মায়ানমারের একটি পরিত্যক্ত জেড পাথরের খনিতে বৃষ্টির কারণে বর্জ্যের স্তূপ ধসে রত্নের টুকরো সংগ্রহে থাকা পাঁচজন মারা গেছেন। এ সময় আরও ১৫ জন মাটিচাপা পড়েছেন।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানায়।
মায়ানমারে খনি খাতের বড় একটি অংশ নিয়ন্ত্রণহীন। দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় কাচিন রাজ্য বিশ্বের সবচেয়ে বড় পাথরের উৎস। এ মূল্যবান পাথর এশিয়ার অনেক সংস্কৃতিতে সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। প্রতিবেশী চীনেও এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
ইয়াঙ্গুন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
সামরিক অভ্যুত্থানের পর শুরু হওয়া মায়ানমারের গৃহযুদ্ধে লড়াইরত বিভিন্ন পক্ষ অনেক খনির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে। তারা খনি থেকে পাওয়া রত্ন বিক্রি করে নিজেদের তহবিল সমৃদ্ধ করছে।
অন্যদিকে দরিদ্র স্থানীয় মানুষ জীবিকার তাগিদে ভূগর্ভে কাজ করেন বা খনির ফেলে দেওয়া অংশ থেকে মূল্যবান পাথরের টুকরো সংগ্রহ করেন। এ সময় হঠাৎ বর্জ্যের স্তূপ ধসে তারা মাটিচাপা পড়েন।
রাষ্ট্রীয় ˆদনিক দ্য গ্লোবাল নিউ লাইট অব মায়ানমার জানায়, টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে পুরোনো খনির বর্জ্যের স্তূপ আলগা হয়ে পড়ায় এ ধসের ঘটনা ঘটে। এ পর্যন্ত অন্তত পাঁচজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে এবং প্রায় ১৫ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের সন্ধানে অনুসন্ধানকারীরা খননকাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রধান খনি কার্যক্রমে বাদ পড়ে যাওয়া রত্নের টুকরো খুঁজতে যারা ফেলে দেওয়া পাথরের স্তূপ ঘেঁটে জীবিকা নির্বাহ করেন, তারা এ অত্যন্ত লাভজনক শিল্পের সবচেয়ে নিচের স্তরের শ্রমিক।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এসব খনির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফাকান্ত এলাকায় মায়ানমারের সেনাবাহিনী ও বিরোধী সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষও হয়েছে। সূত্র: বাসস
আজহার/