আধুনিক ইরানের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনীতিক ও ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি। তিন দশকেরও বেশি সময় ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালনকালে হয়ে ওঠেন প্রজাতন্ত্রের নীতি-নির্ধারণের কেন্দ্রবিন্দু।
বৃহৎ জানাজা ও শোকযাত্রা শেষে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা প্রয়াত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং তার পরিবারের সদস্যদের মরদেহবাহী কফিন ইরানের মাশহাদে পৌঁছেছে।
ইরান ও প্রতিবেশী দেশ ইরাকের পাঁচটি শহরে ছয় দিন ধরে চলা রাষ্ট্রীয় শোক ও শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে।
ধর্মীয় ও রাজনৈতিক প্রতীকপূর্ণ এসব আয়োজনে শেষ দিনে বিশাল জনসমাগম হয়।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) শেষ দিনের শোকযাত্রা মাশহাদের প্রধান সড়ক পেরিয়ে স্বর্ণগম্বুজবিশিষ্ট ইমাম রেজার মাজারের দিকে যায়।
মাশহাদই ছিল আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জন্মস্থান।
শোকযাত্রায় অংশ নেওয়া সমর্থকদের অনেককে ইরানের পতাকা, খামেনির ছবি ও খামেনি হত্যার প্রতিশোধের দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড বহন করতে দেখা গেছে।
এদিকে, খামেনির ছেলে ও উত্তরসূরি মোজতবা খামেনিকে এখনও জনসমক্ষে দেখা যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তিনি গুরুতর আহত হয়েছিলেন বলে গণমাধ্যমে খবর হয়েছিল। গত ফেব্রুয়ারিতে ওই হামলাতেই নিহত হয়েছেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।