংকিং সুবিধা দিয়ে থাকে।

সুইজারল্যান্ড

যখন মানুষ আন্তর্জাতিক ব্যাংকিংয়ের কথা ভাবে, তখন সাধারণত সবার আগে সুইজারল্যান্ডের কথাই মনে আসে। দেশটি তার স্থিতিশীল আর্থিক ব্যবস্থা এবং বিশ্বমানের ব্যাংকগুলোর জন্য বরাবরই পরিচিত। যদিও সুইস ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা আগের মতো সহজ নয়, তবুও অনেক ব্যাংক এখনও বিদেশি দর্শনার্থীসহ অনাবাসীদের অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দেয়। 

সুইস ব্যাংকগুলো বিস্তারিত পরিচয় এবং আর্থিক তথ্য যাচাই করে থাকে। কিছু ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য বেশ বড় অঙ্কের আমানতও চেয়ে থাকে এবং যারা সুইজারল্যান্ডে বাস করেন না, তাদের কাছ থেকে উচ্চ ফি নিয়ে থাকে।

জর্জিয়া

যদি এমন কোনো দেশ থাকে- যা ডিজিটাল নোম্যাড এবং দীর্ঘমেয়াদী ভ্রমণকারীদের মধ্যে বিখ্যাত হয়ে উঠেছে, সেটি হলো জর্জিয়া। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটি বিদেশিদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে তুলনামূলক সহজ করার জন্য খ্যাতি অর্জন করেছে। 

জর্জিয়ার বেশ কয়েকটি ব্যাংক অনাবাসীদের অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দেয় এবং অনেক ক্ষেত্রে, একটি বৈধ পাসপোর্টই প্রধান প্রয়োজনীয় নথি। আপনার জাতীয়তা এবং পছন্দের ব্যাংকের উপর নির্ভর করে, আপনার কাছে কয়েকটি অতিরিক্ত নথি চাওয়া হতে পারে বা একটি সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকার দিতে হতে পারে।

পর্তুগাল

পর্যটক, অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং দ্বিতীয় বাড়ির মালিকদের (সেকেন্ড হোম) জন্য ইউরোপের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য পর্তুগাল। তাই অনেকেই স্বাভাবিকভাবে একটি স্থানীয় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সিদ্ধান্ত নেন। দেশটি অনাবাসীদের অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দেয়, তবে অন্যান্য কিছু জায়গার তুলনায় আরও বেশি কাগজপত্র প্রয়োজন হবে।

পাসপোর্টের পাশাপাশি, ব্যাংকগুলো সাধারণত একটি পর্তুগিজ ট্যাক্স নম্বর, বাড়ির ঠিকানার প্রমাণ এবং আয় বা কর্মসংস্থান দেখানোর নথি চেয়ে থাকে। কেউ যদি নিয়মিত পর্তুগালে যান, তাহলে একটি অ্যাকাউন্ট খোলা তার সময় এবং অর্থ উভয়ই বাঁচাতে পারে।

সিঙ্গাপুর

বিশ্বজুড়ে অন্যতম নিরাপদ এবং শক্তিশালী অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত সিঙ্গাপুর। এখানকার কিছু ব্যাংক অনাবাসীদেরও অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দেয়। ব্যাংকের উপর নির্ভর করে প্রয়োজনীয়তা ভিন্ন হয়। বেশিরভাগ ব্যাংকই পাসপোর্ট, অতিরিক্ত পরিচয়পত্র এবং কেনো অ্যাকাউন্টটি খুলতে চান সে সম্পর্কিত তথ্য চাইবে। 

আবার কিছু ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ন্যূনতম আমানত চাইতে পারে অথবা আপনার আবেদন অনুমোদনের আগে আপনাকে কোনো শাখায় যেতে বলতে পারে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত

প্রতি বছর লাখ লাখ পর্যটক সংযুক্ত আরব আমিরাতে আসেন এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ স্থানীয় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সিদ্ধান্ত নেন। বিশেষ করে যদি তারা ব্যবসার জন্য প্রায়ই সেখানে ভ্রমণ করেন বা তাদের সম্পত্তি থাকে। 

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বেশ কয়েকটি ব্যাংক অনাবাসীদের সঞ্চয়ী অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দেয়। এর জন্য পাসপোর্ট, একটি বৈধ ট্যুরিস্ট ভিসা বা প্রবেশের স্ট্যাম্প এবং সহায়ক আর্থিক নথিপত্রের প্রয়োজন হয়। 

আবাসিক অ্যাকাউন্টের তুলনায় অনাবাসিক অ্যাকাউন্টগুলিতে প্রায়শই কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে, তবে এগুলো আপনাকে স্থানীয়ভাবে অর্থ রাখতে এবং অনেক দৈনন্দিন ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করার সুযোগ দেয়।

পানামা

লাতিন আমেরিকার অন্যতম প্রধান আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে একটি শক্তিশালী খ্যাতি অর্জন করেছে পানামা। এ কারণে বেশ কয়েকটি ব্যাংক বিদেশি দর্শনার্থীসহ অনাবাসীদের জন্য অ্যাকাউন্টের সুযোগ দেয়। 

তবে এখানে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়। ব্যাংকগুলো পাসপোর্ট, আয়ের প্রমাণ, ব্যাংকিং রেফারেন্স লেটার, পেশাগত রেফারেন্স এবং অর্থের উৎস ব্যাখ্যা করে এমন নথিপত্র চেয়ে থাকে। ব্যাংকগুলো কঠোর আন্তর্জাতিক আর্থিক নিয়মকানুন অনুসরণ করে তাই এই যাচাই প্রক্রিয়াটি বিস্তারিত হয়।

কোনো দেশ পর্যটকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দিলেই যে সব ব্যাংক আপনার আবেদন গ্রহণ করতে বাধ্য, এমনটা নয়। প্রতিটি ব্যাংক তার নিজস্ব নিয়মকানুন তৈরি করে, এবং সেই নিয়মগুলো যেকোনো সময় পরিবর্তিত হতে পারে। ভ্রমণের আগে, আপনি যে ব্যাংকে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে সর্বশেষ নিয়মকানুনগুলো জেনে নিন।

[ডিজিটাল নোম্যাড: ডিজিটাল নোম্যাড হলেন সেই পেশাজীবী, যারা ল্যাপটপ এবং নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট ব্যবহার করে মুক্তভাবে ভ্রমণ করার পাশাপাশি অনলাইনে কাজ করেন। তারা কোনো নির্দিষ্ট অফিসে বা স্থায়ী ঠিকানায় আবদ্ধ না থেকে বিভিন্ন দেশ, হোটেল বা কো-ওয়ার্কিং স্পেস থেকে জীবিকা নির্বাহ করেন।]

থিওটোনিয়াস/অমিয়/

১০ মিনিটে ৬৬টি হটডগ খেয়ে জিতলেন সাড়ে ৯ লাখ টাকা

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৩০ পিএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৪০ পিএম
১০ মিনিটে ৬৬টি হটডগ খেয়ে জিতলেন সাড়ে ৯ লাখ টাকা
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ৪ জুলাই অনুষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী নাথানস ফেমাস হটডগ খাওয়ার প্রতিযোগিতা ২০২৬-এ আবারও চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন প্রতিযোগিতামূলক খাদক জোয়ি চেস্টনাট। মাত্র ১০ মিনিটে ৬৬টি হটডগ খেয়ে তিনি পুরুষ বিভাগে ১৮তমবারের মতো শিরোপা জিতেছেন।

এই জয়ের মাধ্যমে চেস্টনাট ‘মাস্টার্ড ইয়েলো বেল্ট’ এবং ১০ হাজার মার্কিন ডলার পুরস্কার অর্জন করেন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১০ লাখ ২৫ হাজার টাকা প্রায়। প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অধিকারী প্যাট্রিক বার্তোলেত্তি ৫১টি হটডগ খেয়ে শেষ করেন।

প্রতিযোগিতা শেষে চেস্টনাট বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবসে এখানে খাওয়ার অভিজ্ঞতা স্বপ্নের মতো। দর্শকদের উচ্ছ্বাস অসাধারণ।’ তবে প্রায় ৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রার কারণে এবার নিজের সেরা পারফরম্যান্স করতে পারেননি বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে ১০ মিনিটে ৭৬টি হটডগ খেয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন চেস্টনাট।

অন্যদিকে, নারী বিভাগে মিকি সুদো ৩৮ দশমিক ৭৫টি হটডগ খেয়ে টানা ১২তমবারের মতো শিরোপা জিতেছেন। তবে তিনি নিজের গড়া ২০২১ সালের ৫১টি হটডগ খাওয়ার রেকর্ড ভাঙতে পারেননি।

নিউইয়র্কের কনি আইল্যান্ডে অবস্থিত নাথানস ফেমাস রেস্তোরাঁর সামনে ১৯৭২ সাল থেকে প্রতিবছর এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। বর্তমানে এটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম জনপ্রিয় স্বাধীনতা দিবসের আয়োজন হিসেবে পরিচিত। সূত্র: এনডিটিভি

হীরা/অমিয়/

আজ বিশ্ব চুমু দিবস

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৪ পিএম
আজ বিশ্ব চুমু দিবস
ছবি: সংগৃহীত

চুমু কেবল ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশই নয়, এটি রোমান্টিকতার অন্যতম প্রধান অনুসঙ্গ। সাধারণত প্রেমিক-প্রেমিকা কিংবা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেই চুমুর চল বেশি দেখা যায়। তবে ভালোবাসার যেকোনো সম্পর্কের ক্ষেত্রেই চুম্বনের স্থান সবার ওপরে। হোক তা প্রেমিক-প্রেমিকা, পরম বন্ধু কিংবা পরিবারের অন্য কোনো ভালোবাসার বন্ধন—সবখানেই এর গুরুত্ব অপরিসীম। সোমবার (৬ জুলাই) বিশ্ব চুমু দিবস।

২০০৬ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী আনুষ্ঠানিকভাবে এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। তবে এর ইতিহাস কিন্তু আজকের নয়। খ্রিস্টের জন্মের প্রায় ২০০০ বছর আগের ইতিহাস ঘাটলে এক অদ্ভুত ও সুন্দর চুমুর তত্ত্বের সন্ধান পাওয়া যায়।

সে যুগে পৃথিবীর বেশ কয়েকটি দেশে একটি বিশেষ প্রথা প্রচলিত ছিল। বিশ্বাস করা হতো, যখন দুজন মানুষের ঠোঁটসহ মুখাবয়ব নিবিড়ভাবে ঘনিষ্ঠ হয়, তখন তাদের শরীরের 'আত্মা' দুটির একত্রীকরণের পথ সহজ হয়ে ওঠে। এই গভীর বিশ্বাস থেকেই আত্মায় আত্মায় মিলনের উদ্দেশ্যে মানুষ একে অপরকে চুম্বন করত।

কালের বিবর্তনে সেই প্রাচীন রীতিই আজ ভারত, রোম, রাশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের জীবনে এক আনন্দময় উৎসবে পরিণত হয়েছে ১৯৭২ সালে ইরানের হানসালুতে মাটির নীচে চুম্বনরত দুটি কঙ্কাল পাওয়া যায়। পেনিসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মতানুসারে ওই প্রেমিক যুগলের মৃত্যু আটশো খ্রিষ্টপূর্বাব্দে।

আবার কারও কারও মতে ওই প্রেমিক যুগল দুই হাজার বছরের বেশি পুরনো নয়। অনেকেই এই প্রেমিক যুগলের মৃত্যুকে সহমরণ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। সুতরাং চুম্বনের বিস্তৃতি এক সভ্যতা থেকে অন্য সভ্যতায়। প্রেমিক-প্রেমিকার চুম্বন উৎসবের আধুনিক পোশাকি নাম এখন ‘কিস ডে’।

চুমুর উপকারিতা

চুমু যদি ২ সেকেন্ডের বেশী সময় ধরে হয় তাহলে এক ধাক্কায় ৩-৪ ক্যালোরি কমতে পারে। প্রত্যেক মানুষের মুখে অজস্র-সহস্র ব্যাকটেরিয়া থাকে আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে চুমুর সময়ে অজান্তেই প্রায় ১ বিলিয়ন ব্যাকটেরিয়ার আদান-প্রদান হয়।

চুমু দিলে স্বামী-স্ত্রী, বাবা-মা ও সন্তানের মধ্যকার বন্ধন সুদৃঢ় হয়। চিকিৎসকদের ভাষায়, চুমু দিলে অক্সিটোসিন হরমোন উৎপাদন হয়। এটি একে অন্যের মধ্যে বন্ধন সৃষ্টি করতে সাহায্য করে। স্বামী-স্ত্রীর শারীরিক সম্পর্কে চুমু আনন্দের বাড়তি মাত্রা যোগ করে। না বলা অনেক কথাও এর মধ্য দিয়ে বলা হয়ে যায়।

চুমুর মাধ্যমে নারী-পুরুষের একে অপরের থুথু বিনিময় হয়। এটি মানুষের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং মানুষের শরীরের ইমমুনি সিস্টেম স্বাভাবিক রাখে। যদি কোনো কারণে কেউ মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্ত থাকে তাহলে তার কোনো মনোবিদের কাছে যাওয়ার দরকার নেই। সে তার স্ত্রীকে চুম্বন করলেই তার মানসিক হতাশা দূর হয়ে যাবে। চুমু খাওয়ার সময় কখনো আপনার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যেতে পারে আর বেড়ে যেতে পারে হৃৎস্পন্দন। এতে হৃৎপিণ্ডের ব্যায়াম হবে। এ ছাড়াও এর মাধ্যমে আরো কয়েকটি উপকার হয়।

যেমন এটি আপনার হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন নিয়মিত হতে সাহায্য করে। রক্তচাপ ও রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এ কারণে চুমুর মাধ্যমে সুস্থ ও স্বাভাবিক হৃৎপিণ্ড বজায় রাখা সম্ভব।

চুমু মানুষের শরীরের স্ট্রেস হরমোনর কার্যক্ষমতা কমিয়ে আনে। এটি মানুষকে বিষাদের হাত থেকে মুক্তি দিয়ে ফুরফুরে মেজাজে থাকতে সাহায্য করে। চুমু মানুষের চেহারায় তারুণ্য ভাব বজায় রাখে। যদিও এর কারণে শরীরের কিছু ক্যালোরি ক্ষয় হয় তারপরও এটি মানুষের শরীরের জন্যে খুব উপকারী। সূত্র: ডেইজ অব দ্য ইয়ার

এএফ/

৪০ পাউন্ডে শুরু করে মাসে ৩ লাখ টাকা! ভিন্টেজ পোশাক বিক্রি করে তরুণীর অসাধারণ সাফল্য

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ১২:২০ পিএম
৪০ পাউন্ডে শুরু করে মাসে ৩ লাখ টাকা! ভিন্টেজ পোশাক বিক্রি করে তরুণীর অসাধারণ সাফল্য
ছবি: সংগৃহীত

পড়াশোনা বা চাকরির পাশাপাশি বাড়তি আয়ের জন্য সাইড হাসল বা খণ্ডকালীন কাজের প্রতি তরুণ-তরুণীদের আগ্রহ বাড়ছে। এমনই একটি উদ্যোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন ২৩ বছর বয়সী ইংল্যান্ডের তরুণী স্কারলেট।

তার দাবি, পূর্ণকালীন চাকরি ছাড়াই পুরোনো ও ভিন্টেজ পোশাক অনলাইনে পুনর্বিক্রি করে তিনি প্রতি মাসে প্রায় ২ হাজার ৫০০ পাউন্ড আয় করছেন। আর এই কাজ শুরু করতে তার প্রাথমিক বিনিয়োগ ছিল মাত্র ৪০ পাউন্ড।

স্কারলেট জানান, পড়াশোনার ব্যস্ততার মধ্যে বাড়তি খরচ চালাতে সহজ কোনো আয়ের পথ খুঁজছিলেন তিনি। একদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ক্রল করতে গিয়ে ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে পুরোনো ভিন্টেজ পোশাকের একটি বাণ্ডিলের বিজ্ঞাপন দেখেন।

মাত্র ৪০ পাউন্ডে তিনি প্রায় ১২০টি পোশাকের সেই বাণ্ডিল কিনে নেন। পরে ওই বাণ্ডিলে থাকা একটি ভিন্টেজ পোশাকই তিনি ৫০ পাউন্ডে বিক্রি করতে সক্ষম হন। অর্থাৎ একটি পোশাক বিক্রি করেই তিনি পুরো বাণ্ডিল কেনার খরচ তুলে নেন এবং লাভও করেন।

এরপর বাকি পোশাকগুলো বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ধীরে ধীরে বিক্রি শুরু করেন স্কারলেট। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যবসার প্রথম সপ্তাহেই তিনি প্রায় দুই হাজার পাউন্ড আয় করেন। তখনও তার কাছে বিক্রির জন্য বেশ কিছু পোশাক অবশিষ্ট ছিল।

সাফল্যের পর এটিকেই নিয়মিত খণ্ডকালীন কাজ হিসেবে বেছে নেন তিনি। বর্তমানে সপ্তাহে প্রায় আট ঘণ্টা সময় দিয়ে পোশাকের তালিকা তৈরি, ক্রেতাদের বার্তার উত্তর দেওয়া এবং নতুন স্টক খোঁজার কাজ করেন স্কারলেট।

তিনি বলেন, মৌসুম ও ফ্যাশন ট্রেন্ডের ওপর পোশাক বিক্রি অনেকটাই নির্ভর করে। গরমের দিনে পোশাকের পাশাপাশি বিভিন্ন ফ্যাশন অ্যাক্সেসরিজের চাহিদাও বাড়ে। রং, নকশা ও পোশাকের ধরণ বুঝে পণ্য নির্বাচন করতে পারলে বিক্রির সম্ভাবনা বাড়ে।

অল্প পুঁজিতে এবং সীমিত সময় দিয়ে এমন আয় করার অভিজ্ঞতা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক তরুণ-তরুণীর আগ্রহ তৈরি করেছে।

অমিয়/

রবিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৪ এএম
রবিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
ছবি: সংগৃহীত

নানা প্রয়োজনে রাজধানী বাসিন্দারা দোকানপাট ও মার্কেট যান। কিন্তু তীব্র যানজট পেরিয়ে গিয়ে যদি দেখতে পান সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে বিফলে যাবে সব।

রবিবার (৫ জুলাই) তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক  রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।

যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ

আগারগাঁও, তালতলা, শেরেবাংলা নগর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, পল্লবী, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, ইব্রাহীমপুর, কচুক্ষেত, কাফরুল, মহাখালী, নিউ ডিওএইচএস, ওল্ড ডিওএইচএস, কাকলী, তেজগাঁও ওল্ড এয়ারপোর্ট অঞ্চল, তেজগাঁও শিল্প অঞ্চল, ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান-১, ২, বনানী, মহাখালী বাণিজ্যিক অঞ্চল, নাখালপাড়া, মহাখালী ইন্টারসিটি বাস টার্মিনাল অঞ্চল, রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁও, গোড়ান, মালিবাগের একাংশ, বাসাবো, ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা, কমলাপুরের একাংশ, যাত্রাবাড়ীর একাংশ, শনির আখড়া, দনিয়া, রায়েরবাগ।

বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট

বিসিএস কম্পিউটার সিটি (আইডিবি), পল্লবী সুপার মার্কেট, মিরপুর বেনারসী পল্লী, ইব্রাহীমপুর বাজার, রজনীগন্ধা মার্কেট, ইউএই মৈত্রী কমপ্লেক্স, বনানী সুপার মার্কেট, ডিসিসি মার্কেট গুলশান-১ এবং ২, গুলশান পিংক সিটি, মোল্লা টাওয়ার, আল-আমিন সুপার মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি করপোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোড়ান বাজার, আবেদিন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার, আয়েশা মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স, মিতালী অ্যান্ড ফ্রেন্ডস সুপার মার্কেট।

এএফ/

শুক্রবার আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক ব্যাগ মুক্ত দিবস

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৮ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম
শুক্রবার আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক ব্যাগ মুক্ত দিবস
ছবি: এআই

শুক্রবার (৩ জুলাই) বিশ্ব প্লাস্টিক ব্যাগ মুক্ত দিবস। বিশ্বজুড়ে একক ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ভয়াবহ দূষণ রোধ এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্পের ব্যবহার বাড়াতে এই দিনটি পালন করা হয়।

২০০৯ সালে 'ব্রেক ফ্রি ফ্রম প্লাস্টিক মুভমেন্ট' ও 'জিরো ওয়েস্ট ইউরোপ'-এর মতো পরিবেশবাদী সংগঠনের উদ্যোগে প্রথম এই সচেতনতামূলক দিবসের সূচনা ঘটে।

প্রতিদিনের কেনাকাটায় আমরা যে পাতলা প্লাস্টিক ব্যাগগুলো ব্যবহার করছি, তা মাত্র ২৫ মিনিটের মধ্যে আমাদের কাজ শেষে আবর্জনায় পরিণত হচ্ছে। কিন্তু আমাদের ফেলে দেওয়া এই ব্যাগগুলো প্রকৃতিতে টিকে থাকছে ৫০০ বছর পর্যন্ত, যা ডেকে আনছে এক বৈশ্বিক বিপর্যয়।

সামুদ্রিক পরিবেশ ও বন্যপ্রাণীর ওপর নীরব ঘাতক

প্লাস্টিক দূষণের সবচেয়ে বড় শিকার হচ্ছে আমাদের জলজ ও বন্যপ্রাণী। গবেষণায় দেখা গেছে, ৩১ প্রজাতির সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং একশত এর বেশি প্রজাতির সামুদ্রিক পাখি অজান্তেই প্লাস্টিক গিলে ফেলছে। এছাড়া ২৫০-এর বেশি প্রজাতির প্রাণী প্লাস্টিকের বর্জ্যে আটকে ধুঁকে ধুঁকে মরছে। মহাসাগরগুলোতে প্লাস্টিক বর্জ্যের শত শত মাইল বিস্তৃত বিশাল ভাসমান দ্বীপ তৈরি হয়েছে, যা প্রকৃতির বুকে মানুষের তৈরি এক কলঙ্কজনক স্মৃতিস্তম্ভ।

মানবদেহে প্রবেশ করছে বিষাক্ত টক্সিন

প্লাস্টিক শুধু বন্যপ্রাণীরই ক্ষতি করছে না, এটি পরোক্ষভাবে মানুষের প্লেটেও ফিরে আসছে। সাগরে ভেসে থাকা প্লাস্টিক কণাগুলো চারপাশের মারাত্মক রাসায়নিক ও বিষাক্ত উপাদানকে নিজেদের দিকে আকর্ষণ করে। পরবর্তীতে ছোট ছোট মাছ ও সামুদ্রিক প্রাণী এগুলো খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে, যা সামুদ্রিক খাদ্যশৃঙ্খলের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত মানুষের শরীরে প্রবেশ করে ক্যানসারসহ নানা জটিল রোগের সৃষ্টি করছে।

জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য নষ্ট ও নতুন হুমকি

প্লাস্টিক বর্জ্য শুধু এক জায়গায় স্থির থাকে না। সমুদ্রের স্রোতের সাথে ভেসে বেড়ানোর সময় এগুলো এক অঞ্চলের ক্ষতিকর ও আক্রমণাত্মক বিভিন্ন জীব বা জীবাণুকে অন্য অঞ্চলে বহন করে নিয়ে যায়। এর ফলে নতুন অঞ্চলের স্থানীয় জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ে এবং প্রকৃতির স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হয়।

একদিনের অভ্যাস, পুরো বছরের প্রেরণা

২০০৯ সালে 'ব্রেক ফ্রি ফ্রম প্লাস্টিক মুভমেন্ট', 'জিরো ওয়েস্ট ইউরোপ' এবং 'ব্যাগ ফ্রি ওয়ার্ল্ড'-এর মতো পরিবেশবাদী সংগঠনের হাত ধরে এই দিবসের সূচনা হয়। এর মূল লক্ষ্য হলো বিশ্ববাসীকে প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে চটের ব্যাগ, কাপড়ের ব্যাগ বা কাগজের থলি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা।

বছরের এই একটি দিন যদি আমরা সম্পূর্ণ প্লাস্টিক মুক্ত থাকতে পারি, তবে সঠিক ইচ্ছাশক্তি থাকলে বছরের বাকি ৩৬৪ দিনও তা সম্ভব। পরিবেশকে বাঁচাতে আজই প্লাস্টিককে 'না' বলার সঠিক সময়।

সূত্র: ডেইজ অব দ্য ইয়ার

এএফ/