‘কালেমা লেখাসংবলিত পতাকা’ প্রদর্শন নিয়ে সারা দেশে চলছে নানা রকম আলোচনা। আকস্মিকভাবে প্রায় একই সময়ে বিভিন্ন জেলায় কালেমাসংবলিত পতাকা ওড়ানো, মিছিল-শোডাউন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি প্রচারের ঘটনা নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। যদিও অনেকেই দাবি করেছেন, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশে ইসলামের প্রতি ভালোবাসা বা অনুরাগ থেকেই কালেমাসংবলিত পতাকা প্রদর্শন করা হয়েছে। কিন্তু সময়ের প্রেক্ষাপটে একসঙ্গে বিভিন্ন জেলায় এ ধরনের তৎপরতাকে ভিন্ন কোনো সংকেত বা সতর্কবার্তা দিচ্ছে কি না, সেটি নিয়েও বিভিন্ন মহলে আলোচনা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় সূত্রগুলো বলেছে, রাজধানী ঢাকা, কক্সবাজার, নরসিংদী, মাগুরা, জামালপুর, গোপালগঞ্জ, ভোলাসহ অন্তত ১৫টি জেলায় গত দুই দিনে কালেমা লেখাসংবলিত সাদা বা কালো পতাকা প্রদর্শনের ঘটনা ঘটে। পরে তাদের সেসব কর্মসূচি বা তৎপরতার ছবি-ভিডিও সামাজিক যোগযোগমাধ্যমের অন্তত ২৪টি আইডি থেকে প্রকাশ করা হয়েছে। এসব ঘটনা সংঘবদ্ধ নাকি বিচ্ছিন্ন, সে প্রশ্ন তুলেছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।
ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম গতকাল খবরের কাগজকে বলেন, ‘যারা এ ধরনের পতাকা প্রদর্শন করেছেন বা আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, এমন কয়েকজনের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। তাদের দাবি, বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে যেভাবে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার পতাকা নিয়ে এখানে (বাংলাদেশে) মাতামাতি করা হচ্ছে, সেভাবে ইসলামের প্রতি গভীর ভালোবাসার প্রকাশ হিসেবে কালেমা লেখা পতাকা প্রদর্শন করা হয়েছে। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা ইসরায়েলকে যুদ্ধের সমর্থন দেওয়াসহ এমন কিছু প্রেক্ষাপটেও কালেমা লেখা পতাকা তারা প্রদর্শন করেছেন।’
প্রায় একই সময়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় এমনভাবে পতাকা প্রদর্শনের বিষয়টি অন্য কোনো সংকেত কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘না, আমরা এমন কোনো ধরনের বিষয় দেখছি না। প্রাথমিক তদন্তে ইসলামের প্রতি গভীর ভালোবাসা বা অনুরাগ থেকেই কালেমা লেখাসংবলিত পতাকা প্রদর্শন করা হয়েছে। তারপরও আমরা বিষয়টি নিয়ে আরও বিস্তারিতভাবে কাজ করছি।’ একাধিক গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, একই সময়ে বিভিন্ন স্থানে প্রায় অভিন্ন ধরনের পতাকা প্রদর্শন অন্য কোনো বার্তা দিচ্ছে কি না, সেটি তারা গভীরভাবে খতিয়ে দেখছে। যদি ধর্মীয় অনুরাগ-অনুভূতির বিষয় হয়, সেটি নিয়ে সমস্যার কিছু নেই। কিন্তু অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে।
খবরের কাগজের স্থানীয় প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য থেকে জানা যায়, গত দুই দিনে আকস্মিকভাবে বিভিন্ন জেলায় সাদা এবং কালো রঙের ব্যানারে আরবি অক্ষরে কালেমা লেখাসংবলিত বিভিন্ন আকারের অনেক পতাকার প্রদর্শন করা হয়েছে। ওই সব পতাকা নিয়ে এলাকায়, এমনকি সারা দেশে আলোচনা বা চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
শাহপরীর দ্বীপে পতাকার কর্মসূচি পালন করে ‘আল হিদায়া ছাত্রসংগঠন’
কক্সবাজার ও টেকনাফ প্রতিনিধি জানান, টেকনাফ উপজেলার শাহপরীর দ্বীপ সীমান্ত এলাকায় গত শনিবার সড়কের দুই পাশে সারি সারি কালেমাসংবলিত সাদা-কালো পতাকা টাঙানো হয়। এসব পতাকা উত্তোলনের দায়িত্ব স্বীকার করে স্থানীয় ‘আল হিদায়া ছাত্রসংগঠন’। সংগঠনটির প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, ‘ইসলামকে ভালোবেসে এবং কালেমার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের উদ্দেশ্যেই তারা এ উদ্যোগ নিয়েছেন। এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই।’ যদিও সীমান্ত এলাকায় হঠাৎ করে এ ধরনের পতাকা টাঙানোর কারণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহল দেখা দিয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে পুলিশ ও প্রশাসন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে টেকনাফের আকিব নামের এক যুবক বলেন, ‘এ পর্যন্ত কোনো ফুটবল খেলার জার্সি কিনে টাকা নষ্ট করিনি। আমার পেছনে দেখা যাচ্ছে এত সুন্দর কালেমার পতাকা। এ দৃশ্য দেখে মনটা ভরে গেল।’ এ ছাড়া এক পোস্টে ‘আল হিদায়া ছাত্রসংগঠন’ নামের ফেসবুক পেজ থেকে লেখা হয়, এটি তাদের প্রথম কর্মসূচি। সবার প্রোফাইলে কালেমার এই পতাকাটি ব্যবহার করার আহ্বান জানায় তারা।
শাহপরীর দ্বীপ ডাঙারপাড়া এশা’আতুল ইসলাম ফোরকানিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক আনসারুল হক বলেন, ‘আল হিদায়া ছাত্রসংগঠনের উদ্যোগে এসব পতাকা টাঙানো হয়েছে। আমিও এতে অংশ নিয়েছি। মূলত কালেমার প্রতি ভালোবাসা থেকেই এ কাজে যুক্ত হয়েছি। এর বাইরে আমাদের অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই। পরে প্রশাসনিকভাবে চাপের বিষয়টি জানতে পেরে আমি নিজেই গিয়ে কিছু পতাকা নামিয়ে ফেলি।’
সংগঠনটির উপদেষ্টা মোহাম্মদ আসেম বিল্লাহ তাহেরী বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন স্থানে কালেমাসংবলিত পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় টেকনাফ সীমান্তেও আমরা এসব পতাকা উত্তোলন করেছি। ইসলামকে ভালোবেসেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।’
গোপালগঞ্জে পবিত্র কালেমাখচিত সাদা পতাকা, জনমনে প্রশ্ন
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, গোপালগঞ্জে বিভিন্ন স্থানে তৌহিদী জনতার ব্যানারে টাঙানো হয়েছে পবিত্র কালেমাখচিত সাদা পতাকা। স্থানীয়রা জানান, গত শুক্রবার সকালে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বর্নি এলাকার কয়েকজন তরুণের উদ্যোগে গোপালগঞ্জ-বর্নি, সিঙ্গিপাড়া সড়কের বর্নি বাজার ব্রিজজুড়ে সারিবদ্ধভাবে টাঙানো হয় পবিত্র কালেমাখচিত সাদা পতাকা।
গত বুধবার বিকেলে কোটালীপাড়া উপজেলার ঘাঘর ব্রিজের ওপর পবিত্র কালেমাখচিত সাদা পতাকা টাঙানো হয়। রাতে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। পরদিন বৃহস্পতিবার কোটালীপাড়া উপজেলা সদরে পবিত্র কালেমাখচিত সাদা পতাকা নিয়ে করা হয় মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা।
এ বিষয় গোপালগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ জানান, কিছু উৎসুক জনতা স্বপ্রণোদিত হয়ে কালেমাখচিত পতাকা নিয়ে সড়ক প্রদক্ষিণ করেছেন। এদের কোনো দলীয় পরিচয় আছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
জামালপুরে দুই উপজেলায় কালেমাখচিত পতাকা মিছিল
জামালপুর প্রতিনিধি জানান, জামালপুরের ইসলামপুর ও মাদারগঞ্জ উপজেলায় কালেমাখচিত সাদা ও কালো পতাকা নিয়ে মিছিল ও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা হয়েছে। গত বুধবার বিকেলে ইসলামপুর উপজেলার ডিগ্রিরচর ও গত শুক্রবার দুপুরে মাদারগঞ্জ উপজেলা শহরে এসব কর্মসূচি পালিত হয়।
স্থানীয়রা জানান, ভারতের আগ্রাসন, গাইবান্ধায় রামমূর্তি নির্মাণ এবং উগ্র হিন্দুত্ববাদী তৎপরতার প্রতিবাদে জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার ডিগ্রিরচরে ‘চরাঞ্চল তৌহিদী জনতার’ উদ্যোগে কালেমাখচিত পতাকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার ডিগ্রিরচর এলাকার স্থানীয় জামিয়া মফিজিয়া মাদ্রাসা থেকে বিক্ষোভ ও পতাকা মিছিলটি বের হয়। মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ প্রায় ৪০০ মানুষ মিছিলে অংশ নেন।
এ ছাড়া শুক্রবার মাদারগঞ্জে কালেমাখচিত সাদা ও কালো পতাকা নিয়ে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা পরিষদসংলগ্ন হাওয়াই রোড থেকে এই মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা বের হয়। অন্তত ১০টি মোটরসাইকেলে করে প্রায় ২০ জন এতে অংশ নেন।
মিছিলে অংশগ্রহণকারী মাওলানা নুরুল হক বলেন, ‘ইসলামের পতাকা ও জাতীয় পাতাকা নিয়ে আমরা মিছিল করেছি। মুসলিম যুবসমাজের অন্তরে যেন কালেমা ঢুকে যায়। কালেমা ইসলামের মৌলিক বিষয়, এটা যেন তারা জানতে পারে, এ জন্য এই উদ্যোগ।’
মাগুরায় পতাকা উত্তোলন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রশাসন
মাগুরা প্রতিনিধি জানান, মাগুরা শহর ও জেলার বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি কালেমার পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে ধারাবাহিকভাবে কয়েকটি কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে পতাকা উত্তোলন, একটি পতাকা অপসারণের অভিযোগে প্রতিবাদ সমাবেশ এবং আশুরা উপলক্ষে আয়োজিত মিছিলেও কালেমার পতাকা প্রদর্শনের ঘটনা রয়েছে।
সমাবেশে সংগঠনের নেতারা জানান, রাজধানীর ঢাকা-যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভারের ওপর উত্তোলিত একটি কালেমার পতাকা অপসারণের ঘটনার প্রতিবাদ হিসেবে তারা মাগুরার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই কর্মসূচি পালন করেছেন। তাদের দাবি, এটি ধর্মীয় চেতনা ও তাওহিদের বাণী প্রচারের অংশ।
মাগুরা জেলা ইসলামী যুব সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ আবু তালহা বলেন, ‘কালেমার পতাকা কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের নয়, এটি আল্লাহর দীনের প্রতীক। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে এই পতাকার মর্যাদা রক্ষা এবং ইসলামের মৌলিক বাণী মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই।’
এদিকে শুক্রবার আশুরা উপলক্ষে মাগুরা শহরে আয়োজিত একটি মিছিলেও কালেমার পতাকা বহন করতে দেখা যায়। মিছিলটি ভায়নার মোড়ে অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভের পাদদেশে সমাবেশ করে। সেখানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মাগুরা জেলা শাখার সদস্যসচিব মোহাম্মদ হোসাইন, ছাত্রশক্তি মাগুরা জেলা শাখার সদস্যসচিব নিহাজ, যুব অধিকার পরিষদের নেতা রাজিব হোসেন, ছাত্রদল নেতা জিহাদ এবং ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা বক্তব্য দেন।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থান্দার খায়রুল হাসান বলেন, পুরো বিষয়টি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এটি কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কার্যক্রম কি না, সে বিষয়েও নজর রাখা হচ্ছে।
নরসিংদীর বিভিন্ন স্থানে কালেমাখচিত পতাকা নিয়ে রহস্য
নরসিংদী প্রতিনিধি জানান, নরসিংদীর বিভিন্ন স্থানে কালেমাখচিত সাদা-কালো পতাকা টাঙানো দেখা গেছে। এর মধ্যে পলাশ উপজেলার বিআরটিসি বাসস্ট্যান্ডেও এমন বেশ কয়েকটি পতাকা ঝুলতে দেখা যায়। তবে স্থানীয়রা জানাতে পারেননি, কে বা কারা এসব পতাকা টানিয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহযোগী সংগঠন ইসলামী যুব আন্দোলন নরসিংদী জেলা কমিটির সহসভাপতি মোবারক হোসেন বলেন, ‘কালেমাকে আমরা সব সময় সম্মান করি। তাই এভাবে রাস্তাঘাটে কালেমাখচিত পতাকা ঝুলতে থাকার বিষয়টি ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে ভালো লাগেনি। এ ধরনের পতাকা টাঙানোর বিষয়ে আমাদের দলের কোনো নির্দেশনাও নেই।’
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নরসিংদী জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা মো. আমজাদ হোসেন বলেন, ‘হঠাৎ করে এ ধরনের সাদা-কালো পতাকা ঝোলানোর বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। বিষয়টি সত্যিই রহস্যজনক। কে বা কারা এসব করছে, তা প্রশাসনের খতিয়ে দেখা উচিত।’
রাজবাড়ীতে পতাকা নিয়ে মোটর শোভাযাত্রা
রাজবাড়ী প্রতিনিধি জানান, রাজবাড়ী শহরে কালেমাখচিত পতাকা নিয়ে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার জুমার নামাজের পর শহরের বড়পুল মোড় থেকে শোভাযাত্রাটি বের হয়। এতে প্রায় অর্ধশত মোটরসাইকেল অংশ নেয়। মোটরসাইকেলগুলোতে কালেমাখচিত পতাকা লাগানো ছিল। এ ছাড়া অনেকের হাতে লাঠিতে বাঁধা কালেমার পতাকাও দেখা যায়।
শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজবাড়ীর নেতা মিরাজুল মাজিদ তুর্যও ছিলেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সারা বাংলাদেশে বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন দেশের পতাকা ওড়ানো হচ্ছে। আমরা মনে করি, একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশে অন্য দেশের পতাকা ওড়ানো উচিত নয়। কয়েক দিন আগে আমাদের এক ভাই ঢাকার যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভারে কালেমার পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। পরে সেই পতাকা নামিয়ে ফেলা হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদ থেকেই আমরা কালেমার পতাকা নিয়ে এই শোভাযাত্রা করেছি। এটি কোনো রাজনৈতিক দলের ব্যানারে আয়োজন করা হয়নি।’