ঢাকা ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
প্রকৃতির নয়, লোভের ধসে মরছে মানুষ রাঙামাটিতে পাহাড়ধস ও ভূমিধসের সতর্কতা থানার গ্রিল ভেঙে নারী আসামির পালানো, এসআই-কনস্টেবল প্রত্যাহার শৈলকুপায় সরকারি সহায়তার চেক ও পুরস্কার পেলেন উপকারভোগীরা বিএনপি জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুনামগঞ্জে বৃষ্টি কমলেও পাহাড়ি ঢলে বাড়ছে হাওর-নদীর পানি রাজপাল যাদবের তিন মাসের কারাদণ্ড তহবিল সংকটে ১০ লাখ নারী জরুরি সেবাবঞ্চিত: জাতিসংঘ চট্টগ্রামে বাড়ছে ডেঙ্গু, জুলাই-সেপ্টেম্বরে সর্বোচ্চ ঝুঁকি ফিলিপাইনে ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫ মৌলভীবাজারে মনু নদের ভাঙনে পানিবন্দি ১০ হাজার মানুষ রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের শঙ্কা কাটেনি, আশ্রয়কেন্দ্রে ২৩৬৬ জন ফিলিপাইনে ভূমিধসে ৫ জন নিহত বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার মুখে স্পেন: দে লা ফুয়েন্তে চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টি কমলেও নগরে রয়ে গেছে পাহাড়ধসের শঙ্কা ঝুঁকিতে থাকা ১০০ পরিবার পেল সেভ দ্য চিলড্রেন ও ইপসার সহায়তা চকরিয়ায় নৌকাডুবির পর নিখোঁজ কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: তথ্যমন্ত্রী আরও ভালো করতে পারতাম: ডেম্বেলে একদিনে হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতে প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণে ইতালির আগ্রহ নরওয়ে ম্যাচের আগে ইংল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা! এআই ব্যবহারে কম বয়স বলতে কতটুকু বয়স বোঝায়? এ মাসেই ঢাকায় আতিফ আসলামের কনসার্ট চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ পদক্ষেপ চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার গ্রহণ করলেন ৬ লেখক টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত কক্সবাজার, খোলা হয়েছে ৬৪০ আশ্রয়কেন্দ্র ভারতে ভারী বর্ষণে ১০ জনের মৃত্যু চট্টগ্রাম বোর্ডে শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ফ্রান্সে বন্দুকধারীদের গুলিতে আহত ৪

তহবিল সংকটে ১০ লাখ নারী জরুরি সেবাবঞ্চিত: জাতিসংঘ

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম
তহবিল সংকটে ১০ লাখ নারী জরুরি সেবাবঞ্চিত: জাতিসংঘ
ছবি: সংগৃহীত

২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে বৈদেশিক সহায়তা কমে যাওয়া ও ব্যয় হ্রাসের কারণে অন্তত ১০ লাখ নারী ও কিশোরী জরুরি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।

শুক্রবার (১০ জুলাই) নতুন এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেন জানায়, প্রয়োজন দ্রুত বাড়লেও নারীদের নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন ভেঙে পড়ার মুখে রয়েছে।

গত বছর দায়িত্ব নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৈদেশিক সহায়তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেন। একই সঙ্গে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দাতা দেশও সহায়তা ব্যয় কমিয়েছে। যার ফলে এমন পরিস্থিতির মুখে পড়তে যাচ্ছে সংগঠনগুলো।

ইউএন উইমেনের মানবিক কার্যক্রম বিভাগের প্রধান সোফিয়া কালতোর্প এক বিবৃতিতে বলেন, ‘বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে থাকা নারী সংগঠনগুলো বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক সংকটের সামনের সারিতে কাজ করছে।’

তিনি বলেন, ‘নারী সংগঠনগুলোর জন্য প্রত্যাহার করা প্রতিটি ডলার মানে সংঘাতজনিত যৌন সহিংসতার শিকার ব্যক্তি, বাস্তুচ্যুত মা, স্কুলছুট হতে বাধ্য হওয়া কিশোরী এবং টিকে থাকার লড়াই করা জনগোষ্ঠীর কাছ থেকে এক ডলার করে সহায়তা প্রত্যাহার করা।’

ইউএন উইমেন জানায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বজুড়ে সশস্ত্র সংঘাত এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রায় ১২ কোটি নারী ও কিশোরীর মানবিক সহায়তা ও সুরক্ষা প্রয়োজন।

সংকট কবলিত ৫২টি দেশের নারী নেতৃত্বাধীন ও নারীর অধিকারভিত্তিক ৮৫৫টি সংগঠনের মতামতের ভিত্তিতে তৈরি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ৮৪ শতাংশ সংগঠনের সেবার চাহিদা বেড়েছে।

সংস্থাটি জানায়, প্রতি ১০টি সংগঠনের প্রায় ৯টিই বর্তমান চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। আর জরিপে অংশ নেওয়া প্রতি পাঁচটি সংগঠনের মধ্যে দুটি আগামী এক বছরের মধ্যে সাময়িক বা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংগঠনগুলো টিকিয়ে রাখতে নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি ও কর্মীরা নিজেদের শ্রম ও ব্যক্তিগত প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। ইউএন উইমেন জানায়, নারী নেতৃত্বাধীন ৬৫ শতাংশ সংগঠনে কর্মীরা কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই সেবা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রায় অর্ধেক সংগঠন জানিয়েছে, কর্মীদের মধ্যে মানসিক ও শারীরিক অবসাদ বাড়ছে।

ইউএন উইমেনের বিবৃতিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে সংঘাতজনিত যৌন সহিংসতার ঘটনা দ্বিগুণ হয়েছে। ঠিক সেই সময়ই ভুক্তভোগীদের সুরক্ষার জন্য গড়ে তোলা ব্যবস্থাগুলো ভেঙে পড়ছে।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ৮৬ শতাংশ নারী সংগঠন জানিয়েছে, তারা যেসব এলাকায় কাজ করছে সেখানে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা বেড়েছে। সংস্থাটি জোর দিয়ে বলেছে, সহায়তা কমানোর প্রভাব ভয়াবহ।

ইউএন উইমেন আরও বলেছে, এ সহায়তা কমানোর প্রভাব শুধু মানবিক সহায়তা কার্যক্রমকে দুর্বল করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সংস্থাটি বলেছে, ‘নারী সংগঠনগুলোর বিলুপ্তি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি এমন এক সময়ে ঘটছে, যখন বিশ্বজুড়ে নারী ও কিশোরীদের অধিকারের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জোরালো হচ্ছে।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতি পাঁচটি সংগঠনের একটি ইতোমধ্যে নারীর নেতৃত্ব ও লিঙ্গসমতা এগিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম স্থগিত করেছে। আর অর্ধেকের বেশি সংগঠন জানিয়েছে, স্থানীয় নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীদের অংশগ্রহণ কমে যেতে দেখছে তারা। সূত্র: বাসস

এএফ/

তহবিল সংকটে ১০ লাখ নারী জরুরি সেবাবঞ্চিত: জাতিসংঘ

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম
তহবিল সংকটে ১০ লাখ নারী জরুরি সেবাবঞ্চিত: জাতিসংঘ
ছবি: সংগৃহীত

২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে বৈদেশিক সহায়তা কমে যাওয়া ও ব্যয় হ্রাসের কারণে অন্তত ১০ লাখ নারী ও কিশোরী জরুরি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।

শুক্রবার (১০ জুলাই) নতুন এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেন জানায়, প্রয়োজন দ্রুত বাড়লেও নারীদের নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন ভেঙে পড়ার মুখে রয়েছে।

গত বছর দায়িত্ব নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৈদেশিক সহায়তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেন। একই সঙ্গে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দাতা দেশও সহায়তা ব্যয় কমিয়েছে। যার ফলে এমন পরিস্থিতির মুখে পড়তে যাচ্ছে সংগঠনগুলো।

ইউএন উইমেনের মানবিক কার্যক্রম বিভাগের প্রধান সোফিয়া কালতোর্প এক বিবৃতিতে বলেন, ‘বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে থাকা নারী সংগঠনগুলো বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক সংকটের সামনের সারিতে কাজ করছে।’

তিনি বলেন, ‘নারী সংগঠনগুলোর জন্য প্রত্যাহার করা প্রতিটি ডলার মানে সংঘাতজনিত যৌন সহিংসতার শিকার ব্যক্তি, বাস্তুচ্যুত মা, স্কুলছুট হতে বাধ্য হওয়া কিশোরী এবং টিকে থাকার লড়াই করা জনগোষ্ঠীর কাছ থেকে এক ডলার করে সহায়তা প্রত্যাহার করা।’

ইউএন উইমেন জানায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বজুড়ে সশস্ত্র সংঘাত এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রায় ১২ কোটি নারী ও কিশোরীর মানবিক সহায়তা ও সুরক্ষা প্রয়োজন।

সংকট কবলিত ৫২টি দেশের নারী নেতৃত্বাধীন ও নারীর অধিকারভিত্তিক ৮৫৫টি সংগঠনের মতামতের ভিত্তিতে তৈরি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ৮৪ শতাংশ সংগঠনের সেবার চাহিদা বেড়েছে।

সংস্থাটি জানায়, প্রতি ১০টি সংগঠনের প্রায় ৯টিই বর্তমান চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। আর জরিপে অংশ নেওয়া প্রতি পাঁচটি সংগঠনের মধ্যে দুটি আগামী এক বছরের মধ্যে সাময়িক বা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংগঠনগুলো টিকিয়ে রাখতে নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি ও কর্মীরা নিজেদের শ্রম ও ব্যক্তিগত প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। ইউএন উইমেন জানায়, নারী নেতৃত্বাধীন ৬৫ শতাংশ সংগঠনে কর্মীরা কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই সেবা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রায় অর্ধেক সংগঠন জানিয়েছে, কর্মীদের মধ্যে মানসিক ও শারীরিক অবসাদ বাড়ছে।

ইউএন উইমেনের বিবৃতিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে সংঘাতজনিত যৌন সহিংসতার ঘটনা দ্বিগুণ হয়েছে। ঠিক সেই সময়ই ভুক্তভোগীদের সুরক্ষার জন্য গড়ে তোলা ব্যবস্থাগুলো ভেঙে পড়ছে।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ৮৬ শতাংশ নারী সংগঠন জানিয়েছে, তারা যেসব এলাকায় কাজ করছে সেখানে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা বেড়েছে। সংস্থাটি জোর দিয়ে বলেছে, সহায়তা কমানোর প্রভাব ভয়াবহ।

ইউএন উইমেন আরও বলেছে, এ সহায়তা কমানোর প্রভাব শুধু মানবিক সহায়তা কার্যক্রমকে দুর্বল করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সংস্থাটি বলেছে, ‘নারী সংগঠনগুলোর বিলুপ্তি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি এমন এক সময়ে ঘটছে, যখন বিশ্বজুড়ে নারী ও কিশোরীদের অধিকারের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জোরালো হচ্ছে।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতি পাঁচটি সংগঠনের একটি ইতোমধ্যে নারীর নেতৃত্ব ও লিঙ্গসমতা এগিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম স্থগিত করেছে। আর অর্ধেকের বেশি সংগঠন জানিয়েছে, স্থানীয় নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীদের অংশগ্রহণ কমে যেতে দেখছে তারা। সূত্র: বাসস

এএফ/

ফিলিপাইনে ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৭ পিএম
ফিলিপাইনে ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫
ছবি: সংগৃহীত

টাইফুন ‘বাভি’ এর প্রভাবে টানা ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট ভূমিধসে শুক্রবার ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে আরও ১০ জনের প্রাণহানি হয়েছে।

এতে ঝড় সম্পর্কিত ঘটনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে।

আঞ্চলিক সিভিল ডিফেন্স পরিচালক রদ্রিগো সোসমেনা বলেন, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে মিন্দানাও দ্বীপের সারাঙ্গানি প্রদেশে ভূমিধসে ১০ জন মাটিচাপা পড়ে মারা গেছেন।

এর আগে শুক্রবারই একই দ্বীপে পৃথক আরেকটি ভূমিধসে অন্তত পাঁচজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। ওই ঘটনায় আরও ছয়জন নিখোঁজ রয়েছেন। সূত্র: বাসস

এএফ/

ফিলিপাইনে ভূমিধসে ৫ জন নিহত

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৮ পিএম
ফিলিপাইনে ভূমিধসে ৫ জন নিহত
প্রতীকী ছবি।

কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় টাইফুন ‘বাভি’ এর প্রভাবে ফিলিপাইনে ভূমিধসে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া তাইওয়ানে শত শত মানুষকে তাদের বাড়িঘর থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) ও শনিবার (১১ জুলাই) টাইফুনটি তাইওয়ানের উত্তর ও পূর্ব এবং জাপানের প্রত্যন্ত দক্ষিণ-পশ্চিম দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হানার পর চীনে আছড়ে পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, বাভির প্রভাবে সৃষ্ট ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ মিন্দানাওতে ভূমিধসে অন্তত পাঁচজন নিহত এবং আরও ছয়জন নিখোঁজ হয়েছেন।

তাইওয়ানের বন্দরনগরী কিলুংকে দ্বীপটির সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার একটি হিসেবে ধরা হচ্ছে। সেখানে বাসিন্দারা প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী মজুত করেছেন। দোকানের সামনে বালুর বস্তা সাজিয়ে রেখেছেন। কর্তৃপক্ষের সতর্কবার্তা মেনে তারা আগাম প্রস্তুতি নিয়েছেন।

সোমবার সুপার টাইফুন হিসেবে গুয়াম ও নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হানার পর প্রশান্ত মহাসাগর অতিক্রম করার সময় বাভির শক্তি কিছুটা কমে টাইফুনে পরিণত হয়।

কেন্দ্রীয় আবহাওয়া প্রশাসন (সিডব্লিউএ) জানিয়েছে, শুক্রবার বাভির সর্বোচ্চ স্থায়ী বাতাসের গতি ছিল ঘণ্টায় ১৬২ কিলোমিটার, দমকা হাওয়ার গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৯৮ কিলোমিটার। বৃহস্পতিবারের তুলনায় এর গতি কিছুটা কমেছে।

সিডব্লিউএর আবহাওয়াবিদ ওয়াং পিং-শিয়াং এএফপিকে বলেন, ‘পরিবেশগত পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় টাইফুনটি আরও দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘তাইপে, নিউ তাইপে, কিলুং ও ইলান সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হতে পারে। আর সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে মধ্য ও উত্তর তাইওয়ানের পার্বত্য এলাকায়।’

বাভির প্রবল বাতাসের বিস্তৃতি ৩৮০ কিলোমিটার । ফলে এটি ৩০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে তাইওয়ানে আঘাত হানা সবচেয়ে বড় টাইফুন হতে যাচ্ছে।

শুক্রবার রাজধানী তাইপেসহ উত্তর ও পূর্ব তাইওয়ানের বহু স্কুল ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে শত শত অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট।

জাপানের দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হেনে এবং তাইওয়ানের উত্তর প্রান্ত অতিক্রম করার পর সপ্তাহান্তে পূর্ব চীনে বাভির আছড়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এএফ/

ভারতে ভারী বর্ষণে ১০ জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৮ পিএম
ভারতে ভারী বর্ষণে ১০ জনের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

মৌসুমি বৃষ্টির তীব্রতায় ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ভয়াবহ দুর্ভোগ নেমে এসেছে। টানা ভারী বর্ষণে রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে, সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট, ব্যাহত হয়েছে স্বাভাবিক জনজীবন। বৃষ্টিজনিত বিভিন্ন দুর্ঘটনায় অন্তত ১০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দেশটির বিভিন্ন স্থানে প্রবল বর্ষণে রাস্তাঘাট ডুবে যায়। অনেক এলাকায় হাঁটুপানির মধ্যে দিয়ে হেঁটে যেতে দেখা যায় মানুষকে। জলাবদ্ধতার কারণে যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

রাজধানী দিল্লি এবং আশপাশের জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে বৃহস্পতিবার কয়েক দফা ভারি বৃষ্টি হয়। এতে একদিকে যেমন ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরের পর সবচেয়ে পরিষ্কার বাতাসের রেকর্ড গড়েছে দিল্লি, অন্যদিকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা, গাছ উপড়ে পড়া এবং তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

পূর্ব দিল্লি, সাঙ্গাম বিহার, নিউ দিল্লি রেলস্টেশন এলাকা, বুরারি এবং আরও কয়েকটি এলাকায় জলাবদ্ধতার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া আইটিও, রোহতক রোড এবং মেহরাউলি-বাদারপুর সড়কে যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।

এদিকে দিল্লির রোহিণীতে বৃষ্টির মধ্যে একটি ভবন ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে তিনজনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা পিটিআই।

দিল্লি ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, ইস্ট অব কৈলাশ এলাকার রাজা ধীর সিং মার্গে পৃথক দুটি স্থানে দুটি গাছ উপড়ে পড়ে। এছাড়া কালকাজি-গোবিন্দপুরি এলাকার গুরু রবিদাস মার্গ, ধিংরা মার্গ এবং রণজিৎ নগরে আরও কয়েকটি গাছ পড়ে যায়। এর মধ্যে একটি গাছ পার্কিংয়ে থাকা একটি গাড়ির ওপর ভেঙে পড়ে।

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, আগামী কয়েক দিন ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। তাই নিচু এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।

এএফ/

ফ্রান্সে বন্দুকধারীদের গুলিতে আহত ৪

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৬ পিএম
ফ্রান্সে বন্দুকধারীদের গুলিতে আহত ৪
ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ ফ্রান্সের মার্সেই শহরে বন্দুকধারীদের গুলিতে চারজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুই জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

ফরাসি সংবাদমাধ্যম বিএফএমটিভি এ তথ্য জানিয়েছে।

জানা গেছে, একদল হামলাকারী গাড়িতে করে এসে চারজনের ওপর গুলি চালায়। আহতদের মধ্যে দুই জনের অবস্থা গুরুতর।

কর্তৃপক্ষ এখনো এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সূত্র: আনাদোলু অ্যাজেন্সি

এএফ/