ঢাকা ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
জনবল নেবে ব্যাংক এশিয়া, দ্রুত আবেদন করুন ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে  ৩৯১ সাংবাদিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী: আসক হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ইউনিট-২-এর যাত্রা শুরু ২৬ ক্রীড়া ফেডারেশনের নতুন কমিটির সুপারিশ ডব্লিউইউবি-তে বিজনেস আইডিয়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন নীল-সাদা জার্সির ভাঁজে সময় কুকুরের আতঙ্কে ইবির শিক্ষার্থীরা বহিষ্কারের মুখে আর্জেন্টিনা? ৭৮ লাখ স্বাক্ষর সংগ্রহ রাস্তা কেন ভাগাড় হবে উচ্চশিক্ষার বিতর্কে করণীয় কী বাংলাদেশকে ১৭১ রানের লক্ষ্য দিল জিম্বাবুয়ে বরিশালে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সড়ক অবরোধ পরীক্ষা না আন্দোলন: সপ্তম দিনে অনুপস্থিত ২০০৫২ পরীক্ষার্থী জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার নিয়ম উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করল ব্রিটিশ হাইকমিশনের মানবিক সহায়তা দল ‘ডায়াবেটিস রোগীদের চোখের সেবায় রেটিনোপ্যাথি স্ক্রিনিং সেবা চালু হচ্ছে’ ভারতীয় রুপির চাহিদা ও বাংলাদেশ-ভারত পারস্পরিক নির্ভরশীলতা একদিনে হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর প্রাণহানি ভূমিরূপ পরিবর্তন অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র চট্টগ্রামে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দ্বিতীয় দিনের বিক্ষোভ বজ্রপাতের বিশ্বকাপ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নয়, এবার ৬ দফা দাবি নিয়ে সচিবালয়ে শিক্ষার্থীরা গ্রাইন্ডারে কাটা হলো দরজা, প্রবাসীর বাড়িতে দুঃসাহসিক লুটপাট র‌্যাংগসএক্স ও ডিএইচএল এক্সপ্রেস বাংলাদেশে নিয়ে এল ১৮ ইলেকট্রিক কার্গো ভ্যান জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের আয়োজনে ঢাকা রিজেন্সির এক্সক্লুসিভ অফার রাকাবের মাধ্যমে ঋণমুক্ত ২ লাখ ৪০ হাজার কৃষক পরিবার পরশুরামে বিজিবির ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ জলাবদ্ধতায় কেন্দ্র পরিবর্তন, বিকল্প কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষা খাল খনন করে চট্টগ্রামবাসীকে বন্যামুক্ত করা হবে: ত্রাণমন্ত্রী

‘ডায়াবেটিস রোগীদের চোখের সেবায় রেটিনোপ্যাথি স্ক্রিনিং সেবা চালু হচ্ছে’

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৬ পিএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৬:১১ পিএম
‘ডায়াবেটিস রোগীদের চোখের সেবায় রেটিনোপ্যাথি স্ক্রিনিং সেবা চালু হচ্ছে’
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। ছবি: খবরের কাগজ

ডায়াবেটিস রোগীদের চোখের সেবায় ‘ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি স্ক্রিনিং’ সেবা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কনফারেন্স রুমে ‘বাংলাদেশে অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও দৃষ্টিশক্তি হ্রাস কমাতে চক্ষু চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশেষ রোডম্যাপ’ শীর্ষক প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘ডায়াবেটিসের কারণে মানুষ যাতে দৃষ্টিশক্তি না হারায়, সেজন্য অন্তত জেলা পর্যায় পর্যন্ত দ্রুত ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি স্ক্রিনিং সেবা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। হেলথ ডিপ্লোম্যাসির মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতে এই পরিবর্তন নিয়ে আসব আমরা।’

প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জানান, চক্ষুসেবা নিশ্চিত করতে দেশি-বিদেশি সংস্থার সমন্বয়ে একটি সমন্বিত ‘ন্যাশনাল আই কেয়ার প্ল্যান’ গড়ে তোলা হচ্ছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী সপ্তাহে একটি ‘ন্যাশনাল স্টেকহোল্ডার ওয়ার্কশপ’ অনুষ্ঠিত হবে। আগামী আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে ‘স্পেক্স ২০৩০- ইনিশিয়েটিভ’।

চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. মুহিত বলেন, ‘দেশে এখন ১০ লাখ মানুষ ছানিজনিত কারণে অন্ধত্ব বরণ করেছেন। তাদের কাছে দ্রুত অস্ত্রোপচার সেবা পৌঁছানো আমাদের অগ্রাধিকার। দ্বিতীয়ত, গ্রামে-গঞ্জে চশমার অভাবে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে। মধ্যবয়সী কর্মক্ষম মানুষের উৎপাদনশীলতা প্রায় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ হ্রাস পাচ্ছে। আমরা সব বয়সী মানুষের জন্য বিনামূল্যে ও সহজে চশমা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে চাই।’

সভায় স্বাস্থ্য সচিব মো কামরুজ্জামান, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা এ এস এম ক্বাদির, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের ড. ওয়াতিন আলম উপস্থিত ছিলেন।

জয়ন্ত সাহা/রিফাত/

সাংবাদিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী: আসক

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:১২ পিএম
সাংবাদিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী: আসক
ছবি: সংগৃহীত

খুলনায় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। এক বিবৃতিতে আসক বলেছে, সাংবাদিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন বা সহিংসতার মাধ্যমে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করার যে কোনো প্রচেষ্টা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মানবাধিকারের পরিপন্থী। 

বুধবার (১৫ জুলাই) আসকের সিনিয়র সমন্বয়কারী আবু আহমেদ ফয়জুল কবির সাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়েছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের বরাত দিয়ে আসক বলেছে, গতকাল রাতে খুলনা নগরীর জাতিসংঘ শিশুপার্ক সংলগ্ন এলাকায় কয়েকজন সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্বপালন শেষে আড্ডায় ছিলেন। এ অবস্থায় মোটরসাইকেলে আসা সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা তাদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। গুলির স্প্লিন্টারের আঘাতে একজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। ঘটনাটি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং স্বাধীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

আসক মনে করে, সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের হামলা শুধু ব্যক্তির জীবন ও নিরাপত্তার ওপর আঘাত নয়; এটি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং জনগণের তথ্য জানার অধিকারের ওপরও সরাসরি আঘাত। অবিলম্বে এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছে। 

আলমগীর হোসেন/এসএন

পরীক্ষা না আন্দোলন: সপ্তম দিনে অনুপস্থিত ২০০৫২ পরীক্ষার্থী

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৪ পিএম
পরীক্ষা না আন্দোলন: সপ্তম দিনে অনুপস্থিত ২০০৫২ পরীক্ষার্থী
ছবি: সংগৃহীত

চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ঘিরে আন্দোলন এবং বৈরী পরিস্থিতির মধ্যে সপ্তম দিনের পরীক্ষায় ২০ হাজার ৫২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্য অনুযায়ী, চলতি পরীক্ষায় এটি অন্যতম সর্বোচ্চ অনুপস্থিতির রেকর্ড।

শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এর আগে বৈরী আবহাওয়া, ভারী বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার মধ্যে ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন ১৯ হাজার ৫৯২ জন পরীক্ষার্থী। সে তুলনায় বুধবার অনুপস্থিতির সংখ্যা আরও বেড়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয় পত্র ও হিসাববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে আরবি দ্বিতীয় পত্র এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা-২, উচ্চতর গণিত-২ ও উচ্চতর হিসাববিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৩৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৪ লাখ ৪১ হাজার ৭৩৮ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১২ হাজার ১০১ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৬৮ হাজার ৪৬১ পরীক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৬৩ হাজার ৬০৬ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৮৫৫ জন।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৮০ হাজার ৩০৪ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৭৭ হাজার ২০৮ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৯৬ জন।

বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেই পরীক্ষা নেওয়া এবং পরীক্ষার্থীদের ‘ফার্মের মুরগি’ বলে মন্তব্য করার প্রতিবাদে টানা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। বুধবার বিকেলে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব ও নীলক্ষেত এলাকা থেকে সচিবালয় অভিমুখে মিছিল বের করেন তারা।

নীলক্ষেত মোড়, রাজু ভাস্কর্য ও টিএসসি এলাকা অতিক্রম করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দিকে অগ্রসর হলে শিক্ষা ভবনের সামনে পুলিশ তাদের থামিয়ে দেয়। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলকে সচিবালয়ে প্রবেশ করে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ দেওয়া হয়।

এর আগে মঙ্গলবার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত ওই কর্মসূচি ঢাকা বোর্ড, সায়েন্স ল্যাব, উত্তরা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, বগুড়া, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদে শিক্ষার্থীদের নিয়ে করা মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

এসএন/

‘ডায়াবেটিস রোগীদের চোখের সেবায় রেটিনোপ্যাথি স্ক্রিনিং সেবা চালু হচ্ছে’

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৬ পিএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৬:১১ পিএম
‘ডায়াবেটিস রোগীদের চোখের সেবায় রেটিনোপ্যাথি স্ক্রিনিং সেবা চালু হচ্ছে’
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। ছবি: খবরের কাগজ

ডায়াবেটিস রোগীদের চোখের সেবায় ‘ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি স্ক্রিনিং’ সেবা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কনফারেন্স রুমে ‘বাংলাদেশে অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও দৃষ্টিশক্তি হ্রাস কমাতে চক্ষু চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশেষ রোডম্যাপ’ শীর্ষক প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘ডায়াবেটিসের কারণে মানুষ যাতে দৃষ্টিশক্তি না হারায়, সেজন্য অন্তত জেলা পর্যায় পর্যন্ত দ্রুত ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি স্ক্রিনিং সেবা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। হেলথ ডিপ্লোম্যাসির মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতে এই পরিবর্তন নিয়ে আসব আমরা।’

প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জানান, চক্ষুসেবা নিশ্চিত করতে দেশি-বিদেশি সংস্থার সমন্বয়ে একটি সমন্বিত ‘ন্যাশনাল আই কেয়ার প্ল্যান’ গড়ে তোলা হচ্ছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী সপ্তাহে একটি ‘ন্যাশনাল স্টেকহোল্ডার ওয়ার্কশপ’ অনুষ্ঠিত হবে। আগামী আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে ‘স্পেক্স ২০৩০- ইনিশিয়েটিভ’।

চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. মুহিত বলেন, ‘দেশে এখন ১০ লাখ মানুষ ছানিজনিত কারণে অন্ধত্ব বরণ করেছেন। তাদের কাছে দ্রুত অস্ত্রোপচার সেবা পৌঁছানো আমাদের অগ্রাধিকার। দ্বিতীয়ত, গ্রামে-গঞ্জে চশমার অভাবে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে। মধ্যবয়সী কর্মক্ষম মানুষের উৎপাদনশীলতা প্রায় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ হ্রাস পাচ্ছে। আমরা সব বয়সী মানুষের জন্য বিনামূল্যে ও সহজে চশমা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে চাই।’

সভায় স্বাস্থ্য সচিব মো কামরুজ্জামান, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা এ এস এম ক্বাদির, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের ড. ওয়াতিন আলম উপস্থিত ছিলেন।

জয়ন্ত সাহা/রিফাত/

একদিনে হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর প্রাণহানি

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম
একদিনে হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর প্রাণহানি
খবরের কাগজ ইনফোগ্রাফিক।

হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও পাঁচটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর হাম ও উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৯২টির বেশি শিশু।

বুধবার (১৫ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে মারা যাওয়া পাঁচটি শিশুর মধ্যে চারটি শিশুই ঢাকার। আর একজনের মৃত্যু হয় ময়মনসিংহে। নতুন করে আক্রান্ত হওয়া শিশুদের মধ্যে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৭২টি শিশুর।

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হাম উপসর্গে দেশে ৬৭৬টি শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানা গেছে। এ সময়ে হাম শনাক্তের পর মৃত্যু হয়েছে ৯৫টি শিশুর। এছাড়া এ পর্যন্ত মোট ৭৭১টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ১৬৪টি শিশুর। এ সময়ে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৩ হাজার ৯০৭টি শিশুর। হাম ও উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৬ হাজার ৮৭৮টি শিশু। আর হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৯৩ হাজার ২৬০টি শিশু।

গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে ৮৫১টি শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৮৭৭টি শিশু।

এএফ/

চট্টগ্রামে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দ্বিতীয় দিনের বিক্ষোভ

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫১ পিএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৩ পিএম
চট্টগ্রামে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দ্বিতীয় দিনের বিক্ষোভ
ছবি: খবরের কাগজ

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে চট্টগ্রামের এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করছেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে নগরের ২নং গেট এলাকায় কর্মসূচি শুরু করেন তারা। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (বিকেল সোয়া ৫টা) তারা সড়কের মাঝখানে অবস্থান করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন। এ সময় সড়কে যানজট তৈরি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।

এ সময় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা- ‘তুমি কে আমি কে, ফার্মের মুরগি’, ‘কে বলেছে, কে বলেছে, শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী’, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’- সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

এরআগে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) পরীক্ষার্থীরা ছয় দফা দাবিতে আন্দোলন করেছেন। চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড জানিয়েছে, তাদের দাবিগুলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

কিন্তু বুধবার বিক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা জানান, তাদের ছয় দফা দাবি মানা হয়নি। বরং ঢাকায় পরীক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে হামলা হয়েছে। এখন তাদের একটাই দাবি, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। দাবি না মানলে কঠোর কর্মসূচিতে যাবেন বলে জানান তারা।

চট্টগ্রাম সিটি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী মোহাম্মদ ওয়ালিদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আমরা ছয় দফা দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের দাবিগুলো না মেনে উল্টো আচরণ করা হচ্ছে। আমাদের এখন একটাই দাবি, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চাই।

উল্লেখ্য, এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত দুই দফায় প্রায় সাড়ে ৪ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রেখেছিলেন পরীক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে বিকেলে তারা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের একটি গেট খুলে সড়কে ফেলে দিলে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কর্মসূচি শেষ হয়।

শিক্ষার্থীদের ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে-

১) দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় যারা পুনরায় অংশ নিতে চায়, তাদের সেই সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

২) যারা একই বিষয়ের পরীক্ষা পুনরায় দেবে, তাদের ক্ষেত্রে আগের ও পুনঃপরীক্ষার ফলাফলের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বরটি চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য করতে হবে।
৩) প্রশ্নপত্রে থাকা ভুল প্রশ্নের জন্য শিক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দিতে হবে।

৪) চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে স্থিতিশীল হওয়ার জন্য কিছু সময় দিয়ে এরপর পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

৫) পূর্বঘোষণা ছাড়া প্রশ্নপত্রের ধরনে পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় শিক্ষার্থীদের কাছে অপরিচিত ছিল। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নম্বর মূল্যায়ন করতে হবে।

৬) পরীক্ষা চলাকালে ‘সচেতন গার্ড’-এর নামে কিছু শিক্ষকের কঠোর ও বিভ্রান্তিকর আচরণ বন্ধ করতে হবে, যাতে পরীক্ষার্থীরা ভীত বা মানসিক চাপে না পড়ে।

রিফাত/