ঢাকা ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
আষাঢ়ের রূপ বাউরি বর্ষার ঝোড়ো রাত আষাঢ়ি পূর্ণিমায় স্ক্রিনে বন্দি শৈশব-কৈশোর আষাঢ়ের বাদলধারা বৃষ্টিস্নাত বিশেষত তোমাকে বাদলফকির ফ্রান্সের শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নিলেন মরক্কোর কোচ রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার লাভ-ক্ষতি আওয়ামী লীগের জন্ম দিল্লিতে, দাফনও হয়েছে সেখানেই: সারজিস আলম এসেছ আজ কী মহাসমারোহে উপভোগ্য ছিল পদ্মায় ইলিশ ধরা গ্রাফিতিতে বিশ্বকাপ, ফুটবল উন্মাদনায় ভাসছে জাককানইবি মরক্কোকে বেছে নেওয়ায় আফসোস নেই বুয়াদির নজরুলের অভিযান কবিতার এক শ বছর দেশজুড়ে ডেঙ্গুর ব্যাপক বিস্তার বাঁশখালীতে জামায়াত আমিরের বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন স্পেনকে হারাতে নিখুঁত ম্যাচ খেলতে হবে: লুকাকু লালপুরে হেরোইনসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বাড়ল স্বর্ণের দাম ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে ‘ফরেন ল্যাংগুয়েজ সেন্টার’ উদ্বোধন নরওয়ের বিশ্বকাপ জয়ের সম্ভাবনা কম: হালান্ড খুলনায় বস্তাবন্দি মৃত স্কুলছাত্রীর পরিচয় শনাক্ত প্রাক-নিকার সভায় থাকবে আরও নতুন থানার প্রস্তাব মোশাররফ করিম ও নীলার ‘ভাসুর’ পেনাল্টি নিতে এমবাপ্পেকে অপেক্ষায় রাখায় ক্ষুব্ধ দেশম ঢাকাসহ ১৪ অঞ্চলে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা ইরানে দুই দিনে ৯০টির বেশি সামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা কক্সবাজারের পৃথক স্থানে বন্যার পানিতে দুই শিশুর মৃত্যু ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৮১১

উপভোগ্য ছিল পদ্মায় ইলিশ ধরা

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ১২:১৪ পিএম
উপভোগ্য ছিল পদ্মায় ইলিশ ধরা
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী।

বিংশ পর্ব

দেশবরেণ্য লেখক, শিক্ষাবিদ বুদ্ধিজীবী সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বাংলাদেশের একজন অভিভাবক, বাঙালির বাতিঘর এই শিক্ষাগুরু সবার স্যার শিক্ষাক্ষেত্রে তিনি যেমন অনন্য অবদান রেখেছেন, তেমনি সাহিত্য সমৃদ্ধির ক্ষেত্রেও তিনি অসামান্য ভূমিকা রাখছেন সেই ছোটবেলায় তার লেখালেখিতে হাতে খড়ি ৮৯ বছর বয়সেও তিনি নিয়মিতই লিখছেন পেশাগত জীবনে তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক, অবসর গ্রহণের পর একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক চব্বিশ বছর ধরে সাহিত্য-সংস্কৃতির ত্রৈমাসিকনতুন দিগন্তপত্রিকাটি সম্পাদনা করছেন এক বাইশ গ্রন্থের রচয়িতা লেখালেখির জন্য তিনি একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা স্বর্ণপদকসহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন

সাহিত্যকে পাকিস্তানীকরণে ওই কবির আগ্রহ কিছুকাল পরের ঘটনা অন্যটি ছিল গল্পের বই, আবু রুশদের লেখারাজধানীতে ঝড় অল্প কিছুদিন আগে সেটা প্রকাশিত হয়েছে কলকাতা থেকে আসার সময় হাতে করে কেউ নিয়ে এসে থাকবেন বইয়ের একটি গল্প, হয়তো প্রথমটিই, মাসিক মোহাম্মদীতে ছাপা অবস্থায় আমার আগেই পড়া ছিল কী বই পড়ছি দেখতে কৌতূহলী এক মুরব্বি বইটি নেড়েচেড়ে দেখে মন্তব্য করছিলেন, ‘বাব্বা, এটা তো বড়দের বই; পড়লে আমাদেরই মাথা ঘুরে যাওয়ার কথাশুনে আমার মা কোনো মন্তব্য করেননি, কিন্তু প্রসন্ন বদনে একটি হাসি হেসেছিলেন, যার অর্থ দাঁড়ায় অনেকটা রকমের যে, কিশোরদের পড়ার মতো বই যে পাড়ায় নেই সেটা তো আপনাদের অপারগতা

সেবার আমরা গ্রামে ছিলাম দুই সপ্তাহের কিছু বেশি আমাদের জন্য বিশেষ বিনোদন ছিল পদ্মায় নৌকাভ্রমণ নদীকে আগে কখনো অমনভাবে পাইনি আমার বিশেষ আব্দারেই মামারা রাজি হতেন নৌকা নিয়ে নদীতে যেতে তারা যে উপভোগ করতেন না তা- অবশ্য নয় খালাম্মার কাছ থেকে গ্রামোফোন কিছু রেকর্ড চেয়ে নিতে ভুল হতো না খোলা আকাশের নিচে খোলা নৌকায় কৌতুকপ্রবণ বাতাসে আন্দোলিত হয়ে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় জগন্ময় মিত্রের গান শোনার অভিজ্ঞতা তখন তো আনন্দের ব্যাপার ছিলই, তার স্মৃতি এখনো সুখের উপভোগ্য ছিল পদ্মায় জেলেদের ইলিশ মাছ ধরার ব্যস্ততা ছায়াছবির মতো মনে হতো তাজা মাছ সঙ্গে না নিয়ে আমরা ফিরতাম না ইলিশ মাছ ভাজা হচ্ছে, রান্না হচ্ছে, সকালবেলা চিতোই পিঠার ভেতরে বসানো হচ্ছে, দুপুরে কোনো কোনো দিন ইলিশ-পোলাও পাওয়া যাচ্ছেমনে পড়ে সেসব ঘটনা

এর মধ্যেই এসে গেল চৌদ্দই আগস্ট আমরা গেছি ভাগ্যকূলের স্টিমার ঘাটে স্বাধীনতার উৎসব দেখব উৎসব তেমন কিছু নয় স্টিমার আসবে গোয়ালন্দ থেকে, স্টিমারের সামনে পত্ পত্ করে উড়বে স্বাধীন পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা, বেশ বড় আকারের; আওয়াজ তুলবেন স্টিমারে যাত্রীরা; এপার থেকে জবাব দেব আমরা, এমনই অলিখিত আয়োজন এবং ঠিক তেমনটাই ঘটল পড়ন্ত বিকেলে পুরাতন স্টিমারটি এল নতুন সাজে সামনে উড়ছে জাতীয় পতাকা স্টিমারজুড়ে দড়িতে বাঁধা কাগজের পতাকা; কাপড়ের পতাকাও কোনো কোনো যাত্রীর হাতে এপারে স্টিমার ঘাটেরও একই রকমের সাজসজ্জা ঘাটে পৌঁছার আগেই স্টিমার থেকে জোর গলায় আওয়াজ ভেসে এলনারায়ে তকবির আল্লাহু আকবর, পাকিস্তান জিন্দাবাদ, কায়েদে আজম জিন্দাবাদ’, আমরা যারা পতাকা হাতে পন্টুনে এবং নানা ধরনের নৌকায় দাঁড়িয়ে ছিলাম তারাও জবাবে সাড়া দিলাম সমস্বরে, গলা ফাটিয়ে স্টিমারের যাত্রীরা ওঠানামা করলেন তার পর সিঁটি বাজিয়ে স্টিমার চলে গেল আমরাও নৌকায় উঠে রওনা দিলাম বাড়ির উদ্দেশে

নৌকা চলছে আমরা ফিরছি ফেরার পথে উল্লাস ছিল কী? মনে পড়ে না বরং একটা স্তব্ধতা ছিল উৎসব শেষ হলে যেমনটা ঘটে থাকে পরে বুঝেছি ওই স্তব্ধতা কেবল যে আমাদের নৌকায় ছিল তা নয়, ছিল সমস্ত এলাকাজুড়ে হিন্দুপাড়ায় তো স্তব্ধতা নয়, ছিল মানুষের চাপা কান্নাই

তাদের অনেকের জন্যই স্বাধীনতা কোন ধরনের অভিজ্ঞতা বয়ে এনেছিল তারই একটা ধারণা দিয়েছেন সংবেদনশীল এক বিক্রমপুরবাসীজয়ন্তানুজ বন্দ্যোপাধ্যায়; তার লেখা ওপারের ছেলেবেলা, ১৯৩১-১৯৪৭ বইতে যে চৌদ্দই আগস্ট পতাকা দুলিয়ে আমরা পাকিস্তান জিন্দাবাদ আওয়াজ দিয়েছিলাম ঠিক সেদিনই উল্টো পথে পদ্মাপাড় থেকেই স্টিমার ট্রেনের সাহায্য নিয়ে কিশোর জয়ন্তানুজ গিয়ে হাজির হয়েছেন কলকাতায়, হাতে বোনের ঠিকানাটুকু মাত্র সম্বল কলকাতায় তার ভগ্নিপতি পুলিশের সামান্য একজন কনস্টবল এবং ভগ্নিপতির বাসায় আশ্রিত ছিলেন আরও দুজন আত্মীয় জয়ন্তানুজের বয়স তখন ষোলো ১৯৪৩-এর দুর্ভিক্ষ তিনি দেখেছেন সেটা ছিল গণহত্যা গ্রামে মৃতদেহ সৎকার করবে এমন মানুষেরও অভাব দেখা দিয়েছিল নদীতে লাশ ভাসত দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ত চতুর্দিকে জয়ন্তানুজের বাবা ছিলেন গ্রামের স্কুলের গ্র্যাজুয়েট টিচার তাদের স্কুলটির প্রতিষ্ঠা ১৮৮৩ সালে মন্বন্তরে পরিবারটির দশা দাঁড়িয়েছিল ভিক্ষুকের চাল কিনবার পয়সা ছিল না ঘরে অনেক কষ্টে গ্রামের বাজারে শেষ পর্যন্ত একটা লঙ্গরখানা খোলা হয় চাল-ডাল সামান্য সবজি মিলিয়ে পাতলা খিচুড়ি (লাপসি) তৈরি করা হতো সারি সারি কংকাল লাইন দিয়ে বাজারের গলিতে বসত কে হিন্দু আর কেই-বা মুসলমান তা আলাদা করার প্রশ্ন ছিল না, উপায়ও ছিল না কলাপাতার ওপরে বড় বালতি থেকে এক হাতা লাপসি ফেলে দেওয়া হতো জয়ন্তানুজ স্মরণ করেছেন

সেটুকু চেটেপুটে খেয়ে প্রত্যেকেই আরও চাইত কিন্তু রেশন ছিল শুধু এক হাতাই নইলে এত লোককে দেওয়া সম্ভব হতো না তখন তাদের চিৎকার আর মানুষের চিৎকার বলে মনে হতো না একজন ছোট স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে আমি নিজ হাতে কংকালদের এক হাতা করে লাপসি পরিবেশন করেছি সে অভিজ্ঞতা আমাকে মানুষের জীবন আর সমাজ সম্বন্ধে সারা জীবনের মতো গভীর অন্তর্দৃষ্টি দিয়েছে, আর গভীর ব্যথায় ভরে রেখেছে আমার অন্তরকে কিন্তু এই লঙ্গরখানা বেশি দিন চলেনি কয়েক দিন পরেই অর্থ এবং চাল-ডাল আর জোগাড় করা সম্ভব হলো না কংকালসার মানুষ আর বাজারে এল না

কংকালদের সেই দেশে এরপর দেখা দিল সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার আতঙ্ক তার পর যখনস্বাধীনতাদেশভাগের আকারে এসে হাজির হলো তখন সংখ্যালঘু হিন্দুদের জন্য কেমন যে অন্ধকার নেমে এসেছিল সে খবর তাদের মুসলমান প্রতিবেশীরা রাখবার ফুরসৎ পায়নি আরমহৎপ্রাণযে হিন্দুরা হিন্দুদের বাঁচাবে বলে বাংলাকে কেটে দু-টুকরো করার জন্য ভীষণ অস্থির হয়ে পড়েছিল তাদের দৃষ্টির আলো তো পূর্ববঙ্গের এই হিন্দুদের অন্ধকারকে স্পর্শ পর্যন্ত করতে পারেনি

কলকাতায় জয়ন্তানুজ তো একাই প্রথমে গেলেন কয়েক মাস পরে গোটা পরিবারকেই চলে যেতে হয়েছে, তাদেরসত্তার সাকিনবজ্রযোগিনী গ্রাম ছেড়ে, এবং সেখানে গিয়ে ছিন্নমূল পরিবারটিকে বানভাসা খড়কুটোর মতো আশ্রয় খুঁজতে হয়েছে তারা নিক্ষিপ্ত হয়েছিলেন ভীষণ কঠিন এক সংগ্রামে

চলবে...

কবিতা বাউরি বর্ষার ঝোড়ো রাত

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম
বাউরি বর্ষার ঝোড়ো রাত

বজ্রের ব্যাঘ্রগর্জনে চমকিত আকাশের নিচে
বৃষ্টি আর বাতাসের তীব্র টানা প্রতিযোগিতায়
বাউরি বর্ষার এই রাত ঘনঘোর আঁধারের।

গাছভাঙার শব্দে সন্ত্রস্ত গহিন অরণ্য মাঝে
ডালের আড়ালখোপে খড়কুটোর ঠুনকো নীড়ে
পাখিমা’র পাখার ভাঁজে ছানারা কাঁপছে থরথর।

জননীর বুকেও কাঁপন, মুহুর্মুহু আশংকার–
বহুকষ্টে গড়া এ-আশ্রয় যদি ভেঙে পড়ে ঝড়ে...

কবিতা আষাঢ়ি পূর্ণিমায়

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম
আষাঢ়ি পূর্ণিমায়

বলে কথা, ছিল বলে, শালবনে বৌদ্ধ বিহারে আষাঢ়ি পূর্ণিমায়
স্তূপে স্তূপে চুপচাপ, পাশে নদী খরস্রোতা,
পাথুরে বেপথু অস্তিত্বের সে যে বহমান।

শালবনে চুপিচুপি দুখাকুল মনে রাখে তার পদশোভা;
আনন্দ বিহারে ভিক্ষু যায় প্রব্রজ্যায় নির্জন পাহাড়ে।

কবিতা আষাঢ়ের বাদলধারা

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৪ পিএম
আষাঢ়ের বাদলধারা

তপ্ত রৌদ্রের খরতাপে
জীবন প্রকৃতির গহ্বরে দগদগে আগুন;
অঙ্কুরিত শব্দের দ্যোতনা ছুঁয়ে যায় 
এক পশলা বৃষ্টির উন্মত্ত চুম্বন,
হৃদয়ের গহিনে নববধূর শাড়ির আঁচলে ওড়ে
নতুন ক্যানভাসে আঁকা
‘সান’ গুহাচিত্রের আধ্যাত্ম নৃত্যকলা।

মিইয়ে যাক আরো একবার
পুষ্পিত অগ্নিগর্ভের বাঁধভাঙা প্লাবন;
আষাঢ়ের বাদলধারা ছড়িয়ে পড়ুক
বিশ্বজুড়ে উত্তপ্ত উনুনের দেহপল্লব আর
সভ্যতার অলিন্দে আশ্রিত বুভুক্ষু সত্তায়। 

কবিতা বৃষ্টিস্নাত বিশেষত তোমাকে

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৮ পিএম
আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৬, ১২:৫০ পিএম
বৃষ্টিস্নাত বিশেষত তোমাকে

এক গবেষণায় দেখা যায় যে

মৌসুমের বৃষ্টিতে একদিন হ’লেও ভেজা দরকার!

তাতে ত্বক ভালো থাকে, তনুমন চাঙা হয়,

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে,

 

আর বৃষ্টিস্নাত বিশেষত তোমাকে একপলক–

অধরে কালো তিল তড়তড়ে মুখাবয়ব দেখে দেখে

 

আমার অন্তরিন্দ্রিয় ঘিরে বৃষ্টির মতো অবিরাম ধারায়

বহু স্মৃতিভেজা কবিতা জড়ো হ’তে থাকে...

কবিতা এসেছ আজ কী মহাসমারোহে

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ১২:২৮ পিএম
এসেছ আজ কী মহাসমারোহে

তোমার সাড়া পেয়ে পা কেঁপে ওঠে কেন?

হাত থেকে পড়ে যায় লেখার কলম

মেঘে মেঘে কোন ইশারায় 

গুরু গুরু শব্দে ভরে ওঠে সমস্ত আকাশ?

আমি তো এখনও বুঝিনি কেন 

সমস্ত রাত্রিজুড়ে তুমি আসো 

স্বপ্নের মতন 

বৃষ্টির রেখা ধরে দিগন্ত পারে

ফিরে যাও একা একা

আমাকে স্পর্শও করো না কখনও

ভুলে যাওয়া কথাগুলো মনে পড়ে যায়

আবার ধুয়ে যায় বৃষ্টিধারায় 

সে তো কতদিন হলো তোমাকে ভুলেছি

 

তবুও তোমার পদশব্দ ডেকে আনে ঝড়,

ডেকে আনে কেন মহাপ্রলয়ের রাত্রির অঙ্গীকার