রাঙামাটির সাজেকে দুইদিন ধরে আটকা পড়া ৫৬১ জন পর্যটকের মধ্যে ১৫০ জনকে সাজেক সরিয়ে আনা হয়েছে। আরও চার শতাধিক পর্যটক এখনও সাজেক আটকা রয়েছেন। সাজেক-খাগড়াছড়ির দীঘিনালা সড়কের মাচালং, সীমানাছড়া, বাঘাইহাট বাজার ও কবাখালী এলাকায় সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচল বিচ্ছিন্ন হয়ে পর্যটকরা সাজেকে আটকা পড়েন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর সাড়ে বারোটা থেকে পর্যটকদের নিয়ে আসার কার্যক্রম শুরু করে বাঘাইহাট সেনা জোন। সেনাবাহিনীর স্কট দিয়ে মোটরবাইক, সিএনজি অটোরিকশা ও থ্রি হুইলার (মাহেন্দ্রা) সাহায্যে পর্যটকদের সাজেক থেকে নিয়ে আসে। পথে মাচালং, সীমানাছড়া ও বাঘাইহাট বাজারে পৃথকভাবে নৌকা ও ভেলায় করে পর্যটকদের পার করে। বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত দেড়শো জন পর্যটককে নিয়ে আসতে সক্ষম হয় বাঘাইহাট জোন।
এরআগে বৈরি আবহাওয়ায় নিরাপত্তা বিবেচনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা হতে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাজেক ভ্যালী পর্যটন কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। এরমধ্যেই সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় সাজেকে আটকা পড়েন ৫৬১পর্যটক।
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমেনা মারজান বলেন, সাজেকে আটকা পড়া ৫৬১ জন পর্যটকের মধ্যে সেনাবাহিনীর সহায়তায় ১৫০ জনকে সরিয়ে আনা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাকি পর্যটকদেরও সরিয়ে আনা হবে।
জিয়াউর রহমান জুয়েল/এসএন