ঢাকা ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন সাপেক্ষে উদ্বোধন করা হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সবচেয়ে প্রিয় বাগানটাই দান কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সামনে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ বোয়ালমারীতে শিশু বলাৎকারের মামলায় কিশোর গ্রেপ্তার র‍্যাগিং ও ব্যাচকল ঠেকাতে এবার কঠোর জাককানইবি প্রশাসন কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার রামপুরায় নড়াই নদীর নামফলক উধাও, থানায় জিডি সেমিফাইনালের আগে ফের আলোচনায় স্কালোনি-বেকহ্যামের পুরোনো দ্বন্দ্ব এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ: ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন, ৪ জন খালাস ইংল্যান্ড দলে কোনো বিভক্তি নেই: কেইন ঈশ্বরগঞ্জে ফায়ার সার্ভিস অফিসারের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ঔপনিবেশিক যুগ ও বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম অধ্যায়ের ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় প্রোডাক্ট ম্যানেজার ও প্রজেক্ট ম্যানেজারের কাজের মধ্যে পার্থক্য আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনালের টিকিট ফ্রান্স-স্পেন ম্যাচের দ্বিগুণেরও বেশি ফরিদপুরে ৫ দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের সমাবেশ ও বিক্ষোভ ডকুমেন্টারি ফিল্ম ‘কাগজের মানুষ’ সাংবাদিকতার ইতিহাসের দলিল হয়ে থাকবে: ডা. জাহেদ মৌলভীবাজারে বন্যায় আটকা ১১ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, মেলেনি সহায়তা পানি কমলেও কমেনি কষ্ট, চকরিয়া-মাতামুহুরীতে তীব্র খাদ্য ও পানির সংকট রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের বাস চলাচল বন্ধ জিতলে সোনার চেইন দুর্নীতির শিকারে শীর্ষে ময়মনসিংহ, ঘুষে খুলনা: টিআইবি মেসিকে নয়, নিজেদের শান্ত রাখাই লক্ষ্য ইংল্যান্ডের: জর্ডান পিকফোর্ড আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে ইংল্যান্ড শিবিরে স্বস্তি পানি কমতেই ভেসে উঠছে ক্ষতচিহ্ন বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই শেখ হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সুন্দরবনের ডাকাত ছোট জাহাঙ্গীরসহ ২৭ জনের আত্মসমর্পণ বেরোবিতে র‍্যাগিং ঠেকাতে নেই কার্যকর পদক্ষেপ ‘ফেভারিট শেফ’-এর কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশি মাদিহা বেসরকারি সংস্থায় বড় নিয়োগ, পদ ১১০৪ এখনো কোটায় ভর্তি আবু সাঈদের বিশ্ববিদ্যালয়ে

সবজির কেজি ১২০০, উপকারিতা কী?

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:২১ পিএম
সবজির কেজি ১২০০, উপকারিতা কী?
কাটরুয়া।

সাধারণত পুষ্টির খোঁজে মানুষ খাসি বা মুরগির মাংসের ওপর ভরসা রাখেন। কিন্তু উত্তরপ্রদেশের লখিমপুর খেরি জেলার তরাই অঞ্চলের জঙ্গলে মেলা একটি বিশেষ সবজির কাছে দাম ও পুষ্টি-উভয় দিক থেকেই হার মানবে যে কোনো নন-ভেজ পদ!

স্থানীয় মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় এই সবজিটির নাম ‘কাটরুয়া’। বর্তমানে বাজারে এর প্রতি কেজির দাম ঠেকেছে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকায়। অতি বিরল এবং পুষ্টিগুণে ঠাসা হওয়ায় ভোজনরসিকদের কাছে এটি ‘নিরামিষভোজীদের মাংস’ নামেও পরিচিত।

মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা স্বাদের জাদুকর

কাটরুয়া কোনো সাধারণ চাষের সবজি নয়, এটি মূলত বর্ষাকালে শাল ও সেগুন গাছের শিকড়ের নিচে প্রাকৃতিকভাবে জন্মায়। লোকচক্ষুর অন্তরালে মাটির নিচে বেড়ে ওঠা এই সবজিটি সংগ্রহ করতে স্থানীয় মানুষ জঙ্গলে পাড়ি জমান এবং মাটি খুঁড়ে তা বের করে আনে। বর্ষার এই বিশেষ উপহারের স্বাদ নিতে ভোজনরসিকরা সারা বছর অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। তবে মাটির নিচে জন্মানোর কারণে রান্নার আগে এটিকে খুব ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নেওয়া জরুরি।

এই ভেষজ সবজিটির পুষ্টিগুণের ভক্ত কেবল মানুষই নয়, জঙ্গলের প্রাণীরাও এর খোঁজে থাকে। বিশেষজ্ঞরা জানান, দুধওয়া জঙ্গলে বসবাসকারী বিভিন্ন প্রজাতির হরিণদের অত্যন্ত প্রিয় খাদ্য এটি। বর্ষার মরসুমে জঙ্গলজুড়ে হরিণদের প্রায়ই মাটি খুঁড়ে পরম তৃপ্তিতে কাটরুয়া খেতে দেখা যায়।

স্বাস্থ্যের এক অনন্য ভাণ্ডার

চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদদের মতে, কাটরুয়া ভিটামিন, খনিজ এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। এটি নিয়মিত ও পরিমিতভাবে খেলে শারীরিক দুর্বলতা, ক্লান্তি এবং অলসতা দূর হয় এবং শরীরের কর্মক্ষমতা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই সবজিটি দারুণ কার্যকর, যার ফলে এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত পথ্য। কাটরুয়ায় থাকা বিশেষ পুষ্টি উপাদান হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

আজহার/

সবজির কেজি ১২০০, উপকারিতা কী?

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:২১ পিএম
সবজির কেজি ১২০০, উপকারিতা কী?
কাটরুয়া।

সাধারণত পুষ্টির খোঁজে মানুষ খাসি বা মুরগির মাংসের ওপর ভরসা রাখেন। কিন্তু উত্তরপ্রদেশের লখিমপুর খেরি জেলার তরাই অঞ্চলের জঙ্গলে মেলা একটি বিশেষ সবজির কাছে দাম ও পুষ্টি-উভয় দিক থেকেই হার মানবে যে কোনো নন-ভেজ পদ!

স্থানীয় মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় এই সবজিটির নাম ‘কাটরুয়া’। বর্তমানে বাজারে এর প্রতি কেজির দাম ঠেকেছে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকায়। অতি বিরল এবং পুষ্টিগুণে ঠাসা হওয়ায় ভোজনরসিকদের কাছে এটি ‘নিরামিষভোজীদের মাংস’ নামেও পরিচিত।

মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা স্বাদের জাদুকর

কাটরুয়া কোনো সাধারণ চাষের সবজি নয়, এটি মূলত বর্ষাকালে শাল ও সেগুন গাছের শিকড়ের নিচে প্রাকৃতিকভাবে জন্মায়। লোকচক্ষুর অন্তরালে মাটির নিচে বেড়ে ওঠা এই সবজিটি সংগ্রহ করতে স্থানীয় মানুষ জঙ্গলে পাড়ি জমান এবং মাটি খুঁড়ে তা বের করে আনে। বর্ষার এই বিশেষ উপহারের স্বাদ নিতে ভোজনরসিকরা সারা বছর অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। তবে মাটির নিচে জন্মানোর কারণে রান্নার আগে এটিকে খুব ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নেওয়া জরুরি।

এই ভেষজ সবজিটির পুষ্টিগুণের ভক্ত কেবল মানুষই নয়, জঙ্গলের প্রাণীরাও এর খোঁজে থাকে। বিশেষজ্ঞরা জানান, দুধওয়া জঙ্গলে বসবাসকারী বিভিন্ন প্রজাতির হরিণদের অত্যন্ত প্রিয় খাদ্য এটি। বর্ষার মরসুমে জঙ্গলজুড়ে হরিণদের প্রায়ই মাটি খুঁড়ে পরম তৃপ্তিতে কাটরুয়া খেতে দেখা যায়।

স্বাস্থ্যের এক অনন্য ভাণ্ডার

চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদদের মতে, কাটরুয়া ভিটামিন, খনিজ এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। এটি নিয়মিত ও পরিমিতভাবে খেলে শারীরিক দুর্বলতা, ক্লান্তি এবং অলসতা দূর হয় এবং শরীরের কর্মক্ষমতা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই সবজিটি দারুণ কার্যকর, যার ফলে এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত পথ্য। কাটরুয়ায় থাকা বিশেষ পুষ্টি উপাদান হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

আজহার/

গুগলে ‘সেভেন আপ খাওয়া দল’ লিখলেই আসছে ব্রাজিলের নাম

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১১:২৪ এএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১১:২৬ এএম
গুগলে ‘সেভেন আপ খাওয়া দল’ লিখলেই আসছে ব্রাজিলের নাম
ছবি: এআই

ফুটবল বিশ্বের পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। তবে যতটা না শিরোপার জন্য, তার চেয়েও বেশি এক বিব্রতকর রেকর্ডের কারণে আজও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসে দলটি।

গুগলে বাংলা ভাষায় ‘সেভেন আপ খাওয়া দল’ লিখে সার্চ করলেই ফলাফলে ভেসে ওঠে ব্রাজিলের নাম। 

অনেক ব্যবহারকারী বিষয়টি দেখে বিস্মিত হলেও এর পেছনে রয়েছে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় ও বেদনাদায়ক একটি ম্যাচ।

২০১৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্বাগতিক ব্রাজিল নিজেদের মাঠে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে হেরে যায়। বিশ্বকাপের ইতিহাসে ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় পরাজয়গুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয় এই ম্যাচ। সেই ঘটনার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্রাজিলকে নিয়ে অসংখ্য মিম, ট্রল ও ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে।

বাংলাদেশসহ উপমহাদেশে সফট ড্রিংক ‘সেভেন আপ’-এর নামের সঙ্গে সেই ৭ গোলের মিল টেনে ব্রাজিলকে ‘সেভেন আপ খাওয়া দল’ বলে ঠাট্টা করার প্রবণতা তৈরি হয়। 

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই বাক্যটি এতটাই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে, গুগলের সার্চ অ্যালগরিদমও বিভিন্ন ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট এবং অনলাইন কনটেন্টের ভিত্তিতে ব্রাজিলের সঙ্গে এই শব্দগুচ্ছের সম্পর্ক তৈরি করেছে।

তবে এটি গুগলের আনুষ্ঠানিক কোনো পরিচয় নয়। বরং ইন্টারনেটে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহারকারীদের তৈরি বিপুল পরিমাণ কনটেন্ট ও আলোচনার কারণে সার্চ ফলাফলে এমন সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সফল দল হওয়া সত্ত্বেও ২০১৪ সালের সেই ৭-১ গোলের হার এখনো ব্রাজিলকে তাড়া করে বেড়ায়। এক দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ফুটবল ভক্তদের রসিকতা এবং অনলাইন সংস্কৃতিতে ‘সেভেন আপ খাওয়া দল’ কথাটি ব্রাজিলের সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে।

তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিল সেই পুরোনো দুঃস্বপ্ন ভুলে নতুন করে নিজেদের প্রমাণের চেষ্টা করেছিল। গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে নকআউটে উঠে তারা শেষ ষোলোতে জাপানকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে। কিন্তু শেষ আটে নরওয়ের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে শিরোপার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। ফলে পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হয়।

তবুও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘সেভেন আপ খাওয়া দল’ প্রসঙ্গটি আবারও আলোচনায় এসেছে। আর্জেন্টিনা ও অন্য দলের অনেক সমর্থক গুগলে ওই শব্দগুচ্ছ লিখে ব্রাজিলের নাম দেখিয়ে বিভিন্ন পোস্ট ও মিম শেয়ার করছেন।

ম্যাচ বিরতিতে বারবার কুলকুচি কেন করেন ফুটবলাররা?

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৫ পিএম
ম্যাচ বিরতিতে বারবার কুলকুচি কেন করেন ফুটবলাররা?
ছবি: সংগৃহীত

ম্যাচ চলাকালীন বিরতি পেলেই ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, লিওনেল মেসি, হ্যারি কেন কিংবা কিলিয়ান এমবাপের মতো তারকা ফুটবলারদের মুখে পানি বা বিশেষ পানীয় নিয়ে কুলকুচি করে তা ফেলে দিতে দেখা যায়। অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে- তারা কেন এমন করেন?

২০২২ ফিফা বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেনকে একাধিকবার এভাবে কুলকুচি করতে দেখা গিয়েছিল। এরপর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। চলতি বিশ্বকাপে টুর্নামেন্টগুলোতেও এমবাপে, রোনালদোসহ অনেক ফুটবলারকে একই অভ্যাস অনুসরণ করতে দেখা গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পেছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিকভাবে ব্যাখ্যা করা কয়েকটি কারণ-

ঘন লালা দূর করতে

ম্যাচ চলাকালে তীব্র শারীরিক পরিশ্রমের কারণে খেলোয়াড়দের শরীরে ‘MUC5B’ নামের একটি শ্লেষ্মাজাতীয় উপাদানের পরিমাণ বেড়ে যায়। এর ফলে মুখের লালা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি ঘন ও আঠালো হয়ে যায়, যা গিলে ফেলতে অস্বস্তিকর হতে পারে। তাই অনেক ফুটবলার মুখে পানি নিয়ে কুলকুচি করে সেই ঘন লালা বাইরে ফেলে দেন।

মুখের শুষ্কতা কমাতে

দীর্ঘ সময় দৌড়ানোর সময় খেলোয়াড়রা প্রায়ই মুখ দিয়ে শ্বাস নেন। এতে মুখের ভেতরের আর্দ্রতা দ্রুত কমে যায়। একই সঙ্গে অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীরেও পানিশূন্যতা তৈরি হয়। ফলে মুখ শুকিয়ে যায় এবং গিলতে অসুবিধা হয়। পানি দিয়ে কুলকুচি করলে সাময়িকভাবে মুখের শুষ্কতা ও অস্বস্তি কমে।

‘কার্ব রিনসিং’-এর মাধ্যমে মস্তিষ্ককে সক্রিয় করতে

অনেক সময় ফুটবলাররা সাধারণ পানি নয়, বরং কার্বোহাইড্রেটসমৃদ্ধ বিশেষ স্পোর্টস ড্রিঙ্ক মুখে নিয়ে কয়েক সেকেন্ড কুলকুচি করে তা ফেলে দেন। এই পদ্ধতিকে বলা হয় ‘কার্ব রিনসিং’।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কার্বোহাইড্রেটযুক্ত তরল মুখে কিছুক্ষণ রাখলে মুখের রিসেপ্টরগুলো মস্তিষ্কে সংকেত পাঠায় যে শরীরে শক্তির জোগান আসছে। এর প্রতিক্রিয়ায় মস্তিষ্ক পেশিগুলোকে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার নির্দেশ দেয়। ফলে ক্লান্তি কিছুটা কম অনুভূত হয়, মনোযোগ বাড়ে এবং খেলোয়াড়রা সতেজ বোধ করেন।

পানীয়টি গিলে ফেলেন না কেন?

অনেকে ভাবতে পারেন, যদি এটি উপকারী হয়, তাহলে ফুটবলাররা পানীয়টি গিলে ফেলেন না কেন? এর কারণ হলো, ম্যাচ চলাকালে অতিরিক্ত তরল পান করলে পেট ভারী লাগা, অস্বস্তি বা পেট ফাঁপার মতো সমস্যা হতে পারে। তাই তারা পানীয়টি শুধু মুখে কিছুক্ষণ রেখে কুলকুচি করে ফেলে দেন। এতে কার্ব রিনসিংয়ের সুফল পাওয়া যায়, আবার অতিরিক্ত তরল পান করার ঝুঁকিও এড়ানো সম্ভব।

গবেষণায় দেখা গেছে, কার্ব রিনসিং সাময়িকভাবে ক্লান্তি কমাতে, মনোযোগ বাড়াতে এবং উচ্চমাত্রার শারীরিক পারফরম্যান্স ধরে রাখতে সহায়ক হতে পারে। তবে এটি শরীরে প্রকৃত শক্তি সরবরাহ করে না; বরং মস্তিষ্কের প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে কর্মক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। সূত্র: আনন্দবাজার

অমিয়/

ফুসফুস ক্যানসারের ওষুধের ট্রায়ালে বড় সাফল্য

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৭ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৭ পিএম
ফুসফুস ক্যানসারের ওষুধের ট্রায়ালে বড় সাফল্য
ছবি: সংগৃহীত

ফুসফুস ক্যানসার নিরাময়ে সুইজারল্যান্ডের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান রোশ-এর তৈরি একটি পরীক্ষামূলক ওষুধ দারুণ সাফল্য দেখিয়েছে। তিন ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পর ‘ডিভারাসিব’ নামের এই ওষুধটি ‘নন স্মল সেল লাং ক্যানসার’ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ক্যানসারের নির্দিষ্ট জিনগত মিউটেশন রয়েছে এমন রোগীদের ক্ষেত্রে ডিভারাসিব বাজারে থাকা প্রচলিত দুটি ওষুধ ‘সোটোরাসিব’ ও ‘অ্যাডাগ্রাসিব’-এর চেয়েও অনেক বেশি কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।

‘ক্র্যাস্যান্ডো ১’ নামক এই গবেষণার প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, এই ওষুধে চিকিৎসা নেওয়া রোগীরা ক্যানসার আরও ছড়িয়ে পড়া ছাড়াই দীর্ঘ সময় বেঁচে ছিলেন। এছাড়া রোগীদের সামগ্রিক বেঁচে থাকার হার বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ফলাফল মিলেছে।

রোশ জানায়, ট্রায়াল চলাকালীন ওষুধটির কোনো নতুন বা মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। যেসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছিল, তা সহজেই নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাময়যোগ্য। ক্যানসারের চিকিৎসায় এই ওষুধটিকে নতুন স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পরবর্তী চিকিৎসা সম্মেলনে এর বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।

বর্তমানে আরও দুটি ট্রায়ালে ওষুধটির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে দেখছে রোশ। সূত্র: আনাদোলু অ্যাজেন্সি

তামান্না রুপা/

চুল পড়া ৯২ শতাংশ কমিয়ে দেয় ‘লাইট থেরাপি’

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৪ এএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
চুল পড়া ৯২ শতাংশ কমিয়ে দেয় ‘লাইট থেরাপি’
নতুন এই চিকিৎসা পদ্ধতিটি সরাসরি মানুষের চুলের গোড়ায় থাকা ডার্মাল প্যাপিলারি কোষকে লক্ষ্য করে কাজ করে। ছবি: সংগৃহীত

চুল পড়া সমাধানে এক যুগান্তকারী প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার বিজ্ঞানীরা। দেশটির কোরিয়া অ্যাডভান্সড ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির গবেষকেরা একটি ফ্লেক্সিবল ‘লাইট থেরাপি টুপি’ উদ্ভাবন করছেন, যা ল্যাব পরীক্ষায় মানুষের চুলের কোষের বয়স বৃদ্ধির মূল লক্ষণ প্রায় ৯২ শতাংশ কমিয়ে দিতে সক্ষম।

গবেষকেরা জানান, এই নতুন চিকিৎসা পদ্ধতিটি সরাসরি চুলের গোড়ায় থাকা ‘ডার্মাল প্যাপিলারি কোষ’কে লক্ষ্য করে কাজ করে, যা নতুন চুল গজানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চুলের ফলিকলগুলোতে ‘বিটা-গ্যালাক্টোসিডেস’ নামক একটি এনজাইম উৎপাদন বাড়ে, যা চুল পড়ার জন্য দায়ী।

এই নতুন প্রযুক্তিতে ৭৩০ থেকে ৭৪০ ন্যানোমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ‘নিয়ার-ইনফ্রারেড অর্গানিক লাইট-এমিটিং ডায়োড’ সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। এই বিশেষ আলো চুলের কোষকে পুনরুজ্জীবিত করতে আদর্শ হিসেবে কাজ করে এবং ল্যাব টেস্টে এটি কোষের বয়স বৃদ্ধির লক্ষণ ৯২ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে এনেছে।

বাজারে বর্তমানে চুল পড়ার চিকিৎসায় যেসব লেজার বা এলইডি হেলমেট পাওয়া যায় সেগুলোর তুলনায় এই নতুন ওলেড প্রযুক্তি অনেক পাতলা এবং নমনীয়। ফলে এটি খুব সহজেই সাধারণ টুপির ভেতরে মাথার ত্বকের সঙ্গে মানিয়ে যায় এবং সমানভাবে আলো ছড়াতে পারে।

বর্তমানে চুল পড়ার চিকিৎসায় মিনোক্সিডিল বা ফিনাস্টারাইড জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা হলেও সেগুলোর কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে।

গবেষকদের মতে, এই পরিধানযোগ্য টুপিটি এখনো সরাসরি মানুষের ওপর পরীক্ষা করা হয়নি। তবে এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খুব দ্রুতই পরবর্তী ট্রায়াল শুরু করা হবে। সূত্র: এনডিটিভি

তামান্না রুপা/