চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপে এখনও নিজেদের চেনা ছন্দের শতভাগ দেখাতে পারেনি স্পেন। তবে মাঠের লড়াইয়ে তারা অপ্রতিরোধ্য। একের পর এক বাধা পেরিয়ে স্প্যানিশরা এখন বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তাদের সামনে শক্তিশালী ফ্রান্স। এই মহাযুদ্ধের আগে প্রতিপক্ষকে সমীহ করলেও জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আত্মবিশ্বাসী স্পেনের প্রধান কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।
ফ্রান্সের বিপক্ষে কঠিন লড়াইয়ের আভাস দিয়ে স্প্যানিশ কোচ বলেন, ‘ফ্রান্স দুর্দান্ত একটি দল। তাদের শক্তি সম্পর্কে আমরা ভালোভাবেই জানি। তবে আমাদেরও প্রয়োজনীয় সামর্থ্য আছে। ফরাসিদের হারানোর যোগ্যতা এই দলের রয়েছে। তবে জয় পেতে হলে মাঠে আমাদের সেরা খেলাটাই খেলতে হবে।’
এবারের বিশ্বকাপে স্পেনের পথচলা ছিল বেশ নাটকীয়। গ্রুপ পর্বে কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র দিয়ে তাদের অভিযান শুরু হয়। তবে পরের দুই ম্যাচে সৌদি আরব ও উরুগুয়েকে হারিয়ে তারা নকআউট পর্ব নিশ্চিত করে। শেষ ষোলোতে অস্ট্রিয়াকে সহজেই বিদায় করে স্পেন। কিন্তু আসল পরীক্ষা দিতে হয় পরের দুই ম্যাচে। কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে পর্তুগাল এবং বেলজিয়ামের মুখোমুখি হয় তারা। দুটি ম্যাচেই শেষ মুহূর্তের গোলে জয় তুলে নেয় স্প্যানিশরা। আর দুই ম্যাচেই গোল করে দলের নায়ক বনে যান মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনো।
চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপে এখনও নিজেদের চেনা ছন্দের শতভাগ দেখাতে পারেনি স্পেন। তবে মাঠের লড়াইয়ে তারা অপ্রতিরোধ্য। একের পর এক বাধা পেরিয়ে স্প্যানিশরা এখন বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তাদের সামনে শক্তিশালী ফ্রান্স। এই মহাযুদ্ধের আগে প্রতিপক্ষকে সমীহ করলেও জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আত্মবিশ্বাসী স্পেনের প্রধান কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।
ফ্রান্সের বিপক্ষে কঠিন লড়াইয়ের আভাস দিয়ে স্প্যানিশ কোচ বলেন, ‘ফ্রান্স দুর্দান্ত একটি দল। তাদের শক্তি সম্পর্কে আমরা ভালোভাবেই জানি। তবে আমাদেরও প্রয়োজনীয় সামর্থ্য আছে। ফরাসিদের হারানোর যোগ্যতা এই দলের রয়েছে। তবে জয় পেতে হলে মাঠে আমাদের সেরা খেলাটাই খেলতে হবে।’
এবারের বিশ্বকাপে স্পেনের পথচলা ছিল বেশ নাটকীয়। গ্রুপ পর্বে কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র দিয়ে তাদের অভিযান শুরু হয়। তবে পরের দুই ম্যাচে সৌদি আরব ও উরুগুয়েকে হারিয়ে তারা নকআউট পর্ব নিশ্চিত করে। শেষ ষোলোতে অস্ট্রিয়াকে সহজেই বিদায় করে স্পেন। কিন্তু আসল পরীক্ষা দিতে হয় পরের দুই ম্যাচে। কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে পর্তুগাল এবং বেলজিয়ামের মুখোমুখি হয় তারা। দুটি ম্যাচেই শেষ মুহূর্তের গোলে জয় তুলে নেয় স্প্যানিশরা। আর দুই ম্যাচেই গোল করে দলের নায়ক বনে যান মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনো।
পাপ্পু/অন্তরা/