বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনাল থেকে বিদায় নিল মরক্কো। ফ্রান্সের কাছে তারা ২-০ গোলে হেরেছে। ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষের শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করেছেন মরক্কোর কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবি। তিনি জানান, ফ্রান্সের আক্রমণভাগের গতি ও দক্ষতার কাছে তার দল পরাস্ত হয়েছে।
২০২২ সালের সেমিফাইনালের পুনরাবৃত্তি করতে চায় নি মরক্কো। কিন্তু কিলিয়ান এমবাপ্পে ও উসমান ডেম্বেলের গোলে সেই স্বপ্ন ভেঙে যায়। কোচ ওয়াহবির মতে, প্রথমার্ধ থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল ফরাসিদের হাতে।
তিনি বলেন, ‘প্রথমার্ধে ফ্রান্স বলের দখল রেখে দুই প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ চালায়। আমরা বল পেলেও আক্রমণ ও রক্ষণে দ্রুত রূপান্তর ঘটাতে পারিনি।’ ফলে প্রতিপক্ষের চাপ সামলাতে মরক্কোকে বেশ ভুগতে হয়েছে।
প্রথমার্ধে গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু চমৎকার পারফর্ম করেন। বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে তিনি দলকে ম্যাচে রাখেন। এমনকি এমবাপ্পের একটি পেনাল্টিও ঠেকিয়ে দেন বুনু। বিরতির পর মরক্কো কিছুটা ছন্দে ফেরে। তবে ম্যাচের মোড় ঘোরানোর মতো বড় সুযোগ তারা তৈরি করতে পারেনি।
ওয়াহবি জানান, দ্বিতীয়ার্থেও ফ্রান্সের বিশ্বমানের খেলোয়াড়দের সামলানো সহজ ছিল না। ফরাসিরা চাইলে আরও আগেই গোল ব্যবধান বাড়াতে পারত। তিনি নিজেদের কিছু কৌশলগত সীমাবদ্ধতার কথাও মেনে নেন।
ফ্রান্সের ভূয়সী প্রশংসা করে মরক্কো কোচ বলেন, দলটি দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বসেরা। তাদের ফুটবল কাঠামো অত্যন্ত সুসংগঠিত। দলে এমন অনেক ফুটবলার আছেন, যারা একাই ম্যাচের ফল নির্ধারণ করতে পারেন। আক্রমণভাগের ক্ষিপ্রতার কারণে ফ্রান্স আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার অন্যতম দাবিদার বলে মন্তব্য করেন তিনি।