নবীন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় র্যাগিং এর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় (জাককানইবি) প্রশাসন। বুলিং ও র্যাগিং প্রতিরোধে গঠন করা হয়েছে এন্টি বুলিং কমিটি।
কিছুদিন পরেই অনার্স ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা তাদের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করবে। আর এই নবীন শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া সিনিয়র শিক্ষার্থীরা ম্যানার শেখানোর নামে র্যাগিং এর মতো অসুস্থ সংস্কৃতিতে মেতে ওঠে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান খবরের কাগজকে জানান, তিনি র্যাগিং প্রতিরোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং এন্টি বুলিং কমিটি বিষয়ক একটি কপি খবরের কাগজের হাতে দেন।
ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল আলমকে আহ্বায়ক এবং প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমানকে সদস্য সচিব করে গঠন করা হয়েছে উক্ত কমিটি। কমিটিতে সদস্য হিসেবে আরও রয়েছেন বিদ্রোহী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম, দোলনচাঁপা হলে প্রভোস্ট উম্মে ফারহানা, শিউলিমালা হলের প্রভোস্ট হযোগী অধ্যাপক ড. হাবিবা সুলতানা, অগ্নিবীণা হলের সহকারী অধ্যাপক মো. হারুনুর রশিদ এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের সহকারী পরিচালক মোছা. আদিবা আক্তার।
এ বিষয়ে প্রক্টর বলেন, প্রতিবারের মতো এবারও আমরা র্যাগিং প্রতিরোধে শক্ত অবস্থান নিয়েছি। তবে এবার আমরা আরও বেশি কঠোর। নতুন পরিবেশে, নতুন ক্যাম্পাসে আগত নবীন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, এবার কোনো প্রকার র্যাগিং কিংবা র্যাগিং এর নামে ব্যাচকলের কোনো সুযোগ নেই। এন্টি বুলিং কমিটি সর্বপ্রকার র্যাগিং, ব্যাচকল এবং বুলিং প্রতিরোধে কাজ করবে। যদি এ ধরণের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়, যে কোথাও ব্যাচকলে বসেছে সেটা ডিপার্টমেন্টে হোক কিংবা ডিপার্টমেন্টের বাইরে বা যদি কোথাও র্যাগিং এর অভিযোগ আসে বা আমাদের কানেও যদি আসে, তাহলে এসবের সাথে যে বা যারাই জড়িত থাকুক না কেন আমরা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিব।
তাসনিম হক/আজহার/