বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথমার্ধে এগিয়ে যায় মিশর। গোল করে দলকে এগিয়ে নেন ইমাম আশুর। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে লিড ধরে রাখতে পারেনি তারা। ৫৫ মিনিটে মোহাম্মদ হানির আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে অস্ট্রেলিয়া।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায় ডালাস স্টেডিয়ামে শুরু হওয়া ম্যাচের ১৩ মিনিটে এগিয়ে যায় মিশর।
ফ্রি-কিক থেকে সরাসরি শট না নিয়ে ছোট পাসে বল ইমাম আশুরের কাছে বাড়িয়ে দেন মোহাম্মদ সালাহ। আশুরের প্রথম শটটি প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার ব্লক করলেও বল পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণভাগ। পরের আক্রমণে বক্সে ভেসে আসা ক্রসে পেছনের পোস্টে থাকা আশুর দারুণ এক হেডে বল জালে জড়ান।
গোল হজমের পর সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় অস্ট্রেলিয়া। এইডেন ও’নিলের একটি শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
এরপর ৩৫তম মিনিটে বক্সের বাঁ দিক থেকে আজিজ বেহিচের নেওয়া বাঁ পায়ের শট দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন মিশরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর। প্রথমার্ধের শেষ দিকে অস্ট্রেলিয়ার আরও একটি আক্রমণ ব্যর্থ হলে ১-০ গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় মিশর।
দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হওয়ার মাত্র ১০ সেকেন্ডের মধ্যেই ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল মিশর। একটি নিখুঁত থ্রু পাস পেয়ে দ্রুত এগিয়ে যান ওমর মারমুশ। তবে অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্ডার ট্রেউইন শেষ মুহূর্তে যথেষ্ট চাপ সৃষ্টি করায় ঠিকঠাক শট নিতে পারেননি তিনি। তার শটটি অল্পের জন্য বাম পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। ফলে নিশ্চিত একটি গোলের সুযোগ হাতছাড়া করে মিশর।
ম্যাচের ৪৮ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণ অব্যাহত রাখে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ক্রসটি ক্লিয়ার হওয়ার পর আবারও বল বক্সে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় কনর মেটকালফের সঙ্গে সংঘর্ষের পর মাটিতে লুটিয়ে পড়েন মিশরের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ হানি। মেডিকেল টিমের সদস্যরা মাঠেই তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।
ম্যাচের ৫৫ মিনিটে হানির আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে অস্ট্রেলিয়া। বাম দিক থেকে নেওয়া ফ্রি-কিক বক্সে ভেসে এলে বলটি হালকা ছোঁয়ায় গোলের দিকে পাঠানো হয়। প্রথমে মনে হয়েছিল হ্যারি সাউতারই গোলটি করেছেন। তবে রিপ্লেতে দেখা যায়, বলটি শেষ পর্যন্ত মিশরের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ হানির গায়ে লেগেই জালে ঢোকে। তাতে সমতায় ফেরে অস্ট্রেলিয়া।
এসজি/