চাঁদপুরের কচুয়ায় পাথৈর ইউনিয়নের বেরকোটা গ্রামে সিঁদ কেটে ঘরে ঢুকে এক বৃদ্ধাকে গলাকেটে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে। একই সঙ্গে ঘর থেকে স্বর্ণালঙ্কার ও অন্যান্য মালামাল চুরির অভিযোগ করেছেন স্বজনরা।
রবিবার (২৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ফাতেমা বেগম (৭৫) ওই গ্রামের মৃত সাদেক উল্যাহ মিয়াজির স্ত্রী। তিনি তিন ছেলে ও দুই মেয়ের জননী। তার দুই ছেলে সৌদি আরব প্রবাসী।
স্বজন ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা ঘরে সিঁদ কেটে ভেতরে ঢুকে। পরে ঘুমন্ত অবস্থায় ফাতেমা বেগমকে গলাকেটে হত্যা করে মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।
পরিবারের সদস্যদের ধারণা, চুরির উদ্দেশ্যে ঘরে ঢোকা ব্যক্তিদের ফাতেমা বেগম চিনে ফেলায় নিজেদের পরিচয় গোপন করতে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য দেয়নি পুলিশ।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের পাশাপাশি আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন, জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
খবর পেয়ে কচুয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল হাই, কচুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রাশেদুল হকসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পরে সাচার পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, ’ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে হত্যার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।’
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন, আলামত সংগ্রহ এবং তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
ফয়েজ/খাদিজা রুমি/