কানাডাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে মরক্কো। ম্যাচে জোড়া গোল করেন আজেদিন ওনাহি। অন্যটি আসে সোফিয়ান রাহিমির পা থেকে।
শনিবার (৪ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টন স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল কানাডা। বল দখল ও আক্রমণে তারা মরক্কোকে চাপে রাখে এবং একের পর এক সুযোগ তৈরি করে। তবে মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনুর দৃঢ়তায় প্রতিবারই থেমে যায় তাদের প্রচেষ্টা। ফলে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ।
প্রথমার্ধে চাপের মুখে থাকা মরক্কো বিরতির পর সম্পূর্ণ ভিন্ন চেহারায় মাঠে নামে। ম্যাচের ৫০ মিনিটে আসে প্রথম ব্রেকথ্রু। অধিনায়ক আশরাফ হাকিমি ফ্রি-কিক থেকে চমৎকারভাবে বলটি পাস ব্যাক করেন বক্সের ঠিক বাইরে থাকা আজেদিন ওনাহির কাছে। এরপর ওনাহি দারুণ নিয়ন্ত্রণে বলটিকে নিখুঁতভাবে বাঁকিয়ে পাঠান নিচের কর্নারে, যা রুখে দেওয়ার কোনো সুযোগই পাননি কানাডার গোলরক্ষক। এতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মরক্কো।
গোল হজমের পরও কানাডা আক্রমণ চালিয়ে যায়। ৭৬ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে জোনাথন ডেভিড চেষ্টা করলেও বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়। ৭৯ মিনিটে তাজন বুকাননের শট দারুণভাবে রুখে দেন বুনু।
তবে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ তখন ধীরে ধীরে মরক্কোর হাতে। ৮২ মিনিটে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ব্রাহিম দিয়াজের নিখুঁত পাস থেকে আবারও সুযোগ পান ওনাহি। ঠাণ্ডা মাথায় কাছের পোস্টে জোরালো শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন তিনি, ব্যবধান হয় ২-০।
এরপর ৮৫ মিনিটে তৃতীয় গোলের খুব কাছে যায় মরক্কো। সোফিয়ান রাহিমির হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে এলে কানাডা স্বস্তি পায়। তবে ইনজুরি টাইমে আর রক্ষা হয়নি। ব্রাহিম দিয়াজের আরেকটি অ্যাসিস্টে বাঁ পায়ের শটে বল জালে জড়ান রাহিমি। তাতে ৩-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে মরক্কো। আর তাতেই প্রথম দল হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট কাটে আফ্রিকার দেশটি। অন্যদিকে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল সহ-আয়োজক কানাডা।
এসজি/