ঢাকা ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
উত্তরায় ইবিয়ানদের প্রথম মতবিনিময় ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে দোকান থেকে অজগর সাপ উদ্ধার জুলাই অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি ঘিরে শিবিরের ৩৬ দিনের কর্মসূচি বিশ্বকাপের ফ্যান জোনে গোলাগুলি, নিহত ১ বাগদান নিয়ে যা বললেন নীহা স্মার্টফোনের ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর হওয়ার সুযোগ বিরোধী দলের এমপিদের জন্য বরাদ্দ ২০ কোটি টাকা: মির্জা ফখরুল বটমলী হোম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বেরোবিতে আবারও অবস্থান কর্মসূচি করছেন পদোন্নতি বঞ্চিতরা স্যুটকেসে কিশোরীর মরদেহ, অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক গ্রেপ্তার কালো টাকা সাদা করার বিধান প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন খাতে সংশোধনী প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর ঐক্যবদ্ধ শক্তিতেই ভরসা জাপান কোচ মোরিয়াসুর ভূমিরূপ পরিবর্তন অধ্যায়ের ২টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র রাবিপ্রবিতে নতুন ৩ মিনিবাস এই গরমে ত্বকের যত্ন নিন সহজে রাবিতে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে সিট দখলের অভিযোগ, শিবিরের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন জাপানের মাইন্ড গেমসে পা দিবে না আনচেলত্তি বান্দার হৃদয়ে আল্লাহ কেন মোহর মারেন? এনসিসি ব্যাংকে ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি প্রোগ্রামে জনবল নিয়োগ আইফোন ১৮ প্রোর ফিচার ফাঁস: ডিজাইন, ক্যামেরা ও ডিসপ্লেতে যা থাকছে স্ট্রবেরি মুন দেখা যাবে ৩০ জুন পর্যন্ত সাধারণ এলইডির চেয়ে স্মার্ট বাল্ব কি ব্যয়বহুল? সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার আহ্বান শেরপুর সীমান্তে অবৈধ পথে ফেরা ২ বাংলাদেশিকে পুশব্যাক কচুয়ায় সিঁদ কেটে বৃদ্ধাকে গলাকেটে হত্যা আদ-দ্বীন হাসপাতাল বন্ধে শিক্ষার্থীর ক্যারিয়ার অন্ধকারে, দ্রুত চালুর দাবি জামায়াতের নিখোঁজের দুই দিন পর পুকুরে মিলল বৃদ্ধের মরদেহ বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ৬টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র শৈলকুপায় পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা মঙ্গলবার, নেওয়া হবে বিটিভি ও শহীদ মিনারে

আইফোন ১৮ প্রোর ফিচার ফাঁস: ডিজাইন, ক্যামেরা ও ডিসপ্লেতে যা থাকছে

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৩:০৮ পিএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ০৩:১১ পিএম
আইফোন ১৮ প্রোর ফিচার ফাঁস: ডিজাইন, ক্যামেরা ও ডিসপ্লেতে যা থাকছে
ছবি: সংগৃহীত

প্রযুক্তি বিশ্বে অ্যাপলের আসন্ন ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন ‘আইফোন ১৮ প্রো’ নিয়ে গুঞ্জন এখন তুঙ্গে। সাধারণত প্রতি বছর সেপ্টেম্বরে অ্যাপল তাদের নতুন আইফোন বাজারে ছাড়ে। তবে ২৬ এর পণ্য প্রদর্শনীতে অ্যাপলের মূল আকর্ষণ হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত ‘আইফোন ফোল্ড’ বা ভাঁজযোগ্য আইফোন। তাই স্ট্যান্ডার্ড বা সাধারণ আইফোন১৮-এর বাজারে আসতে ২০২৭ সালের বসন্ত পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। তবে এই ভাঁজযোগ্য ফোনের পাশাপাশি অ্যাপল বাজারে আনবে ৬ দশমিক ৩ ইঞ্চির আইফোন১৮ প্রো এবং ৬ দশমিক ৯ ইঞ্চির আইফোন১৮ প্রো ম্যাক্স।

ফোল্ডেবল ফোনটি সংবাদ শিরোনাম কেড়ে নিলেও, ‘প্রো’ মডেলগুলোতেও থাকছে বেশ কিছু যুগান্তকারী হার্ডওয়্যার পরিবর্তন। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো অ্যাপলের তৈরি প্রথম ২ ন্যানোমিটারের চিপসেট। যা ফোনের গতি ও শক্তি সাশ্রয়ের ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। 

সম্প্রতি লিক হওয়া বিভিন্ন তথ্য থেকে আইফোন ১৮ প্রো সম্পর্কে যা জানা গেছে, তা নিচে তুলে ধরা হলো:

ডিজাইন: চেনা রূপেই বড় চমক

ডিজাইনের ক্ষেত্রে অ্যাপল আইফোন ১৮ প্রো মডেলে খুব বড় কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন আনছে না বলে জানা গেছে। এটি চিরচেনা ডিজাইন ধরে রাখবে। যেখানে পেছনে থাকবে তিনটি লেন্স বিশিষ্ট একটি বড় ক্যামেরা মডিউল। 

প্রখ্যাত টিপস্টার ‘ডিজিটাল চ্যাট স্টেশন’ জানিয়েছেন, ফোনটির পেছনের ম্যাগসেফ চার্জিং এলাকার চারপাশের সিরামিক শিল্ড অংশটি ‘সামান্য স্বচ্ছ’ বা ট্রান্সপারেন্ট হতে পারে, যদিও এর আসল কাজ বা সৌন্দর্য কেমন হবে তা এখনও নিশ্চিত নয়।

অন্যদিকে, বিখ্যাত লিকার ‘আইস ইউনিভার্স’ এর তথ্যমতে, আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের পুরুত্ব সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে ৮ দশমিক ৭৫ মিলিমিটার থেকে ৮ দশমিক ৮ মিলিমিটার হতে পারে। এই সামান্য পার্থক্যের কারণে ফোনটির ওজন বেড়ে ২৪০ গ্রাম পার হতে পারে (যেখানে আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্সের ওজন ২৩৩ গ্রাম)। 

ক্যামেরা: এত বছরের সবচেয়ে বড় আপগ্রেড

গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় ক্যামেরা আপগ্রেড যুক্ত হতে যাচ্ছে আইফোন ১৮ প্রো সিরিজে। 

অ্যাপল সাপ্লাই চেইনের খ্যাতনামা বিশ্লেষক মিং চি কুও এর মতে, ফোনটির প্রধান ক্যামেরায় প্রথমবারের মতো ‘ভেরিয়েবল অ্যাপারচার’ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হতে পারে। ফলে ব্যবহারকারীরা লেন্সের ভেতর কতটুকু আলো প্রবেশ করবে তা ম্যানুয়ালি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। এই ফিচারটি অতিরিক্ত আলোতে ছবি জ্বলে যাওয়া রোধ করবে এবং ছবির ‘ডেপথ অব ফিল্ড’ ও সামগ্রিক নান্দনিকতার ওপর দারুণ নিয়ন্ত্রণ দিবে।

এ ছাড়াও, অ্যাপল অন্তত একটি প্রো ভ্যারিয়েন্টে স্যামসাংয়ের তৈরি উন্নত থ্রি লেয়ার স্ট্যাকড ইমেজ সেন্সর ব্যবহার করার কথা ভাবছে। এই নতুন সেন্সরটি ছবির রেসপন্স টাইম বাড়াবে, ছবির নয়েজ কমাবে এবং ডায়নামিক রেঞ্জ উন্নত করবে। একই সঙ্গে কম আলোতে নিখুঁত ছবি তোলার জন্য মেইন ও টেলিফটো লেন্সে আরও বড় অ্যাপারচার যুক্ত করা হচ্ছে।

ডিসপ্লে এবং ডায়নামিক আইল্যান্ড

শোনা যাচ্ছিল যে, আইফোন ১৮ প্রো তে ফেস আইডি উপাদানগুলো পুরোপুরি ডিসপ্লের নিচে লুকিয়ে ফেলা হবে। ফলে স্ক্রিনে কোনো দৃশ্যমান কাট-আউট বা নচ থাকবে না। তবে নতুন লিক অনুযায়ী, অ্যাপল এখনও এই প্রযুক্তিটি পুরোপুরি নিখুঁত করতে পারেনি, তাই এর ব্যবহার আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।

আন্ডার-স্ক্রিন ফেস আইডির বদলে অ্যাপল এবার আরও ছোট বা কমপ্যাক্ট ‘ডায়নামিক আইল্যান্ড’ নিয়ে আসছে, যা স্ক্রিনে বাড়তি জায়গা তৈরি করবে। টিপস্টার আইস ইউনিভার্সের শেয়ার করা একটি মক আপ অনুযায়ী, আইফোন ১৮ প্রো এর ডায়নামিক আইল্যান্ডটি আইফোন ১৭ সিরিজের চেয়ে প্রায় ৩৫ শতাংশ ছোট বা সরু হবে; যা লম্বায় ২০ দশমিক ৭ মিলিমিটার থেকে কমে ১৩ দশমিক ৫ মিলিমিটারে নেমে আসতে পারে।

এ ২০ চিপ: পারফরম্যান্সের নতুন যুগ

আইফোন ১৮ প্রো মডেল এবং অ্যাপলের ফোল্ডেবল হ্যান্ডসেটে ব্যবহার করা হবে নেক্সট জেনারেশনের ‘এ ২০’ চিপসেট। টিএসএমসির ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে তৈরি এই প্রসেসরটি ফোনের গতিতে এক বিশাল লাফ দিবে এবং ব্যাটারির খরচ নাটকীয়ভাবে কমিয়ে আনবে। ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির কারণে এই চিপে আগের চেয়ে অনেক বেশি ট্রানজিস্টর যুক্ত করা সম্ভব হবে। 

তবে প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, এটি পূর্বের ‘এ ১৯’ চিপের তুলনায় ১৫ শতাংশ বেশি কার্যক্ষমতা এবং প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি শক্তি সাশ্রয় করতে সক্ষম হবে।

থিওটোনিয়াস/

স্ট্রবেরি মুন দেখা যাবে ৩০ জুন পর্যন্ত

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৩:০৪ পিএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ০৩:৪০ পিএম
স্ট্রবেরি মুন দেখা যাবে ৩০ জুন পর্যন্ত
ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের বহুল প্রতীক্ষিত স্ট্রবেরি মুনের সৌন্দর্য ২৮, ২৯ ও ৩০ জুন- টানা তিন রাত উপভোগ করা যাবে। কোনো দিন মেঘের কারণে দেখা না গেলেও পরের দিন এটি দেখার সুযোগ থাকবে।

এটি উত্তর গোলার্ধে ২১ জুনের গ্রীষ্মকালীন অয়নকাল বা কর্কটসংক্রান্তির পর প্রথম পূর্ণিমা। বিশেষ এই জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক অবস্থানের কারণে ২০২৬ সালের অন্যান্য পূর্ণিমার তুলনায় স্ট্রবেরি মুন আকাশের সবচেয়ে নিচু পথ দিয়ে অতিক্রম করবে এবং সারারাত দক্ষিণ দিগন্তের কাছাকাছি অবস্থান করবে।

টাইম অ্যান্ড ডেট-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে এটি দেখার সবচেয়ে ভালো সময় হবে ২৯ জুন সূর্যাস্তের পর, যখন চাঁদ দক্ষিণ-পূর্ব দিগন্তে উদিত হবে।

ভারতের দিল্লি, মুম্বাই, বেঙ্গালুরু ও কলকাতাসহ বিভিন্ন শহরেও স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টার দিকে চন্দ্রোদয় হবে।

স্ট্রবেরি মুন কেন বলা হয়?

নামে ‘স্ট্রবেরি’ থাকলেও এই চাঁদের রং গোলাপি বা লাল হবে না। নাসার তথ্য অনুযায়ী, ‘স্ট্রবেরি মুন’ নামটি এসেছে উত্তর-পূর্ব উত্তর আমেরিকার অ্যালগনকুইন আদিবাসীদের কাছ থেকে। জুন মাসে স্ট্রবেরি সংগ্রহের মৌসুম শুরু হওয়ার সময় এই পূর্ণিমা দেখা যেত বলেই তারা এ নাম দিয়েছিলেন।

বিভিন্ন সংস্কৃতিতে এই পূর্ণিমাকে ‘রোজ মুন’, ‘হানি মুন’ বা ‘মিড মুন’ নামেও ডাকা হয়। এসব নাম মূলত গ্রীষ্মের শুরু, ফসল সংগ্রহ এবং মৌসুমি পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত। সূত্র: এনডিটিভি

খাদিজা রুমি/অমিয়/

তিন মাসের সন্তানকে নিয়ে ইইউর বৈঠকে সুইডিশ মন্ত্রী

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০১:১০ পিএম
তিন মাসের সন্তানকে নিয়ে ইইউর বৈঠকে সুইডিশ মন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) জলবায়ু নীতিবিষয়ক দীর্ঘ বৈঠকে এবার দেখা গেল এক ব্যতিক্রমী দৃশ্য। সদস্য দেশগুলোর মন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে উপস্থিত ছিল তিন মাস বয়সী এক শিশু। আর তাকে নিয়ে এসেছিলেন সুইডেনের জলবায়ু ও পরিবেশমন্ত্রী রোমিনা পোরমোখতারি।

তিন মাস বয়সী ছেলে অ্যাডামকে সঙ্গে নিয়ে লুক্সেমবার্গে অনুষ্ঠিত ইইউ কাউন্সিলের বৈঠকে অংশ নেন রোমিনা। এর মাধ্যমে তিনি দেখাতে চেয়েছেন, পরিবার ও কর্মজীবনের মধ্যে নারীদের যেন কোনো একটি বেছে নিতে না হয়- এমন পরিবেশ গড়ে তোলার গুরুত্ব।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ৩০ বছর বয়সী এই মন্ত্রী বলেন, ‘আমি উদাহরণ তৈরি করতে চেয়েছি যে, কাজ আর পরিবার- এই দুটির মধ্যে কোনো একটিকে বেছে নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। অবশ্য এর জন্য আধুনিক মানসিকতার একজন জীবনসঙ্গীরও প্রয়োজন, যিনি দায়িত্ব ভাগ করে নিতে প্রস্তুত।’

ইইউ কাউন্সিলের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাদের জানা মতে, ইইউ সদস্যদেশগুলোর মন্ত্রীদের আনুষ্ঠানিক বৈঠকে এই প্রথম কোনো শিশুর উপস্থিতির ঘটনা ঘটল।

২০২২ সালে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় রোমিনা ছিলেন সুইডেনের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ মন্ত্রী। সম্প্রতি মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে তিনি কাজে ফিরেছেন। বর্তমানে তার স্বামী পিতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন এবং ছেলেকে দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করছেন। সেই কারণেই তিনি অ্যাডামকে নিয়ে লুক্সেমবার্গ সফরে সঙ্গী হয়েছেন।

সুইডেনে বাবা-মা মিলিয়ে প্রায় ১৬ মাসের বেতনসহ ছুটি পান। এর মধ্যে ৯০ দিন শুধু বাবার এবং ৯০ দিন শুধু মায়ের জন্য সংরক্ষিত থাকে। নির্ধারিত ব্যক্তি সেই ছুটি ব্যবহার না করলে তা অন্যজনের কাছে হস্তান্তর করা যায় না।

রোমিনার মতে, এই নীতির পাশাপাশি সহকর্মীদের সহযোগিতাই তাকে নিশ্চিন্তে কাজে ফিরতে সহায়তা করেছে। 

তিনি বলেন, শুধু দীর্ঘ ছুটি দিলেই হবে না; বাবা-মায়ের মধ্যে আরও নমনীয়ভাবে ছুটি ভাগাভাগির সুযোগ এবং সাশ্রয়ী মূল্যে শিশুসেবা নিশ্চিত করাও জরুরি।

তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের নীতি সমাজের জন্য এমন মূল্য তৈরি করে, যার গুরুত্ব অবমূল্যায়ন করা উচিত নয়। এটি শুধু সামাজিক নয়, দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিকভাবেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। কারণ এতে কর্মজীবী বাবা-মায়ের মানসিক চাপ ও কর্মক্ষয় কমে।’

পোল্যান্ডের উপ-জলবায়ুমন্ত্রী ক্রিস্টোফ বোলেস্তাও বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেছেন। তার ভাষায়, ‘এটি দারুণ একটি উদ্যোগ। একটি শিশু কোনো প্রতিবন্ধকতা নয়, বরং জীবনেরই স্বাভাবিক অংশ।’ সূত্র: রয়টার্স

অমিয়/

আনারস দিবস: দুধ-আনারস এক সঙ্গে খাওয়া যাবে কি?

প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২৬, ১১:১৭ এএম
আপডেট: ২৭ জুন ২০২৬, ১১:৩৬ এএম
আনারস দিবস: দুধ-আনারস এক সঙ্গে খাওয়া যাবে কি?
ছবি: প্রতীকী

প্রতি বছর ২৭ জুন বিশ্ব আনারস দিবস পালন করা হয়। ‘আ-না-রস’- নামটি শুনলেই অনেকের মুখে হাসি ফুটে ওঠে। কারণ শব্দটিকে ভেঙে দাঁড়ায়, ‘আ-না-রস’, অর্থ দাঁড়ায় ‘রস নেই’। অথচ বাস্তবে আনারসের চেয়ে রসাল ফল খুব কমই আছে। টকমিষ্টি স্বাদের এই ফলের এক টুকরো মুখে দিলেই রসে ভরে ওঠে।

আনারসকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে মজার কথা- ‘রসে টসটস, কিন্তু নাম তার আ-না-রস!’ 

ভাষাবিদদের মতে, ‘আনারস’ নামটির সঙ্গে ‘রস নেই’- এমন কোনো অর্থগত সম্পর্ক নেই। শব্দটি বাংলা ভাষায় এসেছে বিদেশি ভাষার প্রভাব থেকে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এই ফলটি ‘আনানাস’ নামে পরিচিত। দক্ষিণ আমেরিকার আদিবাসী টুপি ভাষার বা আনানাস শব্দের অর্থ ‘অত্যন্ত উৎকৃষ্ট ফল’ বা ‘সুগন্ধি ফল’। 

পরবর্তীতে পর্তুগিজসহ ইউরোপীয় ভাষার মাধ্যমে ‘আনানাস’ শব্দটি ভারতীয় উপমহাদেশে আসে। বাংলায় উচ্চারণের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে তা ‘আনারস’ রূপ পায়।

সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফলটি ভিটামিন সি, ম্যাঙ্গানিজ, আঁশ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভালো উৎস।

তবে আনারস নিয়ে একটি প্রচলিত ধারণা হলো- আনারসের সঙ্গে দুধ খাওয়া উচিত নয়। কিন্তু এর পেছনে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি কতটুকু?

বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ মানুষের জন্য আনারস ও দুধ একসঙ্গে খাওয়া সাধারণত ক্ষতিকর নয়। আনারসে থাকা ব্রোমেলেইন নামের একটি এনজাইম দুধের প্রোটিনের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া করতে পারে, ফলে দুধ কিছুটা জমাট বাঁধতে পারে বা স্বাদে পরিবর্তন আসতে পারে। তবে এটি বিষাক্ত কোনো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে না।

কিছু মানুষের ক্ষেত্রে আনারসের অম্লীয় স্বভাবের কারণে দুধের সঙ্গে খেলে হালকা অস্বস্তি, গ্যাস বা বদহজম হতে পারে। যাদের সংবেদনশীল পাকস্থলী বা ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা রয়েছে, তাদের এ ধরনের সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।

আনারস ও দুধ দিয়ে তৈরি স্মুদি, মিল্কশেক বা বিভিন্ন ডেজার্ট বিশ্বের অনেক দেশেই জনপ্রিয় এবং নিরাপদভাবে খাওয়া হয়। তাই এ দুটি খাবার একসঙ্গে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর- এমন ধারণার পক্ষে শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।

তবে যাদের আগে থেকে হজমের সমস্যা রয়েছে বা আনারস খেলে অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দেয়, তাদের সতর্ক থাকা উচিত। নতুন কোনো খাবারের সংমিশ্রণ খাওয়ার পর অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই উত্তম।

বিশ্ব আনারস দিবসে পুষ্টিকর এই ফলটি খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন। তবে যেকোনো খাবারের মতোই পরিমিত পরিমাণে খাওয়া এবং নিজের শারীরিক সহনশীলতার প্রতি গুরুত্ব দেওয়াই সবচেয়ে ভালো অভ্যাস।

খাদিজা রুমি/অমিয়/

একাকী বার্ধক্য রোধে ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ ভারতের এই রাজ্যের

প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৬, ১২:২৮ পিএম
আপডেট: ২৫ জুন ২০২৬, ১২:৫৪ পিএম
একাকী বার্ধক্য রোধে ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ ভারতের এই রাজ্যের
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কেরালার বাসিন্দা ৭০ বছর বয়সী টিও ডমিনিকের দিনের শুরুটা হয় ছেলেদের যেকোনো একজনকে ফোন করার মাধ্যমে। তার এক ছেলে থাকেন পার্শ্ববর্তী রাজ্য কর্ণাটকে, আর অন্যজন মধ্যপ্রাচ্যে। উন্নত কাজের খোঁজে বেশ কয়েক বছর আগেই তারা ঘর ছেড়েছেন। বাড়িতে এখন ডমিনিক আর তার স্ত্রী এমজে মার্থারের দিন কাটে নিজেদের মতো করে।

ফোনে টুকটাক খোঁজখবর বা আবহাওয়া নিয়ে কথা বলাটা কিছুটা স্বস্তি দিলেও, ঘরে যখন কোনো জরুরি সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তখন ছেলেরা পাশে থাকতে পারেন না। 

ভারতের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল প্রবীণ জনসংখ্যার রাজ্য কেরালায় এই দৃশ্য এখন খুবই সাধারণ। কারণ কর্মসংস্থান আর উচ্চশিক্ষার জন্য তরুণ প্রজন্ম অভিবাসী হচ্ছে। এতে প্রবীণরা ক্রমেই একা হয়ে পড়ছেন।

মে মাসে এই সংকট মোকাবিলায় কেরালা রাজ্যের সরকার প্রবীণদের কল্যাণের জন্য একটি আলাদা ও ডেডিকেটেড বিভাগ চালু করেছে, যা ভারতের ইতিহাসে প্রথম এমন উদ্যোগ।

সন্তানদের কোলাহলে মুখরিত বাড়িতে এখন নীরবতার প্রহর গোনেন ডমিনিক। তিনি বলেন, ‘আমরা এখন পুরোপুরি প্রতিবেশীদের ওপর নির্ভরশীল। আমাদের ছেলেমেয়েরা কমই বেড়াতে আসে এবং আশেপাশে তেমন কোনো আত্মীয়-স্বজনও নেই, যারা আমাদের সাহায্য করবে। দিন দিন পরিস্থিতি কঠিন হয়ে উঠছে।’

পাশে বসা তার স্ত্রী মার্থা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেন, ‘বার্ধক্যের সবচেয়ে বড় সঙ্গী এখন একাকীত্ব।’

লক্ষ্য ‘এজিং ইন প্লেস’

ভারতে যুগ যুগ ধরে প্রবীণরা সন্তানদের সঙ্গেই থাকতেন এবং তাদের ওপরই নির্ভরশীল ছিলেন। কিন্তু সেই ঐতিহ্য এখন ভাঙনের মুখে।

প্রবীণ কল্যাণ বিভাগের প্রধান ড. রথান কেলকার জানান, তাদের মূল কৌশল হলো ‘এজিং ইন প্লেস’, অর্থাৎ, বয়োবৃদ্ধদের কোনো বৃদ্ধাশ্রমে না পাঠিয়ে তাদের নিজেদের বাড়ি ও চেনা পরিবেশেই সব ধরণের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া।

তিনি আরও বলেন, ‘‘পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে- কমিউনিটি ও হোম-বেসড কেয়ারের পরিধি বাড়ানো এবং ‘সোশ্যাল প্রেসক্রাইবিং’ বা সামাজিক ব্যবস্থাপত্রের প্রবর্তন, যার মাধ্যমে প্রবীণদের বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা হবে। এ ছাড়া কেরালা সরকার সার্টিফাইড কেয়ারগিভার প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, প্রবীণদের জন্য পার্ক, ডে-কেয়ার সেন্টার এবং ফিটনেস সেন্টার গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে।’’

ড. কেলকার বলেন, বার্ধক্য এখন আর কেবল সমাজকল্যাণমূলক কোনো বিষয় নয়। এটি এখন স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন, পরিবহন, স্থানীয় শাসন, প্রযুক্তি, কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা ও আর্থিক খাতের মতো একাধিক বিষয়ের সঙ্গে জড়িত।

প্রবীণের সংখ্যায় শীর্ষে কেরালা

উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, গড় আয়ু বৃদ্ধি এবং জন্মহার কমে যাওয়ার কারণে কেরালা ভারতের সবচেয়ে বয়োবৃদ্ধ রাজ্যে পরিণত হয়েছে। রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার (আরবিআই) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৩৬ সালের মধ্যে কেরালার মোট জনসংখ্যার প্রায় ২২ দশমিক ৮ শতাংশ (প্রতি চারজনে একজন) হবেন প্রবীণ, যেখানে জাতীয় গড় থাকবে ১৪ দশমিক ৯ শতাংশ।

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স কেরালাবাসীর জীবনযাত্রার মান বাড়ালেও, এর একটি অন্ধকার দিকও স্পষ্ট হচ্ছে। সিডনিতে কর্মরত এক আইটি পেশাদার বলেন, ‘আমি নিয়মিত বাড়িতে টাকা পাঠালেও শুধু আর্থিক সহযোগিতাই তো শেষ কথা নয়। শারীরিক অসুস্থতা বা জরুরি মুহূর্তে মা-বাবার পাশে সশরীরে থাকতে না পারার যে মানসিক কষ্ট, তা টাকা দিয়ে দূর করা যায় না। দূর থেকে ভিডিও কলে মা-বাবাকে অসুস্থ দেখলে নিজেকে বড্ড অসহায় লাগে।’

একাকীত্ব দূর করাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ

কেরালা সরকারের এই বিভাগ আগের সব প্রবীণ সেবা প্রকল্পগুলোকে (যেমন- বয়োমিথ্রম বা সামাজিক পেনশন) এক ছাতার নিচে নিয়ে আসবে। তবে ড. কেলকার স্বীকার করেছেন যে, শুধু অবকাঠামো দিয়ে একাকীত্ব দূর করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো, কেরালার কোনো প্রবীণ মানুষ যেন নিজেকে অদৃশ্য বা পরিত্যক্ত মনে না করেন।’

দিল্লির অ্যাপোলো হাসপাতালের জেরিয়াট্রিক ইউনিটের প্রধান ড. প্রসূন চ্যাটার্জি বলেন, ‘আমার রোগীরা প্রায়ই জিজ্ঞেস করেন- মাঝরাতে হঠাৎ অসুস্থ হলে কে তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাবে? ভারতে এখনও প্রবীণদের জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসকের (জেরিয়াট্রিক স্পেশালিস্ট) তীব্র সংকট রয়েছে।’

প্রকল্পের বাজেট ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা

কেরালা সরকার চলতি বছর এই খাতের জন্য ১০ কোটি রুপি বরাদ্দ করেছে। অনেকে একে ‘প্রতীকী’ বা অপ্রতুল বললেও ড. কেলকার জানান, প্রাথমিক সমন্বয়, পাইলট প্রজেক্ট এবং দীর্ঘমেয়াদি তথ্যভাণ্ডার তৈরির জন্য এই তহবিল ব্যবহার করা হবে।

তবে নীতিমালা কবে পুরোপুরি বাস্তবায়িত হবে, সেই আশায় বসে নেই ডমিনিক ও মার্থা দম্পতি। চিরাচরিত নিয়মে তারা এখনও প্রতিবেশীদের ওপরই ভরসা রাখছেন। 

মার্থা বলেন, ‘আমাদের চাওয়া খুব সাধারণ- এমন কেউ একজন থাকুক, যাকে ডাকলে সত্যিই ছুটে আসবে।’

তবে সমুদ্র এবং টাইম জোনের দূরত্বে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া পরিবারগুলোর মাঝে কেরালার এই নতুন বিভাগ কতটা স্বস্তি ফেরাতে পারে, তা সময়ই বলে দেবে।

থিওটোনিয়াস/অমিয়/

বিশ্বের সর্বোচ্চ রেলওয়ে স্টেশনে মনোমুগ্ধকর দৃশ্য

প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৬, ১২:০১ পিএম
বিশ্বের সর্বোচ্চ রেলওয়ে স্টেশনে মনোমুগ্ধকর দৃশ্য
ছবি: সংগৃহীত

তিব্বতি ভাষায় ‘তাংগুলা’ শব্দের অর্থ ‘মালভূমির ওপর অবস্থিত পর্বতমালা’। উত্তর-পশ্চিম চীনের চিংহাই প্রদেশ এবং দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের শিজাং (তিব্বত) স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের মধ্যবর্তী প্রাকৃতিক সীমান্ত হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে তাংগুলা পর্বতমালা। 

চিংহাই-শিজাং মালভূমির কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এই পর্বতশ্রেণির গড় উচ্চতা ৫ হাজার মিটারেরও বেশি। এর অধিকাংশ শৃঙ্গ সারা বছরই বরফ ও তুষারে আচ্ছাদিত থাকে।

প্রাচীনকাল থেকে তাংগুলা অঞ্চল শিজাংয়ে প্রবেশের অন্যতম কঠিন ও দুর্গম পথ হিসেবে পরিচিত। প্রতিকূল আবহাওয়া, অক্সিজেনের স্বল্পতা এবং দুর্গম ভূপ্রকৃতির কারণে এ অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে মানুষের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।

তবে ২০০৬ সালে চিংহাই-শিজাং রেলপথ চালু হওয়ার মাধ্যমে এই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন যুগের সূচনা হয়। 

প্রকৌশল বিস্ময় হিসেবে পরিচিত এই রেলপথ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫ হাজার ৭২ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত তাংগুলা গিরিপথ অতিক্রম করেছে, যা বর্তমানে বিশ্বের যেকোনো রেলপথের সর্বোচ্চ বিন্দু।

এ রেলপথের তাংগুলা রেলওয়ে স্টেশন বিশ্বের সর্বোচ্চ রেলওয়ে স্টেশন হিসেবে পরিচিত। 

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫ হাজার ৬৮ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এই স্টেশনটি কঠোর প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যেও আধুনিক প্রকৌশলের এক অনন্য নিদর্শন। 

চারদিকে বিস্তৃত তুষারাবৃত পর্বত, নীল আকাশ এবং বিস্ময়কর মালভূমির দৃশ্য পর্যটক ও ভ্রমণপ্রেমীদের মুগ্ধ করে।

চিংহাই-শিজাং রেলপথ শুধু চীনের পরিবহন ব্যবস্থায় নতুন মাত্রাই যোগ করেনি, বরং তিব্বত অঞ্চলের অর্থনীতি, পর্যটন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। 

বিশ্বের ছাদখ্যাত এই অঞ্চলের অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং প্রকৌশল কৃতিত্ব একসঙ্গে উপভোগ করতে বিশ্বের সর্বোচ্চ রেলওয়ে স্টেশন একটি অনন্য গন্তব্য। সূত্র: সিজিটিএন

অমিয়/