ঢাকা ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
জ্বালানি সংকটে কিউবাজুড়ে লোডশেডিং ফ্রান্সকে হারাতে আমরা প্রস্তুত: স্প্যানিশ কোচ ঢামেকের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী জাপানের দক্ষিণাঞ্চলে টাইফুন বাভির আঘাত ফ্রান্সেরই স্পেনকে ভয় পাওয়া উচিত: ইয়ামাল জয়পুরহাটে জমি নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, আহত ১০ বারবার দুর্যোগ নয়, স্থায়ী সমাধানের পরিকল্পনার আহ্বান জামায়াত আমিরের বাংলাদেশসহ ৭ দেশকে ভিসা নিয়ে সুখবর দিল সৌদি পেকুয়ায় পাহাড়ধস, সড়ক ভাঙনে বিচ্ছিন্ন জারুল বনিয়া বাঁশখালীর বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করে ত্রাণ বিতরণ জামায়াত আমিরের হিলিতে অসহায় বাকপ্রতিবন্ধীর ঘর করে দিলেন বিএনপিকর্মী দুপুরেরর মধ্যে ১৬ জেলায় ঝড়ের আশঙ্কা বোয়ালমারীতে মন্দিরে চুরি, চোর ধরতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার ২ পুরোহিতকে জরিমানা মতলব সেতুর সংযোগ সড়কে ধস, দুর্ঘটনার শঙ্কা হাতিয়ায় ৯০ গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি অর্ধলাখ মানুষ শুভসন্ধ্যা সৈকতে পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার গজারিয়ায় আধুনিকতার ছোঁয়ায়  উদ্বোধন ‘ন্যাচার লাউঞ্জ’ বৃষ্টির পর স্বস্তির নিঃশ্বাস ঢাকায় মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার গোরানের বাসা থেকে লালমাটিয়া কলেজের শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার মায়ামিতে ইতিহাস বনাম স্বপ্ন কোরআনে বর্ণিত চারটি সুপারফুড প্রথমে বিদায় নেবে কোডিং, এরপর সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং: অ্যানথ্রোপিক সিইও ‘আগুনে পরশমণি’ পরীক্ষা আর্জেন্টিনার মুক্তাগাছায় বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু আইএমএফের সঙ্গে আলোচনায় গুরুত্ব পাবে ঋণচুক্তি আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফন অনুষ্ঠানেও যুদ্ধের ছায়া শিবগঞ্জে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু সোনারগাঁয় যুবদল নেতার চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন এমপিপুত্র সাতক্ষীরায় রাতভর রেকর্ড বৃষ্টি: তীব্র জলাবদ্ধতায় স্থবির জনজীবন

প্রথমে বিদায় নেবে কোডিং, এরপর সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং: অ্যানথ্রোপিক সিইও

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৬ এএম
আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৫ এএম
প্রথমে বিদায় নেবে কোডিং, এরপর সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং: অ্যানথ্রোপিক সিইও
অ্যানথ্রোপিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দারিও আমোদেই। ছবি: সংগৃহীত

সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো বিস্তৃত ক্ষেত্রের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার আগেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোডিংয়ের কাজটিকে স্বয়ংক্রিয় করে ফেলবে বলে মন্তব্য করেছেন এআই স্টার্টআপ ‘অ্যানথ্রোপিক’-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) দারিও আমোদেই।

একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, আগামী বছরগুলোতে মানুষের নিজস্ব দক্ষতা, বিশ্লেষণাত্মক চিন্তাভাবনা এবং এআই-কেন্দ্রিক শিল্পগুলোর গুরুত্ব আরও বাড়বে।

ভারতীয় উদ্যোক্তা নিখিল কামাথের একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে আমোদেই আলোচনা করেন কীভাবে এআই মানুষের ক্যারিয়ার, সফটওয়্যার উন্নয়ন এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে বদলে দিচ্ছে। পাশাপাশি তরুণ পেশাজীবীদের ভবিষ্যৎ-উপযোগী দক্ষতা অর্জনের বিষয়েও পরামর্শ দেন তিনি।

কোন কোন শিল্পে এআই-এর কারণে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসতে পারে- এমন প্রশ্নের জবাবে আমোদেই জানান, সফটওয়্যার উন্নয়ন খাত দিন দিন এআই-নির্ভর হয়ে উঠছে।

তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় সবার আগে কোডিংয়ের দিন শেষ হয়ে যাবে।’

তার মতে, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আরও বড় ও জটিল দায়িত্বগুলো সামলানোর আগেই এআই মডেলগুলো কোডিংয়ের কাজকে পুরোপুরি নিজের দখলে নিয়ে নেবে।

তবে তিনি যোগ করেন, ‘সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সামগ্রিক কাজটির নিয়ন্ত্রণ নিতে একটু বেশি সময় লাগলেও, এক সময় শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটিই এআই-এর মাধ্যমে হওয়া সম্ভব।’

অবশ্য আমোদেই উল্লেখ করেছেন, সফটওয়্যার উন্নয়নের কিছু ক্ষেত্রে মানুষের সম্পৃক্ততা সবসময়ই প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে রয়েছে প্রোডাক্ট ডিজাইন বা পণ্যের নকশা করা, ব্যবহারকারীর চাহিদা বোঝা, বাজারের চাহিদা চিহ্নিত করা এবং এআই সিস্টেমের দলগুলোকে পরিচালনা করা।

মানুষ যদি কাজের কেবল একটি ছোট অংশও করে, তবুও এআই-এর সহায়তায় উৎপাদনশীলতা নাটকীয়ভাবে বাড়বে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপনি যদি কাজের মাত্র ৫ শতাংশও করেন এবং বাকি ৯৫ শতাংশ কাজ এআই করে দেয়, তবে আপনার উৎপাদনশীলতা ২০ গুণ বেড়ে যাবে।’

বর্তমান তরুণদের কোন ধরনের দক্ষতা অর্জন করা উচিত- এমন প্রশ্নের জবাবে অ্যানথ্রোপিক প্রধান পরামর্শ দেন, এআই-এর সঙ্গে প্রতিযোগিতা না করে বরং এমন ক্ষেত্রে মনোযোগ দেওয়া উচিত যা এআই-এর পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে। তিনি সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি এবং বাস্তব জগতের সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী ইঞ্জিনিয়ারিং শাখার পাশাপাশি মানবিক যোগাযোগ ও পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা পেশাগুলোর ওপর জোর দেন।

আমোদেই আরও জানান, এআই-চালিত এই পৃথিবীতে ‘ক্রিটিক্যাল থিংকিং’ বা বিশ্লেষণাত্মক চিন্তাভাবনা অন্যতম মূল্যবান দক্ষতা হয়ে উঠতে পারে।

তিনি বলেন, যেহেতু এআই যেকোনো কিছু তৈরি বা জেনারেট করতে পারে, তাই মৌলিক বিশ্লেষণাত্মক চিন্তাভাবনার দক্ষতাই হবে সফলতার সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি।

তিনি সতর্ক করে বলেন, দিন দিন এআই-দ্বারা তৈরি ছবি ও ভিডিও এত বেশি বাস্তবসম্মত হয়ে উঠছে যে আসল এবং নকল তথ্যের পার্থক্য করা কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই তথ্য যাচাইয়ের ক্ষমতা এবং উপস্থিত বুদ্ধির ব্যবহার এখন অত্যন্ত জরুরি।

অতিরিক্ত মাত্রায় এআই-নির্ভরতার নেতিবাচক দিক নিয়েও সতর্ক করেন এই এআই প্রধান।

তিনি বলেন, অসতর্কভাবে এর ব্যবহার মানুষের গুরুত্বপূর্ণ সক্ষমতাগুলোকে নষ্ট করে দিতে পারে। শিক্ষার্থীদের এআই ব্যবহার করে অ্যাসাইনমেন্ট শেষ করার প্রবণতাকে তিনি মূলত ‘হোমওয়ার্কে ফাঁকি দেওয়া’ হিসেবে অভিহিত করেন।

তিনি জানান, অ্যানথ্রোপিকের অভ্যন্তরীণ গবেষণায় দেখা গেছে, কোডিংয়ের জন্য এআই-এর কিছু ভুল ব্যবহার মানুষের দক্ষতা কমিয়ে দেয়, যেখানে চিন্তাভাবনা করে সঠিক উপায়ে এর ব্যবহার মানুষের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

আগামী দশকে এআই মানুষকে আরও কম বুদ্ধিমান বা ‘বোকা’ বানিয়ে দেবে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে আমোদেই বলেন, এর ফলাফল নির্ভর করবে সমাজ কীভাবে এই প্রযুক্তিকে ব্যবহার করছে তার ওপর।

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি অসতর্কভাবে এআই ব্যবহার করি, তবে হ্যাঁ, মানুষ সত্যিই বোকা হয়ে যেতে পারে। তবে কোনো কাজে এআই আপনার চেয়ে সবসময় ভালো করলেও, আপনি নিজে সেই কাজটি শিখতে পারেন এবং নিজের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ঘটাতে পারেন।’ সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/

মুখ দেখালেই বোর্ডিং পাস

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৮ পিএম
মুখ দেখালেই বোর্ডিং পাস
ছবি: গ্রোক

বিমানবন্দরে বারবার পাসপোর্ট ও বোর্ডিং পাস দেখানোর দিন হয়তো শিগগিরই শেষ হতে চলেছে। ভ্রমণকে আরও দ্রুত, সহজ ও নির্বিঘ্ন করতে বিমানসংস্থা এবং বিমানবন্দরগুলো ক্রমেই ফেসিয়াল রিকগনিশন বা মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ প্রযুক্তি শুরু করেছে।

দ্য মেট্রোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের ক্রমবর্ধমান সংখ্যক বিমানবন্দরে যাত্রীরা এখন চেকইন, ব্যাগ ড্রপ, নিরাপত্তা তল্লাশি ও বোর্ডিংসহ বিভিন্ন ধাপে পরিচয় যাচাইয়ের জন্য নিজেদের মুখ ব্যবহার করতে পারছেন।

এই ব্যবস্থা চালু করা সবশেষ বিমানবন্দরগুলোর একটি হলো কাতারের দোহায় হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। 

কাতার এয়ারওয়েজের যোগ্য যাত্রীরা বিমানবন্দরের ঐচ্ছিক ‘ফাস্ট পাস’ সেবার জন্য নিবন্ধন করতে পারেন। এর মাধ্যমে বারবার ভ্রমণ নথি দেখানোর বদলে মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্দিষ্ট বায়োমেট্রিক চেকপয়েন্ট অতিক্রম করা যায়।

প্রযুক্তিটি যাত্রীর মুখের লাইভ স্ক্যানকে আগে থেকে নিরাপদে নিবন্ধিত ভ্রমণ তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে। পরিচয় যাচাই হয়ে গেলে যাত্রীরা ন্যূনতম কাগজপত্র যাচাইয়ের মাধ্যমে বিমানবন্দরের নির্ধারিত প্রবেশপথগুলো পার হতে পারেন।

অর্থাৎ, বায়োমেট্রিক ভ্রমণব্যবস্থা চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রে যাত্রীর মুখই হয়ে উঠছে তার বোর্ডিং পাস।

বাড়ছে ব্যবহার

এ উদ্যোগ উড়োজাহাজ শিল্পে ডিজিটাল পরিচয় ব্যবস্থার দিকে বৃহত্তর পরিবর্তনের অংশ। এর লক্ষ্য হলো- অপেক্ষার সারি কমানো, সময় বাঁচানো এবং যাত্রীদের অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করা।

পাশের দেশ ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশে ইতোমধ্যে অনুরূপ বায়োমেট্রিক ভ্রমণ কর্মসূচি চালু হয়েছে বা পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। 

ভারতের ‘ডিজিযাত্রা’ উদ্যোগের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রীরা বারবার বোর্ডিং পাস স্ক্যান করার পরিবর্তে মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারেন।

বিদ্যমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রেখেই কাগজবিহীন ও স্পর্শহীন বিমানবন্দর অভিজ্ঞতা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এ ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে।

গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগ

এই প্রযুক্তি দ্রুততর যাত্রার সুযোগ তৈরি করলেও গোপনীয়তা ও তথ্য সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, বায়োমেট্রিক তথ্য এনক্রিপ্টেড অবস্থায় সংরক্ষণ করা হয় এবং তা কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার আওতায় থাকে।

কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, বেশিরভাগ বায়োমেট্রিক ভ্রমণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ স্বেচ্ছামূলক। ফলে যাত্রীরা চাইলে প্রচলিত পদ্ধতিতেই পাসপোর্ট ও বোর্ডিং পাস ব্যবহার করতে পারবেন।

যাত্রীরা দ্রুত ফেসিয়াল স্ক্যানের মাধ্যমেই চেকইন থেকে বোর্ডিং পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করতে পারলে বিমানবন্দরে সময় কম লাগবে এবং বারবার পাসপোর্ট ও বোর্ডিং পাস দেখানোর প্রয়োজনও অনেকটাই কমে যাবে। সূত্র: এনডিটিভি

টাটকার চেয়ে বাসি খেলে লাভ এই ৩ খাবার

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০২:২৭ পিএম
টাটকার চেয়ে বাসি খেলে লাভ এই ৩ খাবার
ছবি: সংগৃহীত

গরম গরম খাবার খেতে ভালোবাসেন প্রায় সবাই। অনেকের কাছে বাসি খাবারের নাম শুনলেই অরুচি তৈরি হয়। কিন্তু পুষ্টিবিদদের মতে, কিছু খাবার রান্নার পর ঠান্ডা করে ফ্রিজে রেখে পরে খেলে তাতে বাড়তে পারে উপকারী এক ধরনের কার্বোহাইড্রেট- ‘রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ’।

সব কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা শরীরে একইভাবে কাজ করে না। রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ এমন এক ধরনের শর্করা, যা সহজে হজম হয় না। এটি অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে পারে, হজমক্ষমতা ভালো রাখতে ভূমিকা রাখতে পারে এবং খাবারের পর রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা কিছুটা কমাতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু স্টার্চজাতীয় খাবার রান্নার পর ঠান্ডা হলে তাদের গঠন পরিবর্তিত হয়। ফলে রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চের পরিমাণ বাড়তে পারে। জেনে নিন এমন তিনটি খাবারের কথা।

ঠান্ডা আলু

আলুর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স তুলনামূলক বেশি হওয়ায় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত অনেকেই এটি এড়িয়ে চলেন। তবে সেদ্ধ আলু ঠান্ডা করে ফ্রিজে রেখে পরদিন খেলে বা তরকারিতে ব্যবহার করলে এতে রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চের পরিমাণ বাড়তে পারে। এতে আলুর গ্লাইসেমিক প্রভাব কিছুটা কম হতে পারে।

তবে ডায়াবেটিস থাকলে আলু খাওয়ার পরিমাণ ও ধরন নিয়ে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

ফ্রিজে রাখা পাস্তা

পাস্তা খুব স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে পরিচিত নয়। তবু মাঝেমধ্যে খেতে চাইলে রান্না করা পাস্তা ঠান্ডা করে ফ্রিজে রেখে পরে খাওয়া যেতে পারে। গমের তৈরি পাস্তা রান্নার পর ঠান্ডা হলে তাতে রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চের পরিমাণ বাড়তে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে।

এর ফলে খাবারটি তুলনামূলক ধীরে হজম হতে পারে এবং রক্তে শর্করার ওঠানামা নিয়ন্ত্রণে কিছুটা সহায়তা করতে পারে।

বাসি ভাত

ভাত রান্নার পর ঠান্ডা করে ফ্রিজে রাখলে এবং পরে ভালোভাবে গরম করে খেলে তাতেও রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চের পরিমাণ বাড়তে পারে। এতে ভাতের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম হতে পারে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূতি থাকতে পারে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে পরিমিত পরিমাণে ঠান্ডা করা বা পুনরায় গরম করা ভাত উপকারী হতে পারে। তবে ভাতের সঙ্গে অতিরিক্ত তেল, ভাজাপোড়া বা উচ্চ ক্যালরির খাবার থাকলে সেই উপকার কমে যেতে পারে।

খাবার সংরক্ষণে সতর্কতা জরুরি

রান্না করা ভাত, আলু বা পাস্তা দীর্ঘ সময় ঘরের তাপমাত্রায় ফেলে রাখা ঠিক নয়। দ্রুত ঠান্ডা করে ঢাকনাযুক্ত পাত্রে ফ্রিজে রাখতে হবে। খাবারে দুর্গন্ধ, রং বা স্বাদের পরিবর্তন দেখা গেলে তা না খাওয়াই ভালো।

সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা ঠান্ডা ভাত, আলু ও পাস্তা স্বাদের পাশাপাশি পুষ্টিগুণেও কিছু বাড়তি সুবিধা দিতে পারে। তবে স্বাস্থ্যগত কোনো সমস্যা থাকলে খাদ্যতালিকায় পরিবর্তন আনার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

‘বিড়ালের অভিশাপে’ বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছে ব্রাজিল

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫২ পিএম
‘বিড়ালের অভিশাপে’ বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছে ব্রাজিল
ছবি: সংগৃহীত

২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিদায়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় আসে ‘বিড়ালের অভিশাপ’ তত্ত্ব। অনেক নেট ব্যবহারকারী দাবি করেন, একটি সংবাদ সম্মেলনে বিড়ালকে টেবিল থেকে ফেলে দেওয়ার ঘটনার পর থেকেই ব্রাজিলের কপালে দুর্ভাগ্য।

পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল কাতার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার কাছে টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নেয়। সেই বিদায়ের পরই ২০২২ সালের ডিসেম্বরের নেই সংবাদ সম্মেলনের ভিডিও ও ছবি আবার ভাইরাল হয়।

ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে নিয়ে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনের সময় একটি বিড়াল টেবিলের উপর উঠে আসে। ব্রাজিল দলের প্রেস অফিসার বিড়ালটিকে আলতো করে সরিয়ে দেওয়ার বদলে ধরে টেবিল থেকে নিচে ফেলে দেন। ঘটনাটি তখন অনলাইনে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। অনেকেই বিড়ালটির সঙ্গে এমন আচরণকে অমানবিক বলে মন্তব্য করেন।

এর কিছুদিন পরই বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট ব্রাজিল কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেয়। এরপর থেকেই ফুটবলপ্রেমীদের একাংশ মজা করে দলটির হারের সঙ্গে ওই ঘটনার যোগসূত্র টানতে শুরু করেন। 

তাদের ভাষ্য, বিড়ালটির সঙ্গে দুর্ব্যবহারের কারণেই ব্রাজিলের ওপর ‘অভিশাপ’ নেমে এসেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুরোনো সেই ছবি ও ভিডিও শেয়ার করে অনেকে লিখেছেন, ব্রাজিলকে ওই বিড়ালটিকে আবার খুঁজে বের করে একই টেবিলে বসাতে হবে, তবেই নাকি ‘অভিশাপ’ কাটবে।

একজন নেট ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘এই বিড়ালটি আমার দেখা সবচেয়ে বড় অভিশাপ।’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘বিড়ালেরা দেবতার মতো। তাদের সঙ্গে এমন অসম্মানজনক আচরণের ফল ভোগ করতেই হবে।’

যদিও ‘বিড়ালের অভিশাপ’ তত্ত্বটি মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের রসিকতা ও কৌতুকভিত্তিক আলোচনা, তবু ব্রাজিলের বিশ্বকাপ বিদায়ের পর এটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। সূত্র: সান

অমিয়/

যেসব দেশে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধা পাচ্ছেন পর্যটকরা

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৬ পিএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
যেসব দেশে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধা পাচ্ছেন পর্যটকরা
ছবি: সংগৃহীত

বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন, অন্য দেশে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে হলে সেখানকার বাসিন্দা হতে হবে। তবে এটি সবসময় সত্যি নয়। যদিও অনেক দেশ শুধু স্থানীয় বাসিন্দাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দেয়। তবে আরও কয়েকটি দেশ নির্দিষ্ট শর্তে পর্যটকদেরও এ সুযোগ দিয়ে থাকে।

পর্যটক হিসেবে এ প্রক্রিয়াটি সব সময় দ্রুত হয় না। সাধারণত পাসপোর্ট, বাড়ির ঠিকানার প্রমাণ এবং কর সংক্রান্ত তথ্যের মতো নথি সরবরাহ করতে হয়। কখনো কখনো কেন অ্যাকাউন্টটি প্রয়োজন, তার ব্যাখ্যাও দিতে হতে পারে। তবে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, বিদেশে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা অনেক ভ্রমণকারীর কল্পনার চেয়ে অনেক সহজ হতে পারে।

ভ্রমণকারীরা কেন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলেন?

নিয়মিত ভ্রমণকারীরা প্রতিবার কেনাকাটার সময় মোটা অঙ্কের আন্তর্জাতিক কার্ড ফি দিয়ে থাকেন। তারা এ অতিরিক্ত ফি এড়াতে অ্যাকাউন্ট করে থাকেন। বিদেশে অবকাশ যাপনের জন্য কিছু ভ্রমণকারীর নিজস্ব বাড়ি থাকে, এ ছাড়াও ডিজিটাল নোম্যাড, অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা যারা নিয়মিত বিভিন্ন দেশের মধ্যে যাতায়াত করেন, তারা অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। 

কারণ, স্থানীয় ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট থাকলে নগদ টাকা তোলা, অর্থ স্থানান্তর করা এবং স্থানীয়দের মতো অর্থ পরিশোধ করাও অনেক সহজ হয়ে যায়।

সুইজারল্যান্ড, জর্জিয়া, পর্তুগাল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো জনপ্রিয় গন্তব্যগুলো নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে বিদেশিদের জন্য ব্যাংকিং সুবিধা দিয়ে থাকে।

সুইজারল্যান্ড

যখন মানুষ আন্তর্জাতিক ব্যাংকিংয়ের কথা ভাবে, তখন সাধারণত সবার আগে সুইজারল্যান্ডের কথাই মনে আসে। দেশটি তার স্থিতিশীল আর্থিক ব্যবস্থা এবং বিশ্বমানের ব্যাংকগুলোর জন্য বরাবরই পরিচিত। যদিও সুইস ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা আগের মতো সহজ নয়, তবুও অনেক ব্যাংক এখনও বিদেশি দর্শনার্থীসহ অনাবাসীদের অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দেয়। 

সুইস ব্যাংকগুলো বিস্তারিত পরিচয় এবং আর্থিক তথ্য যাচাই করে থাকে। কিছু ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য বেশ বড় অঙ্কের আমানতও চেয়ে থাকে এবং যারা সুইজারল্যান্ডে বাস করেন না, তাদের কাছ থেকে উচ্চ ফি নিয়ে থাকে।

জর্জিয়া

যদি এমন কোনো দেশ থাকে- যা ডিজিটাল নোম্যাড এবং দীর্ঘমেয়াদী ভ্রমণকারীদের মধ্যে বিখ্যাত হয়ে উঠেছে, সেটি হলো জর্জিয়া। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটি বিদেশিদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে তুলনামূলক সহজ করার জন্য খ্যাতি অর্জন করেছে। 

জর্জিয়ার বেশ কয়েকটি ব্যাংক অনাবাসীদের অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দেয় এবং অনেক ক্ষেত্রে, একটি বৈধ পাসপোর্টই প্রধান প্রয়োজনীয় নথি। আপনার জাতীয়তা এবং পছন্দের ব্যাংকের উপর নির্ভর করে, আপনার কাছে কয়েকটি অতিরিক্ত নথি চাওয়া হতে পারে বা একটি সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকার দিতে হতে পারে।

পর্তুগাল

পর্যটক, অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং দ্বিতীয় বাড়ির মালিকদের (সেকেন্ড হোম) জন্য ইউরোপের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য পর্তুগাল। তাই অনেকেই স্বাভাবিকভাবে একটি স্থানীয় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সিদ্ধান্ত নেন। দেশটি অনাবাসীদের অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দেয়, তবে অন্যান্য কিছু জায়গার তুলনায় আরও বেশি কাগজপত্র প্রয়োজন হবে।

পাসপোর্টের পাশাপাশি, ব্যাংকগুলো সাধারণত একটি পর্তুগিজ ট্যাক্স নম্বর, বাড়ির ঠিকানার প্রমাণ এবং আয় বা কর্মসংস্থান দেখানোর নথি চেয়ে থাকে। কেউ যদি নিয়মিত পর্তুগালে যান, তাহলে একটি অ্যাকাউন্ট খোলা তার সময় এবং অর্থ উভয়ই বাঁচাতে পারে।

সিঙ্গাপুর

বিশ্বজুড়ে অন্যতম নিরাপদ এবং শক্তিশালী অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত সিঙ্গাপুর। এখানকার কিছু ব্যাংক অনাবাসীদেরও অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দেয়। ব্যাংকের উপর নির্ভর করে প্রয়োজনীয়তা ভিন্ন হয়। বেশিরভাগ ব্যাংকই পাসপোর্ট, অতিরিক্ত পরিচয়পত্র এবং কেনো অ্যাকাউন্টটি খুলতে চান সে সম্পর্কিত তথ্য চাইবে। 

আবার কিছু ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ন্যূনতম আমানত চাইতে পারে অথবা আপনার আবেদন অনুমোদনের আগে আপনাকে কোনো শাখায় যেতে বলতে পারে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত

প্রতি বছর লাখ লাখ পর্যটক সংযুক্ত আরব আমিরাতে আসেন এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ স্থানীয় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সিদ্ধান্ত নেন। বিশেষ করে যদি তারা ব্যবসার জন্য প্রায়ই সেখানে ভ্রমণ করেন বা তাদের সম্পত্তি থাকে। 

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বেশ কয়েকটি ব্যাংক অনাবাসীদের সঞ্চয়ী অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দেয়। এর জন্য পাসপোর্ট, একটি বৈধ ট্যুরিস্ট ভিসা বা প্রবেশের স্ট্যাম্প এবং সহায়ক আর্থিক নথিপত্রের প্রয়োজন হয়। 

আবাসিক অ্যাকাউন্টের তুলনায় অনাবাসিক অ্যাকাউন্টগুলিতে প্রায়শই কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে, তবে এগুলো আপনাকে স্থানীয়ভাবে অর্থ রাখতে এবং অনেক দৈনন্দিন ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করার সুযোগ দেয়।

পানামা

লাতিন আমেরিকার অন্যতম প্রধান আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে একটি শক্তিশালী খ্যাতি অর্জন করেছে পানামা। এ কারণে বেশ কয়েকটি ব্যাংক বিদেশি দর্শনার্থীসহ অনাবাসীদের জন্য অ্যাকাউন্টের সুযোগ দেয়। 

তবে এখানে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়। ব্যাংকগুলো পাসপোর্ট, আয়ের প্রমাণ, ব্যাংকিং রেফারেন্স লেটার, পেশাগত রেফারেন্স এবং অর্থের উৎস ব্যাখ্যা করে এমন নথিপত্র চেয়ে থাকে। ব্যাংকগুলো কঠোর আন্তর্জাতিক আর্থিক নিয়মকানুন অনুসরণ করে তাই এই যাচাই প্রক্রিয়াটি বিস্তারিত হয়।

কোনো দেশ পর্যটকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দিলেই যে সব ব্যাংক আপনার আবেদন গ্রহণ করতে বাধ্য, এমনটা নয়। প্রতিটি ব্যাংক তার নিজস্ব নিয়মকানুন তৈরি করে, এবং সেই নিয়মগুলো যেকোনো সময় পরিবর্তিত হতে পারে। ভ্রমণের আগে, আপনি যে ব্যাংকে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে সর্বশেষ নিয়মকানুনগুলো জেনে নিন।

[ডিজিটাল নোম্যাড: ডিজিটাল নোম্যাড হলেন সেই পেশাজীবী, যারা ল্যাপটপ এবং নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট ব্যবহার করে মুক্তভাবে ভ্রমণ করার পাশাপাশি অনলাইনে কাজ করেন। তারা কোনো নির্দিষ্ট অফিসে বা স্থায়ী ঠিকানায় আবদ্ধ না থেকে বিভিন্ন দেশ, হোটেল বা কো-ওয়ার্কিং স্পেস থেকে জীবিকা নির্বাহ করেন।]

থিওটোনিয়াস/অমিয়/

১০ মিনিটে ৬৬টি হটডগ খেয়ে জিতলেন সাড়ে ৯ লাখ টাকা

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৩০ পিএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৪০ পিএম
১০ মিনিটে ৬৬টি হটডগ খেয়ে জিতলেন সাড়ে ৯ লাখ টাকা
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ৪ জুলাই অনুষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী নাথানস ফেমাস হটডগ খাওয়ার প্রতিযোগিতা ২০২৬-এ আবারও চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন প্রতিযোগিতামূলক খাদক জোয়ি চেস্টনাট। মাত্র ১০ মিনিটে ৬৬টি হটডগ খেয়ে তিনি পুরুষ বিভাগে ১৮তমবারের মতো শিরোপা জিতেছেন।

এই জয়ের মাধ্যমে চেস্টনাট ‘মাস্টার্ড ইয়েলো বেল্ট’ এবং ১০ হাজার মার্কিন ডলার পুরস্কার অর্জন করেন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১০ লাখ ২৫ হাজার টাকা প্রায়। প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অধিকারী প্যাট্রিক বার্তোলেত্তি ৫১টি হটডগ খেয়ে শেষ করেন।

প্রতিযোগিতা শেষে চেস্টনাট বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবসে এখানে খাওয়ার অভিজ্ঞতা স্বপ্নের মতো। দর্শকদের উচ্ছ্বাস অসাধারণ।’ তবে প্রায় ৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রার কারণে এবার নিজের সেরা পারফরম্যান্স করতে পারেননি বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে ১০ মিনিটে ৭৬টি হটডগ খেয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন চেস্টনাট।

অন্যদিকে, নারী বিভাগে মিকি সুদো ৩৮ দশমিক ৭৫টি হটডগ খেয়ে টানা ১২তমবারের মতো শিরোপা জিতেছেন। তবে তিনি নিজের গড়া ২০২১ সালের ৫১টি হটডগ খাওয়ার রেকর্ড ভাঙতে পারেননি।

নিউইয়র্কের কনি আইল্যান্ডে অবস্থিত নাথানস ফেমাস রেস্তোরাঁর সামনে ১৯৭২ সাল থেকে প্রতিবছর এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। বর্তমানে এটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম জনপ্রিয় স্বাধীনতা দিবসের আয়োজন হিসেবে পরিচিত। সূত্র: এনডিটিভি

হীরা/অমিয়/