ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পারিবারিক কলহের জেরে ঘুমন্ত অবস্থায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্বামী হানিফ শেখের (২৩) গোপনাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে তার স্ত্রী সুমাইয়া আক্তারের (২২) বিরুদ্ধে।
সোমবার (২৯ জুন) সকাল ৮টার দিকে পৌরসদরের হোগলাডাঙ্গী সদরদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
হানিফ শেখ উপজেলার পুখুরিয়া গ্রামের রফিক শেখের ছেলে। স্ত্রী সুমাইয়া আক্তারের বাবার বাড়ি উপজেলার মানিকদহ ইউনিয়নের পুখুরিয়া গ্রামে। তারা স্বামী-স্ত্রী পৌরসভার হোগলাডাঙ্গী সদরদী এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাস দুই আগে তারা পৌরসভার হোগলাডাঙ্গী সদরদী এলাকায় বদিউজ্জামানের বাড়িতে বাসা ভাড়া নেন। এরপর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ লেগে থাকে। রবিবার রাতেও তাদের মধ্যে ঝগড়াঝাটি হয়। সোমবার সকালে ঘুমন্ত অবস্থায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্বামী হানিফ শেখের গোপনাঙ্গ কেটে দেন তার স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার।
এ সময় হানিফ শেখের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এসে তাকে প্রথমে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যান। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত সুমাইয়া আক্তারকে আটক করেন। পরে পুলিশ তাকে থানা হেফাজতে নিয়ে যায়।
ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তানসিভ জুবায়ের নাদিম বলেন, ‘রোগীর প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। প্রাথমিকভাবে রক্ত বন্ধের চেষ্টা করা হয়। তবে রোগীর পুরুষাঙ্গ সামান্য একটু ঝুলে ছিল। সেক্ষেত্রে জোড়া লাগানোর সম্ভাবনা নেই। পরবর্তীতে তার শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।’
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান খবরের কাগজকে বলেন, অভিযুক্ত সুমাইয়া আক্তারকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা চলমান।
এনকেবি নয়ন/আজহার/