ঢাকা ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
হারের পর কৌশলগত ও টেকনিক্যাল ভুলকে দায়ী করলেন এমবাপ্পে মার্কিন হামলার পঞ্চম দিনে ইরানে নিহত ২, আহত ২৬০ সবুজ বাংলাদেশ গড়তে শিশুদের অংশগ্রহণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঈশ্বরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ ব্যবসায়ীর জরিমানা চাকরি দেবে প্রাইম ব্যাংক চবি রেলস্টেশনে ছাত্রীকে হেনস্তা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার বিচারপতিকে গালিগালাজ মামলার বাদীর, ভারতের সুপ্রিম কোর্টে বিশৃঙ্খলা ক্রিয়াভেঞ্চার ৪.০ এর গ্র্যান্ড ফিনালে: চ্যাম্পিয়ন ‘স্টার্টআপ গ্রিড’ এই মাসেই দুই লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা নাচোলে এআই দিয়ে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অভিযোগে স্কুলছাত্র গ্রেপ্তার শান্তিচুক্তি থেকে বেরিয়ে গেল ইরান, হরমুজ নিয়ন্ত্রণের হুঁশিয়ারি টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক দুর্ঘটনায় শুঁটকি ব্যবসায়ীর মৃত্যু পাসপোর্ট নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়, ব্যাখ্যা দিলেন জয়সওয়াল পড়ে পাওয়া গল্পের ৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৯ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা ট্রাম্প-জাইদি বৈঠক: ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত একটি বাগানের বদলে জান্নাতের বাগান শিক্ষামন্ত্রীর ‘ফার্মের মুরগি’র প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’ নরসিংদীতে শিশুর পা ভাঙার অভিযোগে চাচিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামালা সেমিফাইনালের আগে বাংলাদেশকে কী বললেন স্কালোনি? চট্টগ্রামে সাদিয়াস কিচেনকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা কার্যবণ্টন বিধিমালা সংশোধনে মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে নির্দেশ ইরানে হামলার আশঙ্কায় ধর্মীয় স্থাপনায় সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে পরীক্ষাকেন্দ্র ম্যারাডোনার স্মৃতিতে অনুপ্রাণিত আর্জেন্টিনা ফাইনালে আর্জেন্টিনাকেই চায় স্পেন মোটরসাইকেলে স্কুলে যাওয়ার সময় ট্রাকের ধাক্কায় ২ শিক্ষার্থী আহত খুলনায় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তদের গুলি দুবাই স্টাইলে নতুন স্বাদে দুটি আইসক্রিম আনল পোলার লোহাগাড়ায় প্রাইভেটকার থেকে ২ এলজি উদ্ধার, যুবদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩ বরগুনায় প্রাথমিকের বৃত্তিতে আপন ৩ বোনের সাফল্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলার হুমকি ট্রাম্পের, মার্কিন অবরোধ পুনর্বহাল ও নতুন করে হামলা

শিক্ষামন্ত্রীর ‘ফার্মের মুরগি’র প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৫ এএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম
শিক্ষামন্ত্রীর ‘ফার্মের মুরগি’র প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র আদলে বাংলাদেশে আত্মপ্রকাশ করেছে ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’।

টানা বৃষ্টি ও তীব্র জলাবদ্ধতার মাঝে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ‘ফার্মের মুরগি’ বা ‘ব্রয়লার’ বলে কটাক্ষ করার প্রতিবাদে জেন-জি শিক্ষার্থীরা এই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন।

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা এই ফেসবুক পেজটি চালু করেন।

কয়েকদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে চরম প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাজপথে নামেন।

এই আন্দোলনের মাঝেই একটি অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। অডিওটিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ‘ফার্মের মুরগি’ ও ‘ব্রয়লার’ বলে সম্বোধন করা হয়, যা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের জন্ম দেয়।

‘আমরা অপমানিত নই, আমরা জাগ্রত’এই কটূক্তির জবাবে শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ না হয়ে ব্যঙ্গাত্মক প্রতিবাদের পথ বেছে নেন। তারা ফেসবুকে ‘Broiler Chicken Party’ নামে একটি পেজ খোলেন।

পেজটির মূল স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে-‘আমরা অপমানিত নই, আমরা জাগ্রত’ (We are not insulted, We are awakened)। শিক্ষার্থীরা এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনের বিভিন্ন ছবি, ভিডিও এবং বিভিন্ন ব্যঙ্গাত্মক কনটেন্ট (মিম) প্রচার করছেন।

ভারতীয় ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সঙ্গে তুলনা করলে- এই প্রতিবাদের ধরন চলতি বছরের মে মাসে ভারতে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। সেখানে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বেকার তরুণদের ‘ককরোচ’ (তেলাপোকা) বা ‘পরজীবী’ বলে উল্লেখ করার পর প্রতিবাদ হিসেবে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ গঠিত হয়। বাংলাদেশেও ঠিক একই কায়দায় আপত্তিকর মন্তব্যের জবাব দিতে ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’ গঠন করা হলো।

রাজনৈতিক ও অনলাইন বিশ্লেষকদের মতে, এটি কোনো আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক দল না হলেও, বর্তমান প্রজন্মের প্রতিবাদের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও আধুনিক ডিজিটাল মাধ্যম। কটূক্তি বা অপমানকে সরাসরি সহিংসতায় রূপ না দিয়ে, ব্যঙ্গ ও রসাত্মক উপায়ে কীভাবে বড় আন্দোলন গড়ে তোলা যায়- এই ঘটনা তারই আরেকটি প্রমাণ।

আজহার/

শিক্ষামন্ত্রীর ‘ফার্মের মুরগি’র প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৫ এএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম
শিক্ষামন্ত্রীর ‘ফার্মের মুরগি’র প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র আদলে বাংলাদেশে আত্মপ্রকাশ করেছে ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’।

টানা বৃষ্টি ও তীব্র জলাবদ্ধতার মাঝে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ‘ফার্মের মুরগি’ বা ‘ব্রয়লার’ বলে কটাক্ষ করার প্রতিবাদে জেন-জি শিক্ষার্থীরা এই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন।

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা এই ফেসবুক পেজটি চালু করেন।

কয়েকদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে চরম প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাজপথে নামেন।

এই আন্দোলনের মাঝেই একটি অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। অডিওটিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ‘ফার্মের মুরগি’ ও ‘ব্রয়লার’ বলে সম্বোধন করা হয়, যা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের জন্ম দেয়।

‘আমরা অপমানিত নই, আমরা জাগ্রত’এই কটূক্তির জবাবে শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ না হয়ে ব্যঙ্গাত্মক প্রতিবাদের পথ বেছে নেন। তারা ফেসবুকে ‘Broiler Chicken Party’ নামে একটি পেজ খোলেন।

পেজটির মূল স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে-‘আমরা অপমানিত নই, আমরা জাগ্রত’ (We are not insulted, We are awakened)। শিক্ষার্থীরা এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনের বিভিন্ন ছবি, ভিডিও এবং বিভিন্ন ব্যঙ্গাত্মক কনটেন্ট (মিম) প্রচার করছেন।

ভারতীয় ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সঙ্গে তুলনা করলে- এই প্রতিবাদের ধরন চলতি বছরের মে মাসে ভারতে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। সেখানে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বেকার তরুণদের ‘ককরোচ’ (তেলাপোকা) বা ‘পরজীবী’ বলে উল্লেখ করার পর প্রতিবাদ হিসেবে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ গঠিত হয়। বাংলাদেশেও ঠিক একই কায়দায় আপত্তিকর মন্তব্যের জবাব দিতে ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’ গঠন করা হলো।

রাজনৈতিক ও অনলাইন বিশ্লেষকদের মতে, এটি কোনো আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক দল না হলেও, বর্তমান প্রজন্মের প্রতিবাদের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও আধুনিক ডিজিটাল মাধ্যম। কটূক্তি বা অপমানকে সরাসরি সহিংসতায় রূপ না দিয়ে, ব্যঙ্গ ও রসাত্মক উপায়ে কীভাবে বড় আন্দোলন গড়ে তোলা যায়- এই ঘটনা তারই আরেকটি প্রমাণ।

আজহার/

ধোনির কানে থাকা এই ছোট্ট যন্ত্রের কাজ কী? ফাঁস হলো আসল রহস্য

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৭ এএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫১ এএম
ধোনির কানে থাকা এই ছোট্ট যন্ত্রের কাজ কী? ফাঁস হলো আসল রহস্য
ধোনির কানে থাকা সেই ডিভাইস। ছবি: সংগৃহীত
ভারত বনাম ইংল্যান্ড সিরিজ মানেই টানটান উত্তেজনা। আর সেই উত্তেজনা গ্যালারিতে বসে চেটেপুটে উপভোগ করতে দেখা গেল টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। নিজের জন্মদিন উদযাপনের পর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ দেখতে লর্ডসের গ্যালারিতে হাজির হয়েছিলেন মাহি।
 
ম্যাচ চলাকালীন ধোনির বেশ কিছু মিষ্টি মুহূর্তের ভিডিও ইতোমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। কখনো তাকে পাশে বসা এক খুদে সমর্থকের কাছ থেকে আবদার করে পপকর্ন চেয়ে খেতে দেখা গেছে, আবার কখনো ভক্তদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়তে দেখা গেছে। তবে এই সবকিছুর মাঝে ক্রিকেটপ্রেমীদের তীক্ষ্ণ নজর আটকে যায় অন্য একটি বিষয়ে-ধোনির কানে লাগানো একটি ছোট্ট ডিভাইসে!
 
ক্যাপ্টেন কুলের কানে ওই ছোট্ট সাদা রঙের ডিভাইসটি দেখার পর থেকেই নেটপাড়ায় জল্পনার ঝড় ওঠে। সাধারণ দর্শকরা ভাবছিলেন, গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার মাঝেই কি মাহি কোনো জরুরি ফোনে কথা বলছেন? কেউ কেউ এটিকে কোনো আধুনিক ব্লুটুথ ইয়ারফোন বা বিশেষ কোনো ওয়ারলেস অডিও ডিভাইস বলে মনে করছিলেন। বিসিসিআই বা ধোনির তরফ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না আসায় রহস্য আরও ঘনীভূত হয়।

আসল রহস্যটা কী?

খবরের ভেতরের খবর হলো, ধোনির কানে থাকা ওই ডিভাইসটি কোনো সাধারণ ব্লুটুথ হেডসেট বা গান শোনার ইয়ারফোন ছিল না। এটি আসলে একটি 'স্টেডিয়াম রেডিও রিসিভার'।
 
যুক্তরাজ্য তথা ইংল্যান্ডের ক্রিকেট স্টেডিয়ামগুলোতে এই প্রযুক্তির ব্যবহার বহু পুরনো। সেখানে ম্যাচ দেখতে আসা হাজার হাজার দর্শক এই বিশেষ ডিভাইসটি ব্যবহার করে থাকেন।
 
আজহার/

সবজির কেজি ১২০০, উপকারিতা কী?

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:২১ পিএম
সবজির কেজি ১২০০, উপকারিতা কী?
কাটরুয়া।

সাধারণত পুষ্টির খোঁজে মানুষ খাসি বা মুরগির মাংসের ওপর ভরসা রাখেন। কিন্তু উত্তরপ্রদেশের লখিমপুর খেরি জেলার তরাই অঞ্চলের জঙ্গলে মেলা একটি বিশেষ সবজির কাছে দাম ও পুষ্টি-উভয় দিক থেকেই হার মানবে যে কোনো নন-ভেজ পদ!

স্থানীয় মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় এই সবজিটির নাম ‘কাটরুয়া’। বর্তমানে বাজারে এর প্রতি কেজির দাম ঠেকেছে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকায়। অতি বিরল এবং পুষ্টিগুণে ঠাসা হওয়ায় ভোজনরসিকদের কাছে এটি ‘নিরামিষভোজীদের মাংস’ নামেও পরিচিত।

মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা স্বাদের জাদুকর

কাটরুয়া কোনো সাধারণ চাষের সবজি নয়, এটি মূলত বর্ষাকালে শাল ও সেগুন গাছের শিকড়ের নিচে প্রাকৃতিকভাবে জন্মায়। লোকচক্ষুর অন্তরালে মাটির নিচে বেড়ে ওঠা এই সবজিটি সংগ্রহ করতে স্থানীয় মানুষ জঙ্গলে পাড়ি জমান এবং মাটি খুঁড়ে তা বের করে আনে। বর্ষার এই বিশেষ উপহারের স্বাদ নিতে ভোজনরসিকরা সারা বছর অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। তবে মাটির নিচে জন্মানোর কারণে রান্নার আগে এটিকে খুব ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নেওয়া জরুরি।

এই ভেষজ সবজিটির পুষ্টিগুণের ভক্ত কেবল মানুষই নয়, জঙ্গলের প্রাণীরাও এর খোঁজে থাকে। বিশেষজ্ঞরা জানান, দুধওয়া জঙ্গলে বসবাসকারী বিভিন্ন প্রজাতির হরিণদের অত্যন্ত প্রিয় খাদ্য এটি। বর্ষার মরসুমে জঙ্গলজুড়ে হরিণদের প্রায়ই মাটি খুঁড়ে পরম তৃপ্তিতে কাটরুয়া খেতে দেখা যায়।

স্বাস্থ্যের এক অনন্য ভাণ্ডার

চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদদের মতে, কাটরুয়া ভিটামিন, খনিজ এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। এটি নিয়মিত ও পরিমিতভাবে খেলে শারীরিক দুর্বলতা, ক্লান্তি এবং অলসতা দূর হয় এবং শরীরের কর্মক্ষমতা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই সবজিটি দারুণ কার্যকর, যার ফলে এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত পথ্য। কাটরুয়ায় থাকা বিশেষ পুষ্টি উপাদান হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

আজহার/

গুগলে ‘সেভেন আপ খাওয়া দল’ লিখলেই আসছে ব্রাজিলের নাম

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১১:২৪ এএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১১:২৬ এএম
গুগলে ‘সেভেন আপ খাওয়া দল’ লিখলেই আসছে ব্রাজিলের নাম
ছবি: এআই

ফুটবল বিশ্বের পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। তবে যতটা না শিরোপার জন্য, তার চেয়েও বেশি এক বিব্রতকর রেকর্ডের কারণে আজও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসে দলটি।

গুগলে বাংলা ভাষায় ‘সেভেন আপ খাওয়া দল’ লিখে সার্চ করলেই ফলাফলে ভেসে ওঠে ব্রাজিলের নাম। 

অনেক ব্যবহারকারী বিষয়টি দেখে বিস্মিত হলেও এর পেছনে রয়েছে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় ও বেদনাদায়ক একটি ম্যাচ।

২০১৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্বাগতিক ব্রাজিল নিজেদের মাঠে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে হেরে যায়। বিশ্বকাপের ইতিহাসে ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় পরাজয়গুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয় এই ম্যাচ। সেই ঘটনার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্রাজিলকে নিয়ে অসংখ্য মিম, ট্রল ও ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে।

বাংলাদেশসহ উপমহাদেশে সফট ড্রিংক ‘সেভেন আপ’-এর নামের সঙ্গে সেই ৭ গোলের মিল টেনে ব্রাজিলকে ‘সেভেন আপ খাওয়া দল’ বলে ঠাট্টা করার প্রবণতা তৈরি হয়। 

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই বাক্যটি এতটাই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে, গুগলের সার্চ অ্যালগরিদমও বিভিন্ন ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট এবং অনলাইন কনটেন্টের ভিত্তিতে ব্রাজিলের সঙ্গে এই শব্দগুচ্ছের সম্পর্ক তৈরি করেছে।

তবে এটি গুগলের আনুষ্ঠানিক কোনো পরিচয় নয়। বরং ইন্টারনেটে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহারকারীদের তৈরি বিপুল পরিমাণ কনটেন্ট ও আলোচনার কারণে সার্চ ফলাফলে এমন সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সফল দল হওয়া সত্ত্বেও ২০১৪ সালের সেই ৭-১ গোলের হার এখনো ব্রাজিলকে তাড়া করে বেড়ায়। এক দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ফুটবল ভক্তদের রসিকতা এবং অনলাইন সংস্কৃতিতে ‘সেভেন আপ খাওয়া দল’ কথাটি ব্রাজিলের সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে।

তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিল সেই পুরোনো দুঃস্বপ্ন ভুলে নতুন করে নিজেদের প্রমাণের চেষ্টা করেছিল। গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে নকআউটে উঠে তারা শেষ ষোলোতে জাপানকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে। কিন্তু শেষ আটে নরওয়ের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে শিরোপার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। ফলে পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হয়।

তবুও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘সেভেন আপ খাওয়া দল’ প্রসঙ্গটি আবারও আলোচনায় এসেছে। আর্জেন্টিনা ও অন্য দলের অনেক সমর্থক গুগলে ওই শব্দগুচ্ছ লিখে ব্রাজিলের নাম দেখিয়ে বিভিন্ন পোস্ট ও মিম শেয়ার করছেন।

ম্যাচ বিরতিতে বারবার কুলকুচি কেন করেন ফুটবলাররা?

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৫ পিএম
ম্যাচ বিরতিতে বারবার কুলকুচি কেন করেন ফুটবলাররা?
ছবি: সংগৃহীত

ম্যাচ চলাকালীন বিরতি পেলেই ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, লিওনেল মেসি, হ্যারি কেন কিংবা কিলিয়ান এমবাপের মতো তারকা ফুটবলারদের মুখে পানি বা বিশেষ পানীয় নিয়ে কুলকুচি করে তা ফেলে দিতে দেখা যায়। অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে- তারা কেন এমন করেন?

২০২২ ফিফা বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেনকে একাধিকবার এভাবে কুলকুচি করতে দেখা গিয়েছিল। এরপর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। চলতি বিশ্বকাপে টুর্নামেন্টগুলোতেও এমবাপে, রোনালদোসহ অনেক ফুটবলারকে একই অভ্যাস অনুসরণ করতে দেখা গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পেছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিকভাবে ব্যাখ্যা করা কয়েকটি কারণ-

ঘন লালা দূর করতে

ম্যাচ চলাকালে তীব্র শারীরিক পরিশ্রমের কারণে খেলোয়াড়দের শরীরে ‘MUC5B’ নামের একটি শ্লেষ্মাজাতীয় উপাদানের পরিমাণ বেড়ে যায়। এর ফলে মুখের লালা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি ঘন ও আঠালো হয়ে যায়, যা গিলে ফেলতে অস্বস্তিকর হতে পারে। তাই অনেক ফুটবলার মুখে পানি নিয়ে কুলকুচি করে সেই ঘন লালা বাইরে ফেলে দেন।

মুখের শুষ্কতা কমাতে

দীর্ঘ সময় দৌড়ানোর সময় খেলোয়াড়রা প্রায়ই মুখ দিয়ে শ্বাস নেন। এতে মুখের ভেতরের আর্দ্রতা দ্রুত কমে যায়। একই সঙ্গে অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীরেও পানিশূন্যতা তৈরি হয়। ফলে মুখ শুকিয়ে যায় এবং গিলতে অসুবিধা হয়। পানি দিয়ে কুলকুচি করলে সাময়িকভাবে মুখের শুষ্কতা ও অস্বস্তি কমে।

‘কার্ব রিনসিং’-এর মাধ্যমে মস্তিষ্ককে সক্রিয় করতে

অনেক সময় ফুটবলাররা সাধারণ পানি নয়, বরং কার্বোহাইড্রেটসমৃদ্ধ বিশেষ স্পোর্টস ড্রিঙ্ক মুখে নিয়ে কয়েক সেকেন্ড কুলকুচি করে তা ফেলে দেন। এই পদ্ধতিকে বলা হয় ‘কার্ব রিনসিং’।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কার্বোহাইড্রেটযুক্ত তরল মুখে কিছুক্ষণ রাখলে মুখের রিসেপ্টরগুলো মস্তিষ্কে সংকেত পাঠায় যে শরীরে শক্তির জোগান আসছে। এর প্রতিক্রিয়ায় মস্তিষ্ক পেশিগুলোকে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার নির্দেশ দেয়। ফলে ক্লান্তি কিছুটা কম অনুভূত হয়, মনোযোগ বাড়ে এবং খেলোয়াড়রা সতেজ বোধ করেন।

পানীয়টি গিলে ফেলেন না কেন?

অনেকে ভাবতে পারেন, যদি এটি উপকারী হয়, তাহলে ফুটবলাররা পানীয়টি গিলে ফেলেন না কেন? এর কারণ হলো, ম্যাচ চলাকালে অতিরিক্ত তরল পান করলে পেট ভারী লাগা, অস্বস্তি বা পেট ফাঁপার মতো সমস্যা হতে পারে। তাই তারা পানীয়টি শুধু মুখে কিছুক্ষণ রেখে কুলকুচি করে ফেলে দেন। এতে কার্ব রিনসিংয়ের সুফল পাওয়া যায়, আবার অতিরিক্ত তরল পান করার ঝুঁকিও এড়ানো সম্ভব।

গবেষণায় দেখা গেছে, কার্ব রিনসিং সাময়িকভাবে ক্লান্তি কমাতে, মনোযোগ বাড়াতে এবং উচ্চমাত্রার শারীরিক পারফরম্যান্স ধরে রাখতে সহায়ক হতে পারে। তবে এটি শরীরে প্রকৃত শক্তি সরবরাহ করে না; বরং মস্তিষ্কের প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে কর্মক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। সূত্র: আনন্দবাজার

অমিয়/