ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে কানাডার বিপক্ষে প্রথমার্ধে মরক্কো ছিল ছন্দহীন। আক্রমণে কানাডার তুলনায় পিছিয়ে ছিল তারা। অন্যদিকে মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনোর দক্ষতায় গোল পায়নি কানাডা। এতে প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্য সমতায়।
শনিবার (৪ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টন স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় শুরু হয় ম্যাচটি।
ম্যাচের শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণে মরক্কোকে চাপে রাখে কানাডা। কর্নার থেকে আসা বল প্রথমে মরক্কোর রক্ষণভাগ ক্লিয়ার করলেও দ্রুতই আবার বলের দখল ফিরে পায় কানাডা। এরপর বক্সের ভেতরে জনাথন ডেভিডের উদ্দেশে বল বাড়ানো হয়। সুযোগ পেয়ে শট নেন ডেভিড, তবে দুই হাত প্রসারিত করে সেই শট রুখে দেন মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু।
ম্যাচের ১১ মিনিটে আরেকবার পরীক্ষার মুখে পড়েন ইয়াসিন বুনু। প্রেসিং করে মরক্কোর কাছ থেকে বল কেড়ে নেয় কানাডা। এরপর বক্সের ভেতরে দারুণ দক্ষতায় শট নেন টানি ওলুওয়াসেয়ি। তবে তার নেওয়া শট দুর্দান্ত প্রতিক্রিয়ায় ঠেকিয়ে দেন বুনু। ওলুওয়াসেয়ির নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট করে দেন তিনি।
২২ মিনিটে বড় ধাক্কা খায় মরক্কো। দলের ফরোয়ার্ড ইসমাইল সাইবারি চোট পেয়ে মাঠে লুটিয়ে পড়েন। এতে কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকে। মাঠে প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পরও খেলা চালিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থায় না থাকায় মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই দারুণ ছন্দে ছিলেন এই ফরোয়ার্ড। এবারের আসরে ইতোমধ্যে তিন গোল করেছেন তিনি।
ম্যাচের ২৯ মিনিটে প্রথমবারের মতো গোলমুখে শট নিতে সক্ষম হয় মরক্কো। বক্সের বাইরে থেকে সোফিয়ান রাহিমির নেওয়া শটটি একজন ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করলেও কানাডার গোলরক্ষক ম্যাক্সিম ক্রেপো তা ঠেকিয়ে দেন।
ম্যাচের ৪১ মিনিটে আশরাফ হাকিমির এক ফাউলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা চরমে পৌঁছালে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরিস্থিতি শান্ত করতে দ্রুত হস্তক্ষেপ করেন রেফারি মাইকেল অলিভার। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আশরাফ হাকিমি ও কানাডার ডিফেন্ডার রিচি লারেয়াকে হলুদ কার্ড দেখান এই ইংলিশ রেফারি।
প্রথমার্ধের বাকি সময়ে আর কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি দুই দল। তাতে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয়েছে প্রথমার্ধের খেলা।
এসজি/