ঢাকা ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ভারী বৃষ্টিতে টেকনাফে ১২শ পরিবার পানিবন্দি, ৫০০ পরিবার পেল ত্রাণ সহায়তা মাদারীপুর থানায় নারী আসামি পালানোর অভিযোগ ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে অবহেলা, ২ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত উন্নয়ন ও প্রকৃতি একসাথে হাতে হাত রেখে চলবে: পরিবেশমন্ত্রী বান্দরবানের পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা কিয়ার স্টারমারের উত্তরসূরি হতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহাম কুষ্টিয়ার খোকসায় খবরের কাগজ ‘বন্ধুজন’-এর কমিটি গঠন টানা বর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় চবিতে শাটল ট্রেন চলাচল বন্ধ রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রায় তরুণদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: রাষ্ট্রপতি ফার্মা ও বিজনেস খাতের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরিতে ঢাবিতে আইএসবিএম ক্যারিয়ার ওয়ার্কশপ বাঁশখালীতে বন্যার পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু ফ্লোরিডার বিমানবন্দরের নাম হলো ‘ট্রাম্প’ আবুল কাসেম ফজলুল হক নীতিবাদী রাজনৈতিক দার্শনিক: ন্যাপ মহাসচিব ব্র্যাক ব্যাংক-তরুপল্লবের পরিবেশ পদকে সম্মানিত ৬ প্রকৃতি সংরক্ষক দেশের পাঁচ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে শ্রেণিকক্ষে শিশুদের প্রশ্ন করতে দিন প্রকৃতির নয়, লোভের ধসে মরছে মানুষ রাঙামাটিতে পাহাড়ধস ও ভূমিধসের সতর্কতা থানার গ্রিল ভেঙে নারী আসামির পালানো, এসআই-কনস্টেবল প্রত্যাহার শৈলকুপায় সরকারি সহায়তার চেক ও পুরস্কার পেলেন উপকারভোগীরা বিএনপি জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুনামগঞ্জে বৃষ্টি কমলেও পাহাড়ি ঢলে বাড়ছে হাওর-নদীর পানি রাজপাল যাদবের তিন মাসের কারাদণ্ড তহবিল সংকটে ১০ লাখ নারী জরুরি সেবাবঞ্চিত: জাতিসংঘ চট্টগ্রামে বাড়ছে ডেঙ্গু, জুলাই-সেপ্টেম্বরে সর্বোচ্চ ঝুঁকি ফিলিপাইনে ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫ মৌলভীবাজারে মনু নদের ভাঙনে পানিবন্দি ১০ হাজার মানুষ রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের শঙ্কা কাটেনি, আশ্রয়কেন্দ্রে ২৩৬৬ জন ফিলিপাইনে ভূমিধসে ৫ জন নিহত

উন্নয়ন ও প্রকৃতি একসাথে হাতে হাত রেখে চলবে: পরিবেশমন্ত্রী

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৭ পিএম
উন্নয়ন ও প্রকৃতি একসাথে হাতে হাত রেখে চলবে: পরিবেশমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

উন্নয়ন ও প্রকৃতি একসাথে হাতে হাত রেখে চলবে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

মন্ত্রী বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে উন্নয়ন হবে প্রকৃতির সাথে সহাবস্থানে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং মানব কল্যাণ হবে একই পথের সহযাত্রী।

শুক্রবার (১০ জুলাই) বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে ব্র্যাক ব্যাংক এবং তরুপল্লব আয়োজিত 'দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক-২০২৫' অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে পদক প্রাপ্তদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননাও তুলে দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘প্রকৃতি সংরক্ষণ এখন আর কোনো বিকল্প নয়, এটি আমাদের জাতীয় দায়িত্ব।  আজকের সম্মাননাপ্রাপ্তরা প্রমাণ করেছেন, একজন মানুষের নিষ্ঠা ও উদ্যোগও পরিবেশে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে এবং অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে পারে। প্রকৃতি রক্ষার এই প্রচেষ্টা সমাজ জুড়ে ছড়িয়ে দিতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নির্দেশনায় এবং সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আমরা ‘ন্যাশনাল গ্রিন মিশন’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছি। এর আওতায় আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পরিবেশ সংরক্ষণে একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ নেবে।

তিনি পদকপ্রাপ্তদের ‘সবুজ ভবিষ্যতের নির্মাতা’ ও ‘নীরব পরিবেশ যোদ্ধা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, তাদের এই নিষ্ঠা ও উদ্যোগ সমাজ জুড়ে পরিবেশ রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে এবং অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

উল্লেখ্য, দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক -২০২৫ পেয়েছেন জীববৈচিত্র্য গবেষণায় অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুজ্জামান (নিসর্গ পুরস্কার), টেকসই কৃষি চর্চায় ‘প্রাণ বিচিত্র খামার’ (জীববৈচিত্র্য পুরস্কার), তৃণমূল পর্যায়ে বৃক্ষরোপণে মো. বাদশা মিয়া (বৃক্ষসখা সম্মাননা), ডিজিটাল মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টিতে উম্মে কুলসুম পপি (সবুজ সারথী সম্মাননা), প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভিদ গণনায় সুমাইয়া মারিয়ম (নবীন নিসর্গী সম্মাননা) এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে অধ্যাপক ড. কাজী আহসান হাবিব (পরিবেশ কীর্তিমান সম্মাননা)।

অনুষ্ঠানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক, ব্র্যাক ব্যাংক ও তরুপল্লবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, পরিবেশবিদ, গবেষক এবং গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এএফ/

বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ১০:০৫ পিএম
আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৬, ১০:০৬ পিএম
বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

সারাদেশে ভারী বর্ষণ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (১০ জুলাই) প্রায় সারাদিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বন্যাকবলিত ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং সিভিল সার্জনদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ-খবর নেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মন্ত্রী, সচিব এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেন। 

তিনি উদ্ধার, ত্রাণ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও সমন্বিত ও কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ কথা জানান।

তিনি জানান, বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে উদ্ধার, পুনর্বাসন ও চিকিৎসাসহ সার্বিক কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে দায়িত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় শনিবার তিনি ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রামে যাবেন।

আতিকুর রহমান রুমন আরও জানান, কয়েকটি এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে পরিস্থিতি এখনো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত এলাকার নারী ও শিশু, বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের প্রতি বিশেষ যত্নশীল থাকার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি, দুর্যোগকালীন পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে যেন কোনো অসাধু চক্র চুরি-ডাকাতি বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকারও নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসাসেবা এবং অন্যান্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।

এদিকে, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা শুরু থেকেই বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

বাসস/এসএন

উন্নয়ন ও প্রকৃতি একসাথে হাতে হাত রেখে চলবে: পরিবেশমন্ত্রী

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৭ পিএম
উন্নয়ন ও প্রকৃতি একসাথে হাতে হাত রেখে চলবে: পরিবেশমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

উন্নয়ন ও প্রকৃতি একসাথে হাতে হাত রেখে চলবে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

মন্ত্রী বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে উন্নয়ন হবে প্রকৃতির সাথে সহাবস্থানে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং মানব কল্যাণ হবে একই পথের সহযাত্রী।

শুক্রবার (১০ জুলাই) বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে ব্র্যাক ব্যাংক এবং তরুপল্লব আয়োজিত 'দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক-২০২৫' অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে পদক প্রাপ্তদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননাও তুলে দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘প্রকৃতি সংরক্ষণ এখন আর কোনো বিকল্প নয়, এটি আমাদের জাতীয় দায়িত্ব।  আজকের সম্মাননাপ্রাপ্তরা প্রমাণ করেছেন, একজন মানুষের নিষ্ঠা ও উদ্যোগও পরিবেশে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে এবং অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে পারে। প্রকৃতি রক্ষার এই প্রচেষ্টা সমাজ জুড়ে ছড়িয়ে দিতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নির্দেশনায় এবং সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আমরা ‘ন্যাশনাল গ্রিন মিশন’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছি। এর আওতায় আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পরিবেশ সংরক্ষণে একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ নেবে।

তিনি পদকপ্রাপ্তদের ‘সবুজ ভবিষ্যতের নির্মাতা’ ও ‘নীরব পরিবেশ যোদ্ধা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, তাদের এই নিষ্ঠা ও উদ্যোগ সমাজ জুড়ে পরিবেশ রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে এবং অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

উল্লেখ্য, দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক -২০২৫ পেয়েছেন জীববৈচিত্র্য গবেষণায় অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুজ্জামান (নিসর্গ পুরস্কার), টেকসই কৃষি চর্চায় ‘প্রাণ বিচিত্র খামার’ (জীববৈচিত্র্য পুরস্কার), তৃণমূল পর্যায়ে বৃক্ষরোপণে মো. বাদশা মিয়া (বৃক্ষসখা সম্মাননা), ডিজিটাল মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টিতে উম্মে কুলসুম পপি (সবুজ সারথী সম্মাননা), প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভিদ গণনায় সুমাইয়া মারিয়ম (নবীন নিসর্গী সম্মাননা) এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে অধ্যাপক ড. কাজী আহসান হাবিব (পরিবেশ কীর্তিমান সম্মাননা)।

অনুষ্ঠানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক, ব্র্যাক ব্যাংক ও তরুপল্লবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, পরিবেশবিদ, গবেষক এবং গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এএফ/

বান্দরবানের পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৯:০০ পিএম
আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৮ পিএম
বান্দরবানের পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা
ছবি: খবরের কাগজ

বৈরী আবহাওয়ার কারণে পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বান্দরবান জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত পর্যটকদের এসব স্থানে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সানিউল ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টানা ভারী বর্ষণের কারণে জেলার বিভিন্ন স্থানে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় মারাত্মক ঝুঁকির সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান আবহাওয়া পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য দুর্যোগ বিবেচনায় আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র, ঝর্ণা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম এলাকা ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যটক, ট্যুর অপারেটর ও সর্বসাধারণের ভ্রমণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

রিফাত/

রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রায় তরুণদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: রাষ্ট্রপতি

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৩ পিএম
রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রায় তরুণদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, দেশের টেকসই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ার মূল শক্তি তরুণ প্রজন্ম। তাই তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ, দক্ষতা বিকাশ এবং ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক অগ্রগতির সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

শুক্রবার (১০ জুলাই) এ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি এক বাণীতে এসব কথা বলেন। 

রাষ্ট্রপতি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের একটি অন্যতম জনবহুল দেশ। যার এক-তৃতীয়াংশই তরুণ প্রজন্ম। দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করা গেলে নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা যেমন পূরণ হবে, পাশাপাশি নিশ্চিত হবে সমৃদ্ধ আগামীর স্বপ্ন। এ প্রেক্ষাপটে দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’ সময়োপযোগী ও যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের যুব ও তরুণ প্রজন্মকে সুশিক্ষিত, দক্ষ, স্বাবলম্বী ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এ লক্ষ্যে সরকার দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক, কর্মমুখী ও উৎপাদনমুখী করতে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন শুরু করেছে। 

তিনি বলেন, যুবসমাজের সৃজনশীলতা ও নেতৃত্বের বিকাশ এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে দক্ষ করে গড়ে তুলতে কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে মাদক, বাল্যবিবাহ, সহিংসতাসহ নানান সামাজিক অবক্ষয় রোধে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণ এবং আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা হচ্ছে। 

রাষ্ট্রপতি বলেন, আমার বিশ্বাস, এ সকল উদ্যোগ নতুন প্রজন্মের বিকাশ ও জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক হবে। দেশের সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং টেকসই উন্নয়নের অন্যতম নিয়ামক হিসেবে ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, নাগরিক সুস্বাস্থ্য ও পরিকল্পিত পরিবার একটি সুস্থ ও কর্মক্ষম জাতি এবং টেকসই আর্থসামাজিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত। এই প্রেক্ষাপটে সরকার দেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নেও ব্যাপকভিত্তিক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তরুণ প্রজন্মকে প্রকৃত মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা, মা-শিশু স্বাস্থ্য, প্রজনন স্বাস্থ্য ও বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্য সেবাকে আরো কার্যকর ও সর্বজনীন করে তুলতে সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাযথ ভূমিকা রাখতে হবে। 

তারুণ্যের উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেসরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের বিদ্যমান স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামোসমূহের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত এবং মানসম্মত পরিবার পরিকল্পনা, মা-শিশু স্বাস্থ্য ও কৈশোরকালীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা করি।

‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন রাষ্ট্রপতি।

এসএন/

দেশের পাঁচ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৭:২২ পিএম
আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৭:২২ পিএম
দেশের পাঁচ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে
ছবি: সংগৃহীত

উজানের ভারী বৃষ্টির কারণে দেশের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের তিস্তা, কুশিয়ারা, সুরমা, সোমেশ্বরী ও ছোট ফেনীসহ পাঁচটি নদীর নয়টি স্টেশনে পানি সতর্কসীমায় রয়েছে। এছাড়া নয়টি পয়েন্টে নদীর পানি এখনও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ অবস্থায় নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ৯টার পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে প্রকাশিত বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে।

কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, সাঙ্গু নদীর বান্দরবান ও দোহাজারী পয়েন্টে পানি যথাক্রমে ৯৫ ও ২৩ সেন্টিমিটার, মাতামুহুরী নদীর লামা ও চিরিঙ্গা পয়েন্টে ৪৭ ও ৩২ সেন্টিমিটার, কুশিয়ারা নদীর মারকুলি ও ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ১৮ ও ১০ সেন্টিমিটার, মনু নদীর মনু রেলওয়ে ব্রিজ ও মৌলভীবাজার পয়েন্টে ৩৫ ও ৮০ সেন্টিমিটার এবং খোয়াই নদীর বল্লা পয়েন্টে ৬০ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে।

এ ছাড়া তিস্তা, কুশিয়ারা, সুরমা, সোমেশ্বরী ও ছোট ফেনী নদীর আরও নয়টি স্টেশন সতর্কসীমায় রয়েছে। এসব স্টেশনের মধ্যে রয়েছে তিস্তার ডালিয়া, কাউনিয়া ও তারাপুর; কুশিয়ারার শেরপুর; সুরমার কানাইঘাট, ছাতক ও সুনামগঞ্জ; সোমেশ্বরীর কলমাকান্দা এবং ছোট ফেনী নদীর কোম্পানীগঞ্জ পয়েন্ট।

গত ২৪ ঘণ্টায় উজানে ভারতের মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে সর্বোচ্চ ১০৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে দেশে সর্বোচ্চ ২০৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে চট্টগ্রামে।

পর্যবেক্ষণাধীন ১২৭টি নদীর পানি পরিমাপক স্টেশনের মধ্যে ৭৯টিতে পানি বেড়েছে, ৪৩টিতে কমেছে এবং পাঁচটিতে অপরিবর্তিত রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

রিফাত/