ঢাকা ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
কোয়ার্টারের আগে রক্ষণে সতর্ক আর্জেন্টিনা জেলা-উপজেলার হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ফিফা বিক্রি করছে, আপনি কিনবেন বিশ্বকাপ ফাইনাল ভেন্যুর মাঠের ঘাস? কেরানীগঞ্জে গ্যাসলাইনে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৩ মিসর কোচের অভিযোগ ভিত্তিহীন: লিওনেল স্কালোনি ১১ দলের রংপুর বিভাগীয় সমাবেশ বয়কট : সহকারী পরিচালক সেন্টমার্টিনে কোস্টগার্ডের ত্রাণ বিতরণ সাঙ্গুর পানি বিপৎসীমার উপরে, লোকালয়ে কমছে বন্যার পানি পেনাল্টিতে মেসির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত: স্কালোনি বীরগঞ্জে ধানের চারা রোপণ করে শিশুদের নীরব প্রতিবাদ জ্বালানি সংকটে কিউবাজুড়ে লোডশেডিং ভোমরা স্থলবন্দরে বিজিবির অভিযানে ডায়মন্ডের নাকফুলসহ ২ ভারতীয় আটক ফ্রান্সকে হারাতে আমরা প্রস্তুত: স্প্যানিশ কোচ ঢামেকের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী টাঙ্গাইল মেডিকেলে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মাধবদী পৌরসভার নিখোঁজ গাড়ি উদ্ধার জাপানের দক্ষিণাঞ্চলে টাইফুন বাভির আঘাত বেলকুচিতে পানির পাম্পে আবারও পাওয়া গেল গ্যাসসদৃশ পদার্থ গাজীপুরে জখম হাতির চিকিৎসায় থাই বিশেষজ্ঞ ফ্রান্সেরই স্পেনকে ভয় পাওয়া উচিত: ইয়ামাল জয়পুরহাটে জমি নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, আহত ১০ বারবার দুর্যোগ নয়, স্থায়ী সমাধানের পরিকল্পনার আহ্বান জামায়াত আমিরের বাংলাদেশসহ ৭ দেশকে ভিসা নিয়ে সুখবর দিল সৌদি পেকুয়ায় পাহাড়ধস, সড়ক ভাঙনে বিচ্ছিন্ন জারুল বনিয়া বাঁশখালীর বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করে ত্রাণ বিতরণ জামায়াত আমিরের হিলিতে অসহায় বাকপ্রতিবন্ধীর ঘর করে দিলেন বিএনপিকর্মী দুপুরেরর মধ্যে ১৬ জেলায় ঝড়ের আশঙ্কা বোয়ালমারীতে মন্দিরে চুরি, চোর ধরতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার ২ পুরোহিতকে জরিমানা মতলব সেতুর সংযোগ সড়কে ধস, দুর্ঘটনার শঙ্কা ইরান তাকে হত্যা করলে কী করতে হবে, নির্দেশনা দিয়েছেন ট্রাম্প

জ্বালানি সংকটে কিউবাজুড়ে লোডশেডিং

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ১১:৩২ এএম
জ্বালানি সংকটে কিউবাজুড়ে লোডশেডিং
ছবি: সংগৃহীত।

জ্বালানি সংকটের কারণে কিউবাজুড়ে আবারও ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জ্বালানি-সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞার প্রভাবে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১১ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। বিদ্যুৎ গ্রিড পরিচালনাকারী রাষ্ট্রীয় সংস্থা ইউনিয়ন ইলেক্ট্রিকা দে কিউবা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে বিপর্যয় দেখা দেয়। এর ফলে সন্ধ্যার আগেই পুরো দ্বীপ অন্ধকারে ডুবে যায়।

সরকার এ ঘটনার নির্দিষ্ট কারণ জানায়নি। তবে সোমবারও একই ধরনের দেশব্যাপী বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়েছিল। এ নিয়ে চলতি বছরে কিউবায় চারবার জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ল। এর আগে মার্চ মাসেও দুই দফা একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, কিউবার বিদ্যুৎ অবকাঠামোর বেশিরভাগই ১৯৬০ থেকে ১৯৮০ সালের মধ্যে নির্মিত। পুরোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি সংকটের কারণে দেশটির বিদ্যুৎ ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই নাজুক অবস্থায় রয়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ট্রাম্প প্রশাসন কিউবার জ্বালানি সরবরাহ সীমিত করতে একাধিক পদক্ষেপ নেয়। কিউবায় তেল সরবরাহকারী দেশগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ শুল্ক আরোপের হুমকিও দেওয়া হয়। এরপর থেকে দেশটিতে বিদেশি তেলের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সাল পর্যন্ত কিউবা নিজস্ব চাহিদার মাত্র ৪০ শতাংশ তেল উৎপাদন করত। বাকি ৬০ শতাংশ আমদানির ওপর নির্ভরশীল।

২০২২ সালের হিসাবে, কিউবার মোট জ্বালানি ব্যবহারের মাত্র ১৮ শতাংশ আসে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে। ২০৩০ সালের মধ্যে এ হার প্রায় ২৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দেশটি।

এএফ/

জ্বালানি সংকটে কিউবাজুড়ে লোডশেডিং

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ১১:৩২ এএম
জ্বালানি সংকটে কিউবাজুড়ে লোডশেডিং
ছবি: সংগৃহীত।

জ্বালানি সংকটের কারণে কিউবাজুড়ে আবারও ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জ্বালানি-সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞার প্রভাবে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১১ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। বিদ্যুৎ গ্রিড পরিচালনাকারী রাষ্ট্রীয় সংস্থা ইউনিয়ন ইলেক্ট্রিকা দে কিউবা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে বিপর্যয় দেখা দেয়। এর ফলে সন্ধ্যার আগেই পুরো দ্বীপ অন্ধকারে ডুবে যায়।

সরকার এ ঘটনার নির্দিষ্ট কারণ জানায়নি। তবে সোমবারও একই ধরনের দেশব্যাপী বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়েছিল। এ নিয়ে চলতি বছরে কিউবায় চারবার জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ল। এর আগে মার্চ মাসেও দুই দফা একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, কিউবার বিদ্যুৎ অবকাঠামোর বেশিরভাগই ১৯৬০ থেকে ১৯৮০ সালের মধ্যে নির্মিত। পুরোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি সংকটের কারণে দেশটির বিদ্যুৎ ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই নাজুক অবস্থায় রয়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ট্রাম্প প্রশাসন কিউবার জ্বালানি সরবরাহ সীমিত করতে একাধিক পদক্ষেপ নেয়। কিউবায় তেল সরবরাহকারী দেশগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ শুল্ক আরোপের হুমকিও দেওয়া হয়। এরপর থেকে দেশটিতে বিদেশি তেলের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সাল পর্যন্ত কিউবা নিজস্ব চাহিদার মাত্র ৪০ শতাংশ তেল উৎপাদন করত। বাকি ৬০ শতাংশ আমদানির ওপর নির্ভরশীল।

২০২২ সালের হিসাবে, কিউবার মোট জ্বালানি ব্যবহারের মাত্র ১৮ শতাংশ আসে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে। ২০৩০ সালের মধ্যে এ হার প্রায় ২৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দেশটি।

এএফ/

জাপানের দক্ষিণাঞ্চলে টাইফুন বাভির আঘাত

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ১১:০৫ এএম
জাপানের দক্ষিণাঞ্চলে টাইফুন বাভির আঘাত
ছবি: সংগৃহীত

প্রবল বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাস নিয়ে জাপানের দক্ষিণাঞ্চলের সাকিশিমা দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হেনেছে টাইফুন বাভি। ঝড়ের প্রভাবে বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে ঝড়ের প্রভাব মোকাবিলায় তাইওয়ানে পাহাড়ি এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ১৪ হাজারের বেশি মানুষকে।

শনিবার (১১ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

শনিবার জাপানের ওকিনাওয়া প্রিফেকচারের ইশিগাকি দ্বীপে ব্যাপক বৃষ্টি ও শক্তিশালী বাতাস বয়ে যায়। ঝড়ের কারণে রাস্তায় ছোট ছোট ধ্বংসাবশেষ উড়ে যেতে দেখা গেছে। সমুদ্রবন্দরে নোঙর করা নৌযানগুলোও প্রবল ঢেউয়ের কারণে দুলতে থাকে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টাইফুন বাভির কেন্দ্রে সর্বোচ্চ বাতাসের গতি ছিল ঘণ্টায় ১৪৪ কিলোমিটার। তবে কোথাও কোথাও ঝোড়ো বাতাসের গতি ঘণ্টায় ১৯৮ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ।

ঝড়ের কারণে ইশিগাকিতে শনিবার (১১ জুলাই) সব ধরনের বিমান ও ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। বাতিল করা হয়েছে ৩৪৫টি ফ্লাইট। এছাড়া ও কিনাওয়া অঞ্চলের ২৪ হাজারের বেশি বাড়ি বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে আছে।

এদিকে, তাইওয়ানের উত্তরাঞ্চলের দিকে এগিয়ে আসা বাভির কারণে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে দেশটির সরকার। মূলত পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে ১৪ হাজারের বেশি মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যদিও ঝড়টি তাইওয়ানের স্থলভাগে আঘাত করবে না বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

তবে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় দেশটির বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কিছু এলাকায় প্রায় ১ মিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ। ঝড়ের কারণে ৯২০টি আন্তর্জাতিক ও ২৮০টি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

তাইওয়ানের প্রায় সব শহর ও কাউন্টিতে শনিবার ‘টাইফুন ছুটি’ ঘোষণা করা হয়। বন্ধ রাখা হয়েছে সরকারি অফিস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। রাজধানী তাইপেতে বাতাস ও বৃষ্টি থাকলেও অনেক মানুষকে বাইরে চলাচল করতে দেখা গেছে।

তবে শহরের বেইতোউ এলাকায় ঘণ্টায় প্রায় ১০০ কিলোমিটার বেগে বাতাসের কারণে গাছ উপড়ে পড়েছে এবং নদীর পানি বেড়েছে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, টাইফুন বাভি রোববার (১২ জুলাই) ভোরে চীনের পূর্বাঞ্চলীয় শহর ওয়েনঝৌতে আঘাত হানতে পারে। শহরটিতে প্রায় এক কোটি মানুষের বসবাস। সূত্র: রয়টার্স।

এএফ/

ইরান তাকে হত্যা করলে কী করতে হবে, নির্দেশনা দিয়েছেন ট্রাম্প

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ১০:২১ এএম
আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
ইরান তাকে হত্যা করলে কী করতে হবে, নির্দেশনা দিয়েছেন ট্রাম্প
ন্যাটো সম্মেলনের পর যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পথে ট্রাম্প তার পরিকল্পনা পরিবর্তন করেন। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান যদি তাকে হত্যা করতে সফল হয়, তবে দেশটির ওপর ব্যাপক মাত্রায় বোমা বর্ষণ করার জন্য তিনি কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়ে রেখেছেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি ইরানের হিট লিস্টে রয়েছেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে তাদের তালিকায় আছি। আমরা এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি। তবে বড় কথা হলো, আমি নির্দেশনা দিয়ে রেখেছি যে, যদি আমার কোনো ক্ষতি হয়, তবে আক্ষরিক অর্থেই তাদের ওপর এমন মাত্রায় বোমা হামলা চালানো হবে যা তারা এর আগে কখনো দেখেনি।'

ইসরায়েলের পক্ষ থেকে ট্রাম্পকে হত্যার নতুন ইরানি ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল। এই নতুন ষড়যন্ত্রের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ট্রাম্প বলেন, ‘নতুন কোনো পরিকল্পনা নয়, বরং বহু বছর ধরেই ইরান তাকে মৃত দেখতে চায়’।

তিনি বলেন, ‘না, না। ইসরায়েল নতুন কিছু বের করেনি। আমি দীর্ঘদিন ধরে তাদের তালিকায় এক নম্বরে আছি এবং এটাই জীবন, আপনারা জানেন।’ রসিকতা করে তিনি আরও বলেন, ‘আশাকরি আপনারা আমাকে মিস করবেন’।

তুরস্কের আঙ্কারায় ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন শেষে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পথে ট্রাম্প তার ভ্রমণের পরিকল্পনা পরিবর্তন করেন। পরে হোয়াইট হাউস স্বীকার করে যে, প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার স্বার্থে এটি একটি কৌশলগত পদক্ষেপ ছিল।

২০২০ সালে ট্রাম্পের নির্দেশনায় ড্রোন হামলায় ইরানের প্রভাবশালী সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলেইমানি নিহত হওয়ার পর থেকেই তিনি ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের মূল লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন। এটিই প্রথম নয়, এর আগেও ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে তিনি ইরানের তথাকথিত ‘হিট লিস্টে’ এক নম্বর লক্ষ্যবস্তু।

আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনের এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, ‘তাদের (ইরানের) একদল নেতা চলে গেছেন। তারপর আরেক দল নেতা এসেছিলেন, তারাও শেষ। এখন আরেক দল নেতা আছেন, তারাও হয়তো চলে যাবেন, কে জানে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘এবং আপনারা জানেন কি? আমিও হয়তো চলে যেতে পারি। কারণ আমিই তাদের এক নম্বর লক্ষ্যবস্তু। এটি সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে যে আমি তাদের প্রধান লক্ষ্য।’

রিপাবলিকান এই নেতা আরও দাবি করেন, ‘‘এতদিন তিনি ‘ভাগ্যবান’ হলেও, সবসময় ভাগ্য একরকম নাও থাকতে পারে। গত বুধবার তিনি বলেছিলেন, ‘আজ সকালে আমি একটি বিষয় দেখলাম, আমি তাদের প্রতিটি তালিকায় আছি। এ পর্যন্ত আমি কিছুটা ভাগ্যবান ছিলাম বলতে হবে। তবে হয়তো এটি খুব বেশিদিন স্থায়ী হবে না।’’

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি শেষ

ইরানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক ‘শেষ’ বলে ঘোষণা করার পর ট্রাম্প এই মন্তব্য করলেন। ইরানের মধ্যস্থতাকারীদের ‘নিন্দনীয়’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, তাদের তিনি মোটেও পছন্দ করেন না।

ইরানের ৮০টি ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর প্রথম প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প বলেন, ‘আমি তাদের একেবারেই পছন্দ করি না। সত্যি বলতে, আমার মনে হয় আমরা তাদের পেছনে অনেক সময় নষ্ট করেছি, এখন আমাদের নিজেদের কাজ করা উচিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘তারা অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও হিংস্র প্রকৃতির মানুষ। আমার দৃষ্টিকোণ থেকে, সব শেষ।’

ট্রাম্প বলেন, মার্কিন প্রতিনিধিরা চাইলে আলোচনা চালিয়ে যেতে পারেন, তবে এর ফলাফল নিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন, ‘তারা আলোচনা করতে পারে, তবে আমার মনে হয় তারা শুধু সময়ই নষ্ট করছে।’

সম্প্রতি গুপ্তহত্যার শিকার হওয়া ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির জানাজায় তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হত্যার স্লোগান দিতে দেখা গেছে। সেখানকার বিভিন্ন পোস্টার ও গ্রাফিতিতেও ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে হত্যার আহ্বান জানানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যখন একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে, ঠিক তখনই ইরান তাকে হত্যা করতে চায় বলে ট্রাম্প এই দাবি করলেন। সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/

আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফন অনুষ্ঠানেও যুদ্ধের ছায়া

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৬ এএম
আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফন অনুষ্ঠানেও যুদ্ধের ছায়া
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফনে অংশ নিতে দেশটির পবিত্র নগরী মাশহাদের প্রধান সড়কে সমবেত হন শোকাহত মানুষ

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে দেশটির পবিত্র নগরী মাশহাদে দাফন করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ইরানের সবচেয়ে পবিত্র শিয়া মুসলিম ধর্মীয় স্থান ইমাম রেজা মাজারে তার মরদেহ দাফন করা হয়। এর মাধ্যমে ইরান ও প্রতিবেশী ইরাকের পাঁচটি শহরে টানা ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোক এ জানাজা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সমাপ্তি হলো। তবে দাফনের আগেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় পুরো আয়োজনজুড়ে যুদ্ধের ছায়া স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে ইরাক থেকে একটি বিমান খামেনি, তার নাতনি, জামাতা, মেয়ে এবং মোজতবার স্ত্রীর মরদেহ নিয়ে মাশহাদে পৌঁছায়। কালো পোশাক পরা হাজারও শোকাহত মানুষ মাশহাদের প্রধান সড়কে সমবেত হন। অনেকের হাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মৃত্যুদণ্ডের দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ডও দেখা যায়।

দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএর খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সাম্প্রতিক হামলা-পাল্টাহামলার কারণে যুদ্ধ অবসানে প্রাথমিক সমঝোতা ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কার মধ্যেই এ দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) অভিযোগ করে, খামেনির দাফন অনুষ্ঠানকে ম্লান করে দিতে যুক্তরাষ্ট্র রাতের আঁধারে তেহরান থেকে মাশহাদগামী রেলপথের দুটি সেতুতে বোমা হামলা চালিয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিন তেহরানে নিজ বাসভবনে ইসরায়েলি হামলায় খামেনি ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিহত হন। তার মৃত্যুর পর সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব নেন ছেলে মোজতবা খামেনি। তবে একই হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার খবরের পর থেকে তিনি জনসমক্ষে আসেননি। তেহরান ও কোমে অনুষ্ঠিত জানাজা কিংবা মাশহাদের দাফন অনুষ্ঠানেও তাকে দেখা যায়নি।

ইমাম রেজা ছিলেন শিয়াদের দ্বাদশ ইমামদের মধ্যে অষ্টম। নবম শতকে নির্মিত তার সুবিশাল সোনালি গম্বুজ ও মিনারসমৃদ্ধ মাজারে প্রতিবছর লাখো ধর্মপ্রাণ মানুষ তীর্থযাত্রা করেন। ইরানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মাশহাদেই খামেনির জন্ম। সেখানকার ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা শেষে তিনি কোমে যান, যা ইরানের শিয়া ধর্মীয় নেতৃত্বের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

১৯৮৯ সালে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর খামেনি সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। প্রায় ৩৭ বছর ক্ষমতায় থেকে তিনি দেশটির রাজনীতি ও সশস্ত্র বাহিনীর ওপর দৃঢ় নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখেন।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক যুদ্ধ ও জানুয়ারির সরকারবিরোধী আন্দোলনের পর জাতীয় ঐক্য ও শক্তির বার্তা দিতেই খামেনির শোকানুষ্ঠান রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যাপক আয়োজনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে শোকানুষ্ঠানের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন করে হামলা-পাল্টাহামলায় পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) টানা দ্বিতীয় রাতের হামলার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এর চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে।’ মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে হামলার সক্ষমতা দুর্বল করতেই এসব অভিযান চালানো হয়েছে। জবাবে আইআরজিসি জানায়, কুয়েত, বাহরাইন ও কাতারে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরানি বাহিনী।

তিন সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সব ধরনের শত্রুতা বন্ধ, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে দুই মাসের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে একমত হয়েছিল।

গত সপ্তাহে মধ্যস্থতাকারী কাতার জানায়, দোহায় পরোক্ষ বৈঠকে উভয় পক্ষ অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং খামেনির শোকানুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর আবার আলোচনা শুরু হবে।

সূত্র: বিবিসি

যুদ্ধ বন্ধে তৎপর মধ্যস্থতাকারীরা

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৯:১২ এএম
আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৬ এএম
যুদ্ধ বন্ধে তৎপর মধ্যস্থতাকারীরা
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প/ ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কয়েক দিনের পাল্টাপাল্টি হামলার পর গতকাল শুক্রবার পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কাটেনি। নতুন করে সংঘাত এড়াতে উভয় পক্ষকে আবারও আলোচনার টেবিলে ফেরানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কাতার, পাকিস্তানসহ আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীরা।

গতকাল ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও বিভিন্ন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আল-জাজিরায় প্রকাশিত সংবাদে জানানো হয়, ভোরে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলার জন্য তারা শত্রুপক্ষকে দায়ী করলেও কোনো দেশের নাম উল্লেখ করেনি। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র নতুন কোনো হামলার ঘোষণা দেয়নি।

এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, পারমাণবিক ইস্যুতে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে আলোচনা এখনো চলমান এবং যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সমাধানেই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যদিও গত বুধবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, যুদ্ধবিরতি কার্যত ‘শেষ হয়ে গেছে’ বলে তিনি মনে করেন। এদিকে এক মার্কিন কর্মকর্তা আল-জাজিরাকে জানান, শুক্রবার ভোরের সর্বশেষ হামলার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের বরাত দিয়ে এক আঞ্চলিক সূত্র জানায়, উভয় পক্ষকে প্রথমে উত্তেজনা কমাতে এবং পরবর্তী বৈঠকের তারিখ নির্ধারণে ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে। সাম্প্রতিক হামলা-পাল্টাহামলার পর কাতার, পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশের মধ্যস্থতাকারীরা টেলিফোন কূটনীতি চালিয়ে যাচ্ছেন। দোহা ও ইসলামাবাদ আবারও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, আঞ্চলিক সংকট সমাধানে দোহা এখনো সংলাপ, কূটনীতি ও মধ্যস্থতার পথেই আস্থা রাখছে। দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারককে (এমওইউ) স্থায়ী চুক্তিতে রূপ দিতে শুরু থেকেই গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে কাতার। অন্তর্বর্তী ওই সমঝোতায় উভয় দেশ যুদ্ধ বন্ধ, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া, ইরানের ওপর নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, তেহরানের তেল রপ্তানি পুনরায় চালু এবং জব্দ করা কিছু ইরানি সম্পদ মুক্ত করার বিষয়ে একমত হয়েছিল।

তবে সবচেয়ে বড় মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে। ওমান ও জাতিসংঘ বিকল্প নৌপথ চালুর ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই সেখানে উত্তেজনা বেড়ে যায়। চলতি সপ্তাহে প্রণালিতে একাধিক জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটে। এ জন্য যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে দায়ী করে দেশটির দক্ষিণ উপকূলে হামলা চালায়। জবাবে ইরান কুয়েত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করে।

ট্রাম্পকে হত্যার পরিকল্পনা করছে ইরান!

এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শোকমিছিল চলাকালেও যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী ও ট্রাম্পবিরোধী স্লোগানে মুখর ছিল রাজপথ। ন্যাটো সম্মেলনে গত  বুধবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান তাকে হত্যার পরিকল্পনা করছে।

এদিকে মার্কিন কয়েকটি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্পকে হত্যার একটি সম্ভাব্য পরিকল্পনা সম্পর্কে ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে গোয়েন্দা তথ্য দিয়েছে। চলতি সপ্তাহেই ওই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার নির্দেশ দেওয়ার পর থেকেই ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে ইরান। গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ শোকমিছিলেও ট্রাম্পের মৃত্যুদাবি-সংবলিত স্লোগান ব্যাপকভাবে উচ্চারিত হয়। সূত্র: আল-জাজিরা