ঢাকা ১ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ময়মনসিংহে অগ্রণী ব্যাংকের ‘বাংলা কিউআর’ প্রচারণায় মতবিনিময় সভা ইংল্যান্ড ম্যাচে আর্জেন্টিনার জয়ের রহস্য ফাঁস করলেন স্কালোনি মার্কিন সামরিক অবকাঠামোয় হামলা অব্যাহত রাখবে ইরান টুখেলের সমালোচনায় ইংল্যান্ডের কিংবদন্তিরা অর্থায়নের সূচনা অধ্যায়ের ৫টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র মাগুরায় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জাককানইবিতে মঞ্চস্থ হলো নাটক ‘একশ বস্তা চাল’ টমাস টুচেলের কৌশলগত ভুলে ফাইনালের স্বপ্নভঙ্গ ইংল্যান্ডের ‘পরিবারের জন্য কী রেখে এসেছ?’ উত্তরায় ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল এক ব্যক্তির বাহরাইন ও কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে ‘অপারেশন লাইটনিং’ ইরানের কাতারের আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা হস্তান্তর করলেন স্পিকার বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে হামলা ও ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান এই গোলের স্বপ্ন দেখেছি ছোটবেলা থেকেই: লাউতারো মার্তিনেস নবীগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে চালক নিহত হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল বন্ধ, ঝুঁকিতে জ্বালানি সরবরাহ আড়াইহাজারে তাঁত প্রশিক্ষণকেন্দ্র উদ্বোধন করলেন পাট প্রতিমন্ত্রী সমালোচকদের উদ্দেশ্যে যা বললেন মেসি যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের হাসপাতাল-সেনা ব্যারাক ক্ষতিগ্রস্ত দেশের ৮ জেলায় ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস ফটিকছড়িতে উপজেলা সদর দপ্তরের স্থান নির্ধারণের দাবিতে হরতাল চলছে জুলাই শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ইনসাফভিত্তিক দেশ গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির পাবলিক পরীক্ষা শুষ্ক মৌসুমে নেওয়া উচিত গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এমবাপ্পেকে ছাড়িয়ে এগিয়ে মেসি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ে পর যা বললেন মেসি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভটভটির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু তিতাস নদীর তীর ভরাট করায় এনসিপি নেতাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা ইরান ইস্যুতে প্রতিরক্ষা বিল আটকালেন ডেমোক্র্যাটরা চাপের মুখেই আর্জেন্টিনা নিজেদের সেরা ফুটবল খেলে: স্কালোনি মেট্রোরেলের ৭৩০ বিয়ারিং প্যাড ত্রুটিপূর্ণ, পিয়ার হেডে ফাটল

আবু সাঈদ হত্যার রায়: ৫ যুক্তিতে খালাস চেয়ে ৪ আসামির আপিল আজ

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৫ এএম
আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৯ এএম
আবু সাঈদ হত্যার রায়: ৫ যুক্তিতে খালাস চেয়ে ৪ আসামির আপিল আজ
ছবি: সংগৃহীত

২০২৪ সালের কোটাবিরোধী আন্দোলনকালীন বহুল আলোচিত-সমালোচিত ঘটনা রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ছাত্র আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ড। ওই বছরের ১৬ জুলাই আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে তিনি পুলিশের গুলিতে নিহত হন। ওই ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় দুজনকে মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ে বেরোবির সাবেক ভিসি হাসিবুর রশীদসহ মোট ৩০ আবু সাঈদকে সাজা দেওয়া হয়।

দণ্ডিতদের মধ্যে চারজন খালাস চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করবেন আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই)। তাদের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু গতকাল বুধবার দৈনিক খবরের কাগজকে এই তথ্য জানান। জানতে চাইলে তিনি বলেন, সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগে পাঁচটি যুক্তি তুলে ধরে তাদের খালাস চেয়ে এই আপিল করা হবে। 

তিনি জানান, যুক্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে–ভুক্তভোগী আবু সাঈদের পরনে ঘটনার সময় থাকা পোশাকে কোনো ছিদ্র ছিল না, কিন্তু বুকে বা পিঠে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেলে তো পরনের পোশাক ছিদ্র হওয়ার কথা। 

আরেকটি বিষয় হচ্ছে, গুলিবিদ্ধ হয়ে কেউ মারা গেলে তার শরীরে গুলি প্রবেশের ছিদ্র থাকার কথা। তা ছিল না। আবার শরীরে গুলি প্রবেশ করলে গুলিটি বের হওয়ার একটি ছিদ্র থাকার কথা। তাও ছিল না। সুরতহাল বা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন অনুসারে ভুক্তভোগীর পোশাক বা ত্বকে গুলির কোনো উল্লেখ নেই। অথবা গুলি যদি বের না হয়ে শরীরের ভেতরে থেকে যায়, তবে তা প্রমাণে এক্স-রে বা রেডিওগ্রাফিক টেস্টের প্রতিবেদনে থাকার কথা। তবে প্রসিকিউশন ট্রাইব্যুনালে তেমন কিছু উপস্থাপন করতে পারেনি। সুরতহাল প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, মাথার পেছন দিকে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে ভুক্তভোগী মারা গেছেন। ভুক্তভোগীর বাবাও লাশের গোসল দেওয়ার সময় মাথার পেছন দিকে আঘাতের চিহ্ন দেখেছেন বলে ট্রাইব্যুনালে বলেছেন।

এসব যুক্তি ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরা যেত–এই কথার জবাবে আইনজীবী বলেন, ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরেছি। তবে রায়ে এ নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি। আশা করি সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগ তা শুনবেন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবেন। ন্যায়বিচার শুধু আসামিদের জন্য না, ভুক্তভোগীর পরিবারের জন্যও দরকার। সন্তান হারানো মা-বাবা তো ন্যায়বিচারটুকু চাইতেই পারেন। কে তাদের সন্তানকে হত্যা করেছে–এই সত্য জানা তাদের অধিকার। উল্লেখ্য এরই মধ্যে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে।

গত ১৪ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় প্রকাশ করেন। এর আগে গত ৯ এপ্রিল ট্রাইব্যুনাল এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দুজনকে মৃত্যুদণ্ড, তিনজনকে যাবজ্জীবন, পাঁচজনকে ১০ বছর করে, আটজনকে ৫ বছর করে এবং ১১ জনকে ৩ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া একজনের হাজতবাসের সময়কে সাজার মেয়াদ হিসেবে গণ্য করা হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই দুজনসহ মোট চারজনের পক্ষে আজ আপিল করবেন বলে জানান আইনজীবী।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্তরা হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

১০ বছর করে সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. হাসিবুর রশিদ ওরফে বাচ্চু, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার মনিরুজ্জামান ওরফে বেল্টু, বেরোবির গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোক প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ওরফে আসাদ ও ছাত্রলীগের বেরোবি শাখার সভাপতি পোমেল বড়ুয়া। তারা সবাই পলাতক।

৫ বছর করে কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আরএমপির সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার শাহ নূর আলম পাটোয়ারী ওরফে সুমন, সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন ওরফে টিটু, সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ ওরফে দিশা, ছাত্রলীগের বেরোবি শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল হাসান ওরফে মাসুদ, বেরোবির অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহাবুবার রহমান ওরফে বাবু ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. সারোয়ার হোসেন ওরফে চন্দন।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন মো. মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামীম। আসামিদের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে ছিলেন আমিনুল গণি টিটো, আজিজুর রহমান দুলুসহ আরও কয়েকজন। পলাতক আসামিদের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী সুজাদ মিয়া। 

মিরপুর থানার আরেক মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক সচিব জিয়াউল

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৮ পিএম
মিরপুর থানার আরেক মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক সচিব জিয়াউল
ছবি: সংগৃহীত

চব্বিশের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের একটি মামলায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউলকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম শুনানি শেষে  পুলিশের করা আবেদন মঞ্জুর করেন। 

শুনানির সময় আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে আদালতসূত্র। 

রাজধানীর কাফরুল থানায় দায়ের হওয়া মাহবুব হাসান মামুন হত্যা মামলায় গত ৯ জুলাই জিয়াউলকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মো. আব্দুল আলীম। 

আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সঙ্গে আসামির সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। ন্যায় বিচারের স্বার্থে তাকে আসামি হিসাবে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো একান্ত প্রয়োজন।

কারাগারে থাকায় আসামির উপস্থিতিতে আবেদন শুনানির জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল। 

মামলার বিবরণে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ১৯ জুলাই রাজধানীর মিরপুর থানার বিআরটিএর সামনে আন্দোলনে অংশ নেন মাহবুব হাসান মামুন। বিকেল সাড়ে ৪টায় আসামিদের ছোড়া গুলিতে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। 

এ ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৬১ জনকে আসামি করে রাজধানীর কাফরুল থানায় হত্যা মামলা করেন নিহতের স্ত্রী। 

এম এ জলিল উজ্জ্বল/অন্তরা/

কোর্ট রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক ফল উৎসব অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৯ পিএম
কোর্ট রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক ফল উৎসব অনুষ্ঠিত
ছবি: খবরের কাগজ

আইন-আদালতের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ঢাকা কোর্ট রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আনন্দঘন পরিবেশে ‘বার্ষিক ফল উৎসব’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত ভবনের ৪র্থ তলায় জগন্নাথ- সোহেল স্মৃতি মিলনায়তনে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। 

অনুষ্ঠানে ঢাকার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলাম প্রধান অতিথি এবং মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এমন উৎসবে আমরা আনন্দিত। আমার চাকুরির জীবনে এ পর্যন্ত সাতবার অ্যাসোসিয়েশনের ফল উৎসবে অংশগ্রহণ করতে পেরেছি। এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।’ 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির বলেন, ‘বিচারকদের সৌজন্যে অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী ফল উৎসবে পূর্বেও অংশগ্রহণ করেছি। চমৎকার এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করে উচ্ছ্বসিত বলে জানান।’ 

কোর্ট রিপোর্টার সদস্যরা আইনজীবী ও সাংবাদিক। আইন আদালতের নিয়ম অনুসরণপূর্বক সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- সন্ত্রাস বিরোধী ট্রাইবুনালের বিচারক মো. আবদুল হালিম, দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালের বিচারক শ্যাম সুন্দর, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মুন্সী মশিয়ার রহমান, ভারপ্রাপ্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুর রহমান এবং চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তাফিজুর রহমানসহ অন্যান্য বিচাররা। 

এছাড়া মহানগর পিপি ওমর ফারুক ফারুকী, জেলা পিপি মো. ইকবাল হোসেন, বিডিআর হত্যা মামলার চিফ প্রসিকিউটর মো. বোরহান উদ্দিনসহ অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টাগণ ও কার্যকরি কমিটির নেতারাসহ অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। 

অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. জাকারিয়া হায়দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ মিজানুর রহমান। 

জলিল উজ্জ্বল/রিফাত/

কুড়িগ্রামে স্বামী হত্যার ২০ বছর পর স্ত্রী-প্রেমিকসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪১ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৬ পিএম
কুড়িগ্রামে স্বামী হত্যার ২০ বছর পর স্ত্রী-প্রেমিকসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন
প্রতীকী ছবি।
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার গোড়ক মন্ডল গ্রামে পরকীয়ার জেরে স্বামী কেতাব উদ্দিনকে হত্যার দায়ে স্ত্রী ও তার প্রেমিকসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
 
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা দায়রা আদালতের অতিরিক্ত বিচারক জয়নাল আবেদীন এই রায় দেন।

যাবজ্জীবন প্রাপ্ত আসামিরা হলেন,  স্ত্রী নুর নাহার, শাশুড়ি ছকিনা বেগম, শ্বশুর নুর মোহাম্মদ ও পরকীয়া প্রেমিক গফুর।

মামলা সুত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালের ১৮ এপ্রিল উপজেলার গোড়কমন্ডল গ্রামে স্ত্রী নুরনাহার তার স্বামীকে দাওয়াত খাওয়ার কথা বলে কৌশলে পাশ্ববর্তী তার প্রেমিকের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে স্ত্রী নুর নাহার ও তার বাবা-মা এবং তার পরকীয়া প্রেমিক মিলে কেতাব উদ্দিনকে হত্যা করে বাড়ির পাশের জমিতে মরদেহ ফেলে রাখেন।
 
পরদিন (১৯ এপ্রিল) কেতাব উদ্দিনের বাবা আলী মুদ্দিন বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে অভিযুক্ত ৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

মামলায় আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন, অ্যাডভোকেট মনোয়ার হোসেন আলো ও সরকার পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম। 
 
গোলাম মওলা সিরাজ/আজহার/
 
 

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ: ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন, ৪ জন খালাস

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০২:২৭ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৫২ পিএম
এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ: ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন, ৪ জন খালাস
ছবি: মামুন হোসেন, খবরের কাগজ

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি এই মামলা থেকে চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, রায়ে আসামি সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া আসামি শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইসলাম রনি ও অর্জুন লস্করকে যবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অন্য চার আসামি আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজন, রবিউল ও মাহফুজুর রহমানকে খালাস দেওয়া হয়।

এর আগে সকাল ৯টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আট আসামিকে আদালতে আনা হয়। এ সময় তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। 

দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মামলার আসামিরা এজলাসে থাকেন। এরপর সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার রায় ঘোষণা শুরু করেন।

২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে ২০ বছর বয়সী এক তরুণীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও দুজনকে আসামি করে শাহপরান থানায় মামলা করেন। ঘটনার পর আসামিরা পালিয়ে গেলেও তিন দিনের মধ্যে পুলিশ ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে আটজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়।

পরবর্তীতে আসামিরা আদালতে নিজেদের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। এছাড়া ডিএনএ পরীক্ষায় আট আসামির মধ্যে ছয়জনের সঙ্গে ধর্ষণের আলামতের সরাসরি মিল পাওয়া যায়। তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর শাহপরান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

তখন দেশজুড়ে আলোচিত হয় এই ধর্ষণকাণ্ড, তাই এ মামলার আসামি ধরা থেকে শুরু করে মামলার শুনানি ও বিচারিক কার্যক্রমের সবশেষ পর্যায়- রায়ের দিকে তাকিয়ে ছিলেন ভুক্তভোগী পরিবার, আইনজীবী, মানবাধিকারকর্মী এবং সাধারণ মানুষ। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর মামলাটি গত বছরের মে মাসে দ্রুত নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল থেকে বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর হয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। মামলায় ২৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের মধ্যে ওই গৃহবধূ, তার স্বামী, আসামিদের স্বীকারোক্তি নেওয়া ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, এমসি কলেজের অধ্যাপক, ওসমানী হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক রয়েছেন।

শাকিলা ববি/অমিয়/

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায় পড়া চলছে

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০১:০৬ পিএম
এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায় পড়া চলছে
আদালতে তোলা হয়েছে আট আসামিকে। ছবি: খবরের কাগজ

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর স্বামীকে আটকে রেখে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের বহুল আলোচিত মামলার রায় পড়া চলছে।

ঘটনার পাঁচ বছর ৯ মাস ১৮ দিন পর মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন।

রায় ঘোষণার আগে সকালে কারাগার থেকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে আট আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। এই রায়কে কেন্দ্র করে আদালতপাড়ায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল ৯টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আট আসামিকে আদালতে আনা হয়। এ সময় তারা নিজেদেরকে নির্দোষ দাবি করেন। বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মামলার আসামিরা এজলাসের ভেতরে ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার রায় ঘোষণা করছেন।

২০২০ সালের ৩ ডিসেম্বর চাঞ্চল্যকর এই ধর্ষণ মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহপরান থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য। মামলার আসামিরা হলেন, সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজন, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান ওরফে মাসুম।

অভিযোগপত্রে সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল ও মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজনকে দল বেঁধে ধর্ষণের জন্য অভিযুক্ত করা হয় এবং আসামি রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান ওরফে মাসুমকে ধর্ষণে সহায়তা করার জন্য অভিযুক্ত করা হয়। তারা সবাই ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত।

তৎকালীন দেশজুড়ে আলোচিত হয় এই ধর্ষণকাণ্ড। তাই এ মামলার আসামি ধরা থেকে শুরু করে মামলার শুনানি ও রায়ের দিকে তাকিয়ে আছেন ভুক্তভোগী পরিবার, আইনজীবী, মানবাধিকারকর্মী এবং সাধারণ মানুষ। রাষ্ট্রীয় পটপরিবর্তনের পর মামলাটি ২০২৫ সালের মে মাসে দ্রুত নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল থেকে বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর হয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। ইতোমধ্যে মামলায় ২৪ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের মধ্যে ওই গৃহবধূ, তার স্বামী, আসামিদের স্বীকারোক্তি নেওয়া ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, এমসি কলেজের অধ্যাপক, ওসমানী হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক রয়েছেন।

থিওটোনিয়াস/