হঠাৎ দিক হারিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও হেরে গেছে বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) হারারেতে ২৪৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতে সঠিক পথেই ছিল সফরকারীরা। কিন্তু মাঝ পথে হয়ে যায় গড়বড়। ফলে তানজিদ হাসান তামিম ও তাওহিদ হৃদয়ের ফিফটির পরও ১৩ রানে হেরে যায় মেহেদী হাসানের মিরাজের দল।
এর আগে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ১৪১ রানের পুঁজি নিয়েও ২৫ রানে জয় পেয়েছিল জিম্বাবুয়ে। ফলে এক ম্যাচ হাতে থাকতেই ২-০তে সিরিজ নিশ্চিত করল তারা। সফরের শুরুতে একমাত্র টেস্টেও মাত্র তিন দিনে হেরে যায় বাংলাদেশ। ফলে এখন পর্যন্ত হারের বৃত্তে বন্দি টাইগাররা।
এই হারটিকে বিস্ময়করই বলতে হবে। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২ উইকেটে ১২২ রান তুলে ফেলেছিল সফরকারীরা। কিন্তু এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে প্রতিপক্ষকে জয় উপহার দিয়েছে টাইগাররা। তৃতীয় উইকেটে ৮৪ রানের জুটি গড়েছিলেন হৃদয় ও তানজিদ। ৭০ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৫৭ রানের ইনিংস খেলে ফিরেন তানজিদ। পরে হৃদয় ৯০ বলে ৫ চারে ৬০ রান করে বিদায় নেন। এরপর নুরুল হাসান সোহানের ৪১ বলে ৩৮ ও অধিনায়ক মিরাজের ৩৩ বলে ২৭ রানের ইনিংসের পরও ১১ বল হাতে থাকতে ২৩৪ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। মিরাজ শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সর্বাধিক ৩ উইকেট নেন রিচার্ড নাগারাভা।
এর আগে টস জিতে প্রতিপক্ষকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠায় সফরকারী বাংলাদেশ। ৩২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকরা চাপে পড়লেও ওপেনার বেন কারেন ধাক্কা সামলে নেন। ইংলিশ বংশোদ্ভূত এই ওপেনার ওয়ানডে ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে অপরাজিত থাকেন। ৯ চারে ১৩৫ বলে ১১১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন এই বাঁ হাতি। আট নম্বরে নেমে ২ চার ও ৫ ছক্কায় ৩৮ বলে অপরাজিত ৫৮ রানের ইনিংস খেলেন ব্র্যাড ইভান্স। ক্যারিয়ারে প্রথম ফিফটির পথে তাসকিন আহমেদের করা ইনিংসের শেষ ওভারে তিন ছক্কা ও এক চারে ২২ রান তোলেন তিনি।
কারেন-ইভেন্স অবিচ্ছিন্ন সপ্তম উইকেট জুটিতে আসে ৮০ বলে ৯৯ রান। সুবাদে ৬ উইকেটে ২৪৭ রানের পুঁজি পায় জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের পক্ষে সর্বাধিক ২টি করে উইকেট পেয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ।
ম্যাচসেরা হয়েছেন জিম্বাবুয়ের বেন কারেন।
তোফায়েল/নাঈম