ঢাকা ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
জনবল নেবে ব্যাংক এশিয়া, দ্রুত আবেদন করুন ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে  ৩৯১ সাংবাদিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী: আসক হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ইউনিট-২-এর যাত্রা শুরু ২৬ ক্রীড়া ফেডারেশনের নতুন কমিটির সুপারিশ ডব্লিউইউবি-তে বিজনেস আইডিয়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন নীল-সাদা জার্সির ভাঁজে সময় কুকুরের আতঙ্কে ইবির শিক্ষার্থীরা বহিষ্কারের মুখে আর্জেন্টিনা? ৭৮ লাখ স্বাক্ষর সংগ্রহ রাস্তা কেন ভাগাড় হবে উচ্চশিক্ষার বিতর্কে করণীয় কী বাংলাদেশকে ১৭১ রানের লক্ষ্য দিল জিম্বাবুয়ে বরিশালে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সড়ক অবরোধ পরীক্ষা না আন্দোলন: সপ্তম দিনে অনুপস্থিত ২০০৫২ পরীক্ষার্থী জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার নিয়ম উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করল ব্রিটিশ হাইকমিশনের মানবিক সহায়তা দল ‘ডায়াবেটিস রোগীদের চোখের সেবায় রেটিনোপ্যাথি স্ক্রিনিং সেবা চালু হচ্ছে’ ভারতীয় রুপির চাহিদা ও বাংলাদেশ-ভারত পারস্পরিক নির্ভরশীলতা একদিনে হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর প্রাণহানি ভূমিরূপ পরিবর্তন অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র চট্টগ্রামে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দ্বিতীয় দিনের বিক্ষোভ বজ্রপাতের বিশ্বকাপ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নয়, এবার ৬ দফা দাবি নিয়ে সচিবালয়ে শিক্ষার্থীরা গ্রাইন্ডারে কাটা হলো দরজা, প্রবাসীর বাড়িতে দুঃসাহসিক লুটপাট র‌্যাংগসএক্স ও ডিএইচএল এক্সপ্রেস বাংলাদেশে নিয়ে এল ১৮ ইলেকট্রিক কার্গো ভ্যান জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের আয়োজনে ঢাকা রিজেন্সির এক্সক্লুসিভ অফার রাকাবের মাধ্যমে ঋণমুক্ত ২ লাখ ৪০ হাজার কৃষক পরিবার পরশুরামে বিজিবির ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ জলাবদ্ধতায় কেন্দ্র পরিবর্তন, বিকল্প কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষা খাল খনন করে চট্টগ্রামবাসীকে বন্যামুক্ত করা হবে: ত্রাণমন্ত্রী

জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার নিয়ম

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম
জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার নিয়ম
জাতীয় পতাকা

পতাকাদণ্ডের কোথায় পতাকা রেখে পতাকা অর্ধনমিত করতে হবে, বিধিমালায় বিষয়টি আগে নির্ধারিত ছিল না। বিষয়টি সংশোধন করে ২০২৩ সালের ৯ আগস্ট প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয় সংগীত, পতাকা এবং প্রতীক অধ্যাদেশ, ১৯৭২ এর আর্টিকেল-৫ এ দেওয়া ক্ষমতাবলে সরকার পতাকা বিধিমালা সংশোধন করেছে।

সংশোধিত বিধিমালায় বলা হয়, পতাকা অর্ধনমিত রাখার ক্ষেত্রে প্রথমে জাতীয় পতাকা যথানিয়মে উত্তোলন করতে হবে। অর্ধনমিত রাখার ক্ষেত্রে পতাকা প্রথমে পতাকাদণ্ডের সর্বোচ্চ চূড়া পর্যন্ত উত্তোলন করতে হবে। এরপর পতাকা দণ্ডের এক-চতুর্থাংশের দৈর্ঘ্যের সমান নিচে নামিয়ে পতাকাটি স্থাপন করতে হবে।

নামানোর নিয়ম

ওই দিনই পতাকা নামানোর সময় ফের পতাকা দণ্ডের সর্বোচ্চ চূড়া পর্যন্ত উত্তোলন করা হবে। এরপর নামাতে হবে জাতীয় পতাকা।

অমিয়/

জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার নিয়ম

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম
জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার নিয়ম
জাতীয় পতাকা

পতাকাদণ্ডের কোথায় পতাকা রেখে পতাকা অর্ধনমিত করতে হবে, বিধিমালায় বিষয়টি আগে নির্ধারিত ছিল না। বিষয়টি সংশোধন করে ২০২৩ সালের ৯ আগস্ট প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয় সংগীত, পতাকা এবং প্রতীক অধ্যাদেশ, ১৯৭২ এর আর্টিকেল-৫ এ দেওয়া ক্ষমতাবলে সরকার পতাকা বিধিমালা সংশোধন করেছে।

সংশোধিত বিধিমালায় বলা হয়, পতাকা অর্ধনমিত রাখার ক্ষেত্রে প্রথমে জাতীয় পতাকা যথানিয়মে উত্তোলন করতে হবে। অর্ধনমিত রাখার ক্ষেত্রে পতাকা প্রথমে পতাকাদণ্ডের সর্বোচ্চ চূড়া পর্যন্ত উত্তোলন করতে হবে। এরপর পতাকা দণ্ডের এক-চতুর্থাংশের দৈর্ঘ্যের সমান নিচে নামিয়ে পতাকাটি স্থাপন করতে হবে।

নামানোর নিয়ম

ওই দিনই পতাকা নামানোর সময় ফের পতাকা দণ্ডের সর্বোচ্চ চূড়া পর্যন্ত উত্তোলন করা হবে। এরপর নামাতে হবে জাতীয় পতাকা।

অমিয়/

শিক্ষামন্ত্রীর ‘ফার্মের মুরগি’র প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৫ এএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম
শিক্ষামন্ত্রীর ‘ফার্মের মুরগি’র প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র আদলে বাংলাদেশে আত্মপ্রকাশ করেছে ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’।

টানা বৃষ্টি ও তীব্র জলাবদ্ধতার মাঝে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ‘ফার্মের মুরগি’ বা ‘ব্রয়লার’ বলে কটাক্ষ করার প্রতিবাদে জেন-জি শিক্ষার্থীরা এই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন।

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা এই ফেসবুক পেজটি চালু করেন।

কয়েকদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে চরম প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাজপথে নামেন।

এই আন্দোলনের মাঝেই একটি অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। অডিওটিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ‘ফার্মের মুরগি’ ও ‘ব্রয়লার’ বলে সম্বোধন করা হয়, যা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের জন্ম দেয়।

‘আমরা অপমানিত নই, আমরা জাগ্রত’এই কটূক্তির জবাবে শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ না হয়ে ব্যঙ্গাত্মক প্রতিবাদের পথ বেছে নেন। তারা ফেসবুকে ‘Broiler Chicken Party’ নামে একটি পেজ খোলেন।

পেজটির মূল স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে-‘আমরা অপমানিত নই, আমরা জাগ্রত’ (We are not insulted, We are awakened)। শিক্ষার্থীরা এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনের বিভিন্ন ছবি, ভিডিও এবং বিভিন্ন ব্যঙ্গাত্মক কনটেন্ট (মিম) প্রচার করছেন।

ভারতীয় ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সঙ্গে তুলনা করলে- এই প্রতিবাদের ধরন চলতি বছরের মে মাসে ভারতে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। সেখানে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বেকার তরুণদের ‘ককরোচ’ (তেলাপোকা) বা ‘পরজীবী’ বলে উল্লেখ করার পর প্রতিবাদ হিসেবে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ গঠিত হয়। বাংলাদেশেও ঠিক একই কায়দায় আপত্তিকর মন্তব্যের জবাব দিতে ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’ গঠন করা হলো।

রাজনৈতিক ও অনলাইন বিশ্লেষকদের মতে, এটি কোনো আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক দল না হলেও, বর্তমান প্রজন্মের প্রতিবাদের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও আধুনিক ডিজিটাল মাধ্যম। কটূক্তি বা অপমানকে সরাসরি সহিংসতায় রূপ না দিয়ে, ব্যঙ্গ ও রসাত্মক উপায়ে কীভাবে বড় আন্দোলন গড়ে তোলা যায়- এই ঘটনা তারই আরেকটি প্রমাণ।

আজহার/

ধোনির কানে থাকা এই ছোট্ট যন্ত্রের কাজ কী? ফাঁস হলো আসল রহস্য

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৭ এএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫১ এএম
ধোনির কানে থাকা এই ছোট্ট যন্ত্রের কাজ কী? ফাঁস হলো আসল রহস্য
ধোনির কানে থাকা সেই ডিভাইস। ছবি: সংগৃহীত
ভারত বনাম ইংল্যান্ড সিরিজ মানেই টানটান উত্তেজনা। আর সেই উত্তেজনা গ্যালারিতে বসে চেটেপুটে উপভোগ করতে দেখা গেল টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। নিজের জন্মদিন উদযাপনের পর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ দেখতে লর্ডসের গ্যালারিতে হাজির হয়েছিলেন মাহি।
 
ম্যাচ চলাকালীন ধোনির বেশ কিছু মিষ্টি মুহূর্তের ভিডিও ইতোমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। কখনো তাকে পাশে বসা এক খুদে সমর্থকের কাছ থেকে আবদার করে পপকর্ন চেয়ে খেতে দেখা গেছে, আবার কখনো ভক্তদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়তে দেখা গেছে। তবে এই সবকিছুর মাঝে ক্রিকেটপ্রেমীদের তীক্ষ্ণ নজর আটকে যায় অন্য একটি বিষয়ে-ধোনির কানে লাগানো একটি ছোট্ট ডিভাইসে!
 
ক্যাপ্টেন কুলের কানে ওই ছোট্ট সাদা রঙের ডিভাইসটি দেখার পর থেকেই নেটপাড়ায় জল্পনার ঝড় ওঠে। সাধারণ দর্শকরা ভাবছিলেন, গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার মাঝেই কি মাহি কোনো জরুরি ফোনে কথা বলছেন? কেউ কেউ এটিকে কোনো আধুনিক ব্লুটুথ ইয়ারফোন বা বিশেষ কোনো ওয়ারলেস অডিও ডিভাইস বলে মনে করছিলেন। বিসিসিআই বা ধোনির তরফ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না আসায় রহস্য আরও ঘনীভূত হয়।

আসল রহস্যটা কী?

খবরের ভেতরের খবর হলো, ধোনির কানে থাকা ওই ডিভাইসটি কোনো সাধারণ ব্লুটুথ হেডসেট বা গান শোনার ইয়ারফোন ছিল না। এটি আসলে একটি 'স্টেডিয়াম রেডিও রিসিভার'।
 
যুক্তরাজ্য তথা ইংল্যান্ডের ক্রিকেট স্টেডিয়ামগুলোতে এই প্রযুক্তির ব্যবহার বহু পুরনো। সেখানে ম্যাচ দেখতে আসা হাজার হাজার দর্শক এই বিশেষ ডিভাইসটি ব্যবহার করে থাকেন।
 
আজহার/

সবজির কেজি ১২০০, উপকারিতা কী?

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:২১ পিএম
সবজির কেজি ১২০০, উপকারিতা কী?
কাটরুয়া।

সাধারণত পুষ্টির খোঁজে মানুষ খাসি বা মুরগির মাংসের ওপর ভরসা রাখেন। কিন্তু উত্তরপ্রদেশের লখিমপুর খেরি জেলার তরাই অঞ্চলের জঙ্গলে মেলা একটি বিশেষ সবজির কাছে দাম ও পুষ্টি-উভয় দিক থেকেই হার মানবে যে কোনো নন-ভেজ পদ!

স্থানীয় মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় এই সবজিটির নাম ‘কাটরুয়া’। বর্তমানে বাজারে এর প্রতি কেজির দাম ঠেকেছে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকায়। অতি বিরল এবং পুষ্টিগুণে ঠাসা হওয়ায় ভোজনরসিকদের কাছে এটি ‘নিরামিষভোজীদের মাংস’ নামেও পরিচিত।

মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা স্বাদের জাদুকর

কাটরুয়া কোনো সাধারণ চাষের সবজি নয়, এটি মূলত বর্ষাকালে শাল ও সেগুন গাছের শিকড়ের নিচে প্রাকৃতিকভাবে জন্মায়। লোকচক্ষুর অন্তরালে মাটির নিচে বেড়ে ওঠা এই সবজিটি সংগ্রহ করতে স্থানীয় মানুষ জঙ্গলে পাড়ি জমান এবং মাটি খুঁড়ে তা বের করে আনে। বর্ষার এই বিশেষ উপহারের স্বাদ নিতে ভোজনরসিকরা সারা বছর অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। তবে মাটির নিচে জন্মানোর কারণে রান্নার আগে এটিকে খুব ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নেওয়া জরুরি।

এই ভেষজ সবজিটির পুষ্টিগুণের ভক্ত কেবল মানুষই নয়, জঙ্গলের প্রাণীরাও এর খোঁজে থাকে। বিশেষজ্ঞরা জানান, দুধওয়া জঙ্গলে বসবাসকারী বিভিন্ন প্রজাতির হরিণদের অত্যন্ত প্রিয় খাদ্য এটি। বর্ষার মরসুমে জঙ্গলজুড়ে হরিণদের প্রায়ই মাটি খুঁড়ে পরম তৃপ্তিতে কাটরুয়া খেতে দেখা যায়।

স্বাস্থ্যের এক অনন্য ভাণ্ডার

চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদদের মতে, কাটরুয়া ভিটামিন, খনিজ এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। এটি নিয়মিত ও পরিমিতভাবে খেলে শারীরিক দুর্বলতা, ক্লান্তি এবং অলসতা দূর হয় এবং শরীরের কর্মক্ষমতা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই সবজিটি দারুণ কার্যকর, যার ফলে এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত পথ্য। কাটরুয়ায় থাকা বিশেষ পুষ্টি উপাদান হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

আজহার/

গুগলে ‘সেভেন আপ খাওয়া দল’ লিখলেই আসছে ব্রাজিলের নাম

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১১:২৪ এএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১১:২৬ এএম
গুগলে ‘সেভেন আপ খাওয়া দল’ লিখলেই আসছে ব্রাজিলের নাম
ছবি: এআই

ফুটবল বিশ্বের পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। তবে যতটা না শিরোপার জন্য, তার চেয়েও বেশি এক বিব্রতকর রেকর্ডের কারণে আজও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসে দলটি।

গুগলে বাংলা ভাষায় ‘সেভেন আপ খাওয়া দল’ লিখে সার্চ করলেই ফলাফলে ভেসে ওঠে ব্রাজিলের নাম। 

অনেক ব্যবহারকারী বিষয়টি দেখে বিস্মিত হলেও এর পেছনে রয়েছে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় ও বেদনাদায়ক একটি ম্যাচ।

২০১৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্বাগতিক ব্রাজিল নিজেদের মাঠে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে হেরে যায়। বিশ্বকাপের ইতিহাসে ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় পরাজয়গুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয় এই ম্যাচ। সেই ঘটনার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্রাজিলকে নিয়ে অসংখ্য মিম, ট্রল ও ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে।

বাংলাদেশসহ উপমহাদেশে সফট ড্রিংক ‘সেভেন আপ’-এর নামের সঙ্গে সেই ৭ গোলের মিল টেনে ব্রাজিলকে ‘সেভেন আপ খাওয়া দল’ বলে ঠাট্টা করার প্রবণতা তৈরি হয়। 

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই বাক্যটি এতটাই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে, গুগলের সার্চ অ্যালগরিদমও বিভিন্ন ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট এবং অনলাইন কনটেন্টের ভিত্তিতে ব্রাজিলের সঙ্গে এই শব্দগুচ্ছের সম্পর্ক তৈরি করেছে।

তবে এটি গুগলের আনুষ্ঠানিক কোনো পরিচয় নয়। বরং ইন্টারনেটে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহারকারীদের তৈরি বিপুল পরিমাণ কনটেন্ট ও আলোচনার কারণে সার্চ ফলাফলে এমন সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সফল দল হওয়া সত্ত্বেও ২০১৪ সালের সেই ৭-১ গোলের হার এখনো ব্রাজিলকে তাড়া করে বেড়ায়। এক দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ফুটবল ভক্তদের রসিকতা এবং অনলাইন সংস্কৃতিতে ‘সেভেন আপ খাওয়া দল’ কথাটি ব্রাজিলের সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে।

তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিল সেই পুরোনো দুঃস্বপ্ন ভুলে নতুন করে নিজেদের প্রমাণের চেষ্টা করেছিল। গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে নকআউটে উঠে তারা শেষ ষোলোতে জাপানকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে। কিন্তু শেষ আটে নরওয়ের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে শিরোপার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। ফলে পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হয়।

তবুও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘সেভেন আপ খাওয়া দল’ প্রসঙ্গটি আবারও আলোচনায় এসেছে। আর্জেন্টিনা ও অন্য দলের অনেক সমর্থক গুগলে ওই শব্দগুচ্ছ লিখে ব্রাজিলের নাম দেখিয়ে বিভিন্ন পোস্ট ও মিম শেয়ার করছেন।