পড়াশোনা বা চাকরির পাশাপাশি বাড়তি আয়ের জন্য সাইড হাসল বা খণ্ডকালীন কাজের প্রতি তরুণ-তরুণীদের আগ্রহ বাড়ছে। এমনই একটি উদ্যোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন ২৩ বছর বয়সী ইংল্যান্ডের তরুণী স্কারলেট।
তার দাবি, পূর্ণকালীন চাকরি ছাড়াই পুরোনো ও ভিন্টেজ পোশাক অনলাইনে পুনর্বিক্রি করে তিনি প্রতি মাসে প্রায় ২ হাজার ৫০০ পাউন্ড আয় করছেন। আর এই কাজ শুরু করতে তার প্রাথমিক বিনিয়োগ ছিল মাত্র ৪০ পাউন্ড।
স্কারলেট জানান, পড়াশোনার ব্যস্ততার মধ্যে বাড়তি খরচ চালাতে সহজ কোনো আয়ের পথ খুঁজছিলেন তিনি। একদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ক্রল করতে গিয়ে ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে পুরোনো ভিন্টেজ পোশাকের একটি বাণ্ডিলের বিজ্ঞাপন দেখেন।
মাত্র ৪০ পাউন্ডে তিনি প্রায় ১২০টি পোশাকের সেই বাণ্ডিল কিনে নেন। পরে ওই বাণ্ডিলে থাকা একটি ভিন্টেজ পোশাকই তিনি ৫০ পাউন্ডে বিক্রি করতে সক্ষম হন। অর্থাৎ একটি পোশাক বিক্রি করেই তিনি পুরো বাণ্ডিল কেনার খরচ তুলে নেন এবং লাভও করেন।
এরপর বাকি পোশাকগুলো বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ধীরে ধীরে বিক্রি শুরু করেন স্কারলেট। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যবসার প্রথম সপ্তাহেই তিনি প্রায় দুই হাজার পাউন্ড আয় করেন। তখনও তার কাছে বিক্রির জন্য বেশ কিছু পোশাক অবশিষ্ট ছিল।
সাফল্যের পর এটিকেই নিয়মিত খণ্ডকালীন কাজ হিসেবে বেছে নেন তিনি। বর্তমানে সপ্তাহে প্রায় আট ঘণ্টা সময় দিয়ে পোশাকের তালিকা তৈরি, ক্রেতাদের বার্তার উত্তর দেওয়া এবং নতুন স্টক খোঁজার কাজ করেন স্কারলেট।
তিনি বলেন, মৌসুম ও ফ্যাশন ট্রেন্ডের ওপর পোশাক বিক্রি অনেকটাই নির্ভর করে। গরমের দিনে পোশাকের পাশাপাশি বিভিন্ন ফ্যাশন অ্যাক্সেসরিজের চাহিদাও বাড়ে। রং, নকশা ও পোশাকের ধরণ বুঝে পণ্য নির্বাচন করতে পারলে বিক্রির সম্ভাবনা বাড়ে।
অল্প পুঁজিতে এবং সীমিত সময় দিয়ে এমন আয় করার অভিজ্ঞতা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক তরুণ-তরুণীর আগ্রহ তৈরি করেছে।
অমিয়/