ঢাকা ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বিশ্বকাপের আসল হিরো ২০ জনকে নিয়োগ দেবে সরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানি কাইলি জেনারের বিরুদ্ধে মামলা আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইডকলের জয়জয়কার বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর ভক্তদের কাছে ক্ষমা চাইলেন সন হিয়াং-মিন রান্নাঘরের তেল চিটচিটে ভাব দূর করতে চট্টগ্রাম বোর্ডে এবার এইচএসসি পরীক্ষার্থী এক লাখ তিন মামলায় জামিন পেলেন কণ্ঠশিল্পী মমতাজ দেয়ালের রঙে ফুটুক ঘরের ব্যক্তিত্ব রাজস্ব আদায় বড় চ্যালেঞ্জ: এনবিআর চেয়ারম্যান মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ‘নেক্সট জেন’ দলের সাফল্য কমিউনিটি ক্লিনিক হবে ‘হেলথ হাব’ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড উদ্যোক্তা গড়তে ১০ প্রকল্প বাস্তবায়ন ও ৬টি নতুন প্রকল্প হচ্ছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী খামেনির জানাজায় যোগ দিতে তেহরান যাচ্ছেন স্পিকার সুইডেনের বিপক্ষেও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলবে ফ্রান্স ফুটবল ও সাম্বার দেশ ব্রাজিলে ইসলামের অজানা অধ্যায় ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৭১৯ জন সুনামগঞ্জে আবারও সড়ক অবরোধ মেডিকেল শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে দৃঢ় হতে চাণক্যের নামে প্রচলিত ৮ নীতি ডাচদের বিদায়ে হেগে ভক্তদের হুলুস্থুল ‘আমরা সবার সম্মান অর্জন করেছি’ নরওয়ে ম্যাচের আগে সতর্ক আইভরি কোস্ট বুধবার ‘ব্যাংক হলিডে’, বন্ধ থাকবে লেনদেন মায়ানমারে পাথরের খনি ধসে ৫ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ১৫ তেঁতুলিয়ায় ইউএনওর সম্মানহানির প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্ণফুলীতে পাথরবোঝাই লাইটার জাহাজ ডুবি, ১২ নাবিক উদ্ধার তিস্তা মহাপরিকল্পনায় অন্য কোনো দেশের কনসার্নের সুযোগ নেই: তথ্য উপদেষ্টা ভেনেজুয়েলায় ৫৮ হাজারের বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত দেশের ১১ ভাগ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে: মির্জা ফখরুল

মানসিকভাবে দৃঢ় হতে চাণক্যের নামে প্রচলিত ৮ নীতি

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৩:১৪ পিএম
আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬, ০৩:১৫ পিএম
মানসিকভাবে দৃঢ় হতে চাণক্যের নামে প্রচলিত ৮ নীতি
ছবি: এআই

মানসিকভাবে শক্তিশালী মানুষ শুধু প্রতিকূল পরিস্থিতি সামাল দেন না, বরং নিজের আবেগ, সিদ্ধান্ত ও আচরণের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখেন। আচার্য চাণক্যের নামে প্রচলিত কিছু নীতি আজও ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে অনুপ্রেরণা হিসেবে বিবেচিত হয়।

১) সব ভাবনা সবার সঙ্গে ভাগ করবেন না

নিজের পরিকল্পনা ও দুর্বলতা সবাইকে জানানো বুদ্ধিমানের কাজ নয়। মানুষকে বিশ্বাস করার আগে ভেবে দেখুন, কারণ আপনার সব কথা সবার জানার প্রয়োজন নেই।

২) বিশ্বাস করুন, তবে যাচাই করেও নিন

সব মানুষের মুখের হাসি আন্তরিকতার পরিচয় নয়। কাউকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করার বদলে সময় ও আচরণের মাধ্যমে তাকে মূল্যায়ন করুন। কঠিন সময়েই একজন মানুষের প্রকৃত চরিত্র ফুটে ওঠে।

৩) আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন

রাগ, ভয়, লোভ ও অতিরিক্ত আসক্তি সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাকে দুর্বল করে। পরিস্থিতি বুঝে প্রতিক্রিয়া জানানোই পরিপক্বতার লক্ষণ।

৪) মানুষকে পর্যবেক্ষণ করতে শিখুন

শুধু কথায় নয়, একজন মানুষের আচরণ, অভ্যাস ও কাজের মধ্যেও তার চরিত্র প্রকাশ পায়। ভালো পর্যবেক্ষণ প্রতারণা থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে।

৫) অতিরিক্ত ভালো হওয়ার চেষ্টা করবেন না

সহানুভূতিশীল হওয়া ভালো, কিন্তু নিজের সীমারেখাও থাকতে হবে। সবাইকে খুশি করার চেষ্টা করলে অনেক সময় মানুষ সেই সুযোগের অপব্যবহার করে।

৬) শেখা কখনো বন্ধ করবেন না

জ্ঞান এমন একটি সম্পদ, যা কেউ কেড়ে নিতে পারে না। নতুন দক্ষতা অর্জন, নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং সময়ের সঙ্গে নিজেকে বদলে নেওয়াই এগিয়ে থাকার উপায়।

৭) প্রয়োজন হলে নীরব থাকুন

প্রতিটি কথার উত্তর দেওয়া জরুরি নয়। অনেক সময় নীরবতা অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক এড়ায় এবং বিচক্ষণতার পরিচয় দেয়। একজন জ্ঞানী মানুষ বেশি শোনেন, কম বলেন।

৮) সব লড়াইয়ে জড়াবেন না

প্রতিটি বিতর্ক বা সংঘাতে অংশ নেওয়া প্রয়োজন হয় না। কোন বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়ার মতো আর কোনটি উপেক্ষা করাই ভালো—এই পার্থক্য বোঝাই মানসিক দৃঢ়তার পরিচয়।

মানসিকভাবে শক্তিশালী হওয়া একদিনের বিষয় নয়। আত্মনিয়ন্ত্রণ, বিচক্ষণতা, শেখার মানসিকতা এবং সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভ্যাসই একজন মানুষকে ধীরে ধীরে আরও দৃঢ় ও পরিণত করে তোলে।

ড্রয়ারে লোকানো ছিল অ্যান্টার্কটিকার বিরল ডাইনোসর জীবাশ্ম

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম
আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬, ০১:১০ পিএম
ড্রয়ারে লোকানো ছিল অ্যান্টার্কটিকার বিরল ডাইনোসর জীবাশ্ম
ছবি: এপি

অ্যান্টার্কটিকায় পাওয়া একটি বিরল ডাইনোসরের জীবাশ্ম দীর্ঘ বছর ধরে একটি সাধারণ ড্রয়ারের ভেতর অবহেলায় পড়ে থাকার পর অবশেষে তা নতুন করে আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। এটি প্রাগৈতিহাসিক যুগের এক বিশালাকার টাইটানোসর (Titanosaur) ডাইনোসরের জীবাশ্ম, যা কোটি কোটি বছর আগে পৃথিবীর শীতলতম এই মহাদেশে বিচরণ করত।

বিজ্ঞানীদের একটি দল সম্প্রতি গবেষণাগারের একটি পুরোনো ড্রয়ার ঘেঁটে এই অমূল্য জীবাশ্মটি উদ্ধার করেন।

দীর্ঘদিন ধরে নজরের আড়ালে থাকা এই হাড়ের টুকরোটি পরীক্ষা করে জানা গেছে, এটি মূলত একটি দীর্ঘ ঘাড়বিশিষ্ট তৃণভোজী ডাইনোসর প্রজাতির অংশ।

গবেষকরা জানান, অ্যান্টার্কটিকার প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সেখানে জীবাশ্ম অনুসন্ধান অত্যন্ত কঠিন ও ব্যয়বহুল। ফলে অতীতে সংগ্রহ করা অনেক নমুনা যথাযথভাবে পরীক্ষা না করেই সংরক্ষণাগারে রেখে দেওয়া হয়েছিল। এই আবিষ্কারটি প্রমাণ করে যে, অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ যখন বরফে ঢাকা ছিল না, তখন সেখানে সমৃদ্ধ বনভূমি এবং বিশালাকার প্রাণীর অস্তিত্ব ছিল।

এই নতুন অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক যুগে মহাদেশগুলোর অবস্থান এবং জলবায়ু পরিবর্তন কীভাবে ডাইনোসরদের বিবর্তনে ভূমিকা রেখেছিল, তা বুঝতে বিজ্ঞানীদের আরও সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্র: এপি

আজহার/

আইফোন ১৮ প্রোর ফিচার ফাঁস: ডিজাইন, ক্যামেরা ও ডিসপ্লেতে যা থাকছে

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৩:০৮ পিএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ০৩:১১ পিএম
আইফোন ১৮ প্রোর ফিচার ফাঁস: ডিজাইন, ক্যামেরা ও ডিসপ্লেতে যা থাকছে
ছবি: সংগৃহীত

প্রযুক্তি বিশ্বে অ্যাপলের আসন্ন ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন ‘আইফোন ১৮ প্রো’ নিয়ে গুঞ্জন এখন তুঙ্গে। সাধারণত প্রতি বছর সেপ্টেম্বরে অ্যাপল তাদের নতুন আইফোন বাজারে ছাড়ে। তবে ২৬ এর পণ্য প্রদর্শনীতে অ্যাপলের মূল আকর্ষণ হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত ‘আইফোন ফোল্ড’ বা ভাঁজযোগ্য আইফোন। তাই স্ট্যান্ডার্ড বা সাধারণ আইফোন১৮-এর বাজারে আসতে ২০২৭ সালের বসন্ত পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। তবে এই ভাঁজযোগ্য ফোনের পাশাপাশি অ্যাপল বাজারে আনবে ৬ দশমিক ৩ ইঞ্চির আইফোন১৮ প্রো এবং ৬ দশমিক ৯ ইঞ্চির আইফোন১৮ প্রো ম্যাক্স।

ফোল্ডেবল ফোনটি সংবাদ শিরোনাম কেড়ে নিলেও, ‘প্রো’ মডেলগুলোতেও থাকছে বেশ কিছু যুগান্তকারী হার্ডওয়্যার পরিবর্তন। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো অ্যাপলের তৈরি প্রথম ২ ন্যানোমিটারের চিপসেট। যা ফোনের গতি ও শক্তি সাশ্রয়ের ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। 

সম্প্রতি লিক হওয়া বিভিন্ন তথ্য থেকে আইফোন ১৮ প্রো সম্পর্কে যা জানা গেছে, তা নিচে তুলে ধরা হলো:

ডিজাইন: চেনা রূপেই বড় চমক

ডিজাইনের ক্ষেত্রে অ্যাপল আইফোন ১৮ প্রো মডেলে খুব বড় কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন আনছে না বলে জানা গেছে। এটি চিরচেনা ডিজাইন ধরে রাখবে। যেখানে পেছনে থাকবে তিনটি লেন্স বিশিষ্ট একটি বড় ক্যামেরা মডিউল। 

প্রখ্যাত টিপস্টার ‘ডিজিটাল চ্যাট স্টেশন’ জানিয়েছেন, ফোনটির পেছনের ম্যাগসেফ চার্জিং এলাকার চারপাশের সিরামিক শিল্ড অংশটি ‘সামান্য স্বচ্ছ’ বা ট্রান্সপারেন্ট হতে পারে, যদিও এর আসল কাজ বা সৌন্দর্য কেমন হবে তা এখনও নিশ্চিত নয়।

অন্যদিকে, বিখ্যাত লিকার ‘আইস ইউনিভার্স’ এর তথ্যমতে, আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের পুরুত্ব সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে ৮ দশমিক ৭৫ মিলিমিটার থেকে ৮ দশমিক ৮ মিলিমিটার হতে পারে। এই সামান্য পার্থক্যের কারণে ফোনটির ওজন বেড়ে ২৪০ গ্রাম পার হতে পারে (যেখানে আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্সের ওজন ২৩৩ গ্রাম)। 

ক্যামেরা: এত বছরের সবচেয়ে বড় আপগ্রেড

গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় ক্যামেরা আপগ্রেড যুক্ত হতে যাচ্ছে আইফোন ১৮ প্রো সিরিজে। 

অ্যাপল সাপ্লাই চেইনের খ্যাতনামা বিশ্লেষক মিং চি কুও এর মতে, ফোনটির প্রধান ক্যামেরায় প্রথমবারের মতো ‘ভেরিয়েবল অ্যাপারচার’ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হতে পারে। ফলে ব্যবহারকারীরা লেন্সের ভেতর কতটুকু আলো প্রবেশ করবে তা ম্যানুয়ালি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। এই ফিচারটি অতিরিক্ত আলোতে ছবি জ্বলে যাওয়া রোধ করবে এবং ছবির ‘ডেপথ অব ফিল্ড’ ও সামগ্রিক নান্দনিকতার ওপর দারুণ নিয়ন্ত্রণ দিবে।

এ ছাড়াও, অ্যাপল অন্তত একটি প্রো ভ্যারিয়েন্টে স্যামসাংয়ের তৈরি উন্নত থ্রি লেয়ার স্ট্যাকড ইমেজ সেন্সর ব্যবহার করার কথা ভাবছে। এই নতুন সেন্সরটি ছবির রেসপন্স টাইম বাড়াবে, ছবির নয়েজ কমাবে এবং ডায়নামিক রেঞ্জ উন্নত করবে। একই সঙ্গে কম আলোতে নিখুঁত ছবি তোলার জন্য মেইন ও টেলিফটো লেন্সে আরও বড় অ্যাপারচার যুক্ত করা হচ্ছে।

ডিসপ্লে এবং ডায়নামিক আইল্যান্ড

শোনা যাচ্ছিল যে, আইফোন ১৮ প্রো তে ফেস আইডি উপাদানগুলো পুরোপুরি ডিসপ্লের নিচে লুকিয়ে ফেলা হবে। ফলে স্ক্রিনে কোনো দৃশ্যমান কাট-আউট বা নচ থাকবে না। তবে নতুন লিক অনুযায়ী, অ্যাপল এখনও এই প্রযুক্তিটি পুরোপুরি নিখুঁত করতে পারেনি, তাই এর ব্যবহার আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।

আন্ডার-স্ক্রিন ফেস আইডির বদলে অ্যাপল এবার আরও ছোট বা কমপ্যাক্ট ‘ডায়নামিক আইল্যান্ড’ নিয়ে আসছে, যা স্ক্রিনে বাড়তি জায়গা তৈরি করবে। টিপস্টার আইস ইউনিভার্সের শেয়ার করা একটি মক আপ অনুযায়ী, আইফোন ১৮ প্রো এর ডায়নামিক আইল্যান্ডটি আইফোন ১৭ সিরিজের চেয়ে প্রায় ৩৫ শতাংশ ছোট বা সরু হবে; যা লম্বায় ২০ দশমিক ৭ মিলিমিটার থেকে কমে ১৩ দশমিক ৫ মিলিমিটারে নেমে আসতে পারে।

এ ২০ চিপ: পারফরম্যান্সের নতুন যুগ

আইফোন ১৮ প্রো মডেল এবং অ্যাপলের ফোল্ডেবল হ্যান্ডসেটে ব্যবহার করা হবে নেক্সট জেনারেশনের ‘এ ২০’ চিপসেট। টিএসএমসির ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে তৈরি এই প্রসেসরটি ফোনের গতিতে এক বিশাল লাফ দিবে এবং ব্যাটারির খরচ নাটকীয়ভাবে কমিয়ে আনবে। ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির কারণে এই চিপে আগের চেয়ে অনেক বেশি ট্রানজিস্টর যুক্ত করা সম্ভব হবে। 

তবে প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, এটি পূর্বের ‘এ ১৯’ চিপের তুলনায় ১৫ শতাংশ বেশি কার্যক্ষমতা এবং প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি শক্তি সাশ্রয় করতে সক্ষম হবে।

থিওটোনিয়াস/

স্ট্রবেরি মুন দেখা যাবে ৩০ জুন পর্যন্ত

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৩:০৪ পিএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ০৩:৪০ পিএম
স্ট্রবেরি মুন দেখা যাবে ৩০ জুন পর্যন্ত
ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের বহুল প্রতীক্ষিত স্ট্রবেরি মুনের সৌন্দর্য ২৮, ২৯ ও ৩০ জুন- টানা তিন রাত উপভোগ করা যাবে। কোনো দিন মেঘের কারণে দেখা না গেলেও পরের দিন এটি দেখার সুযোগ থাকবে।

এটি উত্তর গোলার্ধে ২১ জুনের গ্রীষ্মকালীন অয়নকাল বা কর্কটসংক্রান্তির পর প্রথম পূর্ণিমা। বিশেষ এই জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক অবস্থানের কারণে ২০২৬ সালের অন্যান্য পূর্ণিমার তুলনায় স্ট্রবেরি মুন আকাশের সবচেয়ে নিচু পথ দিয়ে অতিক্রম করবে এবং সারারাত দক্ষিণ দিগন্তের কাছাকাছি অবস্থান করবে।

টাইম অ্যান্ড ডেট-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে এটি দেখার সবচেয়ে ভালো সময় হবে ২৯ জুন সূর্যাস্তের পর, যখন চাঁদ দক্ষিণ-পূর্ব দিগন্তে উদিত হবে।

ভারতের দিল্লি, মুম্বাই, বেঙ্গালুরু ও কলকাতাসহ বিভিন্ন শহরেও স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টার দিকে চন্দ্রোদয় হবে।

স্ট্রবেরি মুন কেন বলা হয়?

নামে ‘স্ট্রবেরি’ থাকলেও এই চাঁদের রং গোলাপি বা লাল হবে না। নাসার তথ্য অনুযায়ী, ‘স্ট্রবেরি মুন’ নামটি এসেছে উত্তর-পূর্ব উত্তর আমেরিকার অ্যালগনকুইন আদিবাসীদের কাছ থেকে। জুন মাসে স্ট্রবেরি সংগ্রহের মৌসুম শুরু হওয়ার সময় এই পূর্ণিমা দেখা যেত বলেই তারা এ নাম দিয়েছিলেন।

বিভিন্ন সংস্কৃতিতে এই পূর্ণিমাকে ‘রোজ মুন’, ‘হানি মুন’ বা ‘মিড মুন’ নামেও ডাকা হয়। এসব নাম মূলত গ্রীষ্মের শুরু, ফসল সংগ্রহ এবং মৌসুমি পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত। সূত্র: এনডিটিভি

খাদিজা রুমি/অমিয়/

তিন মাসের সন্তানকে নিয়ে ইইউর বৈঠকে সুইডিশ মন্ত্রী

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০১:১০ পিএম
তিন মাসের সন্তানকে নিয়ে ইইউর বৈঠকে সুইডিশ মন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) জলবায়ু নীতিবিষয়ক দীর্ঘ বৈঠকে এবার দেখা গেল এক ব্যতিক্রমী দৃশ্য। সদস্য দেশগুলোর মন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে উপস্থিত ছিল তিন মাস বয়সী এক শিশু। আর তাকে নিয়ে এসেছিলেন সুইডেনের জলবায়ু ও পরিবেশমন্ত্রী রোমিনা পোরমোখতারি।

তিন মাস বয়সী ছেলে অ্যাডামকে সঙ্গে নিয়ে লুক্সেমবার্গে অনুষ্ঠিত ইইউ কাউন্সিলের বৈঠকে অংশ নেন রোমিনা। এর মাধ্যমে তিনি দেখাতে চেয়েছেন, পরিবার ও কর্মজীবনের মধ্যে নারীদের যেন কোনো একটি বেছে নিতে না হয়- এমন পরিবেশ গড়ে তোলার গুরুত্ব।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ৩০ বছর বয়সী এই মন্ত্রী বলেন, ‘আমি উদাহরণ তৈরি করতে চেয়েছি যে, কাজ আর পরিবার- এই দুটির মধ্যে কোনো একটিকে বেছে নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। অবশ্য এর জন্য আধুনিক মানসিকতার একজন জীবনসঙ্গীরও প্রয়োজন, যিনি দায়িত্ব ভাগ করে নিতে প্রস্তুত।’

ইইউ কাউন্সিলের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাদের জানা মতে, ইইউ সদস্যদেশগুলোর মন্ত্রীদের আনুষ্ঠানিক বৈঠকে এই প্রথম কোনো শিশুর উপস্থিতির ঘটনা ঘটল।

২০২২ সালে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় রোমিনা ছিলেন সুইডেনের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ মন্ত্রী। সম্প্রতি মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে তিনি কাজে ফিরেছেন। বর্তমানে তার স্বামী পিতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন এবং ছেলেকে দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করছেন। সেই কারণেই তিনি অ্যাডামকে নিয়ে লুক্সেমবার্গ সফরে সঙ্গী হয়েছেন।

সুইডেনে বাবা-মা মিলিয়ে প্রায় ১৬ মাসের বেতনসহ ছুটি পান। এর মধ্যে ৯০ দিন শুধু বাবার এবং ৯০ দিন শুধু মায়ের জন্য সংরক্ষিত থাকে। নির্ধারিত ব্যক্তি সেই ছুটি ব্যবহার না করলে তা অন্যজনের কাছে হস্তান্তর করা যায় না।

রোমিনার মতে, এই নীতির পাশাপাশি সহকর্মীদের সহযোগিতাই তাকে নিশ্চিন্তে কাজে ফিরতে সহায়তা করেছে। 

তিনি বলেন, শুধু দীর্ঘ ছুটি দিলেই হবে না; বাবা-মায়ের মধ্যে আরও নমনীয়ভাবে ছুটি ভাগাভাগির সুযোগ এবং সাশ্রয়ী মূল্যে শিশুসেবা নিশ্চিত করাও জরুরি।

তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের নীতি সমাজের জন্য এমন মূল্য তৈরি করে, যার গুরুত্ব অবমূল্যায়ন করা উচিত নয়। এটি শুধু সামাজিক নয়, দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিকভাবেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। কারণ এতে কর্মজীবী বাবা-মায়ের মানসিক চাপ ও কর্মক্ষয় কমে।’

পোল্যান্ডের উপ-জলবায়ুমন্ত্রী ক্রিস্টোফ বোলেস্তাও বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেছেন। তার ভাষায়, ‘এটি দারুণ একটি উদ্যোগ। একটি শিশু কোনো প্রতিবন্ধকতা নয়, বরং জীবনেরই স্বাভাবিক অংশ।’ সূত্র: রয়টার্স

অমিয়/

আনারস দিবস: দুধ-আনারস এক সঙ্গে খাওয়া যাবে কি?

প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২৬, ১১:১৭ এএম
আপডেট: ২৭ জুন ২০২৬, ১১:৩৬ এএম
আনারস দিবস: দুধ-আনারস এক সঙ্গে খাওয়া যাবে কি?
ছবি: প্রতীকী

প্রতি বছর ২৭ জুন বিশ্ব আনারস দিবস পালন করা হয়। ‘আ-না-রস’- নামটি শুনলেই অনেকের মুখে হাসি ফুটে ওঠে। কারণ শব্দটিকে ভেঙে দাঁড়ায়, ‘আ-না-রস’, অর্থ দাঁড়ায় ‘রস নেই’। অথচ বাস্তবে আনারসের চেয়ে রসাল ফল খুব কমই আছে। টকমিষ্টি স্বাদের এই ফলের এক টুকরো মুখে দিলেই রসে ভরে ওঠে।

আনারসকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে মজার কথা- ‘রসে টসটস, কিন্তু নাম তার আ-না-রস!’ 

ভাষাবিদদের মতে, ‘আনারস’ নামটির সঙ্গে ‘রস নেই’- এমন কোনো অর্থগত সম্পর্ক নেই। শব্দটি বাংলা ভাষায় এসেছে বিদেশি ভাষার প্রভাব থেকে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এই ফলটি ‘আনানাস’ নামে পরিচিত। দক্ষিণ আমেরিকার আদিবাসী টুপি ভাষার বা আনানাস শব্দের অর্থ ‘অত্যন্ত উৎকৃষ্ট ফল’ বা ‘সুগন্ধি ফল’। 

পরবর্তীতে পর্তুগিজসহ ইউরোপীয় ভাষার মাধ্যমে ‘আনানাস’ শব্দটি ভারতীয় উপমহাদেশে আসে। বাংলায় উচ্চারণের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে তা ‘আনারস’ রূপ পায়।

সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফলটি ভিটামিন সি, ম্যাঙ্গানিজ, আঁশ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভালো উৎস।

তবে আনারস নিয়ে একটি প্রচলিত ধারণা হলো- আনারসের সঙ্গে দুধ খাওয়া উচিত নয়। কিন্তু এর পেছনে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি কতটুকু?

বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ মানুষের জন্য আনারস ও দুধ একসঙ্গে খাওয়া সাধারণত ক্ষতিকর নয়। আনারসে থাকা ব্রোমেলেইন নামের একটি এনজাইম দুধের প্রোটিনের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া করতে পারে, ফলে দুধ কিছুটা জমাট বাঁধতে পারে বা স্বাদে পরিবর্তন আসতে পারে। তবে এটি বিষাক্ত কোনো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে না।

কিছু মানুষের ক্ষেত্রে আনারসের অম্লীয় স্বভাবের কারণে দুধের সঙ্গে খেলে হালকা অস্বস্তি, গ্যাস বা বদহজম হতে পারে। যাদের সংবেদনশীল পাকস্থলী বা ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা রয়েছে, তাদের এ ধরনের সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।

আনারস ও দুধ দিয়ে তৈরি স্মুদি, মিল্কশেক বা বিভিন্ন ডেজার্ট বিশ্বের অনেক দেশেই জনপ্রিয় এবং নিরাপদভাবে খাওয়া হয়। তাই এ দুটি খাবার একসঙ্গে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর- এমন ধারণার পক্ষে শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।

তবে যাদের আগে থেকে হজমের সমস্যা রয়েছে বা আনারস খেলে অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দেয়, তাদের সতর্ক থাকা উচিত। নতুন কোনো খাবারের সংমিশ্রণ খাওয়ার পর অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই উত্তম।

বিশ্ব আনারস দিবসে পুষ্টিকর এই ফলটি খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন। তবে যেকোনো খাবারের মতোই পরিমিত পরিমাণে খাওয়া এবং নিজের শারীরিক সহনশীলতার প্রতি গুরুত্ব দেওয়াই সবচেয়ে ভালো অভ্যাস।

খাদিজা রুমি/অমিয়/