ঢাকা ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সিলেটে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, ক্যাডার ১৩২০ বর্তমান প্রজন্মই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী ক্লিন ক্যাম্পাস গড়তে সবার সহযোগিতা চাইলেন ইবি ভিসি রাজশাহীতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু রমনা পার্কটি বাঁচান বিকাশ ও মাস্টারকার্ডের অংশীদারত্বে দেশে রেমিট্যান্স আসবে আরও সহজে ও দ্রুত সাংবাদিকতার রূপ ও রূপান্তর দুর্যোগ প্রস্তুতিতে বাংলাদেশের করণীয় হাম উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ রিমান্ডে এনসিটি-সিসিটি ইস্যুতে বন্দর রক্ষা কমিটির সমাবেশ ১ জুলাই ফরিদপুরে মিলছে না উৎপাদন খরচ,পানিতে পেঁয়াজ ফেলছেন কৃষকরা স্মার্টথিংস এপিআই ব্যবহারের খরচ বাড়াচ্ছে স্যামসাং পানি খাইয়ে ছাগল মোটাতাজা দেখানোর অভিযোগে চাঁন বাদশা আটক নাটোরে আম পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল বৃদ্ধের ঢাকায় শেষ হলো দুই দিনব্যাপী ‘গ্রিন মার্কেট ফেয়ার’ পৃথিবীর গঠন অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র বাস্তবমুখী বাজেটে ব্যয়ের দক্ষতা থাকতে হবে সিলেটের নতুন ডিসি মু. রেজা হাসান ‘বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের মারাত্মক ভুলের কারণে হামের প্রাদুর্ভাব দেখতে হয়েছে’ সিরাজগঞ্জে নদীভাঙন অব্যাহত, বিলীনের পথে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচের টিকিটের দাম আকাশচুম্বী গোয়ালন্দে এসিল্যান্ডের ওপর হামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ালে গ্রেপ্তার: শিক্ষামন্ত্রী লক্ষ্য ছিল ১৫ হাজার প্রাণহানি! মুম্বাইয়ে মহররমের অনুষ্ঠানে বিষাক্ত ক্যাপসুলসহ এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার রংপুরে আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় মেডিকেল-শিক্ষার্থীর রিমান্ড ভেনিজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১৪০০ ছাড়াল, নিখোঁজ ৭০ হাজার বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক ও এসএসএল কমার্জের মধ্যে চুক্তি সই টেকনাফে ২ কোটি টাকার ইয়াবা জব্দ

Slow and Steady Wins the Race বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৩:০৫ পিএম
Slow and Steady Wins the Race বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র
খরগোশ দেখল কচ্ছপটি জয়রেখা অতিক্রম করছে। ছবি- সংগৃহীত

Story Writing

Slow and Steady Wins the Race

Long ago there lived a hare in a forest. He was always proud of his speed. A tortoise also lived nearby. The hare always teased the tortoise for his slow speed. 
One day the tortoise was going without disturbing the hare. Suddenly the hare stopped the tortoise and said, “You slow coach! I feel pity for your speed.” But the tortoise said with a smile, “Well, let's run a race.” At this the hare was much amused. So she said, “Come along. let's fix a date for the race.” They fixed a date. A fox came to sec the race. The tortoise and the hare came to the starting point. The race began. The hare ran very fast. He jumped and jumped. He ran a mile in a few minutes. Soon he found the tortoise far behind him. Then he stopped. He said to himself, “What's the use of going so fast? Perhaps, the tortoise

আরো পড়ুন : The Ant and the Dove বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র

has covered only a few yards by this time. So I can very well have a good sleep before he comes.” So saying, the hare went to sleep in a bush. In the meantime, the tortoise walked on and on. He did not stop anywhere. When he came to the bush, he saw the lazy hare lying fast asleep. He smiled and quietly passed the bush. The hare woke up. He saw that it was already evening. He began to run very fast. But alas! The tortoise had already gone far. He saw the finishing point. But the tortoise was already crossing the winning post. The hare felt much ashamed. He now said to himself “Slow and steady wins the race”.

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

পৃথিবীর গঠন অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৪:৫০ পিএম
পৃথিবীর গঠন অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র
পৃথিবীর গঠন। ছবি- সংগৃহীত

দ্বিতীয় অধ্যায় : পৃথিবীর গঠন 

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৫ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

সামাদ উচ্চশিক্ষার্থে জাপান গিয়ে একটি পর্বত দেখল যেখানে লাভা, প্রস্তরখণ্ড ও ছাই বিদ্যমান। সে গাইডের মাধ্যমে জানতে পারল যে এই পর্বতের আকৃতি লাভার ওপর নির্ভরশীল।

২৫। সামাদের দেখা পর্বতের আকৃতি লাভার ওপর নির্ভরশীল। তার যথার্থ কারণ-
i. পর্বতটি অত্যধিক উত্তপ্ত     
ii. পর্বতটি আগ্নেয় পদার্থ দিয়ে তৈরি
iii. পর্বতের জ্বালামুখ বিদ্যমান
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii     খ) ii ও iii
গ) i ও iii     ঘ) i, ii ও iii

২৬। বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে ব-দ্বীপ অবস্থিত?
ক) উত্তর-পূর্ব    খ) উত্তর-পশ্চিম
গ) দক্ষিণ-পূর্ব    ঘ) দক্ষিণ-পশ্চিম

২৭। পদ্মার উপনদী কোনটি?
ক) মধুমতি           খ) গড়াই
গ) আড়িয়াল খাঁ    ঘ) মহানন্দা

২৮। বিশ্বের বৃহত্তম বদ্বীপ কোথায় অবস্থিত?
ক) বাংলাদেশে    খ) ভারতে
গ) পাকিস্তানে    ঘ) মায়ানমারে

২৯। লালমাই পাহাড়ের আয়তন কত বর্গকিলোমিটার?
ক) ১৪ বর্গকিলোমিটার    খ) ২৪ বর্গকিলোমিটার
গ) ৩৪ বর্গকিলোমিটার    ঘ) ৪৪ বর্গকিলোমিটার

আরো পড়ুন : পৃথিবীর গঠন অধ্যায়ের ১৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র

৩০। বাংলাদেশের পর্বতের সঙ্গে গঠনগত মিল রয়েছে কোন পর্বতের?
ক) ফুজিয়ামা    খ) আন্দিজ
গ) হেনরি         ঘ) ভিসুভিয়াস

৩১। বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড় কোনটি?
ক) গারো      খ) চিম্বুক
গ) চন্দ্রনাথ    ঘ) তাজিংডং 

৩২। পাদদেশীয় পললভূমি দেখা যায় বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে?
ক) খুলনা-বাগেরহাট অঞ্চলে    খ) কুমিল্লা-নোয়াখালী অঞ্চলে
গ) রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলে    ঘ) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার অঞ্চলে

৩৩। বাংলাদেশের গারো পাহাড় অবস্থিত- 
i. রাঙামাটিতে    
ii. ময়মনসিংহে
iii. শেরপুরে
নিচের কোনটি সঠিক? 
ক) i ও ii     খ) i ও iii
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

উত্তর: ২৫. খ, ২৬. ঘ, ২৭. ঘ, ২৮. ক, ২৯. গ, ৩০. খ, ৩১. ঘ, ৩২. গ, ৩৩. গ। 

লেখক : প্রভাষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

কবীর

ব্যবস্থাপনার ধারণা অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ১২:১৮ পিএম
আপডেট: ২৮ জুন ২০২৬, ০৪:৩২ পিএম
ব্যবস্থাপনার ধারণা অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

প্রথম অধ্যায় : ব্যবস্থাপনার ধারণা

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১৯। ব্যবস্থাপনা চক্র চলতে নিচের কোনটির পর্যায়ক্রমিক আবর্তনকে বোঝায়?
ক. উদ্দেশ্যের    খ. কর্মের
গ. নীতির           ঘ. উপকরণের

২০। কর্মীসংস্থানের কাজ ব্যবস্থাপনা কোন কাজের সঙ্গে অধিকতর সম্পর্কযুক্ত? 
ক. পরিকল্পনা     খ. সংগঠন 
গ. প্রেরণা           ঘ. নিয়ন্ত্রণ 

২১। ব্যবস্থাপনা কী?
ক. যেকোনোভাবে কাজ আদায় করা 
খ. বস্তুগত সম্পদের যথার্থ ব্যবহার করা 
গ. মানুষকে কৌশলের সঙ্গে পরিচালনা করা 
ঘ. মানবীয় সম্পদের উন্নয়ন সাধন করা 

২২। ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নিচের কোন বক্তব্যটি অধিক যুক্তিযুক্ত?
ক. এটি চিন্তন মনন প্রক্রিয়া     
খ. এটি জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার উপায় 
গ. এটি কর্মীদের প্রণোদিত করার কৌশল    
ঘ. এটি একটি প্রক্রিয়া 

২৩। ব্যবস্থাপনায় 6 ‘M’ বলতে বোঝায়- 
ক. মৌলিক কার্যাবলি        খ. ব্যবস্থাপনার মূলনীতি 
গ. ব্যবস্থাপনার প্রক্রিয়া     ঘ. মৌলিক উপাদানসমূহ 

আরো পড়ুন : ব্যবস্থাপনার ধারণা অধ্যায়ের ১৮টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র

২৪। নিচের কোনটি ব্যবস্থাপনার সর্বজনীন উদ্দেশ্য? 
ক. উৎপাদন প্রক্রিয়া উন্নয়ন     
খ. সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার 
গ. উন্নতমানের পণ্য সরবরাহ     
ঘ. উপযুক্ত নিয়ন্ত্রণ

২৫। ব্যবস্থাপনাকে একটি সামাজিক প্রক্রিয়া হিসেবে গণ্য করা হয় কেন?
ক. সমাজ ব্যবস্থাপনার উন্নতি সাধন করে বলে 
খ. সামাজিক সম্পদের কাম্য ব্যবহার নিশ্চিত করে বলে 
গ. সমাজ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষকে নিয়ে কাজ করে বলে 
ঘ. সর্বজনীন গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়া বলে

 ২৬। ব্যবস্থাপনা কার্যের ক্রম নিচের কোনটি? 
ক. পরিকল্পনা, কর্মীসংস্থান, নির্দেশনা, সংগঠন 
খ. পরিকল্পনা, সংগঠন, নির্দেশনা, কর্মীসংস্থান 
গ. পরিকল্পনা, কর্মীসংস্থান, সংগঠন, নির্দেশনা 
ঘ. পরিকল্পনা, সংগঠন, কর্মীসংস্থান, নির্দেশনা 

২৭। কোন দৃষ্টিকোণ থেকে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থাপনার আওতাধীন?
ক. কাজের দৃষ্টিকোণ                   খ. কার্যবিভাগের দৃষ্টিকোণ 
গ. কৌশল প্রয়োগের দৃষ্টিকোণ     ঘ. স্তরীয় দৃষ্টিকোণ

২৮। সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কোনটি সম্ভব?
ক. অধিক মুনাফা অর্জন ও প্রতিষ্ঠান সম্প্রসারণ 
খ. দক্ষ জনশক্তি উন্নয়ন ও সংরক্ষণ
গ. সম্পদের কার্যকর ব্যবহার করে লক্ষ্য অর্জন 
ঘ. অধিক বিনিয়োগ ও এর উত্তম ব্যবহার

উত্তর: ১৯. খ, ২০. খ, ২১. গ, ২২. ঘ, ২৩. ঘ, ২৪. খ, ২৫. গ, ২৬. ঘ, ২৭. গ, ২৮. গ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান 
ব্যবস্থাপনা বিভাগ, মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা

কবীর

মাদকাসক্তির কারণ ও প্রতিকার বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২৬, ০৪:২৩ পিএম
মাদকাসক্তির কারণ ও প্রতিকার বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা শেষ করে খুশি। ছবি- সংগৃহীত

প্রবন্ধ রচনা : মাদকাসক্তির কারণ ও প্রতিকার

ভূমিকা: মাদকাসক্তি নামক ছোট অথচ ভয়ংকর শব্দটি বর্তমান বিশ্বে বিশেষ করে আমাদের যুবসমাজের জন্য আরও ভয়ংকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। আদিকাল থেকেই মানুষ নেশার জালে আচ্ছন্ন হয়ে আছে। এই নেশারই নাম মাদকাসক্তি। মাদকদ্রব্য বলতে এমন বস্তুগুলোকে বোঝায় যেগুলো শরীরে প্রবেশ করলে কিছু স্নায়বিক প্রতিক্রিয়ার উদ্রেক ঘটে এবং বারবার এসব দ্রব্য গ্রহণের আগ্রহ জন্মায়। তবুও মানুষ যুগ যুগ ধরে এই নেশায় আক্রান্ত। এই নেশায় আক্রান্ত ব্যক্তি সহজে নেশা কাটিয়ে উঠতে পারে না। ফলে তার জীবনে নেমে আসে দুর্দিন এবং ঘন অন্ধকার।

মাদকাসক্তি কী: বিভিন্ন নেশার দ্রব্য গ্রহণ করে নেশা করার প্রবণতাই মাদকাসক্তি। নেশা ক্ষণিকের জন্য মনের যন্ত্রণা লাঘব করে, সব বেদনা থেকে রেহাই পেতে সাহায্য করে, নেশার ফলে বাস্তব চৈতন্যকে অবলুপ্ত করে তাকে নিয়ে যায় এক স্বতন্ত্র জগতে এসব বিশ্বাস থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে মাদকাসক্তির বিকাশ ঘটে। মাদকদ্রব্য হিসেবে বহু উপকরণ রয়েছে। যেমন–মদ, গাঁজা, ভাং, আফিম, মারিজুয়ানা, চরস, প্যাথিডিন, ফেনসিডিল ইত্যাদি। সাম্প্রতিককালে হেরোইনের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। জীবনের হতাশা, ব্যর্থতা, বিষাদ, মাদকদ্রব্য খাওয়ার কৌতূহল থেকেই মানুষের জন্য নেশা গ্রহণের সূত্রপাত ঘটে। জীবনের অস্থিরতা, নৈতিক মূল্যবোধের অভাব, সঙ্গদোষ, কালো টাকার উত্তাপ ও ব্যয়ের অপরিচ্ছন্ন পন্থা যুবসমাজকে বিভ্রান্তির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

মাদকাসক্তির ক্ষতিকর দিক: মাদকদ্রব্য গ্রহণের আসক্তি সুপ্রাচীনকাল থেকে প্রচলিত। এটি যুগে যুগে সমস্যার সৃষ্টি করছে। এক সময় চীন দেশের লোকজন আফিম খেয়ে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল। সাম্প্রতিককালে মাদকাসক্তির প্রভাবে বহুলোকের সন্তানদের বিশেষত যুবসমাজের মধ্যে ধ্বংস নেমে আসছে, শুরু হয়েছে এক ভয়াবহ অবক্ষয়ের। মাদকদ্রব্য গ্রহণের ফলে বিভিন্ন রকম দৈহিক প্রতিক্রিয়া শুরু হয়ে দেহের অক্ষমতা বৃদ্ধি করে। মাদকাসক্তির ফলে মানসিক ভারসাম্যহীন্যতার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন চেতনানাশক মাদকদ্রব্য ব্যবহারের ফলে মানসিক আচ্ছন্নতা, দেহের মাংসপেশির কম্পন ও মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। ফলে মাদকাসক্তির পরিণাম হিসেবে ব্যক্তিজীবনে আসে ব্যর্থতা এবং জাতির জন্য নেমে আসে দুর্দিন।

মাদকাসক্তির প্রভাব: সারা বিশ্বে মাদকাসক্তি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক উন্নত দেশে মাদকাসক্তির ব্যাপকতা ওই জাতির জন্য আতঙ্কের কারণ হয়ে দাড়ায়। এই সর্বনাশা নেশা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। মাদকদ্রব্যের প্রসারের ফলে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ নেশায় আক্রান্ত হচ্ছে। তবে তরুণ সমাজের মধ্যে এর সম্প্রসারণের প্রবণতা বেশি। শিক্ষাজীবনের অনিশ্চয়তা, বেকারত্বের অভিশাপ, দারিদ্র্যের গ্রাস এসব কারণে যুবসমাজ ক্রমেই নেশার দিকে ধাবিত হচ্ছে। নেশাগ্রস্তদের নৈতিক মূল্যবোধের অভাবের কারণে তারা অন্যায় ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে। মাদকদ্রব্যের দাম বেশি হওয়ায় নেশাগ্রস্তরা অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জনে তৎপর হচ্ছে। 

আরো পড়ুন :  কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মাদকদ্রব্যের ব্যবহার: উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর মতো আমাদের দেশেও মাদকদ্রব্যের ব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের যুবসমাজ মারাত্মকভাবে মাদকাসক্তির শিকার। বাংলাদেশে কী পরিমাণ মাদকদ্রব্য ব্যবহার করা হয় এবং কত লোক মাদকাসক্ত তার সঠিক কোনো পরিসংখ্যান এখনো নেই। তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, দেশে মোট জনসংখ্যার ১৭ ভাগ মাদকদ্রব্য ব্যবহার করে। দেশে ৩৫০টি বৈধ গাঁজার দোকান আছে। দর্শনায় রয়েছে সরকার অনুমোদিত একমাত্র মদ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কেরু অ্যান্ড কোম্পানি। বৈধ লাইসেন্স ছাড়াই দেশের বিভিন্ন জায়গায় দেশীয় মদ প্রচুর পরিমাণে উৎপাদন ও বিক্রি হয়।

মাদকদ্রব্যের ব্যবহার: আজকাল মাদকদ্রব্য বিভিন্নভাবে সেবন করা হয়। এক ধরনের মাদক আছে যা নাকে টানা হয়। আবার কোনো মাদক ধোঁয়ার সঙ্গে সেবন করা হয়। কোনোটি গিলে খাওয়া হয়। আবার কোনোটি ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরের মধ্যে প্রবেশ করানো হয়। বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশ বর্তমানে প্রায় ১৫ লাখের মতো মাদক সেবনকারী রয়েছে এবং এ সংখ্যা দিন দিন আরও বাড়ছে। বিভিন্ন পেশাজীবী, শ্রমজীবী থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরাও নেশায় আক্রান্ত হচ্ছে।

মাদকদ্রব্যের ধরন বা প্রকার: বর্তমানে বিশ্বে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য চালু রয়েছে। মদ, গাঁজা, ভাং, আফিম ইত্যাদি অনেক প্রাচীনকালের মাদকদ্রব্য। বর্তমানে হেরোইন, ইয়াবা, মারিজুয়ানা, এলএসডি, হাসিস, কোকেন, প্যাথিডিন, ফেনসিডিল ইত্যাদি বেশি প্রচলিত। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে হেরোইন সবচেয়ে বেশি আলোড়ন সৃষ্টিকারী মাদকদ্রব্য। তবে বিশ্বব্যাপী ক্যাফেইন, নিকোটিন এবং অ্যালকোহল সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মাদক। অন্য মাদকদ্রব্যের চেয়ে এর দাম তুলনামূলক বেশি এবং মানুষকে নেশায় আক্রান্ত করে গভীরভাবে।

মাদক সেবনের কারণ:  জীবনের প্রতি বিমুখতা ও নেতিবাচক মনোভাব থেকেই মাদকাসক্তির জন্ম। অভ্যাস থেকে আসক্তি, এ জন্য ধূমপান করা ব্যক্তি একদিন পরিণত হয় হেরোইন আসক্তিতে। ধনতান্ত্রিক সমাজ ও অর্থনীতিতে ব্যক্তিদের অনেক ভোগের উপকরণ রয়েছে। বর্তমানে সিনেমা ও টেলিভিশনে যেসব অশ্লীল নৃত্য, ছবি, কাহিনি ইত্যাদি দেখানো হয় সেসব অনুকরণ করতে গিয়ে তরুণ সমাজ তাদের নৈতিক অধঃপতন ডেকে আনছে। তা ছাড়া আবার অনেক সময় অস্থিরতা, কুচিন্তা, অভাব অনটন, পারিবারিক কলহের কারণে তরুণ সমাজ এই মোহের জালে আচ্ছন্ন হয়।

মাদকের উৎসভূমি: গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল (লাওস, মায়ানমার, থাইল্যান্ড), গোল্ডেন ক্রিসেন্ট (আফগানিস্তান, ইরান, পাকিস্তান) এবং গোল্ডেন ওয়েজ হেরোইনের মূল উৎস। মাদকের মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন হলো আফিম। পপি ফুলের নির্যাস থেকে কৃষকরা তৈরি করেন কাঁচা আফিম।  আফিম থেকেই তৈরি হয় সর্বনাশা হেরোইন। প্রাপ্ত তথ্যমতে যুক্তরাষ্ট্র, কলম্বিয়া, গুয়াতেমালা, জ্যামাইকা, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ের, ঘানা, নাইজেরিয়া, কেনিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা প্রভৃতি দেশে মারিজুয়ানা উৎপন্ন হয়। হাসিস উৎপন্ন করার জন্য জ্যামাইকা, মরক্কো, জর্ডান, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ভারত ও নেপাল অধিক পরিচিত।

   (বাকি অংশ ২য় পর্বে প্রকাশ করা হবে)

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

The Ant and the Dove বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র

প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২৬, ০৩:৩৮ পিএম
আপডেট: ২৭ জুন ২০২৬, ০৩:৩৯ পিএম
The Ant and the Dove বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র
পিঁপড়াটিকে প্রবল স্রোত ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। সেই সময় একটি ঘুঘু পাখি গাছের ডালে বসে ছিল। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

Story Writing

The Ant and the Dove

Once there lived an ant and a dove in a forest. They were passing their days very cheerfully. But they did not know each other. One day the ant became very thirsty and started looking for water to drink. Beside the forest, there was a small river. The ant went to the bank of the river and try to drink water. All on a sudden, a strong flow swift it away. It falls into real trouble and was about to die. At that time a dove was singing sitting on the branch of a tree. It noticed the helpless condition of the ant. It felt pity for the ant and left a leaf on the

আরো পড়ুন : Wisdom of King Soloman বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র

water. The ant climbed onto the leaf. The dove flew down and took the leaf over water and drop it on the ground. At last, the ant became safe. After that, the ant and the dove became a good friend. 
A few days later, a hunter came to the forest and found the dove on the same tree. He aimed his bow to the dove. At that time the ant noticed everything. It spotted there as soon as possible and bit severely on the foot of the hunter. 
Being bitten by the ant the hunter could not shoot the arrow right target. As a result, the dove could fly away. Thus the ant repaid its owe to the dove.

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে প্রফেশনাল মাস্টার্স ইন গভর্ন্যান্স স্টাডিজ প্রোগ্রামে ভর্তি তথ্য

প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২৬, ০৩:০৫ পিএম
আপডেট: ২৮ জুন ২০২৬, ১২:২৬ পিএম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে প্রফেশনাল মাস্টার্স ইন গভর্ন্যান্স স্টাডিজ প্রোগ্রামে ভর্তি তথ্য
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি- সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ প্রফেশনাল মাস্টার্স ইন গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (পিএমজিএস) প্রোগ্রামে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

আবেদনের যোগ্যতা: যেকোনো স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে যেকোনো বিষয়ে ন্যূনতম স্নাতক পাস প্রার্থীরা এই কোর্সে আবেদন করতে পারবেন, তবে সনাতন পদ্ধতিতে ন্যূনতম দ্বিতীয় শ্রেণি অথবা গ্রেডিং পদ্ধতিতে সিজিপিএ ২.৫০ থাকতে হবে। বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত পেশাজীবীরা আবেদন করতে পারেন।

কোর্সের বৈশিষ্ট্য: এই কোর্সের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, এটি পেশাজীবী ও সাধারণ শিক্ষার্থীউভয় শ্রেণির কথা মাথায় রেখেই ডিজাইন করা হয়েছে। বিশেষ করে যারা বিভিন্ন সংস্থায় কর্মরত, তাদের সুবিধার্থে এখানে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ক্লাস নেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যেন কর্মব্যস্ততার মধ্যেও পড়াশোনা নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়। এটি এমন একটি বাস্তবমুখী শিক্ষণ পরিবেশ তৈরি করে, যা তাত্ত্বিক ধারণার সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক কাজের বাস্তব চ্যালেঞ্জ ও বিশ্বরাজনীতির নীতিমালার মেলবন্ধন ঘটায়।

আবেদনের শেষ তারিখ: আগ্রহী প্রার্থীদের ১ জুলাইয়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে।

ভর্তি পরীক্ষা: ৩ জুলাই বিকেল ৩টায়।

ক্লাস: শুক্র ও শনিবার।

জেনে রাখুন: আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন অথবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিকবিজ্ঞান ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ৪১২ নম্বর কক্ষে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন।

বিস্তারিত জানতে: https://www.du.ac.bd/webPost/157/27585

কবীর