ভেনেজুয়েলার মানুষ গত সপ্তাহের পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ধসে পড়া ভবনগুলোর ধ্বংসস্তূপের মধ্যে তল্লাশি চালাচ্ছেন। জীবিতদের খুঁজে বের করার সুযোগ দ্রুত কমে আসায় তৈরি হওয়া এ মানবিক সংকট বছরের পর বছর ধরে চলতে পারে।
সোমবার (২৯ জুন) কর্তৃপক্ষ জানায়, বুধবার উত্তরাঞ্চলীয় লা গুয়াইরা রাজ্যে আঘাত হানা জোড়া ভূমিকম্পে অন্তত ১ হাজার ৭১৯ জন নিহত এবং ৫ হাজার ৩৪ জন আহত হয়েছেন।
এ ছাড়াও কয়েক হাজার মানুষ এখনও নিখোঁজ। এতে অর্থসংকটে থাকা সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে এবং ইতোমধ্যেই গৃহহীনদের আশ্রয় ও খাদ্যের জোগান দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার।
উদ্ধারকারীরা বলছেন, ভূমিকম্পের পর প্রথম ৭২ ঘণ্টা জীবিত মানুষ খুঁজে বের করা এবং ধ্বংসস্তূপ থেকে তাদের মুক্ত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে সেই সময়সীমা গত শনিবার শেষ হয়েছে।
বেসামরিক এক প্রতিরক্ষাকর্মী তার ভাইকে খুঁজতে খুঁজতে বলেন, ’খাবার বা ঘুম ছাড়াই আমাদের শক্ত থাকতে হবে। তবে যতক্ষণ না আমি মরদেহটি দেখছি, আমার আশা আছে।’
তবে খুব ধীরে উদ্ধার কাজ করায় এবং তাদের গৃহীত পদক্ষেপের ব্যাপক প্রচারের কারণে সমালোচনার মুখে পড়েছেন কর্মকর্তারা।
যদিও পুলিশ ও সেনারা লা গুয়াইরার বাস্তুচ্যুত বাসিন্দাদের মধ্যে টুনা মাছের ক্যান ও ক্র্যাকার্স বিতরণ করেছে।
অন্যদিকে দেশটির জাতীয় সংসদের সভাপতি হোর্হে রদ্রিগেজ বলেন, রাজ্যের ৯০ শতাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ পুনস্থাপন করা হয়েছে এবং ১৫টি অস্থায়ী শিবির স্থাপন করা হয়েছে।
থিওটোনিয়াস/অমিয়/