ঢাকা ২০ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ফ্রান্সের জার্সিতে কেন থাকে মোরগের প্রতীক? রজতজয়ন্তীতে গ্রাহকদের জন্য ব্র্যাক ব্যাংকের আকর্ষণীয় অফার খামেনির জানাজায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য খুলে দেওয়া হলো ৫০০০ স্কুল জুলাই স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যাংক থেকে টাকা তুললেন? প্রতারকদের সুযোগ দেবেন না প্যারাগুয়ে ম্যাচের আগে সতর্ক ফ্রান্স কোচ দেশম, বড় বাধা তীব্র গরম শাহজাদপুরে বিদ্যালয়ে মদ্যপান করা সেই প্রধান শিক্ষককে শোকজ জুলাই অভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতে জইশ-ই-মোহাম্মদের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার নরওয়ে ম্যাচে রাফিনহাকে পাচ্ছে না ব্রাজিল তামিলনাড়ুতে অ্যামোনিয়া গ্যাস দুর্ঘটনা: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৮ খুলনায় কিশোরী গুলিবিদ্ধ সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক ১৫০ কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি, স্বাভাবিক অবসর সমন্বয় ও নিঃসরণ অধ্যায়ের ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান জুলাই-আগস্টে বন্যার শঙ্কা, সতর্কতা এফএফডব্লিউসির মুফতি মেঙ্কের কাছে কালিমা পড়ে মুসলিম হলেন বিশ্বকাপ তারকা টেটে জৈন্তাপুরে বিজিবি-শ্রমিক উত্তেজনা, সড়ক অবরোধ হামলার আশঙ্কায় বাবার শেষকৃত্যে থাকার সম্ভাবনা কম মোজতবা খামেনির আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বীরত্বপূর্ণ লড়াইয়ে গর্বিত গোলরক্ষক ভোজিনিয়া শেষ ষোলোর সমীকরণ চূড়ান্ত: কার প্রতিপক্ষ কে? ইরানি কূটনীতিকদের হত্যার প্রতিবেদনকে ‘ভুয়া’ বলল ইসরায়েল খামেনির জানাজায় ১৪ মাস বয়সি নাতনির ছোট্ট কফিন ভেনিজুয়েলায় ভূমিকম্পে ২৬৪৫ মৃত্যু, আহত ১২ হাজার ৬৬৬ খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু আয়াতুল্লাহ খামেনির শেষ বিদায়: লাখো মানুষের ঢল, আবেগাপ্লুত শীর্ষ ইরানি নেতৃত্ব শেরপুরে নিখোঁজের ১ দিন পর ইজিবাইকচালকের মরদেহ উদ্ধার বিশ্ব এখন আমাদের চেনে: ডিফেন্ডার পিকো লোপেস দুপুরের মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা শৈলকুপায় ইজিবাইক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে যুবক নিহত কঠিন লড়াইয়ের মানসিকতা থাকতে হবে: মার্তিনেস

বিশ্বকাপে আত্মঘাতী গোলের রেকর্ড

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০২:২৯ এএম
বিশ্বকাপে আত্মঘাতী গোলের রেকর্ড
ছবি: সংগৃহীত

একটি অপ্রত্যাশিত রেকর্ডের সাক্ষী হলো ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মিশরের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ হানির আত্মঘাতী গোলে চলতি আসরে মোট আত্মঘাতী গোলের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৩-তে, যা এখন পর্যন্ত কোনো একক বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ।

অস্ট্রেলিয়ার সেট-পিস আক্রমণ থেকে বক্সে আসা বল ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হন হানি। অ্যাইডেন ও’নিলের ভাসানো ক্রসে হেড করতে গিয়ে তিনি বলটি নিজের জালেই পাঠিয়ে দেন, ফলে ম্যাচে সমতায় ফেরে অস্ট্রেলিয়া।

এই গোলের মাধ্যমে হানি একটি অস্বস্তিকর রেকর্ডেও নাম লেখান। তিনি দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে একক বিশ্বকাপে দুটি আত্মঘাতী গোল করার নজির গড়েছেন। ১৯৬৬ বিশ্বকাপে এই কীর্তি গড়েছিলেন বুলগেরিয়ার ইভান ভুতসভ।

এর আগে ১২টি আত্মঘাতী গোল দেখা গিয়েছিল ২০১৮ বিশ্বকাপে। এ ছাড়া ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ৬টি, ২০১৪ বিশ্বকাপে ৫টি এবং ২০০৬ ও ১৯৫৪ বিশ্বকাপে ৪টি করে আত্মঘাতী গোল হয়েছিল। 

এসজি/

ফ্রান্সের জার্সিতে কেন থাকে মোরগের প্রতীক?

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০১:৪২ পিএম
ফ্রান্সের জার্সিতে কেন থাকে মোরগের প্রতীক?
ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল মাঠে প্রতিটি জাতীয় দলের জার্সিতে থাকে নিজস্ব পরিচয়ের প্রতীক। ফ্রান্স তার ব্যতিক্রম নয়। তাদের জাতীয় দলের জার্সিতে দেখা যায় একটি মোরগ, যা শুধু নকশা নয়, বরং দেশটির ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক।

ফরাসি ভাষায় এই প্রতীককে বলা হয় ‘কক গ্যালোয়া’ বা গ্যালিক মোরগ। প্রাচীনকালে বর্তমান ফ্রান্স অঞ্চল ‘গল’ নামে পরিচিত ছিল। ল্যাটিন ভাষায় ‘Gallus’ শব্দটি যেমন গল অঞ্চলের মানুষকে বোঝাত, তেমনি মোরগকেও বোঝাত। এই শব্দগত মিল থেকেই মোরগ ধীরে ধীরে ফ্রান্সের প্রতীকে পরিণত হয়।

প্রথমে এটি ব্যঙ্গের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হলেও পরে ফরাসিরা একে গর্বের সঙ্গে গ্রহণ করে।

মোরগকে সাহস, সতর্কতা, আত্মবিশ্বাস ও নতুন সূচনার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। প্রতিকূলতার মধ্যেও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকার মানসিকতার প্রতিফলনও এতে ফুটে ওঠে।

ফরাসি ফুটবল ফেডারেশন ১৯০০-এর দশকের শুরু থেকেই মোরগের প্রতীক ব্যবহার করছে। জাতীয় দলের জার্সিতে এটি শুধু দলের পরিচয় নয়, বরং দেশের ঐতিহ্য ও গৌরবের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত। বিশ্বকাপ বা ইউরোর মতো আসরে এই প্রতীক কোটি ফরাসি সমর্থকের আবেগ বহন করে।

শুধু ফুটবল নয়, ফ্রান্সের বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থা ও অলিম্পিক দলের প্রতীকেও মোরগের ব্যবহার রয়েছে। যদিও এটি আনুষ্ঠানিক জাতীয় প্রতীক নয়, তবুও ফরাসিদের কাছে মোরগ প্রায় জাতীয় পরিচয়ের মর্যাদা পেয়েছে।

পাপ্পু/এএফ

প্যারাগুয়ে ম্যাচের আগে সতর্ক ফ্রান্স কোচ দেশম, বড় বাধা তীব্র গরম

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০১:০৯ পিএম
প্যারাগুয়ে ম্যাচের আগে সতর্ক ফ্রান্স কোচ দেশম, বড় বাধা তীব্র গরম
ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ে দেশম। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে প্যারাগুয়ের মুখোমুখি হবে ফ্রান্স। তবে প্রতিপক্ষের পাশাপাশি ফরাসিদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ার তীব্র গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া। এই বৈরী পরিস্থিতি খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ে দেশম।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ম্যাচ শুরুর আগে ফিলাডেলফিয়ার তাপমাত্রা প্রায় ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে। এর সঙ্গে থাকবে উচ্চমাত্রার আর্দ্রতা, যা খেলোয়াড়দের জন্য বাড়তি শারীরিক চাপ তৈরি করবে।

গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ক্লাব বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ও ফাইনাল স্টেডিয়ামে বসে দেখার অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে দেশম বলেন, ‘আমি এবং সহকারী কোচ গি স্তেফান ক্লাব বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ও ফাইনাল সরাসরি দেখেছি। সেখানে কতটা গরম ছিল, তা আমরা নিজেরাই অনুভব করেছি। নিঃসন্দেহে এমন আবহাওয়া খেলায় বড় প্রভাব ফেলে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তীব্র গরম, কনকনে ঠান্ডা কিংবা শক্ত ঘাস-কোনোটিই খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্যের জন্য আদর্শ নয়। কিন্তু আবহাওয়া আমাদের নিয়ন্ত্রণে নয়। তাই পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া এবং সেভাবেই প্রস্তুতি নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

১৯৯৮ বিশ্বকাপে খেলোয়াড় হিসেবে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিলেন দেশম। সেবার অতিরিক্ত সময়ে লরাঁ ব্লাঁর গোল্ডেন গোলে ১-০ গোলে জয় পেয়েছিল স্বাগতিক ফ্রান্স। সেই স্মৃতির প্রসঙ্গ টেনে দেশম মনে করেন, এবারও কঠিন লড়াই অপেক্ষা করছে।

তিনি বলেন ‘ওই ম্যাচটি ছিল ফরাসি ফুটবলের ইতিহাসের একটি বিশেষ অধ্যায়। তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। বর্তমান প্যারাগুয়ে দলটি অনেক শক্তিশালী, তাদের জয়ের ক্ষুধা প্রবল এবং দলে বেশ কয়েকজন মানসম্পন্ন খেলোয়াড় রয়েছে।’

পাপ্পু/এএফ

নরওয়ে ম্যাচে রাফিনহাকে পাচ্ছে না ব্রাজিল

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ১২:৩১ পিএম
নরওয়ে ম্যাচে রাফিনহাকে পাচ্ছে না ব্রাজিল
ছবি: সংগৃহীত

চলমান ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের আগে ব্রাজিল শিবিরে মিলেছে স্বস্তির খবর। চোট কাটিয়ে অবশেষে দলের অনুশীলনে ফিরেছেন ফরোয়ার্ড রাফিনহা। তবে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলেও নরওয়ের বিপক্ষে শেষ ১৬-এর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাকে মাঠে নামানোর ঝুঁকি নিতে রাজি নয় ব্রাজিলের কোচিং স্টাফ।

এক সংবাদ সম্মেলনে লেফট-ব্যাক দগলাস সান্তোস বলেন, ‘রাফিনহা আজ আমাদের সঙ্গে অনুশীলনে ফিরেছে। ও ধীরে ধীরে দলের সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছে দেখে খুব ভালো লাগছে। আমরা আশা করছি, খুব দ্রুত শতভাগ ফিট হয়ে উঠবে, যাতে আমরা কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে পারলে সে মাঠে নামার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত থাকে।’

তার এ বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট যে নরওয়ের বিপক্ষে রাউন্ড অব ১৬-এর ম্যাচে রাফিনহার খেলার সম্ভাবনা নেই।

গ্রুপ পর্বে হাইতির বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ের ম্যাচে ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান রাফিনহা। সেই চোট থেকে সেরে উঠে শনিবার (৪ জুলাই) তিনি দলের সঙ্গে অনুশীলনে অংশ নেন। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে নির্ধারিত সূচি মেনে আলাদা ফিটনেস অনুশীলন করেন এই তারকা ফরোয়ার্ড।

ব্রাজিলের মেডিকেল ও কোচিং স্টাফ রাফিনহাকে নিয়ে কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে চাইছে না। চোট পুরোপুরি সেরে না ওঠা পর্যন্ত তাকে মাঠে নামানো হবে না। ফলে ব্রাজিল কোয়ার্টার ফাইনালে না উঠলে এই বিশ্বকাপে তার আর খেলা নাও হতে পারে।

এদিকে কোচ কার্লো আনচেলত্তির দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছেন মিডফিল্ডার লুকাস পাকুয়েতা। বাম ঊরুর পেশিতে চোট পাওয়ায় তিনিও দলের বাইরে রয়েছেন। নরওয়ের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তার পরিবর্তে মাঝমাঠে কাকে খেলানো হবে, তা নিয়েই এখন ভাবনায় রয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাপিয়নেরা।

পাপ্পু/এএফ

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বীরত্বপূর্ণ লড়াইয়ে গর্বিত গোলরক্ষক ভোজিনিয়া

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৪ এএম
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বীরত্বপূর্ণ লড়াইয়ে গর্বিত গোলরক্ষক ভোজিনিয়া
কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এ ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার কাছে নাটকীয় লড়াইয়ে ৩-২ গোলে হেরে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ করেছে কেপ ভার্দে। তবে বিদায়ের আক্ষেপের মাঝেও নিজেদের সাহসী ও লড়াকু পারফরম্যান্সে গর্ব প্রকাশ করেছেন দলটির অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনিয়া।

ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল মঞ্চে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণ করতে পেরে তারা গর্বিত এবং কেপ ভার্দের ফুটবলের সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে।

৪৮ দলের বর্ধিত বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো অংশ নেওয়া কেপ ভার্দে টুর্নামেন্টে কোনো জয় না পেলেও বিশ্ব ফুটবলের পরাশক্তিদের বিপক্ষে দুর্দান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর প্রশংসা কুড়িয়েছে। আর্জেন্টিনাকে অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত টেনে নিয়ে গিয়ে জয় পেতে বাধ্য করায় দলটির দৃঢ়তা ও আত্মবিশ্বাস ফুটে ওঠে।

ভোজিনিয়া বলেন, ‘আমরা বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে খেলেছি। আজ আমরা তাদের সঙ্গে সমান তালে লড়াই করেছি এবং ম্যাচটি জেতার সুযোগও আমাদের ছিল। আমাদের জন্য এটি অত্যন্ত গর্বের এবং সন্তুষ্টির।’

বিদায়ের হতাশার কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আমাদের মন খারাপ। আমরা এখানে থেমে যেতে চাইনি। তবে যা অর্জন করেছি, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আমার সতীর্থ, কোচিং স্টাফ, ফেডারেশন এবং যেসব সমর্থক এত দূর এসে আমাদের সমর্থন দিয়েছেন, সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।’

ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে ভোজিনিয়া বলেন, ‘এখন সামনে তাকানোর সময়। আমাদের দলে অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় রয়েছে। আশা করি খুব শিগগিরই তাদের বিশ্বের সেরা লিগগুলোতে খেলতে দেখা যাবে।’

পাপ্পু/এএফ

বিশ্ব এখন আমাদের চেনে: ডিফেন্ডার পিকো লোপেস

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৮ এএম
বিশ্ব এখন আমাদের চেনে: ডিফেন্ডার পিকো লোপেস
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েও ফুটবল বিশ্বের প্রশংসা কুড়িয়েছে কেপ ভার্দে। বর্তমান চ্যাম্পিয়ান আর্জেন্টিনাকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কঠিন লড়াইয়ে রেখে আফ্রিকার ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্রটি প্রমাণ করেছে, সাহস আর আত্মবিশ্বাস থাকলে বড় দলগুলোকেও চ্যালেঞ্জ জানানো সম্ভব।

মায়ামিতে অনুষ্ঠিত শেষ ৩২-এর ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ে ৩-২ গোলে আর্জেন্টিনার কাছে হারে কেপ ভার্দে। ম্যাচের ১১১ মিনিটে ডিনে বোর্হেসের আত্মঘাতী গোলে শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করে আলবিসেলেস্তেরা।

ম্যাচ শেষে কেপ ভার্দের ডিফেন্ডার পিকো লোপেস বলেন, তাদের যাত্রা বিশ্বের ছোট দেশগুলোর জন্য অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে থাকবে। আয়ারল্যান্ডে জন্ম নেওয়া এই ডিফেন্ডার বলেন, ‘আমরা দেখাতে চেয়েছি, বড় স্বপ্ন আর সাহস থাকলে সবকিছুই সম্ভব। আশা করি, আমাদের এই দল কেপ ভার্দের নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। আমরা প্রমাণ করেছি, বিশ্বের অন্যতম সেরা দলগুলোর বিপক্ষেও সমানতালে লড়া যায়।’

মাত্র পাঁচ লাখ জনসংখ্যার দেশ কেপ ভার্দে নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপেই স্পেন, উরুগুয়ে ও সৌদি আরবের মতো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে দারুণ লড়াই করে নজর কাড়ে। নকআউট পর্বেও আর্জেন্টিনাকে একাধিকবার চাপে ফেলে তারা।

শ্যামরক রোভার্সের ডিফেন্ডার লোপেস জানান, ‘বিশ্বকাপে ওঠার পর থেকেই আমরা প্রমাণ করতে চেয়েছিলাম যে এখানে খেলার যোগ্যতা আমাদের আছে। গ্রুপ পর্ব থেকে শুরু করে আজকের ম্যাচ-সব জায়গাতেই আমরা দেখিয়েছি বিশ্বের সেরা দলগুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারি।’

শেষে আবেগঘন কণ্ঠে লোপেস বলেন, ‘সবচেয়ে বড় অর্জন হলো, এখন আর কাউকে বলতে হবে না কেপ ভার্দে কোথায়। বিশ্ব এখন আমাদের চেনে। আর যারা কেপ ভার্দেতে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখছে, তাদের জন্য আমরা একটা পথ তৈরি করে যেতে পেরেছি।’

পাপ্পু/এএফ