দিগন্তজুড়ে মেঘেরা সেদিন প্রাচীন সংকেত এঁকেছিল
অথচ মানুষের হৃদয় তখনও অনাবৃষ্টির মরুভূমি
ভেজা মৃত্তিকার গন্ধে জেগে উঠেছিল বিস্মৃত জন্মস্মৃতি
আমি কেবল প্রাপ্তির অঙ্ক কষেছি নিরবধি
জলরাশি ধুয়ে নিয়েছিল বৃক্ষের ক্লান্ত ধূলিকণা
আমার অন্তর্লোক রয়ে গেল অনুতাপের আবরণে
দূরের নদী বহন করছিল অব্যক্ত সময়ের ইতিহাস
তীরে দাঁড়িয়ে আমি শুনিনি তার অন্তঃসলিলা ভাষ্য
একদিন সমস্ত স্রোত মিলিয়ে গেল গহন সমুদ্রে
শুধু অপূর্ণ আকাঙ্ক্ষা রয়ে গেল বালুকাবেলার মতো
এখন আষাঢ় এলে মনে হয় প্রতিটি বর্ষণফোঁটা
অস্তিত্বের অবিনশ্বর ক্ষয়লিপি নীরবে পাঠ করে!