ঢাকা ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
জলের আঙুল মেঘ আষাঢ়ের জলাভিসার আষাঢ়ের মুখ যদিও এই সজল বর্ষা প্রাইমারি স্কুলের অনিয়মে নজর দিন হবিগঞ্জে বাঁধ ভাঙনে ২৫ গ্রাম পানিবন্দি, ভোগান্তিতে ৩০ হাজার বাসিন্দা মেঘের সৌধ থেকে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ফুটবল আবেগ এক নতুন সম্ভাবনা বৃষ্টি ভেজার কাঁপন বরষা, এ চল্লিশে আষাঢ়ের রূপ বাউরি বর্ষার ঝোড়ো রাত আষাঢ়ি পূর্ণিমায় স্ক্রিনে বন্দি শৈশব-কৈশোর আষাঢ়ের বাদলধারা বৃষ্টিস্নাত বিশেষত তোমাকে বাদলফকির ফ্রান্সের শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নিলেন মরক্কোর কোচ রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার লাভ-ক্ষতি আওয়ামী লীগের জন্ম দিল্লিতে, দাফনও হয়েছে সেখানেই: সারজিস আলম এসেছ আজ কী মহাসমারোহে উপভোগ্য ছিল পদ্মায় ইলিশ ধরা গ্রাফিতিতে বিশ্বকাপ, ফুটবল উন্মাদনায় ভাসছে জাককানইবি মরক্কোকে বেছে নেওয়ায় আফসোস নেই বুয়াদির নজরুলের অভিযান কবিতার এক শ বছর দেশজুড়ে ডেঙ্গুর ব্যাপক বিস্তার বাঁশখালীতে জামায়াত আমিরের বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন স্পেনকে হারাতে নিখুঁত ম্যাচ খেলতে হবে: লুকাকু লালপুরে হেরোইনসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

কবিতা বরষা, এ চল্লিশে

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:০২ পিএম
বরষা, এ চল্লিশে

যে ভালোবাসা হারিয়ে গেছে
        মুছে গেছে ফ্লাইওভারের তলায়
তাতে অশ্রুর সঙ্গে আগুন মিশিয়েছি।


এ বরষণে ফিরে পেতে
              ইচ্ছেও নেই, আজ আর
কোনও অবেলার স্বজন।

 
যে বারিশ ঝাঁপিয়ে চল্লিশ পেরোয়,
        খোঁজে শান্তি, সত্তা, ভবিষ্যৎ
হিয়া-টলটল ‘স্থিতি’।
 

এ মাঝবেলায় কে ঝরে যেতে চায়,
                কেইবা চায় হারাতে

কবিতা জলের আঙুল

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
জলের আঙুল

তুমুল বৃষ্টির রাত
চৌচির মৃত্তিকাবুকে সজীব নিঃশ্বাস
তৃষ্ণাকাতর পাতার শরীরে জলের নাচন
ভেজা বাতাসের ডানায় ডানায় বৃষ্টির ঘ্রাণ

পাখি দম্পতিরা নিশিস্নান শেষে ফিরে যায় নীড়ে
আমার দুচোখে ঘুম নেই, এপাশ-ওপাশ
হিম বৃষ্টি–সোহাগী বৃষ্টির জলের আঙুল
হৃদয়ের জানালায় টোকা দিয়ে যায়।

কবিতা মেঘ

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:১৬ পিএম
মেঘ

মেঘেরও দ্বি-চারিতা আছে... আছে বর্ন ক্লেশ,
শোষণ নিপুণ তেলবাজ এক ভোগবাদী
মানসিকতা... শ্রমজীবী মানুষের থেকে
দূরে এমন এক গিরগিটি ত্বকের মানসী; ‘মানুষের ওপর বিশ্বাস হারানো পাপ’...
এই আপ্তবাক্যের অসারত্ব প্রমাণে সিদ্ধহস্ত 
অনর্গল মিথ্যা প্রচারে দক্ষ... ক্রমশ সস্তা 
ধর্মীয় আবেগী চরিত্র এক দলকানা
মানববিরোধী শক্তি অসার আকাশচারী আষাঢ়  নামের কদম বিহারী।

 

কবিতা আষাঢ়ের জলাভিসার

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
আষাঢ়ের জলাভিসার

দিগন্তজুড়ে মেঘেরা সেদিন প্রাচীন সংকেত এঁকেছিল
অথচ মানুষের হৃদয় তখনও অনাবৃষ্টির মরুভূমি
ভেজা মৃত্তিকার গন্ধে জেগে উঠেছিল বিস্মৃত জন্মস্মৃতি
আমি কেবল প্রাপ্তির অঙ্ক কষেছি নিরবধি
জলরাশি ধুয়ে নিয়েছিল বৃক্ষের ক্লান্ত ধূলিকণা
আমার অন্তর্লোক রয়ে গেল অনুতাপের আবরণে
দূরের নদী বহন করছিল অব্যক্ত সময়ের ইতিহাস
তীরে দাঁড়িয়ে আমি শুনিনি তার অন্তঃসলিলা ভাষ্য
একদিন সমস্ত স্রোত মিলিয়ে গেল গহন সমুদ্রে
শুধু অপূর্ণ আকাঙ্ক্ষা রয়ে গেল বালুকাবেলার মতো
এখন আষাঢ় এলে মনে হয় প্রতিটি বর্ষণফোঁটা
অস্তিত্বের অবিনশ্বর ক্ষয়লিপি নীরবে পাঠ করে!

কবিতা আষাঢ়ের মুখ

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:১২ পিএম
আষাঢ়ের মুখ

কতটা ফুরালে মানুষের আর থাকে না কোনোই দাম
কতটা হারালে হৃদয়ে সাহারা বিস্তৃত অভিরাম
আড়ালে আড়ালে মৃন্ময়ী চোখ তন্ময় হয়ে যায় 
খুঁজে পেলে সেই আষাঢ়ের মুখ ইতিহাস বদলায়।

ঠোঁটের আগায় প্রেমের সমাধি যমুনার জলে ভাসে
মনের ভেতর অনিয়ম হলে প্রশ্নটা বিশ্বাসে
মাটির চিবুক পিপাসার বুক চাতকের ফলোয়ার
আষাঢ়ের হাতে বায়আত নিতে খুলো রাখে তলোয়ার।

রাতের বাকল খুলে বের হয় আতর মেয়ের দল
জমির গর্ভে লুকায়িত ধন হেসে ওঠে খলখল 
উজালা আকাশ কৃপণতা নেই দু’হাতে বিলায় সব
হৃদয় ভেলায় নিজেকে ভাসায় এক মহা উৎসব। 

সব ছেড়ে দিয়ে যতই থাকুক হয় না থাকাটা ভালো
আষাঢ়ের মুখে হাসি দেখা দিলে কেবলই জমকালো
সব হারিয়েও তৃপ্তি এটুকু আছে তো আষাঢ়ী মুখ
ফের সব হবে শত সহস্র এই আশাতেই বুক।

কবিতা যদিও এই সজল বর্ষা

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:০৯ পিএম
যদিও এই সজল বর্ষা

সেগুন ফুলের বনে-বিষণ্ন মাদকতায়
তোমার কথা খুউব মনে পড়ে শুভলক্ষ্মী; 
যখন আষাঢ় ফেটে উড়ে যায় দূরের মেঘ
নদীও জেগে থাকে প্রথম বৃষ্টির আশায়। 

এখনো ভেজা পাতার গায়ে তোমার নাম
জলরঙে লেখা অসমাপ্ত চিঠির মতো রঙিন;
জানালার কাচ বেয়ে নেমে আসে নীরবতা
আর বৃষ্টির ভাষায় অপেক্ষা শেখে হৃদয়। 

দূরের বাদাবন কাঁপিয়ে যায় অচেনা বাতাস
মনে হয় তুমি বুঝি এক্ষুনি আসবে ফিরে;
কদমের গন্ধে ভিজে যায় সন্ধ্যার আলো
চোখে জমে ওঠে অ-নামি মেঘের পাহাড়।

যদিও এই সজল বর্ষা-ধাবমান খরতাপে 
সুপ্রাচীন বিরহ যেন, তোমারই অনুবাদে!