টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে মিশর। নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে সমতায় থাকায় ম্যাচটি গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। কিন্তু সেখানেও ব্যবধান পরিবর্তন করতে পারেনি কোনো দল। তাতে শেষ ষোলোর ভাগ্য নির্ধারিত হলো টাইব্রেকারে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি টাইব্রেকারে জিতেছে মিশর।
টাইব্রেকারের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অতিরিক্ত সময়ের শেষ দিকে নিজেদের গোলরক্ষক পরিবর্তন করে অস্ট্রেলিয়া। প্যাট্রিক বিচের বদলি মাঠে নামেন ম্যাথিউ রায়ান। কিন্তু টাইব্রেকারে কার্যকর কোনো ভূমিকা রাখতে পারেননি তিনি।
হ্যারি সাউটার ও তরুণ লুকাস হ্যারিংটন ম্যাচজুড়ে দুর্দান্ত খেললেও টাইব্রেকারে হতাশ করেছেন। দুজনই বল লক্ষ্যে রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাতে পঞ্চম শট নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি। চতুর্থ শটেই নিষ্পত্তি হয়েছে ম্যাচ।
অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শট: মিস, হ্যারি সাউটারের ডান পায়ের শটটি ক্রসবারের সামান্য উঁচু দিয়ে বাইরে চলে যায়।
মিশরের প্রথম শট: গোল, মাহমুদ সাবেরের ডান পায়ের শটটি জাল খুঁজে নেয়। গোলরক্ষক ডানদিকে ঝাঁপ দিলেও বলের নাগাল পায়নি।
অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় শট: গোল, জ্যাকসন আরভিন ডান পায়ের শটে টপ রাইট কর্নারে গোল করেন।
মিশরের দ্বিতীয় শট: গোল, রামি রাবিয়া ডান পায়ের শটে বলটি বাম দিকে নিচের কোণায় জালে পাঠান।
অস্ট্রেলিয়ার তৃতীয় শট: গোল, আওয়ার মাবিল ডান পায়ের শটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন।
মিশরের তৃতীয় শট: গোল, মোহাম্মদ সালাহ বাম পায়ের শটে গোল করেন।
অস্ট্রেলিয়ার চতুর্থ শট: মিস, লুকাস হ্যারিংটনের ডান পায়ের শটটি পোস্টে আঘাত করে।
মিশরের চতুর্থ শট: গোল, হোসাম আবদেলমাগুইদ বাম দিকের নিচের কোণায় বল জালে পাঠিয়ে দেন।
এরপরই গ্যালারিতে উল্লাসে মেতে উঠেন সমর্থকরা। আর আনন্দের কান্নায় ভাসেন মোহাম্মদ সালাহরা। কেননা বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শেষ ষোলো নিশ্চিত করল আফ্রিকার দেশটি।
এসজি/