ঢাকা ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
জাপানের দক্ষিণাঞ্চলে টাইফুন বাভির আঘাত ফ্রান্সেরই স্পেনকে ভয় পাওয়া উচিত: ইয়ামাল বারবার দুর্যোগ নয়, স্থায়ী সমাধানের পরিকল্পনার আহ্বান জামায়াত আমিরের বাংলাদেশসহ ৭ দেশকে ভিসা নিয়ে সুখবর দিল সৌদি পেকুয়ায় পাহাড়ধস, সড়ক ভাঙনে বিচ্ছিন্ন জারুল বনিয়া বাঁশখালীর বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করে ত্রাণ বিতরণ জামায়াত আমিরের হিলিতে অসহায় বাকপ্রতিবন্ধীর ঘর করে দিলেন বিএনপিকর্মী দুপুরেরর মধ্যে ১৬ জেলায় ঝড়ের আশঙ্কা বোয়ালমারীতে মন্দিরে চুরি, চোর ধরতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার ২ পুরোহিতকে জরিমানা মতলব সেতুর সংযোগ সড়কে ধস, দুর্ঘটনার শঙ্কা হাতিয়ায় ৯০ গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি অর্ধলাখ মানুষ শুভসন্ধ্যা সৈকতে পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার গজারিয়ায় আধুনিকতার ছোঁয়ায়  উদ্বোধন ‘ন্যাচার লাউঞ্জ’ বৃষ্টির পর স্বস্তির নিঃশ্বাস ঢাকায় মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার গোরানের বাসা থেকে লালমাটিয়া কলেজের শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার মায়ামিতে ইতিহাস বনাম স্বপ্ন কোরআনে বর্ণিত চারটি সুপারফুড প্রথমে বিদায় নেবে কোডিং, এরপর সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং: অ্যানথ্রোপিক সিইও ‘আগুনে পরশমণি’ পরীক্ষা আর্জেন্টিনার মুক্তাগাছায় বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু আইএমএফের সঙ্গে আলোচনায় গুরুত্ব পাবে ঋণচুক্তি আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফন অনুষ্ঠানেও যুদ্ধের ছায়া শিবগঞ্জে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু সোনারগাঁয় যুবদল নেতার চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন এমপিপুত্র সাতক্ষীরায় রাতভর রেকর্ড বৃষ্টি: তীব্র জলাবদ্ধতায় স্থবির জনজীবন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ পাহাড়ধসে দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল ফরিদপুর সরকারি শিশু পরিবারের কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা যুদ্ধ বন্ধে তৎপর মধ্যস্থতাকারীরা

মেসিদের সুইস দেয়াল ভাঙার চ্যালেঞ্জ

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৯:০০ এএম
মেসিদের সুইস দেয়াল ভাঙার চ্যালেঞ্জ
ছবি: সংগৃহীত

লিওনেল মেসির সামনে আর মাত্র তিনটি ম্যাচ। এই তিন ধাপ পেরোতে পারলেই টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ হবে আর্জেন্টিনার। তবে সেই পথের প্রথম বাধা সুইজারল্যান্ড। ইতিহাস অবশ্য স্পষ্টভাবে আর্জেন্টিনার পক্ষেই কথা বলে। সাতবার মুখোমুখি হয়ে একবারও জিততে পারেনি সুইসরা। কিন্তু বর্তমান বিশ্বকাপ দেখিয়ে দিয়েছে, শুধু ইতিহাস দিয়ে নকআউটের ম্যাচ জেতা যায় না। তাই রবিবার (১২ জুলাই) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াইয়ে মেসিদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে সুইজারল্যান্ডের শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ।

এবারের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা যেমন নাটকীয়ভাবে এগোচ্ছে, সুইজারল্যান্ডও তেমনি নীরবে নিজেদের কাজ করে যাচ্ছে। শেষ ষোলোতে মিসরের বিপক্ষে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও শেষ ১৪ মিনিটে তিন গোল করে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লেখে লিওনেল স্কালোনির দল। তার আগে কেপ ভার্দের বিপক্ষেও কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়েছিল বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের।

অন্যদিকে সুইজারল্যান্ডের পথ ছিল ভিন্ন। গ্রুপ পর্বে কাতারের সঙ্গে ড্র করলেও পরে বসনিয়া-হার্জেগোভিনাকে ৪-১ এবং সহ-আয়োজক কানাডাকে ২-১ গোলে হারিয়ে গ্রুপসেরা হয়ে শেষ ষোলোতে ওঠে তারা। এরপর আলজেরিয়াকে হারিয়ে এবং কলম্বিয়ার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ের পর টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে জিতে শেষ আটে জায়গা করে নেয়। ১৯৫৪ সালের পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলছে সুইসরা।

ইতিহাসও অবশ্য আর্জেন্টিনাকেই এগিয়ে রাখছে। দুই দলের সাত দেখায় আর্জেন্টিনার জয় ছয়টি, একটি ম্যাচ ড্র। গোলের ব্যবধানও একপেশে; ১৫-৩। বিশ্বকাপে দুইবার দেখা হয়েছে, দুবারই জিতেছে আর্জেন্টিনা। ১৯৬৬ সালে ২-০ এবং ২০১৪ সালে অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার অতিরিক্ত সময়ের গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় পায় আলবিসেলেস্তেরা।

তবে ইতিহাসের পরিসংখ্যানের চেয়েও বড় ভরসা এখন লিওনেল মেসি। ৩৯ বছর বয়সী অধিনায়ক চলতি বিশ্বকাপে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা (৮টি)। শুধু গোলই নয়, আক্রমণ সাজানো, সতীর্থদের সুযোগ তৈরি করে দেওয়া এবং কঠিন মুহূর্তে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্বও কাঁধে তুলে নিয়েছেন। মিসরের বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করেও পরে গোল করে দলকে ম্যাচে ফেরানোর অন্যতম নায়ক ছিলেন তিনি।

আর্জেন্টিনার হেড কোচ স্কালোনির সবচেয়ে বড় স্বস্তি, পুরো স্কোয়াডই এখন প্রায় ফিট। মিসরের বিপক্ষে গোল করার পর ক্রিস্তিয়ান রোমেরো পায়ের পেশিতে টান নিয়ে মাঠ ছাড়লেও সেটি ছিল কেবল ক্র্যাম্প। তিনি সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে প্রস্তুত। তবে শুরুর একাদশে দুটি জায়গা নিয়ে এখনো ভাবছেন স্কালোনি। ডান প্রান্তে নাহুয়েল মোলিনা নাকি গঞ্জালো মন্টিয়েল, আর মেসির সঙ্গী হিসেবে হুলিয়ান আলভারেজ নাকি লাওতারো মার্তিনেজ; এই দুটি সিদ্ধান্তই শেষ মুহূর্তে নেবেন তিনি।

সুইজারল্যান্ডের সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের সংগঠিত রক্ষণ। পুরো বিশ্বকাপ ও বাছাইপর্ব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচেই পিছিয়ে পড়েনি মুরাত ইয়াকিনের দল। মাঝমাঠে গ্রানিত জাকা ও রেমো ফ্রয়লারের অভিজ্ঞতা, রক্ষণে ম্যানুয়েল আকাঞ্জি ও রিকার্দো রদ্রিগেজের দৃঢ়তা, আর গোলবারে গ্রেগর কোবেলের নির্ভরতা সুইসদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে। সামনে ব্রিল এমবোলোও আছেন দারুণ ছন্দে। শেষ ১৭ আন্তর্জাতিক ম্যাচে ১৩টি গোলে সরাসরি অবদান রেখেছেন তিনি।

তবু কাগজে-কলমে ফেবারিট আর্জেন্টিনাই। ২০২২ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে হারের পর বিশ্বকাপে টানা ১১ ম্যাচ অপরাজিত স্কালোনির দল। এই সময়ে প্রতিটি ম্যাচেই অন্তত দুটি করে গোল করেছে তারা। পাশাপাশি গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ১২টি জয়ও আর্জেন্টিনার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিচ্ছে।

তবে নকআউট ফুটবলের নিয়ম একটাই; একটি ভুল, একটি মুহূর্ত কিংবা একটি প্রতিআক্রমণ বদলে দিতে পারে পুরো ম্যাচের চিত্র। তাই ইতিহাস, পরিসংখ্যান কিংবা মেসির জাদু; সবকিছুর পরও আর্জেন্টিনাকে জিততে হলে ভাঙতেই হবে সুইজারল্যান্ডের সুসংগঠিত সেই ‘সুইস দেয়াল’।

ফ্রান্সেরই স্পেনকে ভয় পাওয়া উচিত: ইয়ামাল

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ১১:০২ এএম
আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৬, ১১:১১ এএম
ফ্রান্সেরই স্পেনকে ভয় পাওয়া উচিত: ইয়ামাল
স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেন ও ফ্রান্সের মহারণকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের আর্লিংটনে অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচের আগেই মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়ে এগিয়ে গেল স্পেন। ফরাসিদের স্পষ্ট হুঙ্কার দিয়ে রাখলেন স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। তার মতে, ভয় পাওয়ার কথা যদি থাকে, তবে সেটি ফ্রান্সেরই হওয়া উচিত।

কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ চারে উঠেছে স্পেন। এই জয়ের পর আত্মবিশ্বাসী ইয়ামাল জানান, অতীত ইতিহাস তাদের পক্ষে কথা বলছে। স্পেন ইতোমধ্যে পরপর দুটি বড় টুর্নামেন্টে ফ্রান্সকে হারিয়েছে। সেই সাফল্য দলকে বাড়তি অনুপ্রেরণা দিচ্ছে।

ইয়ামালের ভাষ্যে, ‘ফ্রান্স যদি কাউকে ভয় পায়, তবে সেটা আমাদেরই হওয়া উচিত। আমরা এর আগেও তাদের টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় করেছি। আমাদের কোনো ভয় নেই। মাঠেই দেখা যাবে কী হয়।’

গত তিন বছরে এটি স্পেন ও ফ্রান্সের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ মোকাবিলা। এর আগে ২০২৪ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ এবং ২০২৫ সালের উয়েফা নেশনস লিগের সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়েছিল স্পেন।

বিশ্বকাপে ২০১০ সালের শিরোপা জয়ের পর এবারই প্রথম শেষ চারে উঠেছে স্পেন। অন্যদিকে, ২০১৮ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স টানা তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে।

স্পেনের খেলা নিয়ে সমালোচকদের জবাব দিয়েছেন তরুণ উইঙ্গার লামিনে ইয়ামাল। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট কাটিয়ে বিশ্বকাপে ফেরা এই তারকা মনে করেন, প্রতিপক্ষের অতি-রক্ষণাত্মক কৌশলের কারণেই স্পেন মন ভরে খেলতে পারছে না।

ইয়োমাল বলেন, ‘অনেকের মনে হতে পারে আমরা সেরা খেলাটা খেলছি না। কিন্তু প্রায় সব দলই আমাদের বিপক্ষে রক্ষণাত্মক দেয়াল তুলে ধরছে। কেউ আমাদের সাথে সমানতালে খেলছে না। তবে এর মধ্যেও আমরা ম্যাচ জিতছি। দিনশেষে জয়টাই সবচেয়ে বড় কথা।’

পাপ্পু/অন্তরা/

‘আগুনে পরশমণি’ পরীক্ষা আর্জেন্টিনার

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৪ এএম
‘আগুনে পরশমণি’ পরীক্ষা আর্জেন্টিনার
সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের ধাপ অতিক্রম করার লক্ষ্যে মেসিদের রণপ্রস্তুতি। ছবি: সংগৃহীত

যে মেসির খেলা দেখার জন্য গোটা বিশ্ব চাতক পাখির মতো চেয়ে থাকত। যে আর্জেন্টিনার খেলা দেখার জন্য মানুষ নিজেদের ব্যস্ততা বাইরে রেখে খেলা দেখার সময় বের করত। জয়ে করত উচ্ছ্বাস প্রকাশ, হারে হতো ব্যথিত। হঠাৎ করে সেই মেসি, সেই আর্জেন্টিনার ‘হেটার্স’ বেড়ে গেছে। আর্জেন্টিনা একটি করে ম্যাচ খেলছে আর ‘হেটার্স’ বাড়ছে।

এবারের বিশ্বকাপে বিষয়টি চরম আকার ধারণ করেছে। আর্জেন্টিনার ছন্দ, মেসির নান্দিকতার কোনো মূল্য নেই তাদের কাছে। আর্জেন্টিনার বিদায় এখন তাদের কাছে পরম চাওয়া হয়ে উঠেছে। আর্জেন্টিনা বিদায় নিলে তাদের আনন্দের সীমা থাকবে না। আর জিতে সেমিতে উঠে গেলে দেখা যাবে সেখানেও কোনো না কোনো ভুল ধরা হচ্ছে।

অন্য দল পেনাল্টি পেলে বা তাদের বিপক্ষে গোল বাতিল হলে কোনো রিয়েকশন দেখা না গেলেও আর্জেন্টিনার পক্ষে এ রকম সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ মনোভাব ভয়াবহ আকার ধারণ করে। প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে মিসরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জয়ের পর সমালোচনার তীর খুব বেশি করে বিদ্ধ হচ্ছে। ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকার পর ১৩ মিনিটের ঝলকে আর্জেন্টিনার ‘অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন’-এর গল্প প্রশংসার পরিবর্তে সমালোচিত হচ্ছে বেশি। অবস্থা এমন আকার ধারণ করেছে যে ‘ভিএআর’ নিয়ে ফিফাকে পর্যন্ত বিবৃতি দিতে হয়েছে। অনেকেই এমনও বলাবলি করছেন আর্জেন্টিনা আর মেসির হাতে ট্রফি তুলে দেওয়ার অপেক্ষায় আছে ফিফা! আগামীকাল সকাল ৭টায় সেমিতে উঠার লড়াইয়ে আর্জেন্টিনাকে তাই শুধু সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষেই লড়তে হবে না, প্রতিকুল পরিস্থিতির বিপক্ষেও লড়তে হবে। মেসি আর আর্জেন্টিনাকে এখন তাই আগুনের পরশমণি হতে হবে।

মিসরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জয়ের পর সমালোচনার ডাল-পালা এমন বিস্তার করেছিল যে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিশ্বকাপের খেলা যে এখনো বাকি আছে, সেটিই আড়ালে পড়ে গিয়েছিল। বোস্টনে মরক্কোর বিপক্ষে ফ্রান্সের ‘জলতরঙ্গ’ নৈপুণ্য দেখিয়ে ২-০ গোলে জয়ে মানুষ আবার ফুটবলমুখি হয়েছে। সুইসদের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে কোয়ার্টারে ফাইনালের তিনটি খেলা শেষ হয়ে যাবে। নিশ্চিত হয়ে যাবে সেমির তিন দল। আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে পাওয়া যাবে চতুর্থ ও শেষ দল। এই ম্যাচগুলো মানুষকে আবার ফুটবলে প্রেমে নিমজ্জিত করবে। মেতে উঠবেন তারা ফুটবলের অপার সৌন্দর্য্যে।

বিশ্বকাপ ফুটবলের সময় যত গড়াচ্ছে আর্জেন্টিনাকে ততই শক্ত প্রতিরোধের মুখে পড়তে হচ্ছে। বিশেষ করে নকআউট পর্বে। গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনা সহজেই ৩-০ গোলে আলজেরিয়াকে, ২-০ গোলে অস্ট্রিয়াকে, ৩-১ গোলে জর্ডানকে পরাস্ত করলেও শেষ বত্রিশে এসে কেপ ভার্দের সামনে প্রবল প্রতিরোধের মুখে পড়েছিল। কেপ ভার্দের জমাট রক্ষণ ভাঙা কঠিন হয়ে উঠেছিল। তারপরও মেসির নেতৃত্বে তারা একবার করে রক্ষণ ভাঙে, কেপ ভার্দে সমতা আনে। এমনি করে দুইবার সমতা আনার পর অবশেষে ৩-২ গোলে জয় পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। মিসরের বিপক্ষে তো হারের মুখেই পড়েছিল ৭৮ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকে। পরে হঠাৎ করে বদলে যায় ম্যাচের চিত্রনাট্য। রচিত হয় ১৩ মিনিটের খণ্ডচিত্র। যেখানে তিন গোল দিয়ে আর্জেন্টিনা ম্যাচ বের করে নেয়। শতভাগ জয় নিয়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা কোয়ার্টারে দাঁড়িয়ে আছে। স্বপ্ন দেখছে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনাল খেলার। সে জন্য অবশ্য তাদের কোয়ার্টারের পর সেমির ধাপও অতিক্রম করতে হবে।

স্বপ্ন পূরণের সেই বাঁধা ডিঙ্গিয়ে সেমির দরজায় পৌঁছাতে আর্জেন্টিনার সামনে ফিফার সদর দপ্তরের দেশ সুইজারল্যান্ড পাহাড় সমান বাঁধা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সুইসদের সামনে নতুন ইতিহাসের হাতছানি। আগে বারোবার খেলে ‘আলপাইনরা কখনো কোয়ার্টার ফাইনালের গণ্ডি পার হতে পারেনি। সর্বশেষ তারা কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল নিজেদের দেশের আয়োজনে ১৯৫৪ সালে। সময়ের হিসাবে তারা শেষ আটে উঠে এসেছে ৭২ বছর পর। গ্রুপ পর্বে কাতারের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে আসর শুরু করার পর তাদের আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়েনি। বসনিয়া-হার্জেগোভিনাকে ৪-১ ও কানাডাকে ২-১ গোলে পরাজিত করে গ্রুপসেরা হয়ে শেষ বত্রিশে উঠে আসার পর আলজেরিয়াকে ২-০ গোলে পরাজিত করে জায়গা করে নেয় শেষ ষোলোতে।

এখানে কলম্বিয়াও তাদের সামনে বাঁধা হতে পারনি। টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে জিতে তারা নতুন ইতিহাস গড়ার লক্ষ্যে আলবিসেলেস্তেদের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। শেষ আটে আর্জেন্টিনাকে পেয়েই আলপাইনদের কোচ মুরাত ইয়াকিন দিয়েছেন হুংকার। জানিয়েছেন আর্জেন্টিনা অপরাজেয় নয়। হারানো সম্ভব। তাদের হারানোর জন্য তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। 

মুকিত ইয়াকিন হুংকার দিলেও আর্জেন্টিনার বিপক্ষে তাদের জয়ের কোনো রেকর্ড নেই। সাতবারের দেখায় পাঁচবারই জয় আর্জেন্টিনার। দুইবার হয়েছে ড্র। বিশ্বকাপের মঞ্চে দুইবারের দেখাতে দুইবারই জয়ী আর্জেন্টিনা। ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে ২-০ গোলে জয়ের পর ২০১৪ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর টানটান উত্তেজনার লড়াইয়ে অতিরিক্ত সময়ের ১১৮ মিনেটে ডি মারিয়ার গোলে জয় পেয়েছিল আর্জেন্টিনা।
সময় যত গাড়াচ্ছে আর্জেন্টিনা ততই সংঘবদ্ধ হচ্ছে।

গ্রুপ পর্বে তারা ছিল শুধুই মেসি নির্ভর। প্রথম দুই ম্যাচে পাঁচ গোলের সব কটিই ছিল মেসির। ক্রমান্বয়ে তারা সেখান থেকে বের হয়ে আসতে পেরেছে। প্রয়োজনের সময় যে কেউ জ্বলে উঠে গোল করছেন। কেপ ভার্দের বিপক্ষে মেসি ছাড়াও লিসান্দ্রো মার্তিনেজ গোল পেয়েছিলেন। মিসরের বিপক্ষেও একইভাবে মেসি ছাড়া গোলের দেখা পান রোমেরো ও এনজো মার্তিনেজ। মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগ নির্ভারতা ছড়ালেও রক্ষণ কিন্তু দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে নকআউট পর্বে।

এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে কেপ ভার্দে ও মিসরের বিপক্ষে দুইটি করে চারটি গোল হজম করতে হয়েছে। কোচ লিওনেল স্কোলানিকে এই ব্যাপারে আরও সতর্ক হতে হবে। রক্ষণে লিসান্দ্র মার্তিনেজ-রোমেরো-মেদিনা-মন্তিয়েল বা অন্য যারা খেলতে পারেন, তাদের বিশেষ বার্তা দিয়ে রাখতে হবে। সুইস অধিনায়ক গ্রানাইট জাকা, ব্রেল এম্বোলো, রুবেন ভার্গাসদের ঠেকাতে হবে। এরা সবাই এক থেকে একাধিক গোল পেয়েছেন।

অবশ্য ইনজুরির কারণে আক্রমণ ভাগের প্রাণ তিনটি গোল ও দুইটি এসিস্ট করা জোহান মানজাম্বিকের না খেলাটা আর্জেন্টিনার রক্ষণের জন্য স্বস্তি। তবে তাদের বড় স্বস্তি কোনো ইনজুরি বা কার্ড সমস্যা নেই। দলের সবচেয়ে কনিষ্ঠ খেলোয়াড় যাকে আগামীতে মেসির বিকল্প ভাবা হচ্ছে সেই নিকো পাজ সুইজারল্যান্ডকে শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখছেন বলে জানান। তিনি বলেন, ‘সুইজারল্যান্ড খুবই ভালো দল। পরের ধাপে যেতে হলে আমাদের সেরা খেলাটা খেলতে হবে। মিসরের বিপক্ষে যেসব ভুল হয়েছে, সেগুলো শুধরে নিতে হবে। আমাদের লক্ষ্য একটাই, বিশ্বকাপ জয়।’

সুইসদের প্রধান ভরসা তাদের রক্ষণ। গোলে পোস্টে ব্রুসিয়া ডর্টমুন্ডের গ্রেগর কোবেল আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন। গ্রুপ পর্বে তিন গোল হজম করলেও নকআউট পর্বে এসে অতন্দ্র প্রহরী হয়ে উঠেছেন। কোনো গোল হজম করেননি। প্রি-কোয়ার্টারে তিনি আবার কলম্বিয়ার কুচো হার্নান্দেজের চতুর্থ শট ঠেকিয়ে দলের জয়ে ভূমিকা রেখেছিলেন। তার সামনে থাকা ডেনিস জাকারিয়া, ম্যানুয়েল আকাঞ্জি, নিকো এলভেদি, রিকোর্ডো রদ্রিগেজ আছেন প্রথম আক্রমণ ঠেকাতে। তবে ইতিহাস সৃষ্টির দ্বারপ্রান্তে থাকা এমন ম্যাচে কোচ মুকিত ইয়াকিন ইনজুরির কারণে আক্রমণভাগের মানজাম্বিককে ছাড়াও পাবেন না মাঝমাঠের মিচেল এবিশার ও রক্ষণের লুকা জ্যাকুয়েজকেও। দলে কার্ডজনিত কোনো সমস্যা নেই।

গ্রুপ পর্বে সুইজারল্যান্ড ১-১ গোলে কাতারের সঙ্গে ড্র করার পর বসনিয়া-হার্জেগোভিনাকে ৪-১ ও কানাডাকে ২-১ গোলে পরাজিত করে। নকআউট পর্বের শেষ বত্রিশে আলজেরিয়াকে ২-০ গোলে পরাস্ত করার পর প্রি-কোয়ার্টারে কলম্বিয়াকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে পরাজিত করে ১৯৫৪ সালের পর আবার কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে আসে।

গোল্ডেন বুটের লড়াই: মেসি, এমবাপ্পে নাকি হালান্ড?

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৮ এএম
আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৯:১২ এএম
গোল্ডেন বুটের লড়াই: মেসি, এমবাপ্পে নাকি হালান্ড?
২০২৬ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে, আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি এবং নরওয়ের আর্লিং হালান্ডের খেলার সম্মিলিত ছবি | ছবি: এপি

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ তার চূড়ান্ত পর্যায়ে পদার্পণ করার সঙ্গে সঙ্গেই জমে উঠেছে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ‘গোল্ডেন বুট’ জয়ের লড়াই। ফুটবলের কিংবদন্তিদের এক সময়ের দখলে থাকা এই মর্যাদাপূর্ণ ট্রফিটি নিজের করে নিতে বর্তমানে তিন তারকা ফুটবলার সমানে সমানে লড়াই করছেন। গোল্ডেন বুটের এই দৌড়ে এখন একে অপরের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, লিওনেল মেসি এবং আর্লিং হালান্ড।

গোল্ডেন বুটের দৌড়ে কে এগিয়ে?

বর্তমানে ৮টি গোল এবং ১টি অ্যাসিস্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তবে তার ঠিক পেছনেই আছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে (৮টি গোল ও ৩টি অ্যাসিস্ট)। নরওয়ের আর্লিং হালান্ড ৭টি গোল নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন। এছাড়া ৬টি গোল করে এই তারকাদের ঠিক পেছনেই অবস্থান করছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

টুর্নামেন্ট শেষ হওয়া পর্যন্ত যে খেলোয়াড় সবচেয়ে বেশি গোল করবেন, ফাইনাল ম্যাচ শেষে তার হাতেই তুলে দেওয়া হবে গোল্ডেন বুট। দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতাকে যথাক্রমে দেওয়া হবে সিলভার বুট এবং ব্রোঞ্জ বুট।

যদি গোল সংখ্যা সমান হয়?

যদি দুই বা তার বেশি খেলোয়াড়ের গোল সংখ্যা সমান হয়, তবে বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে অ্যাসিস্ট বা গোল করানোর সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে। যার অ্যাসিস্ট বেশি থাকবে, তিনিই পুরস্কারটি পাবেন। যদি অ্যাসিস্টের সংখ্যাও সমান হয়, তবে গোল এবং অ্যাসিস্ট করতে যে খেলোয়াড় সবচেয়ে কম সময় (মিনিট) মাঠে খেলেছেন, তাকেই বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।

আজহার/

‘সতীর্থদের কাছ থেকে সহযোগিতা পাননি রোনালদো’

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৯ এএম
‘সতীর্থদের কাছ থেকে সহযোগিতা পাননি রোনালদো’
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ছবি: সংগৃহীত

স্পেনের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে পর্তুগাল। তবে দলটির পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনা থেমে নেই। এবার সেই আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ফ্রান্সের সাবেক ফুটবলার ইউরি জোরকায়েফ। তার দাবি, পর্তুগাল দলে নিজের সতীর্থদের কাছ থেকেই যথেষ্ট সহযোগিতা পাননি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

১৯৯৮ বিশ্বকাপজয়ী ফ্রান্স দলের সদস্য জোরকায়েফ মনে করেন, পর্তুগাল কখনোই রোনালদোকে সামনে রেখে দল সাজানোর চেষ্টা করেনি। বরং খেলার ধরনই বিশ্বের অন্যতম সেরা এই ফরোয়ার্ডকে শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

ফরাসি সংবাদমাধ্যম আরএমসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জোরকায়েফ বলেন, ‘আপনি যদি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে দলে রাখেন, তাহলে পুরো দলকে তার জন্য খেলতে হবে। কিন্তু সেটা মোটেও হয়নি। মনে হয়েছে, সতীর্থদের কাছ থেকেই বয়কটের শিকার হয়েছেন তিনি। তারা তাকে সেরাটা দেওয়ার পরিস্থিতিই তৈরি করে দেয়নি।’

সাবেক এই মিডফিল্ডার আরও বলেন, ‘রোনালদোর খেলার ধরন বহু বছর ধরেই সবার জানা। তাই তাকে দলে রাখলে সেভাবে পরিকল্পনা করেই খেলতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই তাকে চিনি। সে সব সময় একই ধরনের ফুটবল খেলেছে। তাহলে তারা কী আশা করেছিল, সে হঠাৎ করেই নিজের খেলার ধরন বদলে ফেলবে? যদি তাকে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তাহলে দলকে তাকে কেন্দ্র করেই সাজাতে হবে। আর সেটা না চাইলে তাকে দলে ডাকা বা মাঠে নামানো উচিত নয়।’

বিশ্বকাপে পর্তুগালের হতাশাজনক বিদায়ের পর রোনালদোর ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা চলছে। যদিও আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা। সূত্র: টিওয়াইসি স্পোর্টস

এসজি/

সেমিফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ ফ্রান্স, খেলা কবে?

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৪ এএম
সেমিফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ ফ্রান্স, খেলা কবে?
কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লামিনে ইয়ামাল। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো সেমিতে উঠেছে লা রোজারা। সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ বর্তমান রানার্সআপ ফ্রান্স। 

শুক্রবার (১০ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেনের পক্ষে গোল দুটি করেন ফাবিয়ান রুইজ ও মিকেল মেরিনো। বেলজিয়ামের একমাত্র গোলটি আসে চার্লস ডি কেটেলারের হেডে। 

ম্যাচের ৮৮ মিনিটে গোল করেন মিকেল মেরিনো। তিনিই শেষ ষোলোর ম্যাচে পর্তুগালের বিপক্ষে ৯১ মিনিটে গোল করে স্পেনের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছিলেন। এবার শেষ মুহূর্তে গোল করে স্পেনকে সেমিতে তুললেন এই মিডফিল্ডার। 

এর আগে, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও উসমান দেম্বেলের গোলে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে ফ্রান্স। 

আগামী ১৪ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় ডালাস স্টেডিয়ামে ফ্রান্স ও স্পেন মধ্যকার সেমিফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।

এসজি/