ঢাকা ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
আইএমওর বীরত্ব পুরস্কার পাচ্ছেন ক্যাপ্টেন আসিফ মাদারীপুরে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধ, দীর্ঘমেয়াদি বাঁধ নির্মাণের আশ্বাস কল্যাণমূলক রাষ্ট্র তৈরিতে উন্নয়ন সক্ষমতা জরুরি শ্বশুরবাড়ির পাশের ডোবায় যুবকের মরদেহ চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও গ্রামে অবনতি পটিয়ায় বন্যা, ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ইংল্যান্ডের হয়েও খেলতে পারতেন হালান্ড, এখন তিনিই প্রতিপক্ষ সাঙ্গু থেকে লোকালয়ে ঢুকছে পানি, বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে ৩ কোটি টাকার মোবাইলফোনের ডিসপ্লে জব্দ বন্যাদুর্গত ফটিকছড়িতে ত্রাণ সহায়তা শক্তিশালী হয়ে ফিরবেন লামেন্স: কোর্তোয়া ‘ইয়েস ফ্যাশন’র ট্রেন্ডি জুব্বা হবিগঞ্জে বন্যার পানি কমেছে, ভেসে গেছে মানুষের স্বপ্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল কামড়ের পর মৃত সাপ নিয়ে হাসপাতালে হাজির রোগী মেহজাবীনের হাত ধরে ওসান লাইফস্টাইল মিরপুরে বন্যার শঙ্কায় সুনামগঞ্জ পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল মৌলভীবাজারে ভয়াবহ বন্যা, পানিবন্দি ৪০ হাজার মানুষ ভূমিরূপ পরিবর্তন অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র গ্রিল ভেঙে পালিয়েও রক্ষা হয়নি, কেরানীগঞ্জে আটক আসামি ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ভিয়েতনামে পর্যটকবাহী নৌকা ডুবে ১৫ জনের মৃত্যু ত্রাণ পৌঁছাতে সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী টেকসই সবুজায়ন ও শতবর্ষী বৃক্ষ সংরক্ষণে শুধু রোপণ নয়, চাই দীর্ঘমেয়াদি যত্ন আড়াই বছরে ১০ হাজার ৮৩০ ধর্ষণ মামলা: শিশুর জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ কোথায় চকরিয়া-পেকুয়ায় পানিবন্দি লাখো মানুষ, কাটেনি দুর্ভোগ আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন সেনেগাল তারকা সাদিও মানে ফটিকছড়িতে বন্যাদুর্গতদের পাশে সেনাবাহিনী প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ রবিবার

বর্ষায় জয়েন্ট পেইন কমাতে ‘হলুদ চা’

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৩ পিএম
আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম
বর্ষায় জয়েন্ট পেইন কমাতে ‘হলুদ চা’
বর্ষাকালের জয়েন্ট পেইনের তীব্রতা কমাতে দারুণ কার্যকরী এক কাপ হলুদ চা

বর্ষার বৃষ্টি যেমন স্বস্তি আনে, তেমনি অনেকের জন্য বয়ে আনে জয়েন্ট পেইন বা গিটে ব্যথা। বায়ুমণ্ডলের চাপের পরিবর্তন এবং বৃষ্টির কারণে শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা এই ব্যথা আরও বাড়িয়ে দেয়। এই সমস্যা দূর করতে প্রাকৃতিকভাবে দারুণ কাজ করে হলুদ চা।

হলুদ চা কেন উপকারী?

কারকিউমিন: হলুদে থাকা এই প্রধান উপাদানটি শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণসম্পন্ন। এটি শরীরের ভেতরের ফোলা ভাব ও ব্যথা কমায়। গবেষণায় দেখা গেছে, এটি হাঁটুর ক্ষয়জনিত ব্যথা প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে পারে।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: এটি জয়েন্টের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমিয়ে হাড় ও সংযোগস্থলকে মজবুত করে এবং দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ দূর করে।

গতিশীলতা বাড়ায়: গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, হলুদ চা জয়েন্টের ভেতরের মৃদু প্রদাহ কমিয়ে হাঁটাচলার ক্ষমতা বা গতিশীলতা বাড়ায়। এমনকি ব্যথানাশক ওষুধের তুলনায় এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনেক কম।

কীভাবে বানাবেন? 

রেডিমেড টি-ব্যাগ ব্যবহারের চেয়ে কাঁচা হলুদ বাটা দিয়ে এই চা বানানো সবচেয়ে ভালো।

উপকরণ: ১ কাপ পানি, আধা থেকে ১ চা চামচ কাঁচা হলুদ বাটা (স্বাদের জন্য সামান্য মধু এবং কার্যকারিতা বাড়াতে আদা বা দারুচিনি মেশাতে পারেন)।

কালো গোলমরিচের ভূমিকা: হলুদ চায়ের সঙ্গে মাত্র ২০ মিলিগ্রাম কালো গোলমরিচ মেশানো উচিত। গোলমরিচের 'পিপারিন' উপাদানটি শরীরে হলুদের কারকিউমিন শোষণের গতি দ্বিগুণ করে দেয়।

কারা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন?

বয়স্ক ব্যক্তি- যাদের জয়েন্টে শক্ত ভাব বা স্টিফনেস থাকে, অস্টিওআর্থ্রাইটিস বা বাতের রোগী, ডেস্কে বসে কাজ করা চাকুরিজীবী- যারা দীর্ঘক্ষণ বসে থাকেন, বর্ষাজনিত গিটের ব্যথায় ভুগছেন এমন যে কেউ।

ব্যথামুক্ত থাকতে বর্ষাকালের কিছু জরুরি অভ্যাস

ঘরের ভেতরেই শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকুন এবং নিয়মিত স্ট্রেচিং করুন। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন এবং দীর্ঘক্ষণ একটানা বসে থাকবেন না। শরীর হাইড্রেটেড রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

অতিরিক্ত সেবনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সংবেদনশীল মানুষদের পেটের সমস্যা বা অ্যাসিড রিফ্লাক্স (গ্যাস্ট্রিক) হতে পারে। রক্ত পাতলা করার ওষুধ বা ডায়াবেটিসের ওষুধের সঙ্গে এটি বিক্রিয়া করতে পারে। তাই নিয়মিত ওষুধ খেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?

যদি জয়েন্টে অনবরত ফোলা ভাব থাকে, জয়েন্ট লাল বা গরম হয়ে যায়, ব্যথার সঙ্গে জ্বর থাকে এবং কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা ব্যথার কারণে হাঁটাচলা প্রায় বন্ধ হয়ে যায়- তবে দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

বর্ষার জয়েন্ট পেইন কমাতে হলুদ চা একটি চমৎকার ও কম ঝুঁকিপূর্ণ ঘরোয়া উপায়। তবে এটি কোনো রোগের একমাত্র বা স্থায়ী নিরাময় নয়, তাই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বিষয়টিও মাথায় রাখা জরুরি।

তামান্না রুপা/

বিয়েবাড়িতে খাসির মাংসের বদলে মুরগির মাংস দেওয়ায় মারামারি, আহত ১২

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম
আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৬ পিএম
বিয়েবাড়িতে খাসির মাংসের বদলে মুরগির মাংস দেওয়ায় মারামারি, আহত ১২
ছবি: গ্রোক

বিয়েবাড়ির ভোজের মেনু নিয়ে সৃষ্ট বিরোধের জেরে বর ও কনেপক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১২ জন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনাটি ভারতের বিহারের সাহারসা জেলার। মূল ঝামেলাটি বাধে খাবারের আয়োজনকে কেন্দ্র করে। বরযাত্রীদের খাসির মাংস খাওয়ানোর কথা থাকলেও তাদের পাতে পরিবেশন করা হয় মুরগির মাংস।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘটনার বেশ কিছু ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিয়েবাড়ির আমন্ত্রিত অতিথিদের লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটানো হচ্ছে এবং কয়েকজনকে তলোয়ার উঁচিয়ে তাণ্ডব চালাতেও দেখা গেছে।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সাহারসা জেলার সিমরী বখতিয়ারপুর শহরের রাজনপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দা মহম্মদ আনোয়ারের ছেলে মহম্মদ আবদুল্লাহ ওরফে চাঁদের সঙ্গে মহম্মদ জাভেদের মেয়ের বিয়ে হয়। দুপুর ৩টা নাগাদ উৎসবমুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবেই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছিল।

ঝামেলাটি শুরু হয় বিয়ের আচার-অনুষ্ঠান শেষে বরযাত্রীরা যখন খাবার টেবিলে বসেন। বরপক্ষের দাবি, কনেপক্ষ থেকে তাদের আশ্বস্ত করা হয়েছিল যে ভোজে খাসির মাংস থাকবে। কিন্তু খাবার টেবিলে খাসির মাংসের পরিবর্তে মুরগির মাংস দেখে ক্ষুব্ধ হন বরযাত্রীরা।

এই মেনু পরিবর্তন নিয়ে বরপক্ষের লোকজন কনেপক্ষকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মুহূর্তের মধ্যে যুক্তি-তর্ক ও কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা চরম হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়। বিয়েবাড়ির আনন্দঘন পরিবেশ নিমেষেই রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। কনেপক্ষের লোকজন বরযাত্রীদের ওপর লাঠিসোঁটা নিয়ে চড়াও হয় বলে অভিযোগ। হামলায় বর ও বরপক্ষের বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।

এই সংঘর্ষে আহত অন্তত ১২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরবর্তীতে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/

প্রথমে বিদায় নেবে কোডিং, এরপর সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং: অ্যানথ্রোপিক সিইও

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৬ এএম
আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৫ এএম
প্রথমে বিদায় নেবে কোডিং, এরপর সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং: অ্যানথ্রোপিক সিইও
অ্যানথ্রোপিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দারিও আমোদেই। ছবি: সংগৃহীত

সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো বিস্তৃত ক্ষেত্রের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার আগেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোডিংয়ের কাজটিকে স্বয়ংক্রিয় করে ফেলবে বলে মন্তব্য করেছেন এআই স্টার্টআপ ‘অ্যানথ্রোপিক’-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) দারিও আমোদেই।

একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, আগামী বছরগুলোতে মানুষের নিজস্ব দক্ষতা, বিশ্লেষণাত্মক চিন্তাভাবনা এবং এআই-কেন্দ্রিক শিল্পগুলোর গুরুত্ব আরও বাড়বে।

ভারতীয় উদ্যোক্তা নিখিল কামাথের একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে আমোদেই আলোচনা করেন কীভাবে এআই মানুষের ক্যারিয়ার, সফটওয়্যার উন্নয়ন এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে বদলে দিচ্ছে। পাশাপাশি তরুণ পেশাজীবীদের ভবিষ্যৎ-উপযোগী দক্ষতা অর্জনের বিষয়েও পরামর্শ দেন তিনি।

কোন কোন শিল্পে এআই-এর কারণে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসতে পারে- এমন প্রশ্নের জবাবে আমোদেই জানান, সফটওয়্যার উন্নয়ন খাত দিন দিন এআই-নির্ভর হয়ে উঠছে।

তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় সবার আগে কোডিংয়ের দিন শেষ হয়ে যাবে।’

তার মতে, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আরও বড় ও জটিল দায়িত্বগুলো সামলানোর আগেই এআই মডেলগুলো কোডিংয়ের কাজকে পুরোপুরি নিজের দখলে নিয়ে নেবে।

তবে তিনি যোগ করেন, ‘সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সামগ্রিক কাজটির নিয়ন্ত্রণ নিতে একটু বেশি সময় লাগলেও, এক সময় শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটিই এআই-এর মাধ্যমে হওয়া সম্ভব।’

অবশ্য আমোদেই উল্লেখ করেছেন, সফটওয়্যার উন্নয়নের কিছু ক্ষেত্রে মানুষের সম্পৃক্ততা সবসময়ই প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে রয়েছে প্রোডাক্ট ডিজাইন বা পণ্যের নকশা করা, ব্যবহারকারীর চাহিদা বোঝা, বাজারের চাহিদা চিহ্নিত করা এবং এআই সিস্টেমের দলগুলোকে পরিচালনা করা।

মানুষ যদি কাজের কেবল একটি ছোট অংশও করে, তবুও এআই-এর সহায়তায় উৎপাদনশীলতা নাটকীয়ভাবে বাড়বে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপনি যদি কাজের মাত্র ৫ শতাংশও করেন এবং বাকি ৯৫ শতাংশ কাজ এআই করে দেয়, তবে আপনার উৎপাদনশীলতা ২০ গুণ বেড়ে যাবে।’

বর্তমান তরুণদের কোন ধরনের দক্ষতা অর্জন করা উচিত- এমন প্রশ্নের জবাবে অ্যানথ্রোপিক প্রধান পরামর্শ দেন, এআই-এর সঙ্গে প্রতিযোগিতা না করে বরং এমন ক্ষেত্রে মনোযোগ দেওয়া উচিত যা এআই-এর পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে। তিনি সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি এবং বাস্তব জগতের সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী ইঞ্জিনিয়ারিং শাখার পাশাপাশি মানবিক যোগাযোগ ও পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা পেশাগুলোর ওপর জোর দেন।

আমোদেই আরও জানান, এআই-চালিত এই পৃথিবীতে ‘ক্রিটিক্যাল থিংকিং’ বা বিশ্লেষণাত্মক চিন্তাভাবনা অন্যতম মূল্যবান দক্ষতা হয়ে উঠতে পারে।

তিনি বলেন, যেহেতু এআই যেকোনো কিছু তৈরি বা জেনারেট করতে পারে, তাই মৌলিক বিশ্লেষণাত্মক চিন্তাভাবনার দক্ষতাই হবে সফলতার সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি।

তিনি সতর্ক করে বলেন, দিন দিন এআই-দ্বারা তৈরি ছবি ও ভিডিও এত বেশি বাস্তবসম্মত হয়ে উঠছে যে আসল এবং নকল তথ্যের পার্থক্য করা কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই তথ্য যাচাইয়ের ক্ষমতা এবং উপস্থিত বুদ্ধির ব্যবহার এখন অত্যন্ত জরুরি।

অতিরিক্ত মাত্রায় এআই-নির্ভরতার নেতিবাচক দিক নিয়েও সতর্ক করেন এই এআই প্রধান।

তিনি বলেন, অসতর্কভাবে এর ব্যবহার মানুষের গুরুত্বপূর্ণ সক্ষমতাগুলোকে নষ্ট করে দিতে পারে। শিক্ষার্থীদের এআই ব্যবহার করে অ্যাসাইনমেন্ট শেষ করার প্রবণতাকে তিনি মূলত ‘হোমওয়ার্কে ফাঁকি দেওয়া’ হিসেবে অভিহিত করেন।

তিনি জানান, অ্যানথ্রোপিকের অভ্যন্তরীণ গবেষণায় দেখা গেছে, কোডিংয়ের জন্য এআই-এর কিছু ভুল ব্যবহার মানুষের দক্ষতা কমিয়ে দেয়, যেখানে চিন্তাভাবনা করে সঠিক উপায়ে এর ব্যবহার মানুষের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

আগামী দশকে এআই মানুষকে আরও কম বুদ্ধিমান বা ‘বোকা’ বানিয়ে দেবে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে আমোদেই বলেন, এর ফলাফল নির্ভর করবে সমাজ কীভাবে এই প্রযুক্তিকে ব্যবহার করছে তার ওপর।

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি অসতর্কভাবে এআই ব্যবহার করি, তবে হ্যাঁ, মানুষ সত্যিই বোকা হয়ে যেতে পারে। তবে কোনো কাজে এআই আপনার চেয়ে সবসময় ভালো করলেও, আপনি নিজে সেই কাজটি শিখতে পারেন এবং নিজের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ঘটাতে পারেন।’ সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/

মুখ দেখালেই বোর্ডিং পাস

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৮ পিএম
মুখ দেখালেই বোর্ডিং পাস
ছবি: গ্রোক

বিমানবন্দরে বারবার পাসপোর্ট ও বোর্ডিং পাস দেখানোর দিন হয়তো শিগগিরই শেষ হতে চলেছে। ভ্রমণকে আরও দ্রুত, সহজ ও নির্বিঘ্ন করতে বিমানসংস্থা এবং বিমানবন্দরগুলো ক্রমেই ফেসিয়াল রিকগনিশন বা মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ প্রযুক্তি শুরু করেছে।

দ্য মেট্রোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের ক্রমবর্ধমান সংখ্যক বিমানবন্দরে যাত্রীরা এখন চেকইন, ব্যাগ ড্রপ, নিরাপত্তা তল্লাশি ও বোর্ডিংসহ বিভিন্ন ধাপে পরিচয় যাচাইয়ের জন্য নিজেদের মুখ ব্যবহার করতে পারছেন।

এই ব্যবস্থা চালু করা সবশেষ বিমানবন্দরগুলোর একটি হলো কাতারের দোহায় হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। 

কাতার এয়ারওয়েজের যোগ্য যাত্রীরা বিমানবন্দরের ঐচ্ছিক ‘ফাস্ট পাস’ সেবার জন্য নিবন্ধন করতে পারেন। এর মাধ্যমে বারবার ভ্রমণ নথি দেখানোর বদলে মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্দিষ্ট বায়োমেট্রিক চেকপয়েন্ট অতিক্রম করা যায়।

প্রযুক্তিটি যাত্রীর মুখের লাইভ স্ক্যানকে আগে থেকে নিরাপদে নিবন্ধিত ভ্রমণ তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে। পরিচয় যাচাই হয়ে গেলে যাত্রীরা ন্যূনতম কাগজপত্র যাচাইয়ের মাধ্যমে বিমানবন্দরের নির্ধারিত প্রবেশপথগুলো পার হতে পারেন।

অর্থাৎ, বায়োমেট্রিক ভ্রমণব্যবস্থা চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রে যাত্রীর মুখই হয়ে উঠছে তার বোর্ডিং পাস।

বাড়ছে ব্যবহার

এ উদ্যোগ উড়োজাহাজ শিল্পে ডিজিটাল পরিচয় ব্যবস্থার দিকে বৃহত্তর পরিবর্তনের অংশ। এর লক্ষ্য হলো- অপেক্ষার সারি কমানো, সময় বাঁচানো এবং যাত্রীদের অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করা।

পাশের দেশ ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশে ইতোমধ্যে অনুরূপ বায়োমেট্রিক ভ্রমণ কর্মসূচি চালু হয়েছে বা পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। 

ভারতের ‘ডিজিযাত্রা’ উদ্যোগের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রীরা বারবার বোর্ডিং পাস স্ক্যান করার পরিবর্তে মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারেন।

বিদ্যমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রেখেই কাগজবিহীন ও স্পর্শহীন বিমানবন্দর অভিজ্ঞতা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এ ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে।

গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগ

এই প্রযুক্তি দ্রুততর যাত্রার সুযোগ তৈরি করলেও গোপনীয়তা ও তথ্য সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, বায়োমেট্রিক তথ্য এনক্রিপ্টেড অবস্থায় সংরক্ষণ করা হয় এবং তা কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার আওতায় থাকে।

কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, বেশিরভাগ বায়োমেট্রিক ভ্রমণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ স্বেচ্ছামূলক। ফলে যাত্রীরা চাইলে প্রচলিত পদ্ধতিতেই পাসপোর্ট ও বোর্ডিং পাস ব্যবহার করতে পারবেন।

যাত্রীরা দ্রুত ফেসিয়াল স্ক্যানের মাধ্যমেই চেকইন থেকে বোর্ডিং পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করতে পারলে বিমানবন্দরে সময় কম লাগবে এবং বারবার পাসপোর্ট ও বোর্ডিং পাস দেখানোর প্রয়োজনও অনেকটাই কমে যাবে। সূত্র: এনডিটিভি

টাটকার চেয়ে বাসি খেলে লাভ এই ৩ খাবার

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০২:২৭ পিএম
টাটকার চেয়ে বাসি খেলে লাভ এই ৩ খাবার
ছবি: সংগৃহীত

গরম গরম খাবার খেতে ভালোবাসেন প্রায় সবাই। অনেকের কাছে বাসি খাবারের নাম শুনলেই অরুচি তৈরি হয়। কিন্তু পুষ্টিবিদদের মতে, কিছু খাবার রান্নার পর ঠান্ডা করে ফ্রিজে রেখে পরে খেলে তাতে বাড়তে পারে উপকারী এক ধরনের কার্বোহাইড্রেট- ‘রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ’।

সব কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা শরীরে একইভাবে কাজ করে না। রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ এমন এক ধরনের শর্করা, যা সহজে হজম হয় না। এটি অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে পারে, হজমক্ষমতা ভালো রাখতে ভূমিকা রাখতে পারে এবং খাবারের পর রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা কিছুটা কমাতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু স্টার্চজাতীয় খাবার রান্নার পর ঠান্ডা হলে তাদের গঠন পরিবর্তিত হয়। ফলে রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চের পরিমাণ বাড়তে পারে। জেনে নিন এমন তিনটি খাবারের কথা।

ঠান্ডা আলু

আলুর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স তুলনামূলক বেশি হওয়ায় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত অনেকেই এটি এড়িয়ে চলেন। তবে সেদ্ধ আলু ঠান্ডা করে ফ্রিজে রেখে পরদিন খেলে বা তরকারিতে ব্যবহার করলে এতে রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চের পরিমাণ বাড়তে পারে। এতে আলুর গ্লাইসেমিক প্রভাব কিছুটা কম হতে পারে।

তবে ডায়াবেটিস থাকলে আলু খাওয়ার পরিমাণ ও ধরন নিয়ে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

ফ্রিজে রাখা পাস্তা

পাস্তা খুব স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে পরিচিত নয়। তবু মাঝেমধ্যে খেতে চাইলে রান্না করা পাস্তা ঠান্ডা করে ফ্রিজে রেখে পরে খাওয়া যেতে পারে। গমের তৈরি পাস্তা রান্নার পর ঠান্ডা হলে তাতে রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চের পরিমাণ বাড়তে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে।

এর ফলে খাবারটি তুলনামূলক ধীরে হজম হতে পারে এবং রক্তে শর্করার ওঠানামা নিয়ন্ত্রণে কিছুটা সহায়তা করতে পারে।

বাসি ভাত

ভাত রান্নার পর ঠান্ডা করে ফ্রিজে রাখলে এবং পরে ভালোভাবে গরম করে খেলে তাতেও রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চের পরিমাণ বাড়তে পারে। এতে ভাতের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম হতে পারে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূতি থাকতে পারে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে পরিমিত পরিমাণে ঠান্ডা করা বা পুনরায় গরম করা ভাত উপকারী হতে পারে। তবে ভাতের সঙ্গে অতিরিক্ত তেল, ভাজাপোড়া বা উচ্চ ক্যালরির খাবার থাকলে সেই উপকার কমে যেতে পারে।

খাবার সংরক্ষণে সতর্কতা জরুরি

রান্না করা ভাত, আলু বা পাস্তা দীর্ঘ সময় ঘরের তাপমাত্রায় ফেলে রাখা ঠিক নয়। দ্রুত ঠান্ডা করে ঢাকনাযুক্ত পাত্রে ফ্রিজে রাখতে হবে। খাবারে দুর্গন্ধ, রং বা স্বাদের পরিবর্তন দেখা গেলে তা না খাওয়াই ভালো।

সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা ঠান্ডা ভাত, আলু ও পাস্তা স্বাদের পাশাপাশি পুষ্টিগুণেও কিছু বাড়তি সুবিধা দিতে পারে। তবে স্বাস্থ্যগত কোনো সমস্যা থাকলে খাদ্যতালিকায় পরিবর্তন আনার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

‘বিড়ালের অভিশাপে’ বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছে ব্রাজিল

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫২ পিএম
‘বিড়ালের অভিশাপে’ বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছে ব্রাজিল
ছবি: সংগৃহীত

২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিদায়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় আসে ‘বিড়ালের অভিশাপ’ তত্ত্ব। অনেক নেট ব্যবহারকারী দাবি করেন, একটি সংবাদ সম্মেলনে বিড়ালকে টেবিল থেকে ফেলে দেওয়ার ঘটনার পর থেকেই ব্রাজিলের কপালে দুর্ভাগ্য।

পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল কাতার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার কাছে টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নেয়। সেই বিদায়ের পরই ২০২২ সালের ডিসেম্বরের নেই সংবাদ সম্মেলনের ভিডিও ও ছবি আবার ভাইরাল হয়।

ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে নিয়ে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনের সময় একটি বিড়াল টেবিলের উপর উঠে আসে। ব্রাজিল দলের প্রেস অফিসার বিড়ালটিকে আলতো করে সরিয়ে দেওয়ার বদলে ধরে টেবিল থেকে নিচে ফেলে দেন। ঘটনাটি তখন অনলাইনে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। অনেকেই বিড়ালটির সঙ্গে এমন আচরণকে অমানবিক বলে মন্তব্য করেন।

এর কিছুদিন পরই বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট ব্রাজিল কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেয়। এরপর থেকেই ফুটবলপ্রেমীদের একাংশ মজা করে দলটির হারের সঙ্গে ওই ঘটনার যোগসূত্র টানতে শুরু করেন। 

তাদের ভাষ্য, বিড়ালটির সঙ্গে দুর্ব্যবহারের কারণেই ব্রাজিলের ওপর ‘অভিশাপ’ নেমে এসেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুরোনো সেই ছবি ও ভিডিও শেয়ার করে অনেকে লিখেছেন, ব্রাজিলকে ওই বিড়ালটিকে আবার খুঁজে বের করে একই টেবিলে বসাতে হবে, তবেই নাকি ‘অভিশাপ’ কাটবে।

একজন নেট ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘এই বিড়ালটি আমার দেখা সবচেয়ে বড় অভিশাপ।’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘বিড়ালেরা দেবতার মতো। তাদের সঙ্গে এমন অসম্মানজনক আচরণের ফল ভোগ করতেই হবে।’

যদিও ‘বিড়ালের অভিশাপ’ তত্ত্বটি মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের রসিকতা ও কৌতুকভিত্তিক আলোচনা, তবু ব্রাজিলের বিশ্বকাপ বিদায়ের পর এটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। সূত্র: সান

অমিয়/