ঢাকা ২১ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ফ্রান্সের কাছে হেরেও গর্বিত প্যারাগুয়ে কোচ সরকারি ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা পেকুয়ায় টমটমের ধাক্কায় নিহত ১ জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ব্যবস্থা নিন ‘মাঠে মরতে হলেও প্রস্তুত’, নরওয়ে ম্যাচের আগে ব্রুনো গুইমারায়েস উন্নত দেশের মতো চিকিৎসাসেবা দিতে না পারা দুঃখজনক: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পেকুয়ায় অসহায় নারীদের মাঝে চাল বিতরণ বিএনপির মতলবে সরকারি ধান বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ নরসিংদীতে মন্দিরের উন্নয়নের সরকারি টাকা লোপাট, অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সিলেটে বালুমহালে ড্রেজিংয়ের দাপটে ‘বিপথে’ বারকি, বিজিবির অভিযানে জব্দ ১৫ ভারতে অনুপ্রবেশের সময় বিজিবির হাতে বাংলাদেশি আটক সীতাকুণ্ডে চুরি করতে গিয়ে নারীকে ধর্ষণচেষ্টা পড়ে পাওয়া গল্পের ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা ভেদরগঞ্জে সহকারী শিক্ষকের হাতে প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত প্রযুক্তিনির্ভর লেনদেন বাড়াতে ‘বাংলা কিউআর কোড’ চালু করেছে সরকার: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী খামেনির জানাজায় ইরানিদের কান্না দেখে বিস্মিত ট্রাম্প সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন বেলুচিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলা, নিহত ৩০ পল্লবীতে সন্ত্রাসী ‘রেড মুন্না’ গ্রেপ্তার সশস্ত্র বাহিনীকে চতুর্মাত্রিক করতে অঙ্গীকারবদ্ধ সরকার: রাষ্ট্রপতি উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৫ জন গ্রেপ্তার ন্যাটো সম্মেলনের আগে পুতিন-জেলেনস্কির সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনালাপ রাজধানীজুড়ে একদিনে ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫০৮ জুনে দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ৪৩৮, আঞ্চলিক ও গ্রামীণ সড়কে বেশি উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায় শি জিনপিং ইসলামের প্রথম শহীদ একজন নারী নিউইয়র্কে পুলিশ প্রধানদের সম্মেলনে যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শতভাগ ফিট না হলেও নরওয়ের বিপক্ষে বেঞ্চে রাফিনহা হাতিয়ায় রুপালি ইলিশের আকাল, শূন্য হাতে ফিরছেন জেলেরা ‘বিএনপিরে মামলা দিমু, আওয়ামী লীগরে কোলে লইয়া নাচুম’

রবিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৪ এএম
রবিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
ছবি: সংগৃহীত

নানা প্রয়োজনে রাজধানী বাসিন্দারা দোকানপাট ও মার্কেট যান। কিন্তু তীব্র যানজট পেরিয়ে গিয়ে যদি দেখতে পান সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে বিফলে যাবে সব।

রবিবার (৫ জুলাই) তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক  রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।

যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ

আগারগাঁও, তালতলা, শেরেবাংলা নগর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, পল্লবী, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, ইব্রাহীমপুর, কচুক্ষেত, কাফরুল, মহাখালী, নিউ ডিওএইচএস, ওল্ড ডিওএইচএস, কাকলী, তেজগাঁও ওল্ড এয়ারপোর্ট অঞ্চল, তেজগাঁও শিল্প অঞ্চল, ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান-১, ২, বনানী, মহাখালী বাণিজ্যিক অঞ্চল, নাখালপাড়া, মহাখালী ইন্টারসিটি বাস টার্মিনাল অঞ্চল, রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁও, গোড়ান, মালিবাগের একাংশ, বাসাবো, ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা, কমলাপুরের একাংশ, যাত্রাবাড়ীর একাংশ, শনির আখড়া, দনিয়া, রায়েরবাগ।

বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট

বিসিএস কম্পিউটার সিটি (আইডিবি), পল্লবী সুপার মার্কেট, মিরপুর বেনারসী পল্লী, ইব্রাহীমপুর বাজার, রজনীগন্ধা মার্কেট, ইউএই মৈত্রী কমপ্লেক্স, বনানী সুপার মার্কেট, ডিসিসি মার্কেট গুলশান-১ এবং ২, গুলশান পিংক সিটি, মোল্লা টাওয়ার, আল-আমিন সুপার মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি করপোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোড়ান বাজার, আবেদিন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার, আয়েশা মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স, মিতালী অ্যান্ড ফ্রেন্ডস সুপার মার্কেট।

এএফ/

শুক্রবার আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক ব্যাগ মুক্ত দিবস

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৮ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম
শুক্রবার আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক ব্যাগ মুক্ত দিবস
ছবি: এআই

শুক্রবার (৩ জুলাই) বিশ্ব প্লাস্টিক ব্যাগ মুক্ত দিবস। বিশ্বজুড়ে একক ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ভয়াবহ দূষণ রোধ এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্পের ব্যবহার বাড়াতে এই দিনটি পালন করা হয়।

২০০৯ সালে 'ব্রেক ফ্রি ফ্রম প্লাস্টিক মুভমেন্ট' ও 'জিরো ওয়েস্ট ইউরোপ'-এর মতো পরিবেশবাদী সংগঠনের উদ্যোগে প্রথম এই সচেতনতামূলক দিবসের সূচনা ঘটে।

প্রতিদিনের কেনাকাটায় আমরা যে পাতলা প্লাস্টিক ব্যাগগুলো ব্যবহার করছি, তা মাত্র ২৫ মিনিটের মধ্যে আমাদের কাজ শেষে আবর্জনায় পরিণত হচ্ছে। কিন্তু আমাদের ফেলে দেওয়া এই ব্যাগগুলো প্রকৃতিতে টিকে থাকছে ৫০০ বছর পর্যন্ত, যা ডেকে আনছে এক বৈশ্বিক বিপর্যয়।

সামুদ্রিক পরিবেশ ও বন্যপ্রাণীর ওপর নীরব ঘাতক

প্লাস্টিক দূষণের সবচেয়ে বড় শিকার হচ্ছে আমাদের জলজ ও বন্যপ্রাণী। গবেষণায় দেখা গেছে, ৩১ প্রজাতির সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং একশত এর বেশি প্রজাতির সামুদ্রিক পাখি অজান্তেই প্লাস্টিক গিলে ফেলছে। এছাড়া ২৫০-এর বেশি প্রজাতির প্রাণী প্লাস্টিকের বর্জ্যে আটকে ধুঁকে ধুঁকে মরছে। মহাসাগরগুলোতে প্লাস্টিক বর্জ্যের শত শত মাইল বিস্তৃত বিশাল ভাসমান দ্বীপ তৈরি হয়েছে, যা প্রকৃতির বুকে মানুষের তৈরি এক কলঙ্কজনক স্মৃতিস্তম্ভ।

মানবদেহে প্রবেশ করছে বিষাক্ত টক্সিন

প্লাস্টিক শুধু বন্যপ্রাণীরই ক্ষতি করছে না, এটি পরোক্ষভাবে মানুষের প্লেটেও ফিরে আসছে। সাগরে ভেসে থাকা প্লাস্টিক কণাগুলো চারপাশের মারাত্মক রাসায়নিক ও বিষাক্ত উপাদানকে নিজেদের দিকে আকর্ষণ করে। পরবর্তীতে ছোট ছোট মাছ ও সামুদ্রিক প্রাণী এগুলো খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে, যা সামুদ্রিক খাদ্যশৃঙ্খলের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত মানুষের শরীরে প্রবেশ করে ক্যানসারসহ নানা জটিল রোগের সৃষ্টি করছে।

জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য নষ্ট ও নতুন হুমকি

প্লাস্টিক বর্জ্য শুধু এক জায়গায় স্থির থাকে না। সমুদ্রের স্রোতের সাথে ভেসে বেড়ানোর সময় এগুলো এক অঞ্চলের ক্ষতিকর ও আক্রমণাত্মক বিভিন্ন জীব বা জীবাণুকে অন্য অঞ্চলে বহন করে নিয়ে যায়। এর ফলে নতুন অঞ্চলের স্থানীয় জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ে এবং প্রকৃতির স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হয়।

একদিনের অভ্যাস, পুরো বছরের প্রেরণা

২০০৯ সালে 'ব্রেক ফ্রি ফ্রম প্লাস্টিক মুভমেন্ট', 'জিরো ওয়েস্ট ইউরোপ' এবং 'ব্যাগ ফ্রি ওয়ার্ল্ড'-এর মতো পরিবেশবাদী সংগঠনের হাত ধরে এই দিবসের সূচনা হয়। এর মূল লক্ষ্য হলো বিশ্ববাসীকে প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে চটের ব্যাগ, কাপড়ের ব্যাগ বা কাগজের থলি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা।

বছরের এই একটি দিন যদি আমরা সম্পূর্ণ প্লাস্টিক মুক্ত থাকতে পারি, তবে সঠিক ইচ্ছাশক্তি থাকলে বছরের বাকি ৩৬৪ দিনও তা সম্ভব। পরিবেশকে বাঁচাতে আজই প্লাস্টিককে 'না' বলার সঠিক সময়।

সূত্র: ডেইজ অব দ্য ইয়ার

এএফ/

এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের চূড়ায় বাগ্‌দান, পরে গ্রেপ্তার দম্পতি

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৩ পিএম
এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের চূড়ায় বাগ্‌দান, পরে গ্রেপ্তার দম্পতি
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের অ্যান্টেনার চূড়ায় উঠে শান্তির বার্তাসংবলিত পতাকা টানানো ও বাগ্‌দানের ঘটনায় দুই রুশ নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

বুধবার (১ জুলাই) স্থানীয় সময় দুপুরে ১ হাজার ৪৫৪ ফুট উঁচু ভবনটির চূড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন অ্যাঞ্জেলা নিকোলাউ ও ইভান কুজনেতসভ। ইভান ‘ইভান বিয়ারকাস’ নামেও পরিচিত। তাদের বয়স যথাক্রমে ৩৩ ও ৩২ বছর।

তারা রাশিয়ার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে নিউজার্সির ইস্ট অরেঞ্জে থাকেন বলে বিভিন্ন মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, কালো পোশাক ও মুখোশ পরে কোনো নিরাপত্তা দড়ি ছাড়াই ভবনটির অ্যান্টেনার সরু কাঠামোয় ওঠেন তারা। সেখানে তারা একটি কালো পতাকা টানান। পতাকায় লেখা ছিল, ‘যখন ভালোবাসার শক্তি ক্ষমতার লোভকে পরাজিত করে, তখন বিশ্ব শান্তি লাভ করে।’

কিছুক্ষণ পর পতাকাটি নামিয়ে অ্যান্টেনার নিচের একটি প্ল্যাটফর্মে নামেন দুজন। সেখানে ইভান হাঁটু গেড়ে অ্যাঞ্জেলাকে আংটি পরানোর প্রস্তাব দেন বলে ভিডিওতে দেখা যায়। পরে তারা আলিঙ্গন ও চুম্বন করেন। অ্যাঞ্জেলা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আংটি পরা হাতের ছবিও প্রকাশ করেন।

তবে তাদের নিচে নামার সময় নিউইয়র্ক পুলিশের জরুরি সেবা ইউনিটের সদস্যরা অ্যান্টেনায় উঠে তাদের আটক করেন। 

পুলিশ সদস্যদের বডিক্যাম ভিডিওতে এক কর্মকর্তা তাদের বলেন, ‘আপনারা এখানে থাকতে পারেন না।’ জবাবে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাদের বাগ্‌দান হয়েছে।’

পুলিশ জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে চুরি, বেপরোয়া আচরণের মাধ্যমে জীবন বিপন্ন করা, অনধিকার প্রবেশসহ কয়েকটি অভিযোগ আনা হয়েছে। কীভাবে তারা ভবনটির জনসাধারণের জন্য নিষিদ্ধ অংশে পৌঁছালেন, তা তদন্ত করা হচ্ছে।

এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে অননুমোদিত বলে উল্লেখ করেছে। তবে এ ঘটনায় ভবনের ভেতরে থাকা অন্যদের কোনো ঝুঁকি তৈরি হয়নি বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

অ্যাঞ্জেলা নিকোলাউ ও ইভান বিয়ারকাস উচ্চ ভবনের চূড়ায় ওঠার ঝুঁকিপূর্ণ কর্মকাণ্ড বা ‘রুফটপিং’-এর জন্য পরিচিত। তাদের সম্পর্ক ও এমন কর্মকাণ্ড নিয়ে ২০২৪ সালে Skywalkers: A Love Story নামে একটি তথ্যচিত্র প্রকাশিত হয়েছে। সূত্র: এপি ও সিবিএস

অমিয়/

১০টি ফুটবল মাঠের সমান এক জাহাজ!

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৮ পিএম
১০টি ফুটবল মাঠের সমান এক জাহাজ!
জাহাজটিতে রয়েছে স্মার্ট গ্যারেজ ভিজ্যুয়াল সিকিউরিটি এবং ৩৬০-ডিগ্রি প্যানোরামিক মনিটরিং ব্যবস্থা।

১০ হাজার ৮০০টি গাড়ি বহনে সক্ষম একটি জাহাজ তৈরি করেছে চীন। জাহাজটি এতই বড় যে এর ভেতরটা প্রায় ১০টি ফুটবল মাঠের সমান। দেশটির চায়না স্টেট শিপবিল্ডিং কর্পোরেশনের অধিভুক্ত কুয়াংচৌ শিপইয়ার্ড ইন্টারন্যাশনাল এটি নির্মাণ করেছে।
জাহাজটি দৈর্ঘ্যে ২৩০ মিটার এবং প্রস্থে ৪০ মিটার। এই জাহাজের সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো এর ‘স্মার্ট কন্ট্রোল সিস্টেম’।
প্রকল্প ব্যবস্থাপক লিন চিউয়ে বলেন, ‘আমাদের প্রথম ১০ হাজার গাড়ি ধারণ ক্ষমতার জাহাজের তুলনায় নতুন এই জাহাজটিতে আরও উন্নত স্মার্ট কন্ট্রোল সিস্টেম যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে স্মার্ট গ্যারেজ ভিজ্যুয়াল সিকিউরিটি এবং ৩৬০-ডিগ্রি প্যানোরামিক মনিটরিং ব্যবস্থা, যা জাহাজটির চলাচলকে আরও নিরাপদ ও বুদ্ধিদীপ্ত করে তুলেছে।‘
এই ধরনের বিশাল ও জটিল জাহাজ নির্মাণে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা। বিশেষ করে পাতলা স্টিলের প্লেট ব্যবহারের সময় সেগুলোর আকার বিকৃত হওয়া রোধ করা অত্যন্ত কঠিন একটি কাজ।
পরিবেশের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে জাহাজটি লিকুইফাইড ন্যাচারাল গ্যাস এবং প্রচলিত জ্বালানি—উভয় পদ্ধতিতেই চলতে সক্ষম, যা আন্তর্জাতিক সর্বশেষ নির্গমন মানদণ্ড পুরোপুরি পূরণ করে।
জাহাজটি শুধুমাত্র সাধারণ গাড়িই নয়, বরং বৈদ্যুতিক গাড়ি, হাইড্রোজেনচালিত গাড়ি এবং ভারী ট্রাক পরিবহনেও সক্ষম। এটি দক্ষিণ কোরিয়ার একটি লজিস্টিক কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়া হবে, যারা আন্তর্জাতিক রুটে এর কার্যক্রম পরিচালনা করবে। সূত্র: সিএমজি

পরিচ্ছন্নতাকর্মী থেকে সিইও হওয়ার গল্প শোনালেন শরণ

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪০ পিএম
পরিচ্ছন্নতাকর্মী থেকে সিইও হওয়ার গল্প শোনালেন শরণ
শরণ শ্রীভাৎসার

একসময় তাকে বলা হয়েছিল, তীব্র ভারতীয় উচ্চারণের কারণে তিনি কোনো চাকরিই পাবেন না। সেই মানুষটিই আজ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল, রিয়েল এস্টেট ও বিজনেস কোচিং জগতের পরিচিত মুখ। Acquisition.com-এর সিইও শরণ শ্রীভাৎসার সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প সম্প্রতি তুলে ধরেছেন প্রতিষ্ঠানটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা অ্যালেক্স হরমোজি।

সম্প্রতি টনি রবিন্সের পডকাস্টে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হরমোজি জানান, দুই দশকেরও বেশি আগে ভারত থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর শ্রীভাৎসাকে জীবিকার জন্য পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ করতে হয়েছিল। সেই সময় তার তীব্র ভারতীয় উচ্চারণের কারণে অনেকেই তাকে বলেছিলেন, এভাবে কথা বললে তিনি কোথাও চাকরি পাবেন না।

হরমোজির ভাষায়, “প্রায় ২০ বছর আগে এক ভারতীয় যুবক আমেরিকায় এসেছিলেন। তিনি পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। তার উচ্চারণ এতটাই আলাদা ছিল যে মানুষ তাকে বলত, ‘তুমি কোথাও চাকরি পাবে না। তোমাকে ঠিকভাবে কথা বলতে শিখতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, শ্রীভাৎসা ‘ভারতীয় উচ্চারণ কীভাবে দূর করবেন’- এমন কোনো অডিও কোর্স খুঁজেছিলেন। কিন্তু সে ধরনের কিছু না পেয়ে তাকে টনি রবিন্সের অডিও টেপ শোনার পরামর্শ দেওয়া হয়।

হরমোজি বলেন, “দিনে তিনি মেঝে পরিষ্কার করতেন, আর রাতে টনি রবিন্সের টেপ শুনতেন। পরে তিনি একটি সফটওয়্যার কোম্পানি গড়ে তোলেন, সেটি বিক্রি করেন। এরপর আরেকটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন, যা ৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়। সেই সময়ই তার সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। এখন তিনি Acquisition.com-এ আমার পার্টনার।”

সাক্ষাৎকারের একটি অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর শরণ শ্রীভাৎসা নিজেই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “আমিই সেই ভারতীয় ব্যক্তি, যার কথা অ্যালেক্স হরমোজি ও টনি রবিন্স বলেছেন। তীব্র ভারতীয় উচ্চারণ নিয়ে আমি যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলাম। আমাকে বলা হয়েছিল, ঠিকভাবে কথা বলতে না পারলে কোথাও চাকরি পাব না। কিন্তু একজন স্পিকিং কোচ রাখার মতো সামর্থ্য আমার ছিল না। আমি পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতাম এবং কোনোমতে সংসার চালাতাম।”

তিনি আরও লেখেন, “আমি নিজেই কথা বলা শিখেছি। কোনো প্রশিক্ষণ কোর্স থেকে নয়; পাবলিক লাইব্রেরি থেকে টনি রবিন্সের অডিও টেপ এনে প্রতি রাতে মেঝে পরিষ্কার করার সময় সেগুলো শুনতাম।”

নিজের অভিজ্ঞতা থেকে অন্যদের উদ্দেশে শ্রীভাৎসা বলেন, হাল না ছাড়াটাই জীবনের সবচেয়ে বড় সাহসিকতার কাজ।

তার ভাষায়, ‘এ কারণেই আমি বিশ্বাস করি, হাল না ছাড়াটাই সবচেয়ে বীরত্বপূর্ণ কাজ। আমি চাইলে অন্যদের কথা শুনে সারাজীবন পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবেই থেকে যেতে পারতাম। কিন্তু আপনার শুরুটা কখনোই আপনার পুরো গল্প নয়; এটি কেবল সেই গল্পের প্রথম অধ্যায়।’

টেকসই প্যাকেজিং ও ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বদলে যাচ্ছে বৈশ্বিক খাদ্যশিল্প

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৫:৪০ পিএম
টেকসই প্যাকেজিং ও ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বদলে যাচ্ছে বৈশ্বিক খাদ্যশিল্প
প্রতীকী ছবি

বিশ্বের খাদ্যশিল্পে দ্রুত পরিবর্তন আসছে। পরিবেশবান্ধব উৎপাদন, স্মার্ট প্যাকেজিং এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে খাদ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন ব্যবসায়িক কৌশল অবলম্বন করছে। শিল্প বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধে এই প্রবণতা আরও জোরালো হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভোক্তাদের মধ্যে পরিবেশবান্ধব পণ্যের চাহিদা বাড়ায় পুনর্ব্যবহারযোগ্য ও কম প্লাস্টিকনির্ভর প্যাকেজিংয়ের দিকে ঝুঁকছে খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। একই সঙ্গে পণ্যের মোড়কে কিউআর কোড, স্মার্ট লেবেল এবং অন্যান্য ডিজিটাল সুবিধা যুক্ত করা হচ্ছে, যাতে ক্রেতারা সহজেই পণ্যের উৎস, উপাদান, উৎপাদনের তথ্য ও টেকসই উদ্যোগ সম্পর্কে জানতে পারেন।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। সরবরাহ শৃঙ্খলে ডিজিটাল ট্র্যাকিং ও ট্রেসেবিলিটি ব্যবস্থার মাধ্যমে উৎপাদন থেকে ভোক্তার হাতে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে। এতে খাদ্যের গুণগত মান বজায় রাখার পাশাপাশি যেকোনো সমস্যা দ্রুত শনাক্ত করা সহজ হচ্ছে।

এছাড়া খাদ্য অপচয় কমাতে নতুন ধরনের প্যাকেজিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে, যা পণ্যের সংরক্ষণকাল বাড়াতে এবং পরিবহনকালে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সহায়তা করছে। এর ফলে উৎপাদন ব্যয় কমার পাশাপাশি পরিবেশের ওপরও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যতে খাদ্যশিল্পে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে শুধু উৎপাদন বাড়ালেই হবে না; বরং টেকসই প্যাকেজিং, ডিজিটাল উদ্ভাবন, ভোক্তার আস্থা এবং খাদ্য নিরাপত্তাকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। সূত্র: স্মার্ট ফুড প্যাকেজিং সল্যুশন