ঢাকা ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ভারী বৃষ্টিতে টেকনাফে ১২শ পরিবার পানিবন্দি, ৫০০ পরিবার পেল ত্রাণ সহায়তা মাদারীপুর থানায় নারী আসামি পালানোর অভিযোগ ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে অবহেলা, ২ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত উন্নয়ন ও প্রকৃতি একসাথে হাতে হাত রেখে চলবে: পরিবেশমন্ত্রী বান্দরবানের পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা কিয়ার স্টারমারের উত্তরসূরি হতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহাম কুষ্টিয়ার খোকসায় খবরের কাগজ ‘বন্ধুজন’-এর কমিটি গঠন টানা বর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় চবিতে শাটল ট্রেন চলাচল বন্ধ রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রায় তরুণদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: রাষ্ট্রপতি ফার্মা ও বিজনেস খাতের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরিতে ঢাবিতে আইএসবিএম ক্যারিয়ার ওয়ার্কশপ বাঁশখালীতে বন্যার পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু ফ্লোরিডার বিমানবন্দরের নাম হলো ‘ট্রাম্প’ আবুল কাসেম ফজলুল হক নীতিবাদী রাজনৈতিক দার্শনিক: ন্যাপ মহাসচিব ব্র্যাক ব্যাংক-তরুপল্লবের পরিবেশ পদকে সম্মানিত ৬ প্রকৃতি সংরক্ষক দেশের পাঁচ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে শ্রেণিকক্ষে শিশুদের প্রশ্ন করতে দিন প্রকৃতির নয়, লোভের ধসে মরছে মানুষ রাঙামাটিতে পাহাড়ধস ও ভূমিধসের সতর্কতা থানার গ্রিল ভেঙে নারী আসামির পালানো, এসআই-কনস্টেবল প্রত্যাহার শৈলকুপায় সরকারি সহায়তার চেক ও পুরস্কার পেলেন উপকারভোগীরা বিএনপি জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুনামগঞ্জে বৃষ্টি কমলেও পাহাড়ি ঢলে বাড়ছে হাওর-নদীর পানি রাজপাল যাদবের তিন মাসের কারাদণ্ড তহবিল সংকটে ১০ লাখ নারী জরুরি সেবাবঞ্চিত: জাতিসংঘ চট্টগ্রামে বাড়ছে ডেঙ্গু, জুলাই-সেপ্টেম্বরে সর্বোচ্চ ঝুঁকি ফিলিপাইনে ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫ মৌলভীবাজারে মনু নদের ভাঙনে পানিবন্দি ১০ হাজার মানুষ রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের শঙ্কা কাটেনি, আশ্রয়কেন্দ্রে ২৩৬৬ জন ফিলিপাইনে ভূমিধসে ৫ জন নিহত

কিয়ার স্টারমারের উত্তরসূরি হতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহাম

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫১ পিএম
কিয়ার স্টারমারের উত্তরসূরি হতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহাম
অ্যান্ডি বার্নহাম। ছবি: সংগৃহীত

লেবার পার্টির এমপিদের বিপুল সমর্থন পেয়ে যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে স্পষ্টভাবে এগিয়ে গেছেন অ্যান্ডি বার্নহাম। দলীয় নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রথম দফার মনোনয়নে ৪০৩ জন এমপির মধ্যে ৩২২ জনের সমর্থন পাওয়ায় কিয়ার স্টারমারের উত্তরসূরি হিসেবে তার দায়িত্ব গ্রহণ এখন প্রায় নিশ্চিত।

দলীয় প্রধান পদের নির্বাচনে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী যাতে তার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে না পারে, সেজন্য গাণিতিকভাবে ৩২৩ জন এমপির সমর্থন প্রয়োজন। বার্নহাম সেই ম্যাজিক ফিগার থেকে মাত্র একজন এমপির সমর্থনে পিছিয়ে আছেন। অবশ্য বেশ কয়েকজন এমপি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) তারা ভোট দিতে না পারলেও পার্লামেন্টে ফিরেই বার্নহামকে সমর্থন দেবেন।

নেতৃত্বের দৌড়ে অংশ নেওয়ার জন্য প্রার্থীদের আগামী বুধবারের মধ্যে ৮১ জন লেবার এমপির সমর্থন জোগাড় করতে হবে। যদি অন্য কেউ এই প্রতিযোগিতায় না নামেন, তবে আগামী সপ্তাহেই বার্নহামকে লেবার পার্টির নেতা ঘোষণা করা হবে ও ২০ জুলাই তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন। মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে মেকারফিল্ডের উপ-নির্বাচনে জয়ের পর এটি তার জন্য এক অসাধারণ ক্ষমতার উত্থান।

এক বিবৃতিতে বার্নহাম সব এমপির প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এই সমর্থন যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গির যৌথ বিশ্বাসের প্রতিফলন। আমি পাওয়ার অব ওয়েস্টমিনস্টারকে বাইরে নিয়ে আসতে ও সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে চাই।

মে মাসের স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির বড় বিপর্যয় এবং বার্নহামের উপ-নির্বাচনে জয়ের পর স্যার কিয়ার স্টারমারকে পদত্যাগের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন এমপিরা। বার্নহাম এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার দিনই স্টারমার পদত্যাগ করেন।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বার্নহামের বিজয়ী হওয়ার পথটি বুধবার (৮ জুলাই) আরও সুগম হয়, যখন সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আল কার্নস নিজেকে এই দৌড় থেকে সরিয়ে নেন। বার্নহাম ২০১০ ও ২০১৫ সালে দলীয় প্রধান হওয়ার লড়াইয়ে ব্যর্থ হওয়ার পর এবার নিজের মনোনয়ন নিশ্চিত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একে ‘আশা করি তৃতীয়বারে ভাগ্য খুলবে’ বলে উল্লেখ করেন।

লেবার পার্টির নেতৃত্বের দৌড়ে অ্যান্ডি বার্নহাম এখন প্রায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী অবস্থানে। দলীয় প্রধান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ৩২৩ জন এমপির সমর্থনের মধ্যে তিনি ইতোমধ্যে পেয়েছেন ৩২২ জনের সমর্থন। ভোট দিতে না পারা কয়েকজন এমপি পার্লামেন্টে ফিরে তাকে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় দলীয় প্রধান এবং যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার দায়িত্ব গ্রহণ এখন সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করা হচ্ছে।

দীর্ঘদিন ওয়েস্টমিনস্টারের বাইরে থাকায় নতুন এমপিদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে আগামী সোমবার পার্লামেন্টারি সভায় তাদের প্রশ্নের মুখোমুখি হবেন বার্নহাম। একই সঙ্গে ক্যাবিনেট সেক্রেটারি অ্যান্টোনিও রোমিওর নেতৃত্বে সিভিল সার্ভিস কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্ভাব্য সরকারের নীতি ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন তিনি। বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারও তাকে দক্ষ ও যোগ্য নেতা হিসেবে প্রশংসা করেছেন।

ক্ষমতায় এলে স্থানীয় সরকারকে আরও স্বায়ত্তশাসন দেওয়ার লক্ষ্যে ডাউনিং স্ট্রিটে আবাসন ও পরিবহনবিষয়ক একটি নতুন ইউনিট গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন বার্নহাম। পাশাপাশি পানি ও জ্বালানি খাতকে জনগণের নিয়ন্ত্রণে আনা, গাজা ইস্যুতে লেবার পার্টির আগের অবস্থানের জন্য দুঃখ প্রকাশ এবং প্রতিরক্ষা ব্যয় ও সামরিক ক্রয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি তার নেতৃত্বের অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরেছেন।

বিবিসি/এসএন

কিয়ার স্টারমারের উত্তরসূরি হতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহাম

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫১ পিএম
কিয়ার স্টারমারের উত্তরসূরি হতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহাম
অ্যান্ডি বার্নহাম। ছবি: সংগৃহীত

লেবার পার্টির এমপিদের বিপুল সমর্থন পেয়ে যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে স্পষ্টভাবে এগিয়ে গেছেন অ্যান্ডি বার্নহাম। দলীয় নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রথম দফার মনোনয়নে ৪০৩ জন এমপির মধ্যে ৩২২ জনের সমর্থন পাওয়ায় কিয়ার স্টারমারের উত্তরসূরি হিসেবে তার দায়িত্ব গ্রহণ এখন প্রায় নিশ্চিত।

দলীয় প্রধান পদের নির্বাচনে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী যাতে তার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে না পারে, সেজন্য গাণিতিকভাবে ৩২৩ জন এমপির সমর্থন প্রয়োজন। বার্নহাম সেই ম্যাজিক ফিগার থেকে মাত্র একজন এমপির সমর্থনে পিছিয়ে আছেন। অবশ্য বেশ কয়েকজন এমপি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) তারা ভোট দিতে না পারলেও পার্লামেন্টে ফিরেই বার্নহামকে সমর্থন দেবেন।

নেতৃত্বের দৌড়ে অংশ নেওয়ার জন্য প্রার্থীদের আগামী বুধবারের মধ্যে ৮১ জন লেবার এমপির সমর্থন জোগাড় করতে হবে। যদি অন্য কেউ এই প্রতিযোগিতায় না নামেন, তবে আগামী সপ্তাহেই বার্নহামকে লেবার পার্টির নেতা ঘোষণা করা হবে ও ২০ জুলাই তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন। মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে মেকারফিল্ডের উপ-নির্বাচনে জয়ের পর এটি তার জন্য এক অসাধারণ ক্ষমতার উত্থান।

এক বিবৃতিতে বার্নহাম সব এমপির প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এই সমর্থন যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গির যৌথ বিশ্বাসের প্রতিফলন। আমি পাওয়ার অব ওয়েস্টমিনস্টারকে বাইরে নিয়ে আসতে ও সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে চাই।

মে মাসের স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির বড় বিপর্যয় এবং বার্নহামের উপ-নির্বাচনে জয়ের পর স্যার কিয়ার স্টারমারকে পদত্যাগের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন এমপিরা। বার্নহাম এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার দিনই স্টারমার পদত্যাগ করেন।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বার্নহামের বিজয়ী হওয়ার পথটি বুধবার (৮ জুলাই) আরও সুগম হয়, যখন সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আল কার্নস নিজেকে এই দৌড় থেকে সরিয়ে নেন। বার্নহাম ২০১০ ও ২০১৫ সালে দলীয় প্রধান হওয়ার লড়াইয়ে ব্যর্থ হওয়ার পর এবার নিজের মনোনয়ন নিশ্চিত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একে ‘আশা করি তৃতীয়বারে ভাগ্য খুলবে’ বলে উল্লেখ করেন।

লেবার পার্টির নেতৃত্বের দৌড়ে অ্যান্ডি বার্নহাম এখন প্রায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী অবস্থানে। দলীয় প্রধান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ৩২৩ জন এমপির সমর্থনের মধ্যে তিনি ইতোমধ্যে পেয়েছেন ৩২২ জনের সমর্থন। ভোট দিতে না পারা কয়েকজন এমপি পার্লামেন্টে ফিরে তাকে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় দলীয় প্রধান এবং যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার দায়িত্ব গ্রহণ এখন সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করা হচ্ছে।

দীর্ঘদিন ওয়েস্টমিনস্টারের বাইরে থাকায় নতুন এমপিদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে আগামী সোমবার পার্লামেন্টারি সভায় তাদের প্রশ্নের মুখোমুখি হবেন বার্নহাম। একই সঙ্গে ক্যাবিনেট সেক্রেটারি অ্যান্টোনিও রোমিওর নেতৃত্বে সিভিল সার্ভিস কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্ভাব্য সরকারের নীতি ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন তিনি। বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারও তাকে দক্ষ ও যোগ্য নেতা হিসেবে প্রশংসা করেছেন।

ক্ষমতায় এলে স্থানীয় সরকারকে আরও স্বায়ত্তশাসন দেওয়ার লক্ষ্যে ডাউনিং স্ট্রিটে আবাসন ও পরিবহনবিষয়ক একটি নতুন ইউনিট গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন বার্নহাম। পাশাপাশি পানি ও জ্বালানি খাতকে জনগণের নিয়ন্ত্রণে আনা, গাজা ইস্যুতে লেবার পার্টির আগের অবস্থানের জন্য দুঃখ প্রকাশ এবং প্রতিরক্ষা ব্যয় ও সামরিক ক্রয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি তার নেতৃত্বের অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরেছেন।

বিবিসি/এসএন

ফ্লোরিডার বিমানবন্দরের নাম হলো ‘ট্রাম্প’

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৩ পিএম
আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৮:০১ পিএম
ফ্লোরিডার বিমানবন্দরের নাম হলো ‘ট্রাম্প’
ছবি: সংগৃহীত।

ফ্লোরিডার পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামে রাখা হয়েছে। নতুন নাম হয়েছে ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) এ নাম পরিবর্তনের ঘটনাটি ঘটেছে।

তবে এটিই নতুন নয়, এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সমর্থকদের উদ্যোগে জাতীয় স্থাপনা থেকে শুরু করে ব্যাংকনোট পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় তার নাম ও ছবি যুক্ত করার চেষ্টা হয়েছে।

এ পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘এটি শিগগিরই বিশ্বের সবচেয়ে সেরা ও দৃষ্টিনন্দন বিমানবন্দরগুলোর একটি হবে!’

প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নামে পরিচিত এই বিমানবন্দরে ট্রাম্প পরিবারের ব্যক্তিগত ‘ট্রাম্প ফোর্স ওয়ান’ নামে পরিচিত বোয়িং-৭৫৭ উড়োজাহাজ অবতরণের মাধ্যমে এ পরিবর্তন উদযাপন করেন ট্রাম্পের ছেলে এরিক ট্রাম্প।

নবনামকরণ করা ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে’ ফক্স নিউজকে তিনি হাসিমুখে বলেন, ‘আজ একটি সুন্দর দিন।’ বিমানবন্দরটি ট্রাম্প পরিবারের মার-আ-লাগো গলফ রিসোর্ট ও আবাসন থেকে অদূরে অবস্থিত।

ফ্লোরিডার রিপাবলিকান গভর্নর রন ডিস্যান্টিস এ নাম পরিবর্তনের আইনে স্বাক্ষর করেন। এরিক ট্রাম্প বলেন, ‘পাম বিচের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো আর কেউ এতটা ওতপ্রোতভাবে জড়িত নন। সম্ভবত পুরো ফ্লোরিডাতেও নয়।’

তিনি বলেন, বিমানবন্দর থেকে বের হওয়া প্রধান সড়কের নাম আগেই ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প বুলেভার্ড’ রাখা হয়েছে। এখন থেকে পাম বিচে উড়ে আসা যাত্রীদের টিকিটে স্থায়ীভাবে ‘ডিজেটি’ দেখা যাবে।

বৃহস্পতিবার বিমানবন্দরে থাকা যাত্রীদের মধ্যে এ নাম পরিবর্তন নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। করপোরেট পাইলট ক্রিস বেইলি এ পরিবর্তনকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ট্রাম্প ‘নিশ্চয়ই একটি বিমানবন্দরের নাম তার নামে রাখার মতো যথেষ্ট কাজ করেছেন।’ তবে কেউ কেউ এর বিরোধিতাও করেছেন।

বিশেষ করে দায়িত্বে থাকা প্রেসিডেন্টের নামে মুদ্রা ও সরকারি ভবনের নামকরণ না করার যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে ট্রাম্পের নাম ও ছবি দ্রুত বিভিন্ন স্থানে যুক্ত করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টসহ কর্মকর্তারা বৃহস্পতিবার টেনেসিতে নতুন ‘ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প ব্রিজ’-এর উদ্বোধন করেন। এ ছাড়া ট্রাম্পের নামে ভিসা, চিকিৎসাসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচিও চালু করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কিছু পাসপোর্টে ছবি যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। জাতীয় উদ্যানের প্রবেশ পাসে ইতোমধ্যে তার ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে। ‘ট্রাম্প ক্লাস’ নামে একটি নৌযানের নতুন শ্রেণিও ঘোষিত হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ডলার নোটে প্রথমবারের মতো ট্রাম্পের স্বাক্ষরও যুক্ত হবে। বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনে কোনো সমস্যা দেখেন না এরিক ট্রাম্প।

ফ্লোরিডার বিমানবন্দরের নাম তার বাবার নামে রাখায় প্রেসিডেন্টের অনুভূতি কী—এ প্রশ্নের জবাবে এরিক ট্রাম্প বলেন, “তিনি ‘সম্মানিত’ও ‘বিনীত’ বোধ করছেন।”

এএফ/

তহবিল সংকটে ১০ লাখ নারী জরুরি সেবাবঞ্চিত: জাতিসংঘ

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম
তহবিল সংকটে ১০ লাখ নারী জরুরি সেবাবঞ্চিত: জাতিসংঘ
ছবি: সংগৃহীত

২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে বৈদেশিক সহায়তা কমে যাওয়া ও ব্যয় হ্রাসের কারণে অন্তত ১০ লাখ নারী ও কিশোরী জরুরি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।

শুক্রবার (১০ জুলাই) নতুন এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেন জানায়, প্রয়োজন দ্রুত বাড়লেও নারীদের নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন ভেঙে পড়ার মুখে রয়েছে।

গত বছর দায়িত্ব নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৈদেশিক সহায়তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেন। একই সঙ্গে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দাতা দেশও সহায়তা ব্যয় কমিয়েছে। যার ফলে এমন পরিস্থিতির মুখে পড়তে যাচ্ছে সংগঠনগুলো।

ইউএন উইমেনের মানবিক কার্যক্রম বিভাগের প্রধান সোফিয়া কালতোর্প এক বিবৃতিতে বলেন, ‘বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে থাকা নারী সংগঠনগুলো বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক সংকটের সামনের সারিতে কাজ করছে।’

তিনি বলেন, ‘নারী সংগঠনগুলোর জন্য প্রত্যাহার করা প্রতিটি ডলার মানে সংঘাতজনিত যৌন সহিংসতার শিকার ব্যক্তি, বাস্তুচ্যুত মা, স্কুলছুট হতে বাধ্য হওয়া কিশোরী এবং টিকে থাকার লড়াই করা জনগোষ্ঠীর কাছ থেকে এক ডলার করে সহায়তা প্রত্যাহার করা।’

ইউএন উইমেন জানায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বজুড়ে সশস্ত্র সংঘাত এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রায় ১২ কোটি নারী ও কিশোরীর মানবিক সহায়তা ও সুরক্ষা প্রয়োজন।

সংকট কবলিত ৫২টি দেশের নারী নেতৃত্বাধীন ও নারীর অধিকারভিত্তিক ৮৫৫টি সংগঠনের মতামতের ভিত্তিতে তৈরি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ৮৪ শতাংশ সংগঠনের সেবার চাহিদা বেড়েছে।

সংস্থাটি জানায়, প্রতি ১০টি সংগঠনের প্রায় ৯টিই বর্তমান চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। আর জরিপে অংশ নেওয়া প্রতি পাঁচটি সংগঠনের মধ্যে দুটি আগামী এক বছরের মধ্যে সাময়িক বা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংগঠনগুলো টিকিয়ে রাখতে নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি ও কর্মীরা নিজেদের শ্রম ও ব্যক্তিগত প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। ইউএন উইমেন জানায়, নারী নেতৃত্বাধীন ৬৫ শতাংশ সংগঠনে কর্মীরা কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই সেবা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রায় অর্ধেক সংগঠন জানিয়েছে, কর্মীদের মধ্যে মানসিক ও শারীরিক অবসাদ বাড়ছে।

ইউএন উইমেনের বিবৃতিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে সংঘাতজনিত যৌন সহিংসতার ঘটনা দ্বিগুণ হয়েছে। ঠিক সেই সময়ই ভুক্তভোগীদের সুরক্ষার জন্য গড়ে তোলা ব্যবস্থাগুলো ভেঙে পড়ছে।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ৮৬ শতাংশ নারী সংগঠন জানিয়েছে, তারা যেসব এলাকায় কাজ করছে সেখানে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা বেড়েছে। সংস্থাটি জোর দিয়ে বলেছে, সহায়তা কমানোর প্রভাব ভয়াবহ।

ইউএন উইমেন আরও বলেছে, এ সহায়তা কমানোর প্রভাব শুধু মানবিক সহায়তা কার্যক্রমকে দুর্বল করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সংস্থাটি বলেছে, ‘নারী সংগঠনগুলোর বিলুপ্তি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি এমন এক সময়ে ঘটছে, যখন বিশ্বজুড়ে নারী ও কিশোরীদের অধিকারের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জোরালো হচ্ছে।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতি পাঁচটি সংগঠনের একটি ইতোমধ্যে নারীর নেতৃত্ব ও লিঙ্গসমতা এগিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম স্থগিত করেছে। আর অর্ধেকের বেশি সংগঠন জানিয়েছে, স্থানীয় নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীদের অংশগ্রহণ কমে যেতে দেখছে তারা। সূত্র: বাসস

এএফ/

ফিলিপাইনে ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৭ পিএম
ফিলিপাইনে ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫
ছবি: সংগৃহীত

টাইফুন ‘বাভি’ এর প্রভাবে টানা ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট ভূমিধসে শুক্রবার ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে আরও ১০ জনের প্রাণহানি হয়েছে।

এতে ঝড় সম্পর্কিত ঘটনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে।

আঞ্চলিক সিভিল ডিফেন্স পরিচালক রদ্রিগো সোসমেনা বলেন, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে মিন্দানাও দ্বীপের সারাঙ্গানি প্রদেশে ভূমিধসে ১০ জন মাটিচাপা পড়ে মারা গেছেন।

এর আগে শুক্রবারই একই দ্বীপে পৃথক আরেকটি ভূমিধসে অন্তত পাঁচজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। ওই ঘটনায় আরও ছয়জন নিখোঁজ রয়েছেন। সূত্র: বাসস

এএফ/

ফিলিপাইনে ভূমিধসে ৫ জন নিহত

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৮ পিএম
ফিলিপাইনে ভূমিধসে ৫ জন নিহত
প্রতীকী ছবি।

কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় টাইফুন ‘বাভি’ এর প্রভাবে ফিলিপাইনে ভূমিধসে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া তাইওয়ানে শত শত মানুষকে তাদের বাড়িঘর থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) ও শনিবার (১১ জুলাই) টাইফুনটি তাইওয়ানের উত্তর ও পূর্ব এবং জাপানের প্রত্যন্ত দক্ষিণ-পশ্চিম দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হানার পর চীনে আছড়ে পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, বাভির প্রভাবে সৃষ্ট ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ মিন্দানাওতে ভূমিধসে অন্তত পাঁচজন নিহত এবং আরও ছয়জন নিখোঁজ হয়েছেন।

তাইওয়ানের বন্দরনগরী কিলুংকে দ্বীপটির সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার একটি হিসেবে ধরা হচ্ছে। সেখানে বাসিন্দারা প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী মজুত করেছেন। দোকানের সামনে বালুর বস্তা সাজিয়ে রেখেছেন। কর্তৃপক্ষের সতর্কবার্তা মেনে তারা আগাম প্রস্তুতি নিয়েছেন।

সোমবার সুপার টাইফুন হিসেবে গুয়াম ও নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হানার পর প্রশান্ত মহাসাগর অতিক্রম করার সময় বাভির শক্তি কিছুটা কমে টাইফুনে পরিণত হয়।

কেন্দ্রীয় আবহাওয়া প্রশাসন (সিডব্লিউএ) জানিয়েছে, শুক্রবার বাভির সর্বোচ্চ স্থায়ী বাতাসের গতি ছিল ঘণ্টায় ১৬২ কিলোমিটার, দমকা হাওয়ার গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৯৮ কিলোমিটার। বৃহস্পতিবারের তুলনায় এর গতি কিছুটা কমেছে।

সিডব্লিউএর আবহাওয়াবিদ ওয়াং পিং-শিয়াং এএফপিকে বলেন, ‘পরিবেশগত পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় টাইফুনটি আরও দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘তাইপে, নিউ তাইপে, কিলুং ও ইলান সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হতে পারে। আর সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে মধ্য ও উত্তর তাইওয়ানের পার্বত্য এলাকায়।’

বাভির প্রবল বাতাসের বিস্তৃতি ৩৮০ কিলোমিটার । ফলে এটি ৩০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে তাইওয়ানে আঘাত হানা সবচেয়ে বড় টাইফুন হতে যাচ্ছে।

শুক্রবার রাজধানী তাইপেসহ উত্তর ও পূর্ব তাইওয়ানের বহু স্কুল ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে শত শত অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট।

জাপানের দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হেনে এবং তাইওয়ানের উত্তর প্রান্ত অতিক্রম করার পর সপ্তাহান্তে পূর্ব চীনে বাভির আছড়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এএফ/